Islam Is The Solution of Humanity

Islam Is The Solution of Humanity

Share

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও শান্তির সংবিধান হ?

08/12/2014

S.S.C Exam Routine 2015সময় সকাল
১০.০০টা থেকে দুপুর১.০০টা পর্যন্ত।
১.
০২/০২/১৫ -বাংলা ১ম পত্র -
সোমবার
২.
০৪/০২/১৫ -বাংলা ২য় পত্র -
বুধবার
৩.
০৮/০২/১৫
-ইংরেজি ১ম পত্র - রবিবার
৪.
১০/০২/১৫ -
ইংরেজি ২য় পত্র - মঙ্গলবার
৫.
১২/০২/ ১৫ -
ইসলাম ধর্ম / হিন্দু ধর্ম -
বৃহস্পতিবার
৬.
১৫/০২/১৫ - সাধারন গনিত -
রবিবার
৭.
১৮/
০২/১৫ - পদার্থ বিজ্ঞান /
ইতিহাস /
ব্যবসায়পরিচিতি - বুধবার
৮.
২২/০২/১৫ -
রসায়ন / পৌরনীতি / ব্যবসায়
উদ্যোগ-
রবিবার
৯.
২৪/০২/ ১৫ - ভূগোল /
বানিজ্যক
ভূগোল - মঙ্গলবার
১০.
২৬/০২/১৫ -
উচ্চতর
গনিত -
বৃহস্পতিবার
১১.
০১/০৩/ ১৫ -সাধারন
বিজ্ঞান / বাংলাদেশ
ওবিশ্বপরিচয় -
রবিবার
১২.
০৩/০৩/১৫ -
জীববিজ্ঞান /
অর্থনীতি - মঙ্গলবার
১৩.
০৪/০৩/১৫ -
কৃষি শিক্ষা /গাহস্থ্য অর্থনীতি -
বুধবার
১৪.
০৮/০৩/১৫ - হিসাববিজ্ঞান -
রবিবার।

02/12/2014

সালাতের অপেক্ষায় থাকা...

৫৭৩ আবদুল্লাহ্‌ ইবনুূু সাব্বাহ্‌ (রহঃ) কুর্‌রা ইবনুূু খালিদ (রহঃ) থকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা হাসান (বসরী (রহঃ)) – এর অপেক্ষায় ছিলাম। তিনি এত বিলম্বে আসলেন যে, নিয়মিত সালাত (নামায/নামাজ) শেষে চলে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসল। এরপর তিনি এসে বললেন, আমাদের এ প্রতিবেশীগণ আমাদের ডেকেছিলেন।

তারপর তিনি বললেন, আনাস ইবনুূু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, এক রাতে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অপেক্ষায় ছিলাম। এমন কি প্রায় অর্ধেক রাত হয়ে গেল, তখন এসে তিনি আমাদের নিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন।

এরপর আমাদের সম্বোধন করে তিনি বললেনঃ জেনে রাখ! লোকেরা সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েছে, তবে তোমরা যতক্ষন সালাত (নামায/নামাজ)-এর #অপেক্ষায় ছিলে ততক্ষন সালাত (নামায/নামাজ)ই রত ছিলে। হাসন (বসরী (রহঃ)) বলেন, #মানুষ_যতক্ষন_কল্যাণের_অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষন তারা #কল্যাণেই নিরত থাকে। কুর্‌রা (রহঃ) বলেন, এ উক্তি আনাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদিসেরই অংশ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি (ইফা)
অধ্যায়ঃ ৯/ সালাতের ওয়াক্তসমূহ

হাদিস নম্বরঃ [573]
পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ انْتَظَرْنَا الْحَسَنَ وَرَاثَ عَلَيْنَا حَتَّى قَرُبْنَا مِنْ وَقْتِ قِيَامِهِ، فَجَاءَ فَقَالَ دَعَانَا جِيرَانُنَا هَؤُلاَءِ. ثُمَّ قَالَ قَالَ أَنَسٌ نَظَرْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ حَتَّى كَانَ شَطْرُ اللَّيْلِ يَبْلُغُهُ، فَجَاءَ فَصَلَّى لَنَا، ثُمَّ خَطَبَنَا فَقَالَ " أَلاَ إِنَّ النَّاسَ قَدْ صَلَّوْا ثُمَّ رَقَدُوا، وَإِنَّكُمْ لَمْ تَزَالُوا فِي صَلاَةٍ مَا انْتَظَرْتُمُ الصَّلاَةَ ". قَالَ الْحَسَنُ وَإِنَّ الْقَوْمَ لاَ يَزَالُونَ بِخَيْرٍ مَا انْتَظَرُوا الْخَيْرَ. قَالَ قُرَّةُ هُوَ مِنْ حَدِيثِ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
পরিচ্ছদঃ

02/12/2014

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কিয়ামতের আলামত সমূহের একটি এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যারা পশমের জুতা পরিধান করবে। কিয়ামতের আর একটি আলামত এই যে, তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের মূখ হবে চওড়া, যেন তাদের মুখমন্ডল পিটানো চামড়ার ঢাল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি (ইফা)
অধ্যায়ঃ ৪৮/ জিহাদ

হাদিস নম্বরঃ [2726]

Photos 09/11/2014
Photos 18/10/2014

***আপনি কি সঠিক ভাবে সালাত আদায় করছেন ?
জেনে নিন সালাত আদায়ের সঠিক নিয়ম****
***আপনি কি সঠিক ভাবে সালাত আদায় করছেন ?
জেনে নিন সালাত আদায়ের সঠিক নিয়ম****

الحمد لله وحده والصلاة والسلام على عبده ورسوله محمد وآله وصحبه.
যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্ জন্য এবং দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর বান্দাহ্ ও তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সাহাবাগণের প্রতি।আমি প্রত্যেক মুসলমান নারী ও পুরুষের উদ্দেশ্যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লামের নামায আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করতে ইচ্ছা করছি। এর উদ্দেশ্য হলো যে, যারা পুস্তিকাটি পাঠ করবেন তারা যেন প্রত্যেকেই নামায পড়ার বিষয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করতে পারেন। এ সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেনঃ
((صَلُّوْا كَمَا رَأَيْتُمُوْنِيْ أُصَلِّيْ )) رواه البخاري
অর্থঃ ((তোমরা সেভাবে নামায আদায় কর, যে ভাবে আমাকে নামায আদায় করতে দেখ।)) [বুখারী] পাঠকের উদ্দেশ্যে (নিম্নে) তা বর্ণনা করা হলোঃ-

১. সুন্দর ও পরিপূর্ণভাবে ওযু করবেঃ আল্লাহ্ তা'আলা কুরআনে যেভাবে ওযু করার নির্দেশ প্রদান করেছেন সেভাবে ওযু করাই হলো পরিপূর্ণ ওযু। আল্লাহ্ সোবহানাহু ওয়াতা'আলা এ সম্পর্কে এরশাদ করেনঃ
(( يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُواْ وُجُوْهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُواْ بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ )) [سورة المائدة: 6]
অর্থঃ ((হে মুমিনগণ! যখন তোমরা নামাযের উদ্দেশ্যে দণ্ডায়মান হও তখন (নামাযের পূর্বে) তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর এবং হাতগুলোকে কনুই পর্যন্ত ধুয়ে নাও, আর মাথা মাসেহ কর এবং পাগুলোকে টাখনু পর্যন্ত ধুয়ে ফেল।)) [সূরা আল-মায়েদাহঃ ৬] নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেনঃ
(( لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغِيْرِ طَهُوْرٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُوْلٍ ))
অর্থঃ ((পবিত্রতা ব্যতীত নামায কবুল করা হয় না। আর খেয়ানতকারীর দান গ্রহণ করা হয় না।)) ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেনঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে নামাযে ভুল করার কারণে বললেনঃ
(( ِإذَا قُمْتَ إِلىَ الصَّلاَةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوْءَ ))
অর্থঃ ((তুমি যখন নামযে দাঁড়াবে (নামাযের পূর্বে) উত্তম রূপে ওযু করবে।))

২. মুসল্লী বা নামাযী ব্যক্তি কেবলামুখী হবেঃ সে যে কোন জায়গায় থাক না কেন, তার সমস্ত শরীর ও মনকে যে ফরয বা নফল নামায আদায়ের ইচ্ছা করছে, অন্তরকে সেনামাযের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবে। এবং মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করবে না, কারণ মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করা শরীয়ত সম্মত নয়; বরং বা তা বিদ'আত। কারণ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাগণ কেউ মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করেননি।
সুন্নত হলো যে, নামাযী তিনি ইমাম হয়ে নামায আদায় করুন অথবা একা, তার সামনে সুত্রাহ (নামাযের সময় সামনে স্থাপিত সীমাচিহ্ন) রেখে নামায পড়বেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের সামনে সুত্রাহ ব্যবহার করে নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কিবলামুখী হওয়া নামাযের শর্ত। তবে কোন কোন বিশেষ অবস্থা তার ব্যতিক্রম যা সুবিদিত বা সবার জানা এবং এ বিষয়ে আহ্লে ইলমদের কিতাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

৩. তাকবীরে তাহরীমাহঃ আল্লাহু আকবার বলে তাকবীরে তাহরীমা দিয়ে নামাযে দাঁড়াবে এবং দৃষ্টিকে সিজদার স্থানে নিবদ্ধ রাখবে।

৪. তাকবীরে তাহরীমায় হাত উত্তোলনঃ তাকবীরে তাহরীমার সময় উভয় হাতকে কাঁধ অথবা কানের লতি বরাবর উঠাবে।

৫. বুকে হাত বাঁধাঃ এরপর ডান হাতের তালুকে বাম হাতের উপরের কব্জি অথবা বাহু ধারণ করে উভয় হাতকে বুকের উপর রাখবে। বুকের উপর হাত রাখা সম্পর্কে সাহাবী অয়েল ইবনে হুজর রাদিয়াল্লাহু 'আনহু এবং কাবীসাহ্ ইবনে হুলব আততায়ী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু, তিনি তার পিতা থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

৬. সানা পড়াঃ দো'আ ইস্তেফ্তাহ (সানা) পাঠ করা সুন্নাত। দো'আ ইস্তেফ্তাহ নিম্নরূপঃ
(( اَللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَاياَيَ كَمَا بَاعَدتَّ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ. اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْ خَطَايَايَ كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ. اَللَّهُمَّ اغْسِلْنِيْ مِنْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرْدِ. ))
উচ্চারণঃ ((আল্লা-হুম্মা বা-'ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাতা-ইয়া-য়া, কামা- বা-'আদ্তা বাইনাল মাশরিক্বী ওয়াল মাগরিবি, আল্লা-হুম্মা নাক্কিনী- মিন খাতা-ইয়া-য়া কামা- ইউনাক্কাছ্ ছাওবুল আবইয়াদু মিনাদ্দানাসি, আল্লা-হুম্মাগসিলনী- মিন খাতা-ইয়া-য়া বিল মা-য়ি, ওয়াছ্ছালজি, ওয়াল বারদি।))অর্থঃ ((হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে আমার পাপগুলো থেকে এত দূরে রাখ যেমন পূর্ব ও পশ্চিম পরস্পরকে পরস্পর থেকে দূরে রেখেছ। হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে আমার পাপ হতে এমন ভাবে পরিষ্কার করে দাও, যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা হতে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে আমার পাপ হতে (পবিত্র করার জন্য) পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধুয়ে পরিষ্কার করে দাও।)) [বুখারী ও মুসলিম]অন্য এক হাদীসে আবু হোরায়রাহ্ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, যদি কেউ চায় তাহলে পূর্বের দো'আর পরিবর্তে নিম্নের দো'আটিও পাঠ করতে পারে। কারণ নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তা পাঠ করার প্রমাণ রয়েছে-
(( سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ ))
উচ্চারণঃ ((সোবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাস্মুকা, ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা।))অর্থঃ ((হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোন মা'বূদ নেই।))পূর্বের দো'আ দু'টি ছাড়াও যদি কেউ নবী সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত অন্যান্য যে সমস্ত দো'আয়ে ইস্তেফ্তাহ বা সানা রয়েছে, তা পাঠ করে তবে কোন বাধা নেই। কিন্তু উত্তম হলো যে, কখনও এটি আবার কখনও অন্যটি পড়া। কারণ এর মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লামের পরিপূর্ণ অনুসরণ প্রতিফলিত হবে।এরপর বলবেঃ ((আ'উযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত-নির রাজীম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।)) অর্থঃ ((আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্ কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)) অতঃপর সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করবে । কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
(( لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ))
অর্থঃ ((যে ব্যক্তি (নামাযে( সূরা ফতিহা পাঠ করে না তার নামায হয় না।)) [বুখারী ও মুসলিম] সূরা ফতিহা পাঠ শেষে জাহরী নামাযে (যেমনঃ মাগরিব, এশা ও ফজর( উচ্চস্বরে আওয়াজ করে এবং ছির্রি নামাযে (যেমনঃ জোহর ও আসর( মনে মনে আ-মীন বলবে।এরপর পবিত্র কুরআন থেকে যে পরিমাণ সহজসাধ্য হয় পাঠ করবে। উত্তম হলো যে, জোহর, আসর এবং এশার নামাযে কুরআন মজিদের আওছাতে মুফাচ্ছাল [সূরা নাস থেকে সূরা দোহা পর্যন্ত এবং ফজরে তেওয়াল [সূরা কাফ থেকে সূরা নাবা পর্যন্ত] আর মাগরিবে কিসার [সূরা দোহা থেকে সূরা নাস পর্যন্ত] থেকে পাঠ করা। মাগরিব নামাযে কখনও তেওয়াল অথবা আওসাত থেকে পাঠ করবে। এভাবে পাঠ করা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত রয়েছে। আসরের কিরআতকে জোহর এর কিরআত থেকে হালকা করা জায়েয আছে।

৭. রুকূঃ উভয় হাত দু'কাঁধ অথবা কান বরাবর উঠিয়ে আল্লাহু আকবার বলে রুকূতে যাবে। মাথাকে পিঠ বরাবর রাখবে এবং উভয় হাতের আঙ্গুলগুলিকে খোলাবস্থায় উভয় হাঁটুর উপরে রাখবে। রুকূতে ইতমিনান বা স্থিরতা অবলম্বন করবে। এরপর বলবেঃ ((সুবহানা রাব্বি'আল 'আজীম))। অর্থঃ ((আমি আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।)) দো'আটি তিন বা তার অধিক পড়া ভাল এবং এর সাথে নিম্নের দো'আটিও পাঠ করা মুস্তাহাব-জায়েয।
(( سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّناَ وَبِحَمْدِكَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ))
উচ্চারণঃ ((সোবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ্ ফিরলি।))অর্থঃ ((হে আল্লাহ্! আমাদের প্রতিপালক, তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি তোমার প্রশংসা সহকারে। হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা কর।))

৮. রুকূ থেকে উঠাঃ উভয় হাত কাঁধ অথবা কান বরাবর উঠিয়ে ((সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ্)) বলে রুকূ থেকে মাথা উঠাবে। ইমাম বা একাকী উভয়ই দো'আটি পাঠ করবে। রুকূ থেকে খাড়া হয়ে বলবেঃ
(( رَبَّنَاوَلَكَ الْحَمْدُ،حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا ِفيْهِ؛ مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَ مِلْءَ الْأَرْضِ؛ وَمِلَءَ ماَ بَيْنَهُمَا ؛ وَمِلْءَ ماَ شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ. ))
উচ্চারণঃ ((রাব্বানা- ওয়া লাকাল হামদ্, হামদান্ কাছী-রান্ তাইয়্যেবাম্ মুবা-রাকান ফি-হ, মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়া মিল্আল্ 'আরদি, ওয়া মিল্আ মা বাইনাহুমা, ওয়া মিল্আ মা শি'তা মিন শাইয়িম বা'দু।))অর্থঃ ((হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার জন্যই সমস্ত প্রশংসা। তোমার প্রশংসা অসংখ্য, উত্তম ও বরকতময়, যা আকাশ ভর্তি করে দেয়, যা পৃথিবী পূর্ণ করে দেয়, উভয়ের মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করে এবং এগুলো ছাড়া তুমি অন্য যা কিছু চাও তাও পূর্ণ করে দেয়।)) পূর্বের দো'আটির পরে যদি নিম্নের দো'আটিও পাঠ করা হয় তাহলে ভাল-
(( أَهْلُ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ؛ أَحَقُّ مَا قاَلَ الْعَبْدُ؛ وَكُلُّناَلَكَ عَبْدٌ؛ اَللَّهُمَّ لاَمَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَالْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ.))
উচ্চারণঃ ((আহলুস্ সানা-য়ি ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা কা-লাল 'আবদু, ওয়া কুল্লানা- লাকা 'আব্দুন। আল্লা-হুম্মা! লা- মা-নি'আ লিমা- আ'তাইতা ওয়ালা- মু'তিয়া লিমা- মানা'তা, ওয়ালা ইয়ানফা'উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দু।))অর্থঃ ((হে আল্লাহ্! তুমিই প্রশংসা ও মর্যাদার হক্কদার, বান্দাহ যা বলে তার চেয়েও তুমি অধিকতর হকদার। এবং আমরা সকলে তোমারই বান্দাহ্। হে আল্লাহ্! তুমি যা দান করেছো, তার প্রতিরোধকারী কেউ নেই। আর তুমি যা নিষিদ্ধ করেছো তা প্রদানকারীও কেউ নেই। এবং কোন সম্মানী ব্যক্তি তার উচ্চ মর্যাদা দ্বারা তোমার দরবারে উপকৃত হতে পারবে না।))কোন কোন সহীহ্ হাদীসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই (পূর্বের) দো'আটি পড়া প্রমাণিত আছে। আর মুকতাদী হলে রুকূ থেকে উঠার সময় ((রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ. . . . .)) দো'আটি শেষ পর্যন্ত পড়বে। রুকূ থেকে মাথা উঠানোর পর ইমাম ও মুকতাদী সকলের জন্য দাড়ানো অবস্থায় যে ভাবে উভয় হাত বুকের উপর ছিল সে ভাবে বুকের উপর উভয় হাত রাখা মুস্তাহাব। এ বিষয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অয়েল ইবনে হুজর এবং সাহল বিন সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা -এর বর্ণিত হাদীস থেকে প্রমাণিত।

৯. সিজদাহঃ ((আল্লাহু আকবার)) বলে যদি কোন প্রকার কষ্ট না হয় তা হলে দুই হাটু উভয় হাতের আগে (মাটিতে রেখে) সিজদায় যাবে। আর কষ্ট হলে উভয় হাত হাটুর পূর্বে (মাটিতে) রাখা যাবে। হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলি কিব্লামুখী থাকবে। এবং হাতের আঙ্গুলগুলি মিলিত ও প্রসারিত হয়ে থাকবে। সিজদাহ্ হবে সাতটি অঙ্গের উপর। অঙ্গগুলো হলোঃ নাক সহ কপাল, উভয় হাতুলী, উভয় হাঁটু এবং উভয় পায়ের আঙ্গুলের ভিতরের অংশ।সিজদায় গিয়ে বলবেঃ ((সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা)) অর্থঃ ((আমার সর্বোচ্চ প্রতিপালকের [আল্লাহর] প্রশংসা করছি।)) তিন বা তার অধিকবার তা পুনরাবৃত্তি করবে। এর সাথে
নিম্নের দো'আটি পড়া মুস্তাহাব-
(( سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّناَ وَبِحَمْدِكَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ))
উচ্চারণঃ ((সোবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ্ফিরলি।))অর্থঃ ((হে আল্লাহ্! আমাদের প্রতিপালক, তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি তোমার প্রশংসা সহকারে। হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা কর।)) সিজদায় বেশি বেশি দো'আ করা মুস্তাহাব। কেননা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেনঃ
(( فأما الركوع فعظموا فيه الرب وأما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن أن يستجاب ))
অর্থঃ ((তোমরা রুকূ অবস্থায় মহান প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ব বর্ণনা কর এবং সিজদারত অবস্থায় অধিক দো'আ পড়ার চেষ্টা কর, কেননা তোমাদের দো'আ' কবুল হওয়ার উপযোগী।)) [মুসলিম] রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম আরো এরশাদ করেনঃ
(( أَقْرَبُ مَا يَكُوْنُ الْعَبْدُ مِن رَّبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَأَكْثِرُوْا الدُّعَاءَ. ))
অর্থঃ ((বান্দাহ্ সিজদাহ্ অবস্থায় তার প্রতিপালকের অধিক নিকটবর্তী হয়ে থাকে। অতএব এই অবস্থায় তোমরা বেশি বেশি দো'আ করবে।)) [মুসলিম]
ফরয অথবা নফল উভয় নামাযে মুসলিম [নামাযী] সিজদার মধ্যে তার নিজের এবং মুসলমানদের জন্য আল্লাহ্ কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য দো'আ করবে। সিজদার সময় উভয় বাহুকে পার্শ্বদেশ থেকে, পেটকে উভয় উরু এবং উভয় উরু পিন্ডলী থেকে আলাদা রাখবে। এবং উভয় বাহু [কনুই] মাটি থেকে উপরে রাখবে। (কেননা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম কুনইকে মাটির সাথে লাগাতে নিষেধ করেছেন।) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেনঃ
(( اِعْتَدِلُوْا فِي السُّجُوْدِ وَلاَيبسِطُ أَحْدُكُمْ ذِرَاعَيْهِ إِنْبِسَاطَ الْكَلْبِ.)) [متفق عليه]
অর্থঃ ((তোমরা সিজদায় বরাবর সোজা থাকবে। তোমাদের কেউ যেন তোমাদের উভয় হাতকে কুকু

Photos 07/10/2014

🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎🍎
তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।
🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆
তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। যারা কাজ করে তাদের জন্য কতইনা চমৎকার প্রতিদান।
(সূরা ইমরান–১৩৫,১৩৬ নং আয়াত)
🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊🎊

05/10/2014

ইসলাম দয়া ও রহমতের ধর্ম

নিঃসন্দেহে দুনিয়াতে ইসলামই হল একমাত্র দয়া ও রহমতের ধর্ম।সকল ধর্ম ও মতাদর্শের মাঝে ইসলামের আবির্ভাব হল রহমত স্বরূপ।এর আচঁলে আছে দয়া মায়া,রহমত আর ভার্তৃত্যের ঐ ফুল যার সুবাসে সমগ্র দুনিয়া সুভাসিত।ইসলামের সূর্য উদিত হওয়ার পর কোন ধর্ম মুখ দেখানোর উপযুক্ত রয়নি।ইসলামই ঐ ধর্ম যে ধর্মে বলা হয়েছে একটি পিপাসিত কুকুরকে পানি পান করিয়েও জান্নাত অর্জন করা যায়।একটি বিড়ালকে অন্যায় ভাবে কষ্ট দেয়াও জাহান্নামে যাওয়ার কারন হতে পারে।ইসলাম ঐ ধর্ম যা মজলুম ও নিপীড়িত হওয়াকে নাজাতের কারন মনে করে।চুড়ান্ত বিপদেও ধৈর্যের শিক্ষা দেয়।।

Photos 05/10/2014

হে বৎস, কোন বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় অতঃপর তা যদি থাকে প্রস্তর গর্ভে অথবা আকাশে অথবা ভূ-গর্ভে, তবে আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ গোপন ভেদ জানেন, সবকিছুর খবর রাখেন।

(সূরা লোকমান–১৬নং আয়াত)
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

Photos 05/10/2014

রাসুলুল্লাহ সঃ এর হাদিস দেখুনঃ

"আবু আইয়ূব রাঃ থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সঃ বলেছেনঃ বিতরের সলাত ওয়াজিব । অতএব, যে ইচ্ছা করে সে পাঁচ রাকাত দ্বারা বেজোড় করে দেবে আর যে ইচ্ছা করে সে তিন রাকাত দ্বারা বিজোড় করে দেবে আর যে ইচ্ছা করে সে এক রাকাত দ্বার বিজোড় করে দেবে । (ইবনে নাসাই শরীফ, ২য় খন্ড, ১৭১৩- ১৭১৬ নং হাদিস, ৪৪৬ পেজ দেখুন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ) আরো দেখুন (আবু দাউদ শরীফের ১৪২২ নং হাদিস, ২য় খন্ড, ২৯৮ নং পেজ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ওখানে এক রাকাতের কথা উল্লেখ আছে । এক রাকাত বিতর পড়লেও হবে কিন্তু যে বিতর না পড়বে সে রাসুল সঃ এর উম্মত নয় । এটাও সহী হাদিস ।

04/10/2014

লিখাটি এড়িয়ে যাবেন
না...
১ – বিজ্ঞান কিছুদিন
আগে জেনেছে চাঁদের
নিজস্ব কোন
আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১
নং আয়াতে কুরআনে এই
কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০
বছর
আগে।
২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর
আগে জেনেছে চন্দ্র এবং সূর্য
কক্ষ
পথে ভেসে চলে...
সূরা আম্বিয়া ৩৩
নং আয়াতে কুরআনে এই
কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০
বছর
আগে।
৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪
নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই
জানানো হয়েছে; মানুষের
আঙ্গুলের ছাপ
দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত
করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।
৪ - ‘ বিগ ব্যাং’
থিওরি আবিষ্কার হয়
মাত্র চল্লিশ বছর আগে।
সূরা আম্বিয়া ৩০
নংআয়াতে কুরআনে এই
কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০
বছর
আগে।
৫ – পানি চক্রের
কথা বিজ্ঞান
জেনেছে বেশি দিন হয় নি...
সূরা যুমার
২১ নং আয়াতে কুরআন এই
কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর
আগে।
৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন
জেনেছে লবণাক্ত পানি ও
মিষ্টি পানি একসাথে মিশ্রিত
হয় না।
সূরা ফুরকানের ২৫
নং আয়াতে কুরআন
এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০
বছরআগে।
৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান
দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত
করেছে;
বিজ্ঞান এখন বলছে ডান
দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব
থেকে ভাল
থাকে।
৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের
জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত
দেহ কবর দেয়,
এদের বাজার পদ্ধতি আছে।
কুরআনের
সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮
নং আয়াতে এই
বিষয়ে ধারণা দেয়।
৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম
করেছে ,
চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ
পান
লিভারের জন্য ক্ষতিকর।১
০ – ইসলাম শুকরের
মাংসকে হারাম
করেছে। বিজ্ঞান আজ
বলছে শুকরের
মাংস লিভার, হার্টের জন্য
খুবই
ক্ষতিকর।১
১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ
উৎপাদন এর
ব্যাপারে আমাদের
চিকিৎসা বিজ্ঞান
জেনেছে মাত্র কয়েক
বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১
নং আয়াতে কুরআন এই
বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।১২ -
মানুষের
জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব
সম্পর্কে বিজ্ঞান
জেনেছে এই কদিন
আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই
বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০
বছর
আগে।১
৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান
আজ
জেনেছে পুরুষই ( শিশু
ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে)
তা নির্ধারণ
করে। ভাবা জায়... কুরআন এই
কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর
আগে।
( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত,
সূরা কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯
নং আয়াত)

৪ - একটি শিশু যখন
গর্ভে থাকে তখন
সে আগে কানে শোনার
যোগ্যতা পায়
তারপর পায় চোখে দেখার।
ভাবা যায়?
১৪০০ বছর আগের এক
পৃথিবীতে ভ্রুনের
বেড়ে ওঠার স্তর
গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর
আলোচনা করে। যা আজ
প্রমাণিত !
( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ ,
৭৬
এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )

৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক
সময়
মানুষ মনে করত
পৃথিবী লম্বাটে, কেউ
ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা ,
সমান্তরাল...
কোরআন ১৪০০ বছর
আগে জানিয়ে গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট
পাখির ডিমের মত
গোলাকার।১
৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন
বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ
জেনেছে দুশ বছর আগে।
সূরা লুকমানের
২৯ নং আয়াতে কুরআন এই
কথা জানিয়ে গেছে প্রায়
দেড় হাজার
বছর আগে !!আমাদের সমস্যা হল
আমরা সব কিছুই জানি...
যারা নাস্তিক
তারাও জানে... পার্থক্য
টা হল'
বোধ' ...যেমন ধরুন একজন
নেশাকর
জানে যে নেশা করলেই তার
জীবন
নষ্টহয়ে যাবে,
যে ছেলে বাবা কে খুন
করেছে সে জানে যে এই
মানুষটি তাকে জন্ম
দিয়েছে... সব
জেনে শুনেই আমরা সব
থেকে খারাপ কাজ
গুলো করি...
ব্যাপারটা অজ্ঞানতার
না ব্যাপারটা ' বোধ' এর।...
আপনার এই
বোধটা থাকতে হবে।সব
মানুষের
ভেতরে দুটি মানুষ থাকে।
মাঝে মাঝে একজন
মনে করিয়ে দে
য়- নামাজ পড়া জরুরী তখন
আরেকজন
বলে –আজ না; কাল থেকে শুরু
করব।
একজন সিদ্ধান্ত নেয়- আর মদ
খাব
না। সাথে সাথে আরেকজন
বলে ওঠ
ে – আজ খাই; কাল
ছেড়ে দিব।
আগামীকাল সব সময়ই
আগামীকাল।
শয়তান খুব সুক্ষ ভাবে আমাদের
ব্রেন
ওয়াস করে। আমরা কখনোই
বলিনা না য
ে – আমিআর কখনো নামাজ
পড়ব
না অথবা দশ বছর পর পড়ব।শয়তান
চালাকি করে আমাদের বুঝ
দেয়
এইতো কাল থেকেই পড়ব।
তবে আগামীকাল আর
আসে না। এলেই
আমরা ভাল হয়ে যাব। আমরাশুধু
আজকের জন্য খারাপ।সাফল্য
ব্যার্থতা বলে আসলে কিছু
নেই।
জীবনের মূল বক্তব্য- কবর। জন্মের
আজান আদায় হয় জানাযায়।
জন্মের ঋণ
শোধ হল মৃত্যুতে। এটাই সত্য।
বাকি সব
মিথ্যা

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka