ছাত্রদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন, সব সময় ছাত্রদের অধিকার দাবি দাওয়া নিয়ে লড়াই করতে থাকা সংগঠন 'বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন' টাংগাইলে তাদের ঐতিহ্যবাহী পতাকা তুলে ধরতে অাবারো এগিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আসছে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ইং রোজ সোমবার, সময় সকাল ১০টা ০৫ মিনিট, স্থান যদুনাথ পাইলট স্কুল এবং কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন টাংগাইল জেলা সংসদের উদ্যোগে নাগরপুর থানা শাখায় কমিটি করা হবে।
স্থানীয় সকল সহযোদ্ধাদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান করা হলো।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
টাংগাইল জেলা সংসদ
01682327444
হিজিবিজি
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হিজিবিজি, Political organisation, Dhaka.
22/09/2015
গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের
কালিহাতিতে সন্তানের সামনে
মায়ের শ্লীলতাহানী, মা ও
সন্তানকে নির্যাতনের ঘটনায়
জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের
দাবিতে জনতার বিক্ষোভ মিছিলে
পুলিশের গুলিতে ৪ জন নিহত ও ৫০
জন আহত হওয়ার ঘটনার
প্রতিবাদে-
মানববন্ধন
আগামীকাল ২৩শে সেপ্টেম্বর
২০১৫
বুধবার সকাল ১১:০০ টা
টাংগাইল-ময়মনসিং হ রোড
কালিহাতি সদর উপজেলা
যোগাযোগ: 01682327444
"রুখো সাম্রাজ্যবাদ-মৌলবাদ-শিক্ষাবাণিজ্য-ধ্বংস প্রলয়
চেতনার আকালে আবাদ কর নতুন সূর্যোদয়"
৩৭তম জাতীয় সম্মেলনের জন্য টাংগাইল জেলা ছাত্র ইউনিয়নের প্রস্তুতি সম্পূন্ন। ১৩ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে নাগরপুর উপজেলা হতে ঢাকার উদ্দেশ্যে আমাদের বাস ছাড়বে।
বিভিন্ন উপজেলার ছাত্রবন্ধুদের নিম্নে উপস্থিত থাকার সময়সূচী:
নাগরপুর- ৫টার সময়ের কলেজ গেটে উপস্থিত থাকবে।
দেলদুয়ার- ৬টার সময়ের এলাসিন মোড়ে উপস্থিত থাকবে।
টাংগাইল সদর- ৬টা ৩০ মিনিটে নিরালা মোড়ে উপস্থিত থাকবে।
ভূয়াপুর, গোপালপুর ও কালিহাতির ছাত্রবন্ধুরা - ৬টা ৩০ মিনিটে মধ্যে টাংগাইল সদরের নিরালা মোড়ে উপস্থিত থাকবে।
সা'দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ- ৭টার সময়ে করেটিয়া বাইপাসে উপস্থিত থাকবে।
সখীপুর- ৭ টা ৪০ মিনিটে গোড়াই বাইপাসে উপস্থিত থাকবে।
ঢাকায় যারা আছে- ৯টা ৩০ মিনিটে আসাদ গেটে উপস্থিত থাকবে।
বর্ণিত সময়সুচী থেকে একমিনিটও এই দিক সেই দিক করা হবে না। কারণ ১০ টার আগে আমাদের ঢাকায় পৌঁছাতে হবে। তাই ছাত্রবন্ধুরা নিজ নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছাতে আহবান করা হলো।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
টাংগাইল জেলা সংসদ
৩৭ তম জাতীয় সম্মেলন কে সামনে রেখে টাংগাইল জেলা ছাত্র ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে গণচাঁদায় অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পর্যাক্রমে ৬ সেপ্টম্বর সখীপুর থানা, ৭ সেপ্টম্বর টাংগাইল সদর, ৮ সেপ্টম্বর ধনবাড়ী, ৯ সেপ্টম্বর কালিহাতি ও ১০ সেপ্টম্বর মির্জাপুর থানায় গণচাঁদা উত্তোলন করবে। তাই স্থানীয় কমরেড দের সহযোগিতা করার জন্য আহবান করা হলো। এছাড়াও ইতিমধ্যে নাগরপুর থানায় গণচাঁদায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে। কোন ছাত্রবন্ধু যদি গণচাঁদায় অংশ নিতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগ: 01682327444
কথায় অাছে ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। প্রবাদটা শুধু যে প্রবাদ তা কিন্তু নয় অাজকের বাঙালী সমাজে হরহামেসা প্রবাদটার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। যেখানে বাঙালীর দুপয়সা পাওয়ার সম্ভাবনা অাছে সেখানে বাঙালী হুড়মুড়িয়ে পড়বে। সাময়িক দুপয়সার লাভটাই এদের কাছে ব। ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য নিজদের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভুলে যায়। অারো ভুলে যায় সেই ছোটবেলা থেকে মুখস্ত করে অাসা অারেকটি প্রবাদ একতাই বল। দুপয়সার জন্য নোংরা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠি, কাকে মেরে কে ওই দুপয়সার সুবিদা ভোগ করবে তার প্রতিযোগিতা চলছে অহরহ। অনেকেই দেখি রাজনীতি করেন অথচ রাজনীতি কি, কেন জানেন না। জিগ্যেস করলে বলেন রাজনীতি অাবার কি হে ভায়া এটাতো পেটনীতি। অারে ভাই এটাকে কি পেটনীতি বলে এটাকে তো বলে চৌর্যবৃত্তি। মস্তবড় কোন চোরের কাছে দিক্ষা নিচ্ছেন তার চুরিতে সাহায্য করছেন অার নিজে পাচ্ছেন দুপয়সা। দুপয়সা দিয়ে কি অার পেট চলে। তাই যদি চলতো তাহলে অার বাকিসব কাজ কেন করেন। সমস্ত কাজ বাদে এখানেই লেগে পড়ুন অাপনিও একদিন মস্তবড় চোর হবেন তখন অাপনিই মানুষকে দুপয়সা দিবেন অার ভাগে জমা থাকবে অঢেল টাকা। কিন্তু সমস্যাটা কি জানেন এই পেশাটাতেও না গণতন্ত্র নেই এখানে ওই অাধা-সামন্ততন্ত্র, অতএব অাপনারও নেতা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীন। শেষমুহুর্ত পর্যন্ত অাপনারা দুপয়সা করে পেতে থাকবেন অার অাজীবন গোলামী করে যাবেন। অার সাধারন মানুষের দুঃখ দুর্দশার কারন শোষন মুক্তির অান্দোলনে বাধা হয়ে দাড়াবেন। অামি বলি কি অাপনারা যেখানেই থাকুন না কেন দুপয়সার লোভকে কাটিয়ে নিজের স্বার্থটাকে বোঝার চেষ্টা করুন অার অাপনার স্বার্থগুলো কিভাবে অাসবে তা ভাবুন। নিজের কর্তব্যজ্ঞান সম্পর্কে সচেতন হোন দেখবেন অাপনিও ভালো থাকবেন অাপনার চারপাশের মানুষগুলোও ভালো থাকবে।
অাগামী ২২মে হতে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে যৌন নিপীড়কদের বিচারের দাবীতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান চলবে। অাগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে:০১৬৮২৩২৭৪৪৪
অাহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন টাঙ্গাইল জেলা সংসদ
21/04/2015
প্রেসক্লাবে বক্তব্য দিচ্ছে: মোর্শেদুজ্জামান হালিম, আহবায়ক ছাত্র ইউনিয়ন টাংগাইল জেলা সংসদ
সবাই দেখি পুলিশ কে বকেছে, চুরি পড়তে বলেছে। কিন্তু আমি আপনাদের বলতে চাই। তারা আমাদের ভাই আমাদের চাচা আমাদের আত্মীয়। তারাও বিচার চাই কিন্তু আমার মত এক সন্তানকে বাঁচাতে পুঁজিবাদীর শিখলে তাদের পা বাঁধা। ভাঙ্গতে হবে সেই কারাগার। তাই পুলিশকে বাদ দিয়ে না। যে মানুষ গুলো আজ আসেনি তাদের বাদ দিয়ে না। বরং ছাত্রছাত্রী পুলিশ ও মেহনতি মানুষদের সাথে নিয়েই অর্থব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। কারণ রাষ্ট্রের মূলভিত্তি হচ্ছে অর্থব্যবস্থা। শুধু শুধু উপরিকাঠামোর পরিবর্তনে রাষ্ট্রের উন্নয়ন হলেও বৈষ্ণম্য দুর হবে না। একশ্রেণীর মানুষ নারীকে কথায় কথায় ফুল বলে, মিষ্টি বলে; আরে ভাই আপনি ভ্রমর আর মাছি হতে চান কেন? নারীকে কি জীবন গাড়ীর পাশের চাকা ভাবতে পারেন না? হ্যা নারীকে সম্মান দিতে দিতে এতো দিয়েছেন যে, জীবন চাকার টিওব বানাই ফেলেছেন। নারীকে ঘরে বন্ধি করে রাখাতে ভালবাসা না; সন্দেহের বহিঃপ্রকাশ। আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে। সৃষ্টি করতে হবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি। যাই হউক সাম্রজ্যবাদ শুধু ভূমি দখলেই হয় না; মানুষের মগজেও আধিপত্যের নোংরা প্রতিযোগিতা চলে। আজ ধর্মব্যবসায়িরা সাধারণ মানুষকে ভুলবাল বুঝিয়ে মস্তিষ্কে সাম্রজ্যবাদ কায়েম করেছে। ফলে আজ কেউ রাজপথে আসতে চাই না। এই ব্যর্থতা আমাদের। এই ব্যর্থতা শিক্ষাব্যবস্থার........... (সংক্ষিপ্ত)
15/04/2015
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন টাংগাইল জেলা সংসদের পক্ষ থেকে নিন্দা জানাই
m.prothom-alo.com/bangladesh/article/503578/নববর্ষে-ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ে-যৌন-হয়রানির-শিকার
আজ ৩রা এপ্রিল ২০১৫ সাল বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদ এর সাংগঠনিক সম্পাদক জিলানী শুভ ভাই এর উপস্থিতিতে মোঃ মোর্শেদুজ্জামান হালিম, আহবায়ক ও মোঃ মুমিনুল ইসলাম কে যুগ্ম আহবায়ক করে ১৭ সদস্যের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন টাংগাইল জেলা সংসদের আহবাহক কমিটি গঠন করা হলো।
আসছে আগামী ৩রা এপ্রিল রোজ শক্রবার বিকাল ৩:০৫ মিনিটে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন টাংগাইল জেলা সংসদ এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জিলানী শুভ সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।
মুক্তিযুদ্ধের শেকড়সন্ধান ও ছাত্র
ইউনিয়নের জন্ম
ফকির বিদ্রোহ, সন্যাস বিদ্রোহ,
সাঁওতাল বিদ্রোহ, ১৮৫৭ সালের
প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের
ধারাবাহিকতায় পরবর্তীকালে
ভারতজুড়ে স্বরাজের জন্য
নামাত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম,
অনুশীলন, যুগান্তরের মত সশস্ত্র
গ্রুপসমূহের বিপ্লবী প্রয়াস
বাংলাকে পরিনত করেছিল
অগ্নিগর্ভে। শত বছরেরও বেশি
সময় ধরে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা
সংগ্রাম যে মুক্তিচেতনার উন্মেষ
ঘটিয়েছিল, তার মাঝেই বিকশিত
হয়েছে বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম। এ
প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, বিংশ
শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকেই
ভারতবর্ষে বামপন্থী ধারার বিকাশ
ঘটতে শুরু করে। ক্রমশই সুসংগঠিত
হতে থাকে কমিউনিস্টরা,
ফলশ্রুতিতে বেগবান হতে থাকে
এদেশের উপনিবেশবিরোধী ও
অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম।
বাংলাতেও সেই প্রগতিশীল
আন্দোলনের ঢেউ এসে লাগে।
ভারতবর্ষের জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম
যখন অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে
চলছে- বিপ্লবী সশস্ত্র সংগ্রামে
ক্ষুদিরাম, বাঘা যতীন, ভগত সিং,
রাজগুরু, আশফাকউল্লাহ, সূর্যসেন,
প্রীতিলতাদের মত অসংখ্য তরুণের
আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যখন
মানুষকে উজ্জীবিত করছে
স্বাধীনতার মন্ত্রে,তখনই ব্রিটিশ
সরকারের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ
উৎসাহে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প
ছড়িয়ে দেয়া হয় ভারতবর্ষজুড়ে।
নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং উত্তাল
সেই সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু
ঘটনাবলীকে ঘিরে সৃষ্ট
গণবিভ্রান্তিকে কাজে লাগিয়ে
সামনে নিয়ে আসা হয় দ্বি-জাতি
তত্ত্বকে । ভারতবর্ষের জনগণের
বিজয়কে খন্ডিত করা এবং ইঙ্গ-
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নয়া
উপনিবেশিক শোষণ নিশ্চিত করার
ষড়যন্ত্রকে সফল করে জন্ম
নেয় সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান
রাষ্ট্র।এদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ঐতিহ্য ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক,
উদার, মানবতাবাদী চরিত্রকে।
সুফিবাদ, মরমীবাদ, বাউল ঐতিহ্যের
ধারাবাহিকতায় রবীন্দ্রনাথ, লালন,
বিবেকানন্দ, নজরুলের মত মনিষীরা
উদার মানবতাবাদী দর্শন প্রোথিত
করেছেন বাঙালির মানসপটে। সেই
চরিত্রকে ধারণ করে ও হাজার
বছরের নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতি-
ঐতিহ্য-সংগ্রামকে লালন করে,
পাকিস্তান নামক
সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রকাঠামোর অংশ
হওয়া বাঙালিদের মধ্যে আরেক নতুন
দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে। তার ওপর,
পাঞ্জাবি একচেটিয়া ধনিকদের
নেতৃত্বে পরিচালিত পাকিস্তানী
রাষ্ট্রযন্ত্রের শোষণের খড়গ নেমে
আসে পূর্ববঙ্গের মানুষের ওপর।
অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক,
প্রশাসনিকক্ষেত্রে নিদারুণ বৈষম্য,
ভাষা-সংস্কৃতির উপর আগ্রাসন,
রাষ্ট্রযন্ত্রের দমন-নিপীড়ন এ
অঞ্চলের মানুষকে ক্রমশ
মুক্তিসংগ্রামের দীক্ষায় দীক্ষিত
করে তোলে।
দেশ ভাগের অব্যবহিত পরেই
উপমহাদেশের কমিউনিস্টদের কন্ঠে
সর্বপ্রথম আওয়াজ ওঠে, ‘ইয়ে
আজাদি ঝুটা হ্যায়, লাখো ইনসান
ভুখা হ্যায়’। পূর্ব বাংলার
কমিউনিস্টরাও এই স্লোগান নিয়ে
মানুষের কাছে যেতে থাকেন। সেসময়
এই আওয়াজ হঠকারী ছিল কীনা সে
প্রসঙ্গ এড়িয়েও এ কথা বলা যায়
যে, কমিউনিস্টরাই সর্বপ্রথম ১৯৪৭
সালের সেই তথাকথিত স্বাধীনতাকে
মিথ্যে বলে চিহ্নিত করেন। সেই
মিথ্যে স্বাধীনতাকে প্রত্যাখ্যান
করেই সামাজিক, রাজনৈতিক,
অর্থনৈতিক মুক্তির মহান লক্ষ্যে
১৯৭১ সালে সংঘটিত হয় মহান
মুক্তিযুদ্ধ। যদিও, প্রতিক্রিয়াশীল
প্রতিবিপ্লবীদের দখলে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা চলে
যাওয়ায় আমরা আজো সেই মুক্তির
প্রকৃত স্বাদ আস্বাদন করতে পারি
নি, এখনো কোটি মানুষ অনাহারে,
অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।
কমিউনিস্টদের উপর পাকিস্তান
জন্মের পর থেকেই নেমে আসে
ফ্যাসিস্ট আক্রমণ, নির্যাতন,
জুলুম। তার মাঝেই নাচোলের
রাণীকমরেড ইলা মিত্রের নেতৃত্বে
তেভাগা আন্দোলন, কমরেড মণি
সিংহের নেতৃত্বে টঙ্ক আন্দোলন,
অজয় ভট্টাচার্য-বারীন দত্তের
নেতৃত্বে নানকার বিদ্রোহ গড়ে
ওঠে। শাসকশ্রেণীর হিংস্রতায়
খাপড়া ওয়ার্ডে এ দেশের প্রথম
জেল হত্যাকান্ডে শহীদ হন
কমিউনিস্ট বিপ্লবীরা।
কমিউনিস্টদের সংগ্রামে
অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নের সাথে
সাথে গণতন্ত্র এবং বাঙালি জাতির
অধিকারের প্রসঙ্গও ক্রমশ সামনে
আসতে থাকে। পূর্ব বাংলার নিপীড়িত
মানুষও সচেতন হয়ে ওঠে তাদের
অধিকার সম্পর্কে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000
