আমার সেনার বাংলা,
আমি তোমায় ভালোবাসি।।।
BNP Bangla News
The Bangladesh Nationalist Party, ofthen abbreviated as BNP, is one of the two largest political par
06/05/2016
আর কান্না নয়।
বাংলাদেশের মানুষের মুখে,
হাসি ফোটাতে লড়াই করতে হবে।
দেশ নায়ক তারেক রহমান।।।।।।।।।
08/04/2016
বাংলাদেশের তরুণ রাজনীতিতে
কে বেশী জনপ্রিয়...
তনু হত্যা ভয়ঙ্কর রকমের অমানবিক _____রিজভী
আহমেদ।
বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী
জাহান তনু হত্যার বিচার দাবি করেছেন বিএনপির
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি
বলেন, এ দেশে এই হত্যাকাণ্ড ভয়ংকর রকমের
অমানবিক। আর যাতে কোনো মায়ের বুক খালি না
হয়। তনুর মতো আর যাতে কোনো মেয়ের
জীবন চলে না যায়। যারা প্রকৃত দোষী, তাদের
খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে
দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
বুধবার দুপুরে কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ প্রধান বিচারিক হাকিম
আদালতে বিস্ফোরক দ্রব্য ও হত্যা মামলার হাজিরা
শেষে সাংবাদিকদের রুহুল কবির রিজভী এসব কথা
বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সোহাগী জাহান তনু
কীভাবে লাঞ্ছিত হলো, তাকে জীবন দিতে
হলো। এটি হচ্ছে এই অবৈধ সরকারের অবৈধ
কর্মকাণ্ড, যা দেশব্যাপী বিরাজমান, পুরোপুরি
অরাজকতার অংশ। এখানে একজন মানুষের নিরাপত্তা
নেই। তার জীবনযাপনের নিরাপত্তা নেই। তার
সন্তানের নিরাপত্তা নেই। একজন তরুণীর স্বাভাবিক
চলাচলের নিরাপত্তা নেই।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই তনু হত্যার মধ্য দিয়ে
আমরা সারা দেশের পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারছি।
যতদিন এই সরকার তার অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকবে,
ততদিন এ দেশের মানুষের জানমালের কোনো
নিরাপত্তা থাকবে না। সে ক্ষেত্রে একমাত্র
শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে
এবং হাসিনার নেতৃত্ববিহীন তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ যাকে ভোট দিয়ে
নির্বাচিত করবে ও জনগণের কাছে সরকারের
জবাবদিহিতা থাকলে আজ পথে-ঘাটে এভাবে মানুষ
মরত না। বিচারবহির্ভূত হত্যা হতো না, গুম হতো না এবং
মুক্তিপণ আদায়ের সংস্কৃতি চালু হতো না। মানুষের
স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থাকত।
কারোর জবাবদিহিতা নেই। ছাত্রলীগ, যুবলীগ
অঙ্গসংগঠনগুলো আজকে বেপরোয়া হয়ে
উঠেছে। তারা জানে যে তারা অপকর্ম করলে
কারোর জীবন কেড়ে নিলে তাদের জবাবদিহিতা
করতে হবে না। তাকে আইনের আওতার মধ্যে
আসতে হবে না। এ ধরনের একটি সামগ্রিক
অরাজকতার পরিস্থিতি দেশে বিরাজমান। এখান থেকে
উত্তরণের পথ হচ্ছে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা।
গণতন্ত্রের অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে নির্বাচন।
সেই নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের
অধীনে হতে হবে। কুমিল্লায় তনু হত্যার ঘটনায় শুধু
বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের বিবেক কেঁদে
উঠেছে।
05/04/2016
তারিখ : ০৫ এপ্রিল, ২০১৬
ব্রিফিং : এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, বিএনপি।
সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
আপনাদেরকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
আজ একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে কথা বলার জন্য
আপনাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। মহান স্বাধীনতার
ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের
প্রবক্তা, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী অন্যতম
সেক্টর কমান্ডার, রণাঙ্গনের বীর মুক্তযোদ্ধা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর
উত্তমের মাজার সরিয়ে দেয়ার চক্রান্ত অব্যাহত
রেখেছে ভোটারবিহীন এ অবৈধ সরকার। আমরা
বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি বিশ্বখ্যাত স্থপতি
লুই আই কানের মূল নকশায় জাতীয় সংসদ ভবন
এলাকায় কবরস্থানের জন্য কোনো জায়গা রাখা হয়নি
এমন অজুহাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের মাজার সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ন
ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এর আগে গত ২৯ মার্চ
ভোটারবিহীন সংসদের স্পীকার ড. শিরিন শারমিন
চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে বৈঠক করে
যুক্তরাস্ট্র থেকে লুই আই কানের মূল নক্শা আনার
জন্য কমিটি গঠন করে। একদলীয় নব্য বাকশালী
পার্লামেন্টে স্পীকার ড. শিরিন শারমিন জাতীয়
সংসদকে জনস্বার্থে ও দেশের স্বার্থে
বিতর্কের জায়গা না রেখে প্রধানমন্ত্রীকে
স্তাবকতা করার একটি অডিটোরিয়ামে পরিণত
করেছেন। তাঁর পক্ষে গণতন্ত্রবিনাশী
যেকোন উদ্যোগই গ্রহণ করা সম্ভব। কারন
তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিহিংসামূলক ইচ্ছাগুলোকে
আমলে নিয়েই কাজ করতে হয়। মূলত: বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ষড়যন্ত্র শুরু করে
১৯৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় আসার পর। সে সময় তিনি
জিয়া উদ্যানের নাম পরিবর্তনই শুধু করেননি, তিনি
শহীদ জিয়ার মাজারে যাওয়ার ক্রিসেন্ট লেকের
ওপর থেকে বেইলি ব্রীজটিও সরিয়ে
দিয়েছিলেন। আবার ২০১৪ সালের ১৭ জুন একনেক
এর সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ জিয়াউর
রহমানের মাজার অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার ঘোষনা
দেন। জনপ্রিয়তাহীন, জনবিচ্ছিন্ন এ অবৈধ সরকার
সম্পূর্ণ ঈর্ষান্বিত হয়ে মহান স্বাধীনতার
ঘোষকের মাজার সরিয়ে দেয়ার চক্রান্ত করছে।
বাস্তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
মাজারটি সংসদ ভবন এলাকা থেকে অনেক দুরে
অবস্থিত। মাজারের কারণে সংসদের কার্যক্রমের
কোন ক্ষতি হচ্ছেনা। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায়
জনবিচ্ছিন্ন এ সরকার মাজারটি অন্যত্রে সরানোর
অপচেষ্টা করছে। মূলত: একটি অবৈধ ও গণবিচ্ছিন্ন
সরকার কখনোই সুষ্ঠভাবে দেশ পরিচালনা করতে
পারে না। কারণ ক্ষমতাবিলাস, দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর
রক্তপাতের জেনারেল লাইসেন্স নিয়ে রাষ্ট্র
পরিচালনা করে বলেই তারা চরমভাবে ব্যর্থ হয়।
রাজকোষ থেকে টাকা পাচার, তনু হত্যা,
বাঁশখালীতে পুলিশের নির্বিচার হত্যাকান্ড এবং ইউপি
নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নজীরবিহীন
খুনোখুনী আর ভোট ডাকাতি আড়াল করার জন্যই
আবারো জিয়ার মাজার সরানোর ইস্যু সামনে নিয়ে
আসা হয়েছে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
ভোটারবিহীন এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা এমন অপচেষ্টা করতেই পারেন। কারণ
স্বাধীনতা যুদ্ধে শেখ হাসিনা বা তার পরিবারের
কতটুকু অবদান ছিল তা জাতি জানে। স্বাধীনতার পর তাঁর
বাবা বাংলাদেশের গণতন্ত্র হরণ করে একদলীয়
বাকশাল কায়েম করেছিলেন। চারটি পত্রিকা রেখে
সকল গণমাধ্যম বন্ধ করে নিয়ে মানুষের
বাকস্বাধীনতা হরণ করেছিলেন। তাদের পারিবারিক
দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় দেশে দূর্ভিক্ষ নেমে
এসেছিল। না খেয়ে মারা গিয়েছিল লাখ লাখ মানুষ।
আর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জীবনবাজী
রেখে পরিবারের বিপদের কথা না ভেবে
চট্রগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন। যে ঘোষনা
দেয়ার কথা ছিল রাজনৈতিক নেতৃত্বের। শহীদ জিয়া
মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন যুদ্ধের ময়দানে
থেকে। দীর্ঘ ৯ মাস পাকহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি
অগ্রণী ভুমিকা রেখেছেন। শুধু তাই নয় ১৯৭৫
সালে ৭ই নভেম্বর দেশের ক্রান্তিকালে সিপাহী
জনতা জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন
করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে বাকশাল বাতিল
করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, বন্ধ
গণমাধ্যম খুলে দিয়ে বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন।
একটি তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে জাতিকে একটি সমৃদ্ধ
বাংলাদেশ উপহার দেন। অল্প দিনেই তিনি
বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান
করে নিয়েছিলেন। তিনি কত জনপ্রিয় ছিলেন প্রমাণ
হয়েছিল তার মৃত্যুর পর। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান কতিপয় বিপথগামী সেনা
কর্মকর্তাদের হাতে শহীদ হওয়ার পর তাঁর জানাযায়
অংশ নিয়েছিলেন কোটি মানুষ। কোটি কোটি
মানুষের ভালবাসা ও তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তেই
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সেখানে
সমাহিত করা হয়েছিল।
বন্ধুরা,
ভোটারবিহীন প্রধানমন্ত্রীর শহীদ জিয়ার মাজার
সহ্য না হবারই কথা। কারন শেখ হাসিনা তাঁর পিতার পথ
অনুসরণ করে গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছেন। আর
শহীদ জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে
দিয়েছিলেন। এক বন্য প্রতিহিংসায় প্রধানমন্ত্রী
আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। জিয়া পরিবার তথা
জাতীয়তাবাদী শক্তির ওপর রক্তাক্ত আক্রমণ
চালিয়েও তার প্রতিহিংসার লেলিহান বহ্নি কোনভাবেই
প্রশমিত হচ্ছে না। এখন তিনি টার্গেট করেছেন
এদেশের যুগনায়ক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের
প্রবক্তা শহীদ জিয়ার মাজারকে। কিন্তু তিনি
প্রকারন্তরে এদেশে প্রতিশোধ আর প্রতিহিংসার
ভয়াবহ বিস্তার ঘটিয়ে দেশকে বিভৎস নৈরাজ্যের
দিকে ঠেলে দিচ্ছেন-দেশে শান্তি, ঐক্য,
সহিঞ্চুতা ও সম্প্রীতির সংস্কৃতিকে একেবারে
ধ্বংস করে দিয়ে। শহীদ জিয়ার এ মাজারটি আজ
কোটি কোটি জনগণের হৃদয়ে স্থান দখল করে
আছে। তাই শহীদ জিয়ার মাজার সরানোর উদ্যোগ
দেশে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির তৈরী করবে। জনগণ
তাদের এই প্রিয় নেতার মাজার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা
কখনোই বরদাস্ত করবে না। এই মাজার সরানোর
মতো দুঃসাহস দেখালে পরিণতি ভাল হবে না।
কোনভাবেই তাদের এ অপচেষ্টা সফল হতে
দেয়া হবে না। জনগণ তাদের সকল অপচেষ্টাকে
জীবন দিয়ে প্রতিহত করবে। জাতীয়তাবাদী
শক্তি শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও শহীদ জিয়ার
মাজার উচ্ছেদের অশুভ পরিকল্পনা প্রতিরোধ
করবে।
ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ
বার্তা প্রেরক
(মোঃ আব্দুল লতিফ জনি)
সহ-দফতর সম্পাদক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
বিএনপি চেয়ারপার্রসন দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে
কুমিল্লা জেলা দক্ষিনের উদ্যেগে বিক্ষোভ
মিছিল। বিএনপি এবং অংগ ও সহোযোগী সংগঠনের
বিপুল নেতাকর্মীরা এতে অংশ গ্রহন করেন।
অবিলম্বে সকল প্রকার মিথ্যা মামলা থেকে
দেশনেত্রী সহ বিএনপির সিঃভাইস চ্যেয়ারম্যান
জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার
করার জন্য বিক্ষোভ থেকে হুসিয়ারী দেওয়া হয়।
আজ আঃয়ামী দুঃশাসন আমলে দেশের মানুষের
কোনো নিরাপওা নেই-
আজ রক্তাত সমাজ, রক্তাত জনপদ-
রক্তাত গনতন্ত,রক্তাত রাজপথ।
বাকশালীদের হিংস্র ছোবলে,রক্তাত আমাদের
প্রিয় জন্মভুমি বাংলাদেশ।।
..........দেশনেএী বেগম খালেদা জিয়া
এক নজরে দেখে নিন এশিয়া কাপের চূড়ান্ত সময় সূচী goo.gl/7e5N0b
Link : goo.gl/7e5N0b
স্টার জলসা দেখা নিয়ে মারামারি,
হাসপাতালে স্বামী-স্ত্রী......
বিস্তারিত... goo.gl/kuaeXA
More News Link : goo.gl/kuaeXA
সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগ
নেতার নেতৃত্বে মাদরাসায়
হামলা, প্রিন্সিপালকে মারধর
বিস্তারিত পড়তে এই লিংকে যান.... goo.gl/4zycJf
News Link : goo.gl/4zycJf
15/08/2015
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে বলছি.. ৪%
সরকারী চাকুরীজিবীর বেতন ১০০% বৃদ্ধির
আগে বাকি ৯৬% ( বেকার + বেসরকারী
চাকুরীজিবী) বিশেষ কোন ট্রাইবুনালের
আওতায় এনে গনহারে ফাসিতে ঝুলিয়ে দিন।
তাদের অপরাধ.... ১. কেন তারা ফাস করা
প্রশ্ন
কালেক্ট করতে পারেনি বা করেনি..? ২.
কেন
তারা শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সময়টাতে
রাজনীতি
না করে পড়ালেখার পেছনে নষ্ট করেছে..?
৩. কেন তাদের কোন প্রভাবশালী নেতা/
এমপি / মন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ বা
আত্বীয়তার সম্পর্ক নেই..? ৪. কেন তারা লক্ষ
টাকা ঘুষ দেয়ার মতো সামর্থ্য রাখেনা.? ৫.
কেন
তাদের বাপ বা দাদারা মুক্তিযুদ্ধে
অংশগ্রহণ
করেনি..? ৬. কেন তারা উপজাতি নই..? -
সরকারী
চাকুরীর ৫৬% কোটার মধ্যে স্থান না পাওয়া
৪৭%
শিক্ষিত যোগ্য ও মেধাবীবেকারকে ধুকিয়ে
ধুকিয়ে মারার চাইতে একেবারে ফাসি
দিয়ে
দেয়াটাই বেটার। - সব বেকারকে ফাসিতে
ঝুলিয়ে দিলে বেকার ও দারিদ্রমুক্ত
ডিজিটাল
বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আপনা আপনিই
বাস্তবায়িত
হয়ে যাবে।
লুটপাট ও দুর্নীতির বিচারের ভয়ে নির্বাচন দিতে ভয় পায় আওয়ামী লীগ!
---- দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
