Tourist Police, Bangladesh

Tourist Police, Bangladesh

Share

The official page of Tourist Police, Bangladesh.

Photos from Tourist Police, Bangladesh's post 27/04/2026

ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার কনফারেন্স রুমে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান জনাব মোঃ মাইনুল হাসান,বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি, অতিরিক্ত আইজিপি (চলতি দায়িত্ব) এর সভাপতিত্বে ট্যুরিস্ট পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মন্জুর মোর্শেদ আলম, ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, জনাব মোঃ রুহুল আমিন ,বিপিএম-সেবা ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা, জনাব বিধান ত্রিপুরা, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, চট্টগ্রাম বিভাগ, জনব সুলতানা নাজমা হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ রাজশাহী-রংপুর বিভাগ, জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং জনাব ডা: মোঃ এমদাদুল হক, পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি, খুলনা- বরিশাল বিভাগ। এছাড়াও ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর উর্ধ্বতন অফিসারবৃন্দ উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন। কল্যাণ সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সকল রিজিয়নের পুলিশ সুপারগণ এবং জোন ইনচার্জগণ ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

19/04/2026
15/04/2026

উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদযাপিত পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩

12/04/2026

সবার মঙ্গল কামনায় সাঙ্গু নদীতে ফুল ভাসিয়ে ফুল বিজু উদযাপন করলেন চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা। এর মধ্য দিয়ে পাহাড়ের এই সম্প্রদায়দের মধ্যে শুরু হলো বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের আয়োজন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ৭টায় বান্দরবানের সাঙ্গু নদীতে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের মানুষজন জলবুদ্ধ ও মা-গঙ্গাকে ফুল নিবেদনের মাধ্যমে বিজু ও বিষু উৎসবের সূচনা করেন।
পুরনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণে পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের যে আয়োজন, তারই একটি অংশ ফুল বিজু। বাংলা বর্ষপঞ্জির ২৯ চৈত্র ফুল বিজুর মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিকতা। এদিন বান্দরবানে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে বন থেকে সংগ্রহ করা বিজু, মাধবীলতা, রঙ্গনসহ নানা রকমের ফুল নদীতে ভাসিয়ে দেন। গঙ্গা দেবী ও উপগুপ্ত বুদ্ধের পুজা করেন চাকমা তরুণ-তরুণীরা। নদীর পাড়ে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে প্রার্থনা করা হয়।
ফুল বিজুতে অংশ নেওয়া মার্জিতা চাকমা বলেন, প্রতিবছর ১২ এপ্রিল পুরাতন বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো, গত বছর ভালো ছিলাম,আগামী বছরও ভালো থাকার আর্শীবাদ প্রার্থনা করে জলবুদ্ধ ও মা গঙ্গাকে ফুল দিয়ে পূজা করি সাঙ্গু নদীতে, সকলের মঙ্গল কামনা করি।
উজ্জল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, নদীতে ফুল দিয়ে পূজা করা আমাদের ঐতিহ্য। প্রতিবছর ১২ এপ্রিল তিন পার্বত্য জেলায় ১১টি সম্প্রদায় উৎসবমুখর পরিবেশে বিষু উৎসব উদযাপন করে থাকেন। জলবুদ্ধকে, মা গঙ্গাকে ফুল দিয়ে পূজা করে নিজের পরিবারের তথা সকলের মঙ্গল কামনা করে নদীতে ফুল নিবেদন করা হয়।
চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা তরুণ-তরুণীরা আরও বললেন, ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে আমাদের বর্ষবরণের আয়োজন শুরু হয়। এই ফুল বিজুর মাধ্যমে গঙ্গাদেবীর মঙ্গল কামনায় ও পুরানো বছরের সব দুঃখ, গ্লানি ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানাই আমরা।
বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি- এই তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত ১১টি জাতিগোষ্ঠীর (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক, ম্রো, খুমী, খেয়াং প্রমুখ) মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি জনপদে বইছে আনন্দের হাওয়া।
বিজু-বৈসু-বিষু উপলক্ষে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত নানা কর্মসূচির মধ্যে আরও রয়েছে-
১২ এপ্রিল: বিকেল ৫টা থেকে রাতব্যাপী রেইচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ঘিলা খেলা টুর্নামেন্ট।
১৩ এপ্রিল: সাংগ্রাইং র‍্যালি ও বয়স্ক পূজা।
১৪ এপ্রিল: বান্দরবানের বৌদ্ধ বিচারগুলোতে বুদ্ধ মূর্তি স্নান, রাতে পিঠা তৈরি।
১৫ এপ্রিল: কাঙ্ক্ষিত মারমা সম্প্রদায়ের রিলংবোই (মৈত্রী পানি বর্ষণ খেলা)।
পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণে পার্বত্য চট্টগ্রামে ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমা-তঞ্চঙ্গ্যাদের বিজু উৎসবকে একসঙ্গে ‘বৈসাবি’ও বলা হয়।
এ ছাড়াও বান্দরবানের সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে সপ্তাহব্যাপী নানা আয়োজনে মুখর থাকবে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনপদ।

12/04/2026

**কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হারিয়ে যাওয়া ৮ শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের নিকট ফিরিয়ে দিল ট্যুরিস্ট পুলিশ।**

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ভ্রমণে এসে অসাবধানতাবশত হারিয়ে যাওয়া ৮ শিশুকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। গত ২৫ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এসব উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে সুগন্ধা বীচ এলাকা থেকে কুমিল্লার নাসের বিন রাইয়ান (৫) ও আব্দুল্লাহ ইউসুফ (৭), চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মোঃ আবির (৮), চট্টগ্রামের নাফিজা (৫) এবং ঢাকার রামপুরার শিশু মোঃ আমান (৪) হারিয়ে যায়। এছাড়া ২৫ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জের শিশু আনাম (৪) ও কক্সবাজার সদরের আব্দুর রহমান (৪) এবং ৩০ মার্চ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে আসা শিশু মোছাঃ ইয়াছমিন আক্তার (১৬) ভিড়ের মধ্যে নিখোঁজ হয়।

শিশুরা হারিয়ে যাওয়ার পরপরই তাদের অভিভাবকগণ সৈকতে ডিউটিরত ট্যুরিস্ট পুলিশের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের অফিসার ও ফোর্স তাৎক্ষণিক সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি শুরু করেন এবং মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করেন। নিরলস প্রচেষ্টায় একে একে প্রতিটি শিশুকে উদ্ধার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে অভিভাবকত্বের সঠিক প্রমাণ সাপেক্ষে শিশু ইয়াছমিন আক্তার, নাসের বিন রাইয়ান, আব্দুল্লাহ ইউসুফ, মোঃ আবির, নাফিজা, মোঃ আমান, আব্দুর রহমান ও আনামকে স্ব-স্ব পিতামাতার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য যে, এ সংক্রান্তে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৪৯৫, তারিখ: ২৬/০৩/২০২৬ খ্রিঃ) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

নিজেদের সন্তানদের ফিরে পেয়ে অভিভাবকগণ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ ও দায়িত্বশীলতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সহায়তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে শিশু ও নারী পর্যটকদের সুরক্ষায় সৈকতে আমাদের বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্র সৈকতে শিশুদের সাথে রাখার সময় অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

12/04/2026

পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরের আবাহনে আজ থেকে পাহাড়ে শুরু হয়েছে চাকমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তিন দিনব্যাপী বিজু উৎসব। উৎসবের প্রথম দিন অর্থাৎ ‘ফুল বিজু’তে আজ ভোরেই নদী, ছড়া ও ঝরনার জলে ফুল ভাসিয়ে সুন্দর পৃথিবীর জন্য প্রার্থনা করেছেন চাকমা নারী-পুরুষ ও শিশুরা। ঐতিহ্যবাহী পিনন-হাদি ও ধুতি পরে বর্ণিল সাজে সেজে তারা ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে এবং একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে উৎসবের সূচনা করেন। পানছড়ির চেঙ্গী নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ আর নাতি-নাতনিদের উচ্ছ্বাসে এক মৈত্রীর বন্ধন তৈরি হয়েছে, যেখানে সবার মুখে ফুটে উঠেছে মিলেমিশে থাকার ও বিশ্ব শান্তির আকুতি।

09/04/2026

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক উৎসব এবার আর সম্মিলিত ‘বৈসাবি’ নামে নয়, বরং প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব নামে—বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান ও চাংক্রান নামে উদযাপন করবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, সব জাতিসত্তার স্বকীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ।

উৎসবে যা থাকছে:

১২ এপ্রিল থেকে উৎসবের সূচনা।

বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও ঢাকার রমনা লেকের জলে ফুল ভাসানোর চিরাচরিত কর্মসূচি।

নিজস্ব ঐতিহ্য ও উৎসবের আমেজে পাহাড়ে বর্ষবরণ।

পাহাড়ের প্রতিটি জনপদ তাদের নিজস্ব সত্তায় রাঙিয়ে তুলুক এবারের উৎসব। শুভ হোক আগাম উৎসবের দিনগুলো!
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

09/04/2026
Photos from Tourist Police, Bangladesh's post 06/04/2026

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটন স্পটে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় সদা তৎপর ট্যুরিস্ট পুলিশ।

Photos from Tourist Police, Bangladesh's post 06/04/2026

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও পর্যটন স্থান ভ্রমণের মাধ্যমে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে। শিক্ষার্থীদের এই জ্ঞান আহরণের পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

https://touristpolice.portal.gov.bd/

Address


Fareast Tower (8-10th Floor), 35 Topkhana Road, Purana Paltan
Dhaka