Rise Builder's Ltd.

Rise Builder's Ltd.

Share

any construction work Rise Construction is one of the leading real estate companies in Bangladesh. Rise Construction.

It specializes in developing exclusive apartment complexes in prime locations of the Dhaka city. has become a trusted name in the real estate sector in Bangladesh. From its very inception, the company has won the confidence and goodwill of its client's achieving a yearly turnover of taka 20 million with a compound growth of 80% percent. Within a short span of time, Rise Construction has grown into

12/01/2024

তুমি সহযোগী নও, তুমি নিজেই জালিম

১. শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. দামেস্কের জেলে থাকাকালে একবার জেলার তাঁর কাছে এসে বলল,
শাইখ! আমাকে ক্ষমা করবেন। (আমার কিছুই করার নেই) কারণ, আমি হুকুমের গোলাম।
তখন ইবনে তাইমিয়া রহ. তাকে বললেন, আল্লাহর কসম তোমার মত লোকজন না থাকলে ওরা কারও উপর জুলুম করতে পারত না।

২. একবার হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ.র কাছে এক দর্জি এসে বলল, আমি সুলতানের কাপড় সেলাই করি। আপনি কি মনে করেন, আমি জালিমের সহযোগী বলে গণ্য হব ?
উত্তরে হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন,

بل أنت من الظلمة أنفسهم، ولكن أعوان الظلمة من يبيع منك الإبرة والخيوط .

তুমি বরং জালিমদেরই একজন। জালিমদের সহযোগী হল তারা যারা তোমার কাছে সুঁই-সুতা বিক্রি করে।

৩. ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ. বাগদাদের জেলে থাকাকালে একবার জেলার তাঁর কাছে এসে বলল, আবু আব্দুল্লাহ! জালিম এবং জালিমের সহযোগীদের ব্যাপারে যে হাদিস এসেছে, তা কি সহী?
ইমাম আহমদ রহ. বললেন, হ্যাঁ।
জেলার বলল, আমি কি জালিমদের সহযোগী বলে গন্য হব ?
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ. বললেন, তুমি বরং জালিমদেরই একজন।

জালিমের সহযোগী গণ্য হবে সে, যে তোমার কাপড় ধুয়ে দেয়। খাবার রান্না করে দেয়। তোমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে দেয়।

অতএবঃ যারা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে জালিমের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন, কেয়ামতের দিন জালিমের কাতারে দাঁড়িয়ে আল্লাহর সামনে জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিন।

©মুন্সি ময়নুল হক

09/05/2023

☆ একেই বলে গণতন্ত্র (Democracy) ☆

কোন এক হোস্টেলে ১০০ জন ছাত্র ছিল। তাদের টিফিনে প্রতিদিন "সিঙ্গাড়া" দেওয়া হত। কিন্তু ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জনই প্রতিদিন এই একই খাবার খেতে চাইতো না। তারা টিফিনে অন্য কিছু খাবারের জন্য হোস্টেল সুপারের কাছে আবেদন জানালো। কিন্তু বাকি ২০ জন প্রতিদিন সিঙ্গাড়াই খেতে চাইলো।
অবশেষে হোস্টেল সুপার ভোটের ব্যবস্থা করলেন এবং বললেন, যে খাবার সর্বাধিক ভোট পাবে সেই খাবারই প্রতিদিন টিফিনে দেওয়া হবে।
ভোটে দেখা গেলো, ওই ২০ জন ছাত্র প্রতিদিন সিঙ্গাড়ার পক্ষেই ভোট দিয়েছে।
বাকি ৮০ জন ভোট দিয়েছে ঠিক এইভাবে -
ডালপুরি - ১৮ জন
পরোটা ও সবজি - ১৬ জন
রুটি ও ছোলার ডাল - ১৩ জন
মাখন পাউরুটি - ১১ জন
নুডুলস্ - ১০ জন
ভেজিটেবল রোল - ৭ জন
এগটোস্ট - ৫ জন
ফলাফলে সেই সিঙ্গাড়া সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় টিফিনে প্রতিদিন সিঙ্গাড়া দেওয়াই চলতে লাগলো...

¤ মরাল অফ দ‍্য স্টোরি হ'ল -
যতদিন ৮০ শতাংশ মানুষ নিজেদের স্বার্থপরতা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত থাকবে, ততদিন ২০ শতাংশ মানুষই তাদের শাসন করবে।

সংগৃহীত

27/07/2022

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেলো। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।
স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো--এটা তোমার কাকার দোকানে নিয়ে যাও সে যেন এটা বেচে কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেয়
ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকার কাছে গেল। কাকা হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকা কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন--আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে।
পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো।সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো।
ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ।
একদিন ছেলেটির কাকা বললো-- তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।
ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলো যে এটা একটা নকল হীরের হার। তাই সে হারটা আর কাকার কাছে না নিয়ে বাড়িতেই. রেখে দিলো।
কাকা জিজ্ঞেস করলো-- হারটি এনেছো ?ছেলেটি বললো-- না কাকা পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার।
তখন কাকা বললো- তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দা সময় বলেই কাকা আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে।
আজ যখন এ ব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছো এটা নকল হার।
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো যা কিছু ভাবছো সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে।
জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয়। আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। তোমাদের সাথে আমার সেই সম্পর্কটা নষ্ট হোক আমি তা চাইনি।

26/07/2022

ছোটলোক চেনার উপায় কী?
আচ্ছা?তাইলে একটা গল্প শুনুন!

একবার এক বড়লোক এক জায়গায় অনেকগুলা হীরা রাখে,সেখান থেকে একটা ইঁদুর ভুল করে হীরের টুকরো গিলে ফেলে।
হীরের মালিকের রাতের ঘুম উড়ে যায়।
ইঁদুর মারার জন্যে সে এক ইঁদুরশিকারীর কাছে যেয়ে বলে, ইঁদুর মেরে তার পেট থেকে হীরে উদ্ধার করে দিলে ন্যায্য মজুরী দেয়া হবে।
শিকারি যখন ইঁদুর মারতে ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয় সে দেখে, হাজারের ওপর ইঁদুর একে অন্যের সংগে গুঁতোগুঁতি করছে, কেউ বসে কেউ শুয়ে আছে আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে।
শিকারি তাক করে ওই ইঁদুরটাকেই ধরে আর তার পেট চিরে হীরে বার করে মালিকের হাতে সেটা তুলে দেয়। শিকারি নিজের মজুরী বুঝে নিয়ে যখন সেখান থেকে যেতে নেয় তখন মালিক আশ্চর্য হয়ে শিকারির কেরামতি দেখে তাকে জিজ্ঞেস করেন,
-হাজারো ইঁদুরের মধ্যে কি ভাবে তুমি বুঝলে ভাই যে ওই ইঁদুরটাই হীরে গিলেছে..??
শিকারি জবাবে বলে,
-খুব সহজ স্যার। মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়,
সে নিজের লোকেদের সংসর্গ ও তাদের সংগে মেলামেশাবন্ধ করে দেয়, নিজেকে তখন সাধারনের চেয়ে আলাদা মনে করে।
বর্তমান সমাজে কিছু কিছু মানুষের মধ্যে ও এমন আচরন পরিলহ্মিত হয় যা তার যোগ্যতার চেয়ে যখন বেশি পেয়ে যায়,,এরাই প্রকৃত ছোটলোক।

©

04/10/2020

Need a civil engineer. Please drop the cv our mail address or inbox.

Photos from Rise Builder's Ltd.'s post 23/07/2019

একটি রেডি ফ্ল্যাট বিক্রি হবে।

13/03/2018

আমাদের নতুন প্রকল্প মৌচাক মার্কেট সংলগ্ন “রা্ইজ সুগন্ধা পয়েন্ট”

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


437, Block/C, Shahid Baki Road, Khilgong
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00