11/04/2025
একটি ফোনকল, এক মিনিটের সিদ্ধান্ত এবং এক মাসের যাত্রা
একদিন দুপুরে হঠাৎই ফোন আসে প্রফেসর ইউনুসের কাছ থেকে। তিনি সরাসরি বললেন,
“আশিক, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ এসেছে। তুমি আসবে তো?”
একটা মুহূর্তও দেরি করিনি।
নন্দিনীকে জিজ্ঞেস করিনি, কারণ জানতাম—আমার সিদ্ধান্তে ও কখনও বাধা হবে না।
সে একটা ৫৯ সেকেন্ডের হোয়াটসঅ্যাপ কলে আমি সিঙ্গাপুরের বিলাসবহুল, নিরাপদ, গোছানো জীবন পেছনে ফেলে দিলাম।
চলে এলাম বাংলাদেশে। দায়িত্ব নিলাম বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের—সংক্ষেপে BIDA—যেখানে কাজ আমার দেশের জন্য, দেশের মানুষদের জন্য।
বন্ধুরা মজা করে বলে, “তুই তো এখন দেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার!”
তবে এই দায়িত্ব শুধু সম্মানের নয়—একটা বিশাল চাপ, বিশাল প্রত্যাশা, আর তার চেয়েও বড় দায়।
এই এক মাসে কোনও সপ্তাহে ছুটি কাটাইনি। শুক্র-শনিবার মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৬-১৮ ঘণ্টা কাজ করছি।
প্রায় আড়াইশো সিইও, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি।
চেষ্টা করছি বুঝতে—তাদের কোথায় বাধা লাগে, কেন নতুন বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, আর আমরা প্রশাসনিকভাবে কীভাবে এই সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে পারি।
আমার কাজ হলো নতুন বিনিয়োগ আনা, দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, এক কথায়—বাংলাদেশকে তুলে ধরা বিশ্বের বাণিজ্য মানচিত্রে।
আমরা একটা জনগণের সরকার। আমাদের কাছে প্রত্যাশা অনেক বেশি—এবং সেটা হওয়াই স্বাভাবিক।
জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে এই জায়গাটা মিলে যায়—সবার চাওয়া আমরা জিতি, সবসময় ভালো পারফর্ম করি।
কিন্তু পরের বলটা একটু খারাপ হলেই চারদিক থেকে হু-হু করে ওঠে সমালোচনার ঝড়—কে দলে থাকবে, কে বাদ যাবে, ফিল্ডিং কেন এমন হল—সব কিছু নিয়েই কথা।
তেমনি, আমরাও প্রতিনিয়ত যাচাইয়ের মধ্যে আছি। কাজের ফলাফলে একটু খামতি হলে তার বিশ্লেষণ শুরু হয়, সমালোচনাও আসে।
তবুও এটা মেনে নেওয়া শিখেছি—কারণ দেশটা আমাদের। মানুষ বলবেই। তাদের বলার অধিকার আছে, কারণ আমরাই তাদের প্রতিনিধিত্ব করছি।
দিন শেষে যখন বাড়ি ফিরি, ফোনটাও তখনো বাজতে থাকে। মেইল-টেক্সট-হোয়াটসঅ্যাপে জমে থাকা মেসেজের ভিড়ে চোখ রাখি।
তারপর হালকা ক্লান্ত মনে ফেসবুক খুলে দেখি—সমালোচনার নতুন ঢেউ। এমনকি কখনও কখনও মনে হয়, আমার নিজের স্ত্রীও বুঝি বিরোধী দলে!
তখন নিজেকে বোঝাই—এইটাই তো বাস্তবতা। গণতন্ত্র মানেই ভিন্নমত, মানেই প্রশ্ন তোলা।
তাই আমরা ভুল করব, আবার শিখব, আবার শুধরাবো।
ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে—দেশটা এগোবে। আমরাও এগোবো।
এই এক মাসে বুঝেছি—দেশে কাজ করা মানে শুধু চেয়ারে বসে থাকা নয়, না ঘুমিয়ে, না খেয়ে একের পর এক মিটিং করা।
নতুন আইডিয়া খুঁজে বের করা, নীতিমালায় পরিবর্তন আনা, আমলাতান্ত্রিক জট ছাড়িয়ে উদ্যোক্তাদের জন্য পথ সুগম করা।
সবার চোখে এটা “চাকরি” হলেও, আমার কাছে এটা একধরনের “মিশন”।
13/09/2024
Every Business
Starts Small !
29/08/2023
বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন প্রোগ্রাম ২০২৩ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের ১০০ তরুণ ভারত সরকারের অর্থায়নে দেশটি সফরের সুযোগ পাবেন। ভারতের অর্থনীতি, প্রযুক্তি, শিল্প-সংস্কৃতি ও ইতিহাসবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানগুলোয় ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের ১০০ জন তরুণ প্রতিনিধিকে নির্বাচন করা হবে।
আবেদন লিংক কমেন্টে
28/07/2023
The journey of EDC Voice begins []
Everyone is eager to hear the success stories of entrepreneurs, but no one wants to hear the cry of failures. If you look at the reason of failure of the failure of the failures, the golden deer named "success" remained unstoppable due to small mistakes. Those who are successful today after overcoming these mistakes, if they showed a little way, then these unfortunate entrepreneurs would not have been defeated, they would not have been lost.
This is what EDC wants to do. Those who have advanced a little, will never lack institutions to take it further. But there is a huge lack of institutions to take forward these backward people. The work is hard and wants to take on the challenge.
We will tell stories, listen stories- no matter how small initiative it may be, whether it is about the fuel business in the remote areas without electricity, gas, whether it is the talk of agricultural initiative of the hill bride, laughter-sadness, not able to feed the house after losing capital, the little educated entrepreneur who took the family by leaving his father in childhood Talk, about that talented young man who went out to be an entrepreneur, who runs away from friends who got salary of lakhs of rupees in extreme pain. EDC wants to stand beside them with utmost affection, turn the tears of gloom of defeat into tears of joy in pursuit of success, make the stalled path more dynamic.
EDC is adding numerous large industries, domestic/foreign banks & financial institutions, domestic/ foreign NGOs, electronic, print & digital media, domestic/ Foreign social entrepreneurship development centres, professional training centers, nationwide wide Volunteer Association, domestic / foreign government private universities, research institutions, IT institutions, successful entrepreneurs, successful NRB, digital marketing com More with water Several organizations and continuously growing collabers.
The EDC team is working tirelessly to take forward this huge program. We want you to be beside us in this initiative of ours. However small your initiative is, you are not small to us. Zuckerberg, Steve Jobs, Billgates, our Khan or Jawad were born one day from this small initiative.
EDC will be an open platform, a huge common platform to spread your initiative, from where your words, your products will be spread across all social media including Facebook, Twitter, YouTube, spread to thousands of people.
25/07/2023
#বাংলাদেশে_মাদ্রাসা_ব্যাকগ্রাউন্ডের_চাকুরিপ্রার্থীরা_কি_বৈষম্য_ফেস_করে?
এগ্রিকালচারাল এন্ড অ্যাপ্লায়েড ইকোনোমিক্স অ্যাসোসিয়েশনের কনফারেন্সে আজকে প্রেজেন্ট করছি বাংলাদেশের চাকরির বাজারে বৈষম্য নিয়ে আমাদের একটা গবেষণার পোস্টার "Labor Market Discrimination in Bangladesh: An experimental Evidence from the job market of college graduates" শিরোনামে! অ্যাপ্লায়েড ইকোনোমিক্সের সবচেয়ে বড় কনফারেন্স এটা; সারা দুনিয়ার প্রায় ১৫০০ অর্থনীতিবিদরা অংশগ্রহন করছেন এখানে।
এই স্টাডিতে আমরা দেখার চেষ্টা করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা একজন চাকরিপ্রার্থী তার হাইস্কুল (এসএসসি এবং এইচএসসি) কোন ধরণের প্রতিষ্ঠানে পড়েছে (মাদ্রাসা বা জেনারেল স্কুল), তার জেন্ডার, কিংবা ধর্মীয় পোশাক (যেমন- ছেলেদের ক্ষেত্রে দাঁড়ি-টুপি, মেয়েদের হিজাব) পরার কারণে কোন ধরণের বৈষম্যের শিকার হয় কিনা! বৈষম্য থাকলে তার মাত্রা কতটুকু এবং বিভিন্ন সেক্টরে সেটা কিভাবে ভ্যারি করে?
গবেষণাটি করার জন্য আমরা চারজন পুরুষ ও চারজন নারীর মোট ৮টা কাল্পনিক সিভি (fictitious resume) বানিয়েছি। যারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছে একই বা কাছাকাছি ধরণের বিভাগ থেকে; এবং তাদের অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ও অন্যান্য যোগ্যতা সমান রাখা হয়েছে।
চারজন পুরুষের দুজন মাদ্রাসা থেকে দাখিল আলিম পাশ করা, দুজন জেনারেল স্কুল থেকে এসএসসি এইচএসসি পাশ করা। মেয়েদের ক্ষেত্রেও তাই। তাদের ছবিগুলোতে আমরা একজনকে ধর্মীয় পোশাক সহ (দাঁড়ি-টুপি/হিজাব), আরেকজন জেনারেল পোশাকে রেখেছি; মাদ্রাসা এবং স্কুল দুই ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষেত্রেই।
তারপর সেই কাল্পনিক সিভিগুলো আমরা পাঠিয়েছি চারটা সেক্টরে- এনজিও, মিডিয়া, কর্পোরেট, এবং আইটি। প্রায় দশ মাস ধরে বিডিজবস, প্রথমআলোজবস সহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলো ফলো করে আমরা প্রতিটা জবে আটটা করে সিভি পাঠিয়েছি। সর্বমোট ৪০৬ টা জবে ৩২৪৮ টা সিভি।
আমরা দেখতে চেয়েছি একজন এমপ্লয়ার প্রথমিক বাছাইয়ের পর কাদেরকে ইন্টারভিউ বা লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকে। প্রত্যেক সিভির বিপরীতে একটা করে ফোন নাম্বার ও ইমেইল আইডি ছিলো যা আমাদের দুজন গবেষণা সহকারী যত্নের সাথে মেইনটেইন করেছে।
সংক্ষেপে আমাদের ফান্ডিংসগুলো হচ্ছেঃ
১) ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা গ্রাজুয়েট যাদের দাখিল আলিম মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড ছিলো, অন্যান্য সকল যোগ্যতা সমান থাকার পরেও তারা চাকরির বাজারে বৈষম্যের শিকার হয়। জেনারেল স্কুল ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্যান্ডিডেটদের সমান সংখ্যক ইন্টারভিউ কল পেতে হলে তাদেরকে ওভারঅল অন্তত ৪০% বেশি চাকরিতে আবেদন করতে হয়। পুরুষদের জন্য সেটা ৯৬%। আমরা যদি শুধু মাদ্রাসা ও স্কুল ব্যাকগ্রাউন্ডের দুজন ক্লিনশেভ করা পুরুষের মধ্যে তুলনা করি তাহলে দেখা যাচ্ছে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রার্থীকে ১৭১% বেশি চাকরিতে আবেদন করতে হবে সমান সংখ্যক ইন্টারভিউয়ের ডাক পেতে। সব সেক্টরেই এই বৈষম্য বিভিন্ন মাত্রায় বিদ্যমান।
২) একইভাবে দাঁড়ি-টুপি, হিজাবের জন্যও বৈষম্য বিদ্যমান। তবে এক্ষেত্রে হিজাবী নারীদের চেয়ে দাঁড়ি-টুপি আছে এমন পুরুষ প্রার্থীরা বেশি বৈষম্যে ফেস করেন। এনজিওতে হিজাবের কারনে বৈষম্য না থাকলে দাঁড়ি-টুপি বা মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের কারনে পুরুষরা কম কল পেয়েছে। ধর্মীয় পোশাকের কারনে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য হয় মিডিয়া ও কর্পোরেট সেক্টরে।
৩) জেন্ডারের ভিত্তিতে আমরা উল্লেখযোগ্য কোন ভিন্নতা দেখি নি। এনজিওর চাকরিতে বরং নারীরা অনেক প্রায়োরিটি পায় (সেখানে পুরুষ ক্যান্ডিডেটরা বরং বৈষম্য ফেস করে)। নারীর প্রতি বৈষম্যতার বিরুদ্ধে গত দু-তিন দশকের সচেতনতার সুফল হিসেবে এটা হয়েছে। তবে নারীরা তুলনামূলক কম বেতনের চাকুরিতে এবং ক্লায়েন্ট-ইন্টারেকশান বেশি এ ধরণের চাকুরিতে বেশি কল পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমলেও নারীদের কম বেতনের জবে প্রাইয়োরিটি এখনো বেশি। আমাদের অনুমান ছিলো এনজিও এবং মিডিয়াতে নারীরা বেশি কল পাবে। ইন্টারেস্টিংলি, মিডিয়া জবে নারীরা তুলনামূলক কম কল পেয়েছে। সমান যোগ্যতার নারী ও পুরুষ আবেদন করলে মিডিয়া পুরুষ প্রার্থীকে তুলনামূলক বেশি প্রায়োরিটি দেয়।
আমার সাথে সহ-গবেষক হিসেবে ছিলেন মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক ও একজন সহযোগী অধ্যাপক, এবং বিশ্বব্যাংকের ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ গ্রুপের একজন লিড ইকোনোমিস্ট।
বাংলাদেশে জব মার্কেটে বৈষম্য আছে বলে মানুষের মধ্যে পারসেপশান থাকলেও এব্যাপারে কোন রিসার্চ-ইভিডেন্স নেই। এটা প্রথম গবেষণা যার মাধ্যমে বৈষম্যের বিদ্যমানতা প্রমাণিত হয়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়েও হাইস্কুল ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে জব মার্কেটে বৈষম্য অনুসন্ধান করার গবেষণা এটি প্রথম। অত্যন্ত অবজেক্টিভ জায়গা থেকে বৈষম্য যাচাই করার ক্ষেত্রে দুনিয়া জুড়ে এ পদ্ধতি (audit/correspondence experiment) খুবই প্রশংসনীয় একটা পদ্ধতি। যুক্তরাষ্ট্র সহ অনেক দেশেই বর্ণ, লিঙ্গ, ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্য অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অনুসরণ করে অনেক গবেষণা করা হয়েছে।
আশা করি বাংলাদেশের পলিসি-মেকাররা এ গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে চাকরির বাজারের বৈষম্য দূরিকরণে ভুমিকা রাখবে, যথোপযুক্ত পলিসি নির্ধারণ করবে। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট চাকরি প্রার্থীদের সিভিতে ছবি ও এসএসসি এইচএসসি বা সমমানের পর্যায়ের ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্য মেনশান করার প্রথা বাতিল করা উচিত। দুনিয়ার কোথাও এসএসসি এইচএসসির তথ্য দিতে হয় না, ছবি তো তার আগেই বাদ। তাহলে হাইস্কুল বা পরিচ্ছদের ভিত্তিতে প্রাথমিক বাছাইতে বৈষম্য করার মাত্রা কমবে। শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতেই চাকরি হবে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগ্যরা ভূমিকা রাখতে পারবে। দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশ লাভবান হবে।
নোটঃ অন্যান্য যেসব বৈশিষ্ট্যের কারনে বায়াস হতে পারে সেগুলো আমরা কন্ট্রোল করেছি। যেমন হাইস্কুল বা মাদ্রাসাগুলো মোটামুলি সমমানের রেখেছি, হাইস্কুল জিপিএ, বিভাগ সমান রেখেছি। মাদ্রাসায় যেহেতু বানিজ্য বিভাগ নেই সেহেতু স্কুলের ক্যান্ডিডেটদের ক্ষেত্রেও আমরা সেটা রাখি নি। ইংলিশ মিডিয়াম বা ইংলিশ ভার্সনের স্কুল বা মাদ্রাসা রাখা হয় নি যাতে ইংলিশে ভালো বা উচ্চবিত্ত মনে করে বায়াস না হয়।
প্রার্থীদের নাম, ঠিকানা, ছবিগুলো এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে নাম-ঠিকানা দেখে এলিট-ক্লাসের মনে করে বায়াস তৈরি না হয়।
প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা, রেজাল্ট, কো-কারিকুলাম অভিজ্ঞতা, ও অন্যান্য দক্ষতা সমান রাখা হয়েছে। যেসব জবের জন্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হতে পারে সেখানে সব প্রার্থীদের IELTS স্কোর মেনশান করা হয়েছে যাতে বুঝা যায় সবার ইংরেজির দক্ষতা সমান।
জবগুলোতে যে ধরণের যোগ্যতা-দক্ষতা চেয়েছে আমরা সিভিগুলো সেভাবেই সাজিয়েছি যাতে সিভি দেখে ওভার-কোয়ালিফায়েড বা আন্ডার-কোয়ালিফায়েড মনে না হয়। আমাদের এক্সপার্ট গবেষণা সহকারীরা অনেক পরিশ্রম করেছে, তাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ।
পোস্টারটার অনলাইন লিংক দিচ্ছি কমেন্টে!