24/05/2024
মরিয়ম ফুল।
৭ বছরে একবার ফুটে।
জীবন মেয়াদ: সাত দিন।
serving the people with no benefit.
24/05/2024
মরিয়ম ফুল।
৭ বছরে একবার ফুটে।
জীবন মেয়াদ: সাত দিন।
সূরা ফাতিহা পড়ার পর যখন তোমাদের কেউ আমিন বলে, আর আসমানে ফেরেশতারাও আমিন বলেন, তারপর উভয়ের আমিন যদি মিলে যায় তাহলে জীবনের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
[সহিহ বুখারী,৭৮১]
22/05/2024
আমাদের পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেখানে প্রায় ২৪ ঘণ্টাই দিনের আলো থাকে বলা যায়। বিশ্বের সব জায়গায় ১২ ঘণ্টার দিন, ১২ ঘণ্টার রাত হলেও এই দেশগুলোতে রাত হয়না বললেই চলে। সেই দেশগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়া হল:
১. নরওয়ে:- 😘
এখানে মে মাসের শেষ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত ৭৬ দিন সূর্য অস্ত যায় না। তাই আর্কটিক সার্কেলে অবস্থিত নরওয়েকে বলা হয় নিশিত সূর্যের দেশ। নরওয়ের স্যালবার্ডে ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ অগাস্ট পর্যন্ত দিন-রাত সূর্যের আলো থাকে।
২. নুনাভুত, কানাডা:- 😘
আর্কটিক সার্কেল থেকে প্রায় দুই ডিগ্রি উপরে, কানাডার উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত নুনাভুত। এখানে প্রায় দুই মাস ধরে ২৪ ঘণ্টাই সূর্যের আলো থাকে। অন্যদিকে শীতকালে এই জায়গাটি টানা ৩০ দিন সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে।
৩. আইসল্যান্ড:- 😘
গ্রীষ্মের সময় আইসল্যান্ডে রাত হয়, আবার জুন মাসে সূর্য কখনোই অস্ত যায় না।
৪. ব্যারো, আলাস্কা:- 😘
মে মাসের শেষ থেকে জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত এখানে সূর্য অস্ত যায় না। নভেম্বরের শুরু থেকে পরবর্তী ৩০ দিন আবার এখানে সূর্য ওঠে না। এটি পোলার নাইট নামে পরিচিত। গোটা শীতকাল সমগ্র দেশ অন্ধকারে ডুবে থাকে।
৫. সুইডেন:- 😘
মে মাসের শুরু থেকে আগস্ট মাসের শেষ পর্যন্ত সুইডেনে মাঝরাতে সূর্য অস্ত যায় এবং প্রায় ৪ টের সময়ে উদয় হয়। এখানে এক টানা ৬ মাস সূর্য অস্ত যায় না। অর্থাৎ এখানে দিন-রাত দিনের আলো থাকে।
এছাড়াও অ্যান্টার্কটিকা, ফিনল্যান্ড, রাশিয়ায় বছরের কিছু সময় ২৪ ঘণ্টা দিনের আলো থাকে। 😘 💕
22/05/2024
সৌদির সাথে হেরে গিয়ে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
আমেরিকার সাথে হেরে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন
হবে! 😁😜
22/05/2024
বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে আমার বন্ধু ও রুমমেট "
"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।
"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।
শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।
কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...
২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।
স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।
কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।
অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।
বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।
বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম
১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।
সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা
12/05/2024
পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। উত্তর - পশ্চিম ইউরোপের ৫৫ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটি টানা ৫বার সুখী দেশের তালিকায় প্রথম। ঘন সবুজ অরণ্য ও হ্রদ বেষ্টিত এই দেশের প্রাকৃতিক বনভূমিকে 'সবুজ সোনা' বলা হয়। স্বাধীনতা, দুর্নীতি, অপরাধ, দূষণ, স্বাস্থ্যসমস্যা, নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। ১-১৬ বছর বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এত এত সুযোগ সুবিধা থাকার পরও আত্মহত্যার তালিকায় দেশটি ২১ তম। জীবনের যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য সবই যখন পেয়ে যাচ্ছে তাইলে মানুষ আত্মহত্যা করছে কেন?
সুখী দেশের তালিকায় তৃতীয় পৃথিবীর এক টুকরো স্বর্গ খ্যাত সুইজারল্যান্ড। ঘড়ি, ট্রেন আর চকলেটের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়েছে সুইসদের। ইউরোপের গতিময় চোখ ধাধানো ফুটবলেও অগ্রগামী পথিক। অর্থনীতি, সংস্কৃতি আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুইজারল্যান্ড।
সুইস সরকার আত্মহত্যার সরকারি অনুমোদন দিয়েছে। সারকো নামক কফিন যেই কফিনে একবার সুয়ে পড়লেই শেষ! প্রথম বছরেই ১৩০০ জনের সফল মৃত্যু। ডিগনিটাস সংস্থায় আত্মহত্যার জন্য ২০০ ডলার দিয়ে সদস্য হতে হয়। মৃত্যু সফল হলে দিতে হয় আরও ৭ হাজার ডলার। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা,গাড়ি, বাড়ি, নারী সবকিছু থাকার পরও কেন এত মৃত্যুর আয়োজন?
পৃথিবীর সবচেয়ে অসুখী দেশ আফ*গানি*স্থান। ইংরেজদের সূর্য যখন ডুবে না মানে সারা দুনিয়া ব্যাপি যখন তাদের সাম্রাজ্য তারা তিন তিনবার আ*ফগা*নিস্তা*ন আক্রমণ করে। প্রতিবারই ইংরেজরা শোচনীয় ভাবে হেরে যায়। আF*গা*N দখল করতে এসে ১০ বছর শেষে সোভিয়েত ইউনিয়নই ভেঙে যায়। ২০ বছর যু*দ্ধ করে ১ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে আমে;রিকা রিক্ত হস্তে ফিরে যায়।
একজন আ*ফ*গা*ন যোদ্ধার কাছে জিজ্ঞেস করা হল, দেশ তো স্বাধীন হলো আপনার অনুভূতি কি? মাটির দিকে তাকিয়ে বলল আলহামদুলিল্লাহ। অথচ তার পরিবারের ২২জন সদস্য শ*হীদ হয়েছে।
যুগের পর যুগ যু*দ্ধ অতঃপর লাখ লাখ মানুষের মৃ*ত্যু মিছিল,অভিবাসী, র+ক্ত, গোলা বারুদ, রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ সবকিছু ধ্বংস একই পরিবারের ২২ জন মানুষের মৃত্যু তারপরও মানুষ কিভাবে বেঁচে থাকে?
আমি আসলে জীবনের সুখী হওয়ার সমীকরণ বুঝি না আসলে কে সুখী? বাড়ি, গাড়ি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি থাকার পরও জেনেভার রাস্তা দিয়ে গুটি গুটি পায়ে ৭ হাজার ডলার পকেটে নিয়ে সারকোতে আত্মহত্যা করতে যাওয়া যুবক, নাকি ২০ বছর যু*দ্ধ করে পরিবারের ২২জন হারানো যোদ্ধা, নাকি ১০১ তম সুখী দেশের চট্টগ্রাম শহরের সেই অশীতিপর বৃদ্ধ যে ভিক্ষা করে জীবনকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে?
সুখ আপেক্ষিক জিনিস। আসলেই সুখী কে?
সুখ কী?. D. Farzana
11/05/2024
মুন্দারি গোত্র, দক্ষিণ সুদানের।
এ গোত্রের কোনো পুরুষ নির্দিষ্ট কোনো নারীকে বিয়ে করার মনস্থির করলে, অবশ্যই সেই নারীকেই জানাতে হবে। অত:পর, নারীটি যদি সেই নির্দিষ্ট পুরুষটিকে নিজের বিবাহের যোগ্য মনে করে, তাহলে নিজের জামাকাপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিশপত্র নিয়ে, পুরুষটির বাড়িতে গিয়ে থাকতে আরম্ভ করবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায়, একটিবারের জন্যও, কোনোভাবেই, পছন্দের কনেটিকে বিয়ে করার আগ্রহের কথাটি কনের বাবাকে জানাবে না পুরুষটি। একদম না। ভুল করেও না। যদি বাবাকে জানায়, তাহলে, বাবা তার আত্মীয়স্বজন নিয়ে এসে কন্যার পাণিপ্রার্থী পুরুষটিকে ইচ্ছেমতোন পেটাবে; বেদম প্রহার যাকে বলে। এই পেটানোটি সেই গোত্রের আইনে বৈধ, এর জন্য কোনোই শাস্তি নেই। এবং এই পেটানোর একমাত্র কারণ─ কোনো নারীকে বিয়ের আগ্রহের কথাটি সেই নারীকে না-জানিয়ে তার বাবা বা অন্য অভিভাবককে জানানোর অর্থ: বাবা ও কন্যা উভয়কেই অপমান করা, যেহেতু, পুরুষটি বিয়ে তো বাবাকে করছে না, করতে চাইছে তার কন্যাকে।
মুন্দারি গোত্রের ঐতিহ্য, এবং নারী ও সংসারের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের গভীর দর্শন এটি। ভাবা যায়?
তো, নারীটি জামাকাপড় নিয়ে চলে এলো হবু স্বামীর বাড়িতে। এরপর, ব্যাপারটি বুঝে নিয়ে, সেই বাড়িতে আসবে নারীর পরিবারের অভিভাবকেরা। এসে, তারা তাদের কন্যার, অর্থাৎ কনের, পণ নির্ধারণ করে জানিয়ে দেবে পুরুষটির কাছে। সেই নির্ধারিত পণ পরিশোধ করতেই হবে পুরুষটিকে; না-করে বা না-পেরে, হবু স্ত্রীকে বাপেরবাড়ি ফেরত পাঠানোর বা বিয়ে না-করার আর কোনোই সুযোগ নেই পুরুষটির কাছে। নেই মানে নেই। কারণ─ নারীটির যোগ্যতার ভিত্তিতে তার যোগ্য-পণমূল্য জেনেবুঝেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে পুরুষটি, এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতার নারীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ পণমূল্য নির্ধারণ করাই থাকে মুন্দারি সমাজে─ এটাই নিয়ম। উল্লিখিত এই পণের পরিমাণ, তাকে বিয়েতে আগ্রহী পুরুষটির ক্ষমতার বাইরে নয় কখনোই। একারণে, মুন্দারি সমাজে, কোনো পুরুষই স্বেচ্ছাচারীভাবে যাকেতাকে বিয়ের জন্য পাগলামি করতে পারে না, নিজের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক যোগ্যতার আওতার মধ্যকার নারীকেই বিয়ে করতে পারে সে। ফলে, মুন্দারি সমাজে নারীপুরুষের মধ্যে পরস্পরকে পাওয়ার অসম আগ্রহ, কিংবা না-পেয়ে আত্মহন বা নির্যাতন, এসবের উদাহরণ নেই। অর্থাৎ─ তুমি যাকে নিয়ে সংসার করবে, তার সামাজিক মূল্য তোমাকে জানতেই হবে। সে তো খেলনা নয়। সংসার ছেলেখেলা নয়।
এবং, উল্লিখিত এই পণমূল্যটি মোটেই পুরুষের উপরে অর্থনৈতিক চাপের মতো পরিমাণের নয়─ সৌন্দর্যটি এখানেই! এটা স্রেফ নিজের ও আকাঙ্ক্ষিতা নারীর সামাজিক অবস্থান জেনে রাখার পদ্ধতি মাত্র। মুন্দারি গোত্রের সভ্যতা ভাবুন তো এবার!
এবার আসি পণমূল্যে। কনের এই পণ কখনোই নগদ অর্থে নির্ধারিত হয় না, লেনদেনও নগদে হয় না। হবু স্বামী তার হবু স্ত্রীকে এই পণ দেবে গরুতে। হ্যাঁ, গরু। কনেপক্ষের অভিভাবকেরা তাদের কন্যার পণ নির্ধারণ করবে গরুর সংখ্যায়। যতোটি গরু দাবি করা হবে তাদের কন্যার শিক্ষাদীক্ষা ও মানমর্যাদা অনুযায়ী, ততোটি গরুই দিয়ে দেবে হবু জামাই তার শ্বশুরপক্ষকে। এবং, পণের গরুর সংখ্যা নিয়ে পুরুষকে প্রকৃতপক্ষে মোটেই চাপে ফেলা হয় না─ এই পণের সৌন্দর্যটি এখানেই। মুন্দারি গোত্রের প্রত্যেক বাড়িতে গরু গিজগিজ করছে! ওরা গরু খায় না, বিক্রিও করে না। গরুতে ভরপুর প্রতিটি বাড়ি।
মুন্দারি গোত্রের একজন কন্যার বিয়ের পণের গরু সর্বোচ্চ ৭০টি পর্যন্ত হতে পারে।
এ গোত্রের পরিবারে, পুত্রসন্তানের চেয়ে কন্যাসন্তান বেশি আরাধ্য; কারণ─ যতো বেশি কন্যাসন্তান, ততো বেশি গরুর মালিক হওয়ার সম্ভাবনা। এবং, এ গোত্রের চমৎকার একটি সংস্কৃতি হচ্ছে─ এরা নগদ অর্থের পরিমাপে কাউকে ধনী এবং মর্যাদাসম্পন্ন গণ্য করে না, এ গোত্রে সে-ই বেশি ধনী ও সম্ভ্রান্ত যার মালিকানায় বেশি সংখ্যক গরু আছে।
মুন্দারি গোত্র, চমৎকার ঐতিহ্যের একটি গোত্র বটে। মানুষের মূল্যায়ন করতে জানে এরা।
Salah Uddin Ahmed Jewel
#মুন্দারি
তথ্যসূত্র: আফ্রিকান হিস্ট্রি আর্কাইভ
09/05/2024
ভেবে দেখেছেন ইংরেজিতে Cox's Bazar বানানে কেন ('s) ব্যবহার করা হয় ❓
🗣 কক্সবাজারের প্রাচীন নাম ছিল ‘পালংকী’। একসময় এটি ‘প্যানোয়া’ নামে পরিচিত ছিল। প্যানোয়া শব্দের অর্থ ‘হলুদ ফুল’। অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকা হলুদ ফুলে ঝকমক করতো। আধুনিক কক্সবাজারের নামকরণ হয়েছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন "হিরাম কক্সের "নামানুসারে। তিনি এখানে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ‘কক্স সাহেবের বাজার’ নামে পরিচিতি পায়। সেখান থেকে ‘কক্সবাজার’ নামের উৎপত্তি। Cox's Bazar এ "s" ব্যবহার করা হয় কক্স সাহেবের বাজার এটা বোঝানোর জন্য। আরো ভেঙে বললে ধরি আপনার নাম করিম, আমি আপনার বাসায় বেড়াতে এসেছি, তখন কেউ আমায় ফোন করে জিজ্ঞেস করলো
- Where are you now?
উত্তরে আমি বললাম- At Karim's home.
এখানে "s" যুক্ত করা হয়েছে করিমের বাড়ি বা আপনার বাড়ি বোঝাতে। At Karim home বললে সেটা গ্রামাটিক্যালি শুদ্ধ হতো না। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
08/05/2024
১৯০৩ সালের ছবি ,একজন ব্রিটিশ ফটোগ্রাফারের সাথে দুই জন ভারতীয় পাহারাদার!
বামের জন কে সাকিব আল হাসানের পূর্বপুরুষ মনে হতে পারে।
কিন্তু দেখেছেন সেই ব্রিটিশ এর তুলনায় একজন ভারতীয়র উচ্চতা!
এক জনে উচ্চতা ৭ ফুট ৯ ইঞ্চি অন্য জনের ৭ ফুট ৪ ইঞ্চি। সেই সময়ে তারাই ভারতের সব থেকে লম্বা।
এদের দুজনের জন্ম কাশ্মীরে!
ভাবছেন এখন কিভাবে আমরা মোটা আর বেটে হয়ে গেলাম।
ভাই আমরা বেটে হওয়ার জন্য দ্বায়ী ব্রিটিশরাই। সেসময় উপমহাদেশের মানুষ অনেক লম্বা হতো। কিন্তু ব্রিটিশদের শোষণের ফল তখন উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় আশিটা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। এবং প্রতি তিনজনে একজন মারা যায়। অবশিষ্ট যারা ছিল তাদের পেট হতো মোটা আর প্রজন্মক্রমে আকার হতো খাটো। কারণ যত বড় শরীর, মাংসপেশি তত বড় আর সেটাকে টিকিয়ে রাখতে তত বেশি ক্যালরি প্রয়োজন। তাই টিকে থাকার তাগিদে আমাদের অভিযোজন ঘটে আর পেটে চর্বি জমতে থাকে। যেন যখন খাবার থাকবে না তখন এই চর্বি গলে গিয়ে শরীরে শক্তি যোগাতে পারে। এজন্য আমাদের শরীর অন্যান্য জাতির তুলনায় প্রোটিনকে অনেক বেশি চর্বিতে রূপান্তর করে আর স্থূল শরীর গঠন করে।
ব্রিটিশরা চলে গেলেও উপমহাদেশের মানুষের সেই আগের সমৃদ্ধশালী অবস্থা কখনো ফিরেনি আর শরীরও আগের জায়গায় রয়ে গেছে। তবে আস্তে আস্তে উন্নত হচ্ছে। খেয়াল করে দেখবেন এই জেনারেশনের মানুষের উচ্চতা তুলনামূলক তাদের নানা-দাদা থেকে বেশি।
05/05/2024
রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি শিক্ষণীয় গল্প।
ছোট একটি ছেলে খুব রাগী।
বাবা কিছুতেই ছেলের রাগ নিয়ান্ত্রণে আনতে পারছেন না।
একদিন বাবা ছেলেকে স্নেহের পরশে কাছে ডাকলেন।
একটি পেরেকভর্তি ব্যাগ দিয়ে বললেন,যতবার তুমি রেগে যাবে,ততবার একটি করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। এটি তোমার প্রতি আমার আদেশ।
প্রথম দিনেই ছেলেটিকে ৩৭টি পেরেক মারতে হয়েছে।
কারণ,সে এদিন ৩৭বার রেগে গিয়েছিল। ক্রমষ সে উপলব্ধি করছিল,তার রাগ অনেক বেশি-৩৭বার পেরেক মারতে হয়েছে।
আরও ভাবল,কষ্ট করে পেরেক মারার চেয়ে রাগ কমিয়ে দেওয়া সহজ।
ছেলেটি পেরেক মারার কষ্ট লাঘব করতে করতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনা শিখে গেল। ধীরে ধীরে পেরেনক মারা কমতে থাকল এবং অবশেষে একদিন তাকে আর একটি পেরেকও মারতে হলোনা।
বাবা বুঝলেন, তার প্রিয় সন্তান রাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
এবার তিনি তাকে প্রতিদিন বাগানের বেড়ার একটি করে পেরেক তুলে ফেলতে বলতেন। বাবার আদেশ পালন করল ছেলেটি।
পেরেক তুলা শেষ হয়ে গেলে তার বাবা তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললেন- দেখ, কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় আনা যাবেনা।
যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো,তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আঁচড় লেগে যায়-যা কখনোই আর মুছে যায়না বেটা।
তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখো।
মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর।
03/05/2024
সরি,কাজী নজরুল ইসলাম ভাইয়া
26/04/2024
💥আসছে নওতাপ ২০২৪🔥☀️🔥
NASA রা জানিয়েছেন যে আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হবে নওতাপ। এই সময় সূর্য যেন আগুন ছড়াতে শুরু করবে পৃথিবীর বুকে। সূর্য প্রতি বছর যে সময় রোহিণী নক্ষত্রে অবস্থান করে, সেই সময়টায় সবেচেয়ে বেশি গরম পড়ে। আগামী ২৫ মে সকাল ৩টে ১৬ মিনিটে সূর্য রোহিণী নক্ষত্রে প্রবেশ করবে। ১৫ দিন রোহিণী নক্ষত্রে অবস্থান করে মৃগশিরা নক্ষত্রে গোচর করবে সূর্য। রোহিণী নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থানের এই ১৫ দিন সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ হয়। *সূর্য রোহিণী নক্ষত্রে ১৫ দিন থাকলেও তার মধ্যে প্রথম ৯ দিন গরম সবচেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই ৯ দিনকে নওতাপ বলা হয়। এই বছর নওতাপ চলবে আগামী ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত।*
🌡️🌞 সাবধানে থাকবেন সবাই 🙂