14/08/2024
আমরা নারী নেতৃত্ব চাই না, চাই একজন ন্যায়পরায়ন পুরুষ শাসক।
এমন কারো কাছে ক্ষমতা যাক, যার ভিতরে শিক্ষা আছে মানবতা আছে, বিবেক আছে, স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস আছে, এবং অবশ্যই যিনি অহংকারী নয়। আর যেই ক্ষমতায় আসেন দয়া করে ভুলবেন না " অহংকার পতনের মূল"।
ডঃ..সলিমুল্লাহ খান
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করুন। আমিন
স্যালুট স্যার আপনাকে💙
13/08/2024
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন,
ক্ষমতা বেশী দিন থাকে না।
07/06/2024
“যাকাতের মর্মবানী”
————————-
লেখক- শহীদুজ্জামান কাকন,
সুইডিশ সরকারের অর্থনীতিবিদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কিশোরগঞ্জ -২ (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া), উপদেষ্টা সেচ্ছাসেবকদল, কেন্দ্রীয় কমিটি।
============
যাকাত আরবী শব্দ। দুররুল মুখ্তার কিতাবে আছে, যাকাতের আভিধানিক অর্থ পবিত্রতা ও বৃদ্ধি। তাছাড়া যাকাতের আরো অর্থ রয়েছে; যেমন, বরকত ও প্রশংসা। এই সবগুলো অর্থই ইসলামী শরীয়তে যাকাতের পারিভাষিক অর্থে বিদ্যমান। কেননা, যাকাতের মাধ্যমে যাকাতদাতা গোনাহ থেকে ও কৃপণতার দোষ থেকে পবিত্র হয় এবং তার সম্পদ বর্জ্য অংশ থেকে পরিশুদ্ধ হয়। সূরা তাওবার ১০৩নং আয়াতে রাসুলে আকরাম (সাঃ)-কে সম্বোধন করে আল্লাহ বলেন: “আপনি ধনীদের সম্পদ থেকে সাদাকা সংগ্রহ করে তাদেরকে পবিত্র করুন এবং গরীবদের সম্পদ বৃদ্ধি করুন।” যাকাতের ফলস্বরূপ দুনিয়াতে দরিদ্রের এবং আখিরাতে ধনীর সম্পদ বৃদ্ধি পায়। আল- কুরআনের সূরা সাবার ৩৯নং আয়াতে আছে, “তোমরা যা কিছু দান কর তিনি তার বিনিময় দেন।” সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াতে আছে, “তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও। তোমরা নিজেদের জন্য যা কিছু আগে পাঠাবে তা আল্লাহর কাছে উত্তম আকারে ও পুরস্কার স্বরূপ বর্ধিত ভাবে পাবে।” যাকাতের মাধ্যমে সম্পদে বরকত হাসিল হয়। মুসনাদে আহমদে আছে, সাদকা দিলে কখনও সম্পদ হ্রাস পায় না। যাকাতদাতা প্রশংসিত হয়ে থাকেন। তার সম্পর্কে লোকে ভালো আলোচনা করে। সূরা আ‘লার ১৪নং আয়াতে আছে, “যে পবিত্রতা অর্জন করে, সে সাফল্য লাভ করে।”
কুরআন ও হাদীস থেকে জানা যায়, যাকাতের ফলে ধন-সম্পদে সমৃদ্ধি ও বরকত হয়। অধিকন্তু যাকাত প্রদানের মাধ্যমে মানুষ আত্মশুদ্ধি লাভ করে। কুরআন ও হাদীসের পরিভাষায় সম্পদের যে অংশ আল্লাহর পথে ব্যয় করা মুসলিমদের উপর অবশ্য কর্তব্য (ফরয) করা হয়েছে তা-ই যাকাত। ইসলামি আইনশাস্ত্রে এই অর্থেই যাকাত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। তফসীরকারগণ যাকাতরূপে প্রদত্ত সম্পদ এবং যাকাত প্রদানের কাজ উভয়টিকেই ‘যাকাত’রূপে আখ্যায়িত করেছেন।
হানাফী গবেষকদের মতে, নিসাব পরিমাণ সম্পদ এক চান্দ্র বৎসর কারো স্বত্বাধিকারে থাকলে সেই সম্পদের যে অংশে কোন বিশেষ শ্রেণীর মানুষের হক সৃষ্টি হয় সেই অংশ হস্তান্তর করার নাম যাকাত। শাফিয়ী গবেষকদের মতে, সম্পদ বা গবাদি পশু থেকে যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ দান করা হয় তা-ই যাকাত। মালিকী গবেষকদের মতে, কোন বিশেষ প্রকারের সম্পদ নিসাব পরিমাণ হলে তা থেকে হকদারদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে পৃথক করে দেয়ার নাম যাকাত। আর হাম্বলী গবেষকদের মতে, কোন বিশেষ পরিমাণ সম্পদে কোন বিশেষ শ্রেণীর লোকের কোন বিশেষ সময়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার নাম যাকাত।
যাকাতের আর্থ-সামাজিক গুরুত্ব
যাকাতের সামাজিক গুরুত্ব নিম্নরূপ:
১. ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করে:
যাকাত ধনী দরিদ্রের মাঝে বৈষম্য দূর করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ সৃষ্টি করে। যাকাত দরিদ্রের প্রতি ধনীর করুণা নয়, বরং ধনীর সম্পদে দরিদ্রের অধিকার। যেমন- আল্লাহর বাণী:
এবং তাদের ধন সম্পদে প্রাথ ও বঞ্চিতের হক আছে।
২. সামাজিক নিরাপত্তা বিধান:
সামাজিক নিরাপত্তা বিধানের ক্ষেত্রে যাকাতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সমাজের যে সকল লোক অর্থ উপার্জনে অক্ষম এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতায় বাস করে, যাকাত ব্যবস্থা তা দূরীকরণে অনন্য ভূমিকা রাখে।
৩. অভাব-অনটন বিমোচন: অভাব-অনটন বিমোচনে যাকাত ব্যবস্থা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের ধনী শ্রেণী যদি সঠিকভাবে যাকাত প্রদান করে তাহলে সমাজে কোনো অভাবী মানুষের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।
৪. সামাজিক অনাচার নির্মূল:
অর্থের অভাবে মানুষ সামাজিক অনাচার তথা চুরি, ডাকাতি, খুন,
রাহাজানি, ছিনতাই ও সন্ত্রাস ইত্যাদি অপরাধে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ভেঙে পড়ে সামাজিক অবকাঠামো। যাকাত ব্যবস্থা এসব সামাজিক অনাচার নির্মূলে অনন্য ভূমিকা পালন করে।
৫. ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরণ: যাকাত মানুষের মধ্যে বিশেষ করে ধনী-
দরিদ্রের মাঝে এক গভীরতম ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে।
৬. সহানুভূতি সৃষ্টি: যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে ধনীদের অন্তরে দরিদ্রদের প্রতি চরম সহানুভূতি সৃষ্টি হয়। ধনীরা দরিদ্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এগিয়ে আসে।
৭. জনহিতকর কার্যাবলি: যাকাতের অর্থ সংগ্রহ করে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে সমাজের অসংখ্য জনহিতকর কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়।
৮. ভিক্ষাবৃত্তিক উচ্ছেদ:
ভিক্ষাবৃত্তি একটি সামাজিক ব্যাধি। যাকাতের অর্থ দিয়ে দরিদ্র কল্যাণ ও দরিদ্রের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে ভিক্ষাবৃত্তি নির্মূল করা যায়।
যাকাতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যাকাতের গুরুত্ব অপরিসীম। যা নিম্নে তুলে ধরা হল:
১. ইসলামি অর্থনীতির মূল ভিত্তি:
যাকাত ইসলামি অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থার মূলভিত্তি। যেমন - সুদ,
সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূল ভিত্তি যেমন জাতীয়করণে তেমনি ইসলামি অর্থ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো যাকাত।
২. রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস:
ইসলামি রাষ্ট্রের আয়ের প্রধান উৎস যাকাত। ইসলামি রাষ্ট্রের সিংহভাগ অর্থই যাকাত থেকে সংগৃহীত হয়ে থাকে।
৩. জাতীয় আয় বৃদ্ধি: যাকাত ইসলামি রাষ্ট্রের জাতীয় আয়কে বৃদ্ধি করে। রাষ্ট্রের অন্যান্য আয়ের সাথে যাকাতের অর্থ একত্রিত হয়ে জাতীয় আয় বহুলাংশে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।
৪. অর্থনৈতিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে:
কোনো রাষ্ট্রকে উন্নতি ও অগ্রগতির মূলে রয়েছে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তি। যাকাত ইসলামি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে।
৫. অর্থনৈতিক ভারসাম্য সৃষ্টি:
রাষ্ট্রে ধনী-দরিদ্রের মাঝে যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে। যাকাত ব্যবস্থা যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা নিরসন করে ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
৬. অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণ:
যাকাত অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণের মহৌষধ। কেননা যাকাত ব্যবস্থার কারণে বিত্তশালীদের অর্থ এক স্থানে সঞ্চিত থাকতে পারে না। সম্পদ সমাজের দরিদ্রদের মাঝে আবর্তিত হতে থাকে।
৭. দারিদ্র্য বিমোচন: দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সঠিকভাবে যাকাতের অর্থ দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করলে সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর হতে বাধ্য।
৮. ঋণমুক্তি: যাকাতের অর্থ দ্বারা ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রকে ঋণমুক্ত করা যায়।
৯. চাকরির সুযোগ: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় যাকাত উত্তোলন ও বিতরণের ব্যবস্থা করলে যাকাত বিভাগে অসংখ্য লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
১০. পুঁজিবাদের অবসান: যাকাত ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে পুঁজিবাদের অভিশাপ থেকে জাতি মুক্তি পাবে। ইসলামি অর্থ ব্যবস্থার এ মূলনীতিকে সামনে রেখেই আল্লাহর ঘোষণা:
যাতে ধনৈশ্বর্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জিভূত না হয়।
১১. বেকারত্ব দূরীকরণ: বেকার জীবন অভিশপ্ত জীবন। ইসলামের যাকাত ব্যবস্থা সমাজ থেকে বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যাকাতের অর্থ দিয়ে বেকার লোকদের কোনো না কোনো কাজের ব্যবস্থা করা যায়।
১২. অর্থনৈতিক প্রতারণা বন্ধ :
যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের মাঝে প্রচলিত অর্থনৈতিক প্রতারণা বন্ধ করা যায়। আধুনিক কর ব্যবস্থায় ফাঁকির প্রবণতা থাকলেও যাকাত ব্যবস্থায় ফাঁকি অকল্পনীয়। কেননা বিত্তশালীরা একান্তই ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে আল্লাহর নির্দেশ পালনের লক্ষ্যে স্বেচ্ছায় যাকাত দিয়ে থাকে।
১৩. কর্মসংস্থানের সৃষ্টি: যাকাতের অর্থ একত্রিত করে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়।
১৪. সমবায় সমিতি গঠন: যাকাতের অর্থ একত্রিত করে দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে যদি সমবায় সমিতি গঠন করা যায়, তাহলে এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নতি সাধন করতে পারে।
১৫. জনকল্যাণমূলক কাজ: যাকাতের অর্থে এতিমখানা, বিদ্যালয় ও দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি জনকল্যাণমূলক কার্য-সম্পাদন করা যায়।
মহান আল্লাহ আমাদের বুঝার এবং আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
07/06/2024
সহজ সরলতা নিয়ে রাস্তায় মহাবিপদ সংকেত 🙆♀️
ঢাকায় যারা আছেন সাবধান…
১। গাজীপুর হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে মেরে রক্তাত্ত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই, সাহায্য করেন। আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে। ওরা আপনাকে মেরে সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।
২। ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে, সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে। আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন। ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে।
৩। শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা।
এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে।
৪। রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ। আপনাকে তাদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না। সব হারাবেন। মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে।
৫। গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন।
৬। যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম। আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচিত।
৭। রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়।
৮। লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না।
৯। যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না। কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে।
১০। হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য।
এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টিতে শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন।
সবাইকে ধন্যবাদ।
06/06/2024
ভোট চোর লুটেরা ভারতের দালাল আওয়ামী লীগের চিন্তা নাই ভারতে যেই ক্ষমতায় আসুক ওরা তার গোলমী করতে তৈরি আছে আর ওরাও এমন দাসী পেয়ে খুশি, অর্থনৈতিক শোষণ অব্যাহত থাকবে
02/06/2024
🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺🛺
সিলেট বাসী সিলেট শহর ও তার আশপাশে অপরিচিত লোকের সাথে সিএনজি যাত্রী হলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
১. সিএনজি গাড়িতে যাত্রী ৩ জন থাকলে আপনি একটু সতর্কতার সহিত উটবেন।
২. পিচনে ২ জন বসা থাকলে ১ জন নেমে আপনাকে মধ্যে খানে বসতে বললে আপনি সতর্কথা অবলম্বন করতে হবে।
৩. আপনার গন্তব্য যাওয়ার সময় ড্রাইবার বিকল্প রাস্তায় যেতে চাইলে আপনি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৪. গামছা অথবা কোন কাগজ পড়তে দিলে আপনি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৫. যে কোন অবস্থায় আপনার সন্দেহ হলে আপনি গাড়ি থেকে নেমে যাবেন, এবং নিকট পুলিশ দের কে বিষয়টি জানাবেন, তা না হলে জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করে গাড়ির নাম্বার রোড বলে দিবেন।
01/06/2024
চারপাশের পাহাড় এবং ঘন বন জঙ্গলে ঘেরা এই গ্রামে ধরতে গেলে যেন সূর্যের আলো পৌঁছায়ই না ! তাই গ্রামের মানুষরা মিলে তৈরি করে ফেলে একটি কৃত্রিম সূর্য !!
এটি হচ্ছে ইতালিয়ান একটি গ্রাম ভিগানেলা viganella ! প্রায় ২০৭ জন মানুষের বসবাস এই গ্রামে ! চারপাশে উঁচু পাহাড় এবং বন জঙ্গল, সেই পাহাড় জঙ্গলের মাঝে ছোট্ট একটি গ্রাম ! যেন এক স্বপ্নময় রোমাঞ্চকর একটি গ্রাম । এই গ্রামের প্রায় ধরতে গেলে দূর দূরান্ত পর্যন্ত তেমন একটা জনবসতি নেই ! চারপাশে থাকা উঁচু উঁচু পাহাড়ের কারণে এই গ্রামে সূর্যের আলো আসতে পারে না যার কারণে ছায়া হয়ে থাকে ! তবে সূর্যের আলো ছাড়া তো আর থাকা যায় না তাই সূর্যের আলোর ব্যবস্থা করার জন্য গ্রামবাসীরা মিলে ২০০৬ সালে পাহাড়ের সবথেকে উঁচু স্থানে লাগায় একটি বিশাল আয়না ! সেই আয়নায় সূর্যের আলো পড়ে এবং সেখান থেকে প্রতিফলিত হয়ে তা গিয়ে পরে আবার সেই গ্রামের একদম কেন্দ্র বরাবর !
এই আয়নার আলোতেই আলোকিত সেই গ্রাম ! ধরতে গেলে এটি তাদের তৈরি করা নিজস্ব সূর্য ! আয়নার সাথে সেখানে লাগানো আছে কিছু সোলার প্যানেল ! এই গ্রামের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মূল উৎসই সোলার প্যানেল !
26/05/2024
সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।
শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?
ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন?
নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে।
ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না।
শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে।
ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না।
সে ও সাড়া দেয় না।
শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে।
এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।
তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে।
তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন।
চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো।
গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে।
সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়।
কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে- এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে।
রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে। কিন্তু দুপাশে দুটো কান থাকলে কি রাজমুকুট ঠিকমতো মাথায় বসবে।
তাইতো তোমার কান দুটো তোলে নেয়া হয়েছে।
কিছু বুঝনা অবুঝ প্রাণী- এটাকে গ্রুমিং বলে।
চলো চলো আমার সাথে চলো। দেরি হলে অন্য কেউ আবার রাজা হয়ে যাবে।
গাধা আবার সিংহের কাছে আসে। এবার সিংহের আরেক থাবায় তার লেজখানা খসে পড়ে।
কিন্তু এবারও পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল যথারীতি গাধার কাছে এসে বলে- আবারও ভুল করলে।
লেজ থাকলে রাজ সিংহাসনে বসবে কিভাবে।
তাই তোমার লেজটা খসানো হয়েছে।
অবুঝ প্রাণী দূরদর্শী চিন্তা করতেই পারোনা।
এটা হলো আলট্রা গ্রুমিং। মানে একেবারে ফাইনাল টাচ।
চলো চলো তাড়াতাড়ি সিংহাসনে চলো।
গাধা আবারও সিংহাসনে আসে।
এবার আর সে বাঁচতে পারে না।
সিংহের থাবায় তার ক্ষত বিক্ষত দেহ খানা মাটিতে পড়ে আছে।
সিংহের দাঁতে মুখে রক্তের দাগ।
শিয়াল সিংহকে বলে - মহারাজ এতো কষ্ট করে আপনি খাবেন।
মাথাটা আমাকে দেন। সুন্দর করে প্লেটে সাজিয়ে দেই।
শিয়াল গাধার ব্রেণটুকু খেয়ে মাথার অবশিষ্ট অংশ সিংহকে দেয়।
সিংহ বলে- ব্রেণ কোথায়।
শিয়াল বলে- মহারাজ যে বারবার ধোকা খেয়েও আপনার কাছে এসেছে- আপনি কি মনে করেন তার ব্রেণ বলে কিছু আছে।
গাছের ডালের উপর থেকে ময়ুর বলে-
তার ব্রেণ ঠিকই আছে। কিন্তু অতি সহজ সরল হওয়ায় প্রতারকদের বুঝতে পারেনি।
প্যাঁচা তার সন্তানকে বলে -এই ঘটনা থেকে তোমরা কি শিখলে।
শিখলামঃ
হঠাৎ করে কেউ যদি বড় আপন হয়ে ওঠে, বুঝতে হবে তার গোপন দূরভিসন্ধি আছে।
এটাও শিখলাম- যার যে কাজ তাকে সেটাই করতে হয়। অন্যের কুমন্ত্রণা শুনতে হয়না।
লোভের ফল কখনো মিষ্টি হয়না।
সাদাসিদা হওয়া ভালো। কিন্তু বোকা হওয়া ভালো না।
অতি বিশ্বাস করে সে ঠকেছে। আর নিজের জীবন দিয়ে তার বিশ্বাসের মর্মন্তুদ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
25/05/2024
দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই দুধের চেয়ে দামি। যদি এটা আরো খারাপ হয়, এটা পনির হয়ে যায়। দই এবং দুধের চেয়ে পনিরের মূল্য অনেক বেশি।
আর আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও দামী। তুমি খারাপ না কারণ তুমি ভুল করেছ। ভুল হল সেই অভিজ্ঞতা যা আপনাকে একজন ব্যক্তি হিসেবে আরো মূল্যবান করে তোলে।
ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছেন যা তাকে আমেরিকা আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে।টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন? তিনি বলছিলেন, 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।
কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই সবই নতুন শিক্ষা।'
বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'
'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার !
কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না !
মাঝে মাঝে ভুল লিখো তাহলে যে তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবে না বলে পণ করেছে সে ও কমেন্ট করবে।
বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।'
বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।'
কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।'
অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।'
হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।'
এক প্রেমিকের ভাষ্য, 'ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে আরেকটি শুদ্ধ মানুষের প্রেমে পড়ার অন্যতম সুযোগ।'
কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!
যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না!
পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছা না গেলে চিত্র হয় না!
কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না!
তাই আসুন আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে ফুলের মত জীবন গড়ি।
আপনার ভুলগুলিকে আপনাকে নীচে নামাতে দেবেন না। এটি অনুশীলন নয় যা নিখুঁত করে তোলে। আমরা ভুল থেকে শিখি যা নিখুঁত করে তোলে!
collected
23/05/2024
৩০০ গ্রামবাসী গিয়েছিল এমপি আনোয়ারুলের কাছে। শিবির নেতা সোহানকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছিল তারা। বলেছিল,তারা সামনে আ'লীগ করবে। কিন্তু এমপি বললঃ আ'লীগ করার লোকের নাকি অভাব নেই।
এরপর ২০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে কালীগঞ্জ থেকে প্রায় ৫০ কি.মি. দূরে চুয়াডাঙ্গায় সোহানের গু*লিবিদ্ধ লা*শ পাওয়া যায়। সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভুলাটিয়ার মাঠে ডান হাত ভাঙ্গা, বাম চোখ উপড়ানো মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায় শহীদ মহিউদ্দীন সোহানের।
কান্নায় ভেঙে পড়ে সোহানের গ্রামবাসী! তারা তাদের শ্রেষ্ঠ একটি সন্তানকে হারিয়ে ফেললো।
শহীদ সোহানের মা সেদিন আর্তনাদ করে বলেছিলেন "মারবেই যখন আমার বাবুটারে। চোখ দুইটা তুইল্যা নিলো ক্যান বাবুর??"
এই পোস্টটি রইলো! বাংলাদেশে একদিন এমন দিন আসবে যেদিন একজন আত্যাচরী খুজে পাওয়া যাবে না- ইনশাআল্লাহ।
এই জালিম এম পি আনোয়ারুল ভা*রতে নিজের অবৈধ সিন্ডিকেটের হাতেই খণ্ডবিখণ্ড গলিত মলিত লাশ হয়ে পড়ে আছে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাকে তার উত্তম পাওনা মিটিয়ে দিক।