শতবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘শতবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : অর্জন ও প্রত্যাশা’ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। প্রতিযোগিতা তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। প্রতিযোগিতায় সর্বমোট ১০০টি পুরস্কার প্রদান করা হবে। প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
অনধিক ২০০০ শব্দে এ-৪ আকারের কাগজে কম্পোজ করে রচয়িতার নাম, ঠিকানা ও পরিচয়সহ প্রবন্ধটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখের মধ্যে সরাসরি বা ডাকযোগে রেজিস্ট্রার (প্রশাসন-৩), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমীপে এবং প্রবন্ধের সফটকপি [email protected] ইমেইল ঠিকানায় প্রেরণ করতে হবে। বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিবরণসহ প্রতিযোগিতা-সংশ্লিষ্ট বিস্তারিত তথ্যের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দ্রষ্টব্য।
University of Dhaka
This is the Official page of the University of Dhaka: the highest echelon of academic excellence in Bangladesh.
The University of Dhaka is popularly known as "Oxford of the East". It is the oldest university in modern Bangladesh and was established in 1921. We have around 35589 students, 1830 faculties and 4000 officers/employees.
20/08/2019
ঢাবি ৫২তম সমাবর্তনের নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধি
গ্র্যাজুয়েটদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তনের নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আবেদনকারীদের আগামী ২৫ আগস্ট ২০১৯ তারিখ রবিবার ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের ফি জমা দিতে হবে এবং আগামী ২৭ আগস্ট ২০১৯ তারিখ মঙ্গলবার বিকাল ৫:০০টার মধ্যে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সমাবর্তনের নিবন্ধন ও সনদ উত্তোলনের আবেদন ফরমটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিসের ৩০৯ নম্বর কক্ষে এবং অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের গ্র্যাজুয়েটবৃন্দকে স্ব স্ব কলেজে জমা দিতে হবে।
http://convocation.du.ac.bd ওয়েবসাইটে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
(মাহমুদ আলম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত )
জনসংযোগ দপ্তর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
06/10/2018
DU Convocation 2018 Live Here...
06/10/2018
DU 51st Convocation 2018 Live here...
http://www.du.ac.bd/
University of Dhaka || the highest echelon of academic excellence
09/03/2017
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগ ও শান্তিনিকেতনের শিক্ষা বিনিময় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এক চিত্রকলা বিষয়ক কর্মশালা আজ ৯ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হয়। চারুকলা অনুষদের লেকচার থিয়েটার ভবনের হলরুমে ৯দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন। ছবিতে অতিথিদের সাথে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের দেখা যাচ্ছে।
University of Dhaka ফেইসবুক পেইজ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা, মানবিক গুণাবলীর বিকাশ সাধন, অসাম্প্রদায়িক মনন গঠন, সামাজিক চিন্তাধারার নীতিগত উন্নয়নসহ আত্মিক বিকাশে পরিষেবক হিসেবে কাজ করে চলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রসারের ফলস্বরূপ আমরা দেখেছি ২০১৪ সালের শুরুর দিকে University of Dhaka নামে ৪৮ ( আটচল্লিশ) টার বেশী ফেইসবুক পেইজ এবং একটি ভুয়া ভেরিফাইড পেইজ, যেখানে ফ্যান সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ (চার) লক্ষ। সেই ভেরিফাইড পেইজ থেকে বিভিন্ন সময়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হত, ২য় বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ দেয়ার স্বপক্ষে এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া হত, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের সমালোচনায় লিপ্ত থাকত এবং বিভিন্ন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পক্ষে পোস্ট দিত।
এমতাবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পত্রিকা ডিইউটাইমজের একটি টীম ঐ পেইজ গুলোর বিভিন্ন পোস্টের স্ক্রিণশটসহ মাননীয় উপাচার্যের কাছে তুলে ধরে। মাননীয় উপাচার্য তৎকালীন উপ উপাচার্য (প্রশাসন) এবং বর্তমান গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ও ডিইউটাইমজের মডারেটরকে সাথে নিয়ে জরুরী এক বৈঠকের মাধ্যমে ঐ পেইজগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিটিআরসির সহযোগিতায় ভুয়া ভেরিফাইড পেইজটা বন্ধের ব্যবস্থাও গ্রহণ করে। ঐ সময় শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা ফেইসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের তথ্য প্রকাশের সুযোগ থাকা দরকার উল্লেখ করাতে মাননীয় উপাচার্য ডিইউটাইমজের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ফেইসবুক পেইজ খোলার জন্য।
সেই ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শীক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারীদের জন্য হাজারো সঠিক তথ্য সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেইসবুক পেইজ থেকে। সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠান লাইভ প্রচারসহ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে নানা ফিচার, ছবি, ভিডিও এবং তথ্য উপাত্ত তুলে ধরার জন্য এ্যাডমিন সংখ্যা বাড়ানো হয়।
সমাবর্তনের আগের দিন রাতে এই পেইজের একজন এ্যাডমিন বিভ্রান্তিকর একটি ক্যাপশনসহ ভিডিও পোস্ট করে যা পোস্ট করার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। ইতোমধ্যে ঐ পোস্ট সংশোধনসহ অভিযুক্ত দুই এ্যাডমিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবং অভিযুক্তের এধরণের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার পেছনে কোন ইন্ধন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা এধরণের একটি ভুলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এই পোস্টের মাধ্যমে। এবং ভবিষ্যতে আরো বেশী সতর্ক থেকে কাজ করার প্রতিশ্রুতি জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সাংবাদিক সমিতি, ডিইউটাইমজ, ডিইউএফএস, ডিইউসিসি, ডিইউডিএস, রোবার স্কাউটসহ নানা ছাত্র সংগঠন পরিচালিত হয় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা সহযোগিতা পেয়ে থাকে। এমনকি সরকারের কাছ থেকে অর্থায়নও পেয়ে থাকে। University of Dhaka তেমনি একটি শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত এবং বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ দ্বারা স্বীকৃত। কিন্তু ছাত্র সংগঠনগুলোর মত এইখানেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোন বেতনভুক্ত কর্মকর্তা কাজ করে না।
এসব স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে কোন ভুল ত্রুটি হলে কতৃপক্ষ অবশ্যই হস্তক্ষেপ করবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ দিকনির্দেশনা দিবেন। কিন্তু সমাবর্তনের আগের রাতের পোস্টকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্যকে কেন্দ্র করে ফেইসবুকে নানা নোংরা বাক্যালাপ কখনো শোভন নয়। এ পোস্টকে কেন্দ্র করে মাননীয় উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এজেন্সির সংবাদসমূহ আসলে উপাচার্যের নেতৃত্বের মাধ্যমে মৌলবাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, এজেন্সি ও সচেতন সকল ছাত্র সমাজের প্রতি অনুরোধ শিক্ষার্থীদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য ক্ষমা করবেন, অভিযুক্তের পেছনে কোন ভিন্ন ইন্ধন পেলে সুষ্ঠু বিচারের জন্য স্বোচ্চার হবেন।
সমাবর্তন উপলক্ষে প্রদত্ত ক্যাপশনসহ ভিডিও পোস্ট দেওয়া জন্য কোন পূর্বসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সমাবর্তন সংশ্লিষ্ট বিভ্রান্তিকর ভিডিও ক্যাপশনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদুর রহমানকে এবং গ্রাফিক্যাল ভিডিওটির জন্য একই বিভাগের রায়হান আহমেদকে পেইজ পরিচালনা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
৫০তম সমাবর্তনঃ
উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তন আজ ৪ মার্চ ২০১৭ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরম সাজে। বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও ভবন ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। কালো গাউন পরে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস জুড়ে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করে। দিনভর ছবি তোলা, বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা, হৈ চৈ ও কোলাহলে মেতে থাকে সবাই।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো: আবদুল হামিদ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও (University of Western Ontario, Canada)-এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমা (Professor Amit Chakma) সমাবর্তন বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সাইটেশন পাঠ ও ভাষণ প্রদান করেন। প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীনসহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রধান, বিশ^বিদ্যালয়ের সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য ও একাডেমিক পরিষদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তনে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন ওন্টারিও-এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমাকে ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১জন গবেষককে পিএইচডি, ৪৩জনকে এমফিল, ৮০জনকে স্বর্ণপদক এবং ১৭ হাজার ৮শ’ ৭৫জন গ্র্যাজুয়েটকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনগণ অনুষদভুক্ত বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ডিগ্রিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের নাম উপস্থাপন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: এনামউজ্জামান সমাবর্তন অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো: আবদুল হামিদ ব্যক্তি ও পরিবারের চেয়ে দেশ ও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানান। দেশের গণতন্ত্রের ভিতকে মজবুত করতে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমেই সে নেতৃত্ব তৈরী করতে হবে। অতীতের ছাত্র রাজনীতি এবং বর্তমানের ছাত্র রাজনীতির মধ্যে অনেক তফাৎ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ষাটের দশকে ছাত্র-রাজনীতির আদর্শ ছিল দেশ ও জনগণের কল্যাণ সাধন করা। সেখানে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থের কোন স্থান ছিলনা। ছাত্ররাই ছাত্র-রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করত। লেজুড়বৃত্তি বা পরনির্ভরতার কোন জায়গা ছিলনা। কিন্তু বর্তমানের ছাত্র রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থের প্রাধান্য বেশী। কিছু ক্ষেত্রে অছাত্ররাই ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্ব দেন। ফলে ছাত্র রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা ও সমর্থন কমে যাচ্ছে। তিনি আদর্শভিত্তিক ও কল্যাণমুখী ছাত্র রাজনীতি করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। নিয়মিত ছাত্রদের ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বে আনতে তিনি ডাকসু নির্বাচনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যায় ও অসত্যের কাছে মাথা নত না করার জন্যও তিনি গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমাজ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে জাতির প্রত্যাশা পূরণে গ্র্যাজুয়েটদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে জ্ঞানভিত্তিক কাঠামো নির্মাণ করতে হবে। সকল শিক্ষার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানব কল্যাণ। শুধু সার্টিফিকেট অর্জন বা পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে দেশের কল্যাণ সাধন সম্ভব নয়। এ জন্য তাদের ভাল মানুষ হতে হবে। বর্তমান বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। তিনি বলেন, উচ্চ শিক্ষিত হয়েও অনেকে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। একারণে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে সকল সামাজিক সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে। এই কাজে তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্ব দিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের ইতিহাস এক ও অভিন্ন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র থাকাকালে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানতে হবে।
কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন ওন্টারিও-এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমা বলেন, জীবনে সফল হওয়ার জন্য ৩টি বৈশিষ্ট্য জরুরী । তা হলো- যোগ্যতা, কর্মনিষ্ঠা ও চারিত্রিক গুণ। নিজের দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে এসব গুণ অর্জন করতে হবে। ভাল ও মন্দের বিচার করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। নীতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নীতিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকল গ্র্যাজুয়েট নেতৃত্ব দিলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
অজস্র বাঁধা পেরিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯২১ সালে। প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯২৩-এ। তিলে তিলে বাড়তে বাড়তে আজ আমরা ৫০তম সমাবর্তনের দোরগোড়ায়। আমাদের এই যাত্রায় আমরা সাক্ষী হয়েছি '৪৮, '৫২, '৬২, '৬৯, '৭১ এবং '৯০-এর। আমরা গর্বিত হয়েছি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনের মত বুদ্ধিজীবীদের সম্মানসূচক ডক্টরেটে ভূষিত করতে পেরে। গর্বিত হয়েছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুর রাহমানের মত ছাত্র; সত্যেন বসুদের মত শিক্ষকদের ধারণ করতে পেরে।
আমাদের এই পথচলায় অবদান আছে আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ, গবেষক, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের। এবং, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের। আমাদের সমাবর্তনের সুবর্ণ জয়ন্তীতে শুভেচ্ছা তাঁদেরকে। #৫০তমসমাবর্তন
03/03/2017
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তন আগামীকাল ৪ মার্চ ২০১৭ শনিবার সকাল ১১:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আবদুল হামিদ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে থাকবেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও (University of Western Ontario, Canada)-এর প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমা (Professor Amit Chakma)। উক্ত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে ডক্টর অব সায়েন্স (Doctor of Science) ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
25/02/2017
গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় ৮ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বিজ্ঞান একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তনের একাডেমিক কস্টিউম বিতরণ কার্যক্রম আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ১ ও ২ মার্চ ২০১৭ (মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদ ভবন, বিজ্ঞান ক্যাফেটেরিয়া (কার্জন হল), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র এবং নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন থেকে একাডেমিক কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে এবং ৪ মার্চ সমাবর্তন শেষ হওয়ার পর ফেরত দিতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, সিন্ডিকেট সদস্য, একাডেমিক পরিষদের সদস্য, সকল অনুষদের ডিন, সকল শিক্ষক, কনস্টিটুয়েন্ট কলেজের অধ্যক্ষ/ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালকদের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন থেকে কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে।
কলা অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের গ্র্যাজুয়েটদের কলা অনুষদ ভবন থেকে একাডেমিক কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে।
বিজ্ঞান, আইন, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসী, আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ এবং পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, শক্তি ইনস্টিটিউট, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী কলেজের গ্র্যাজুয়েটদের কার্জন হলের বিজ্ঞান ক্যাফেটেরিয়া থেকে কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে।
বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ এবং ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট-এর গ্র্যাজুয়েটদের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ভবন থেকে কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে ।
সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি ইনস্টিটিউট, স্কুল অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট ও সিভিল সার্ভিস কলেজের গ্র্যাজুয়েটদের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন থেকে একাডেমিক কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে।
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, শিক্ষা অনুষদ, চিকিৎসা অনুষদ, স্নাতকোত্তর চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজসমূহের গ্র্যাজুয়েটবৃন্দ এবং এম.ফিল, পিএইচডি ও পদকপ্রাপ্তদের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র থেকে কস্টিউম সংগ্রহ করতে হবে।
সমাবর্তনে অংশগ্রহণেচ্ছুদের আগামী ৩ মার্চ ২০১৭ শুক্রবার অপরাহ্ন ২:৩০টার মধ্যে সমাবর্তন মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য কার্জন হল মলে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ৪ মার্চ ২০১৭ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Website
Address
Nilkhet Road
Dhaka
1000
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 17:00 |
| Tuesday | 08:00 - 17:00 |
| Wednesday | 08:00 - 17:00 |
| Thursday | 08:00 - 17:00 |
| Sunday | 08:00 - 17:00 |
