Moral Parenting

Moral Parenting

Share

Moral Parenting is a Philanthropic work to support poor but meritorious students. For detail, plz visit our website:
http://www.moralparenting.org

We do parenting (scholarship and many other ways) and help them to grow up as proper citizen. নৈতিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে- মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্ট!

আমরা নিজ সন্তানের পাশাপাশি সমাজের কিছু অদম্য মেধাবী (এতিম, প্রতিবন্ধী, অতি-দরিদ্র কিন্তু মেধাবী) ছেলেমেয়েকে ভালমানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা বা প্যারেন্টিং করছি।

নিয়মিত বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি মোরাল চিলড্রেনদেরকে বিভিন্ন ভাবে গাই

27/05/2026
27/05/2026

Eid Mubarak!!

Eid mubarak to all gurdian and children in our family. May Allah accept our sacrifices and doa during this holy month. May Allah bless our family Amin..

27/05/2026

ঈদ মোবারক!!

পবিত্র জিলহজ মাসের পবিত্র তম দিনে সকলকে মোরাল পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই ঈদ মোবারক। ঈদ মানে আনন্দ ও খুশি। পরিবারের সাথে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করার অপর নাম পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও আন্তরিক ভালোবাসা। সকল অভিভাবক ও মোরাল চাইল্ড নিজেদের খুশিকে ভাগ করে নিচ্ছে যা আমাদের জন্য খুশি ও আবেগের মুহুর্ত। রক্তের নয় আত্মার বন্ধনে গড়ে ওঠা পরিবারের প্রতি সৃষ্টিকর্তা রহমত বর্ষণ করুন। ত্যাগের মানসিকতা ও নৈতিক দিককে সমুন্নত করার পাশাপাশি একজন সুনাগরিক হিসেবে সৃষ্টিকর্তা সকল মোরাল চাইল্ডদের কবুল করুন। আমাদের ইবাদত ও পশু কোরবানি কবুল করার মাধ্যমে মুমিন হিসেবে পৃথিবী ও সমাজের দায়িত্ব পালন করার তৌফিক দান করুন এটাই কাম্য। সকল অভিভাবক ও তাদের স্বজনদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঈদ মোবারক 💝

21/05/2026

এই ৩ জন মেডিকেল পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তি খুজছিলাম।
যদি সম্ভব হয় তাহলে অন্তত একজনের স্বপ্ন পূরণের সহযোগী হোন!

১) মোস্তামিরাতুন নাবিইয়া, ঠাকুরগাঁও, ১ম বর্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, (রেজাল্ট খুব ভালো )- বাবা অতি দরিদ্র কৃষক সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যায়। মেয়েটি তার স্বপ্নের মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরও তা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে।

২) হিতৈষী রায় ঐশী , ঠাকুরগাঁও , ১, বর্ষ, রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর (রেজাল্ট খুব ভালো)- বাবা অতি দরিদ্র কৃষক সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যায়। মেয়েটি তার স্বপ্নের মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরও তা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে। তার থাকা খাওয়ার খরচ ম্যানেজ করা কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে।

৩) সৌরভ চন্দ্র মন্ডল , সাতক্ষীরা, শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল (রেজাল্ট খুব ভালো)- বাবা দিনমুজুর, সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যায়। ছেলেটি টিউশনী করে চলে, কিন্তু বেশী টিউশনী করতে গিয়ে পড়াশুনায় ক্ষতি হচ্ছে; টিউশনী সব সময় পাওউয়াও যায় না। পড়াশুনা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে।

বৃত্তির পরিমান বছরে ২৬৪০০ টাকা (নুন্যতম)

Moral Parenting-More than charity 21/05/2026

আনন্দ ও অনুপ্রেরণা মূলক সংবাদ!!!

গতকালকের Executive Committee এর মিটিং এ সিধান্ত মোতাবেগ
নিম্নলিখিত ক্ষেত্র সমূহে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনের জন্য পুরস্কৃত করা হবেঃ

(১) ডিপার্টমেন্টে নিজ ব্যাচে ১ম, ২য়, ৩য় (যে কোন বছর / লেভেলে) হওয়া
(২) অনলাইন কোর্সে প্রথম (সমাপন সাপেক্ষে) হওয়া
(৩) ষ্ট্যাণ্ডার্ড জার্নালে রিসারস পেপার পাবলিশ করা
(৪) বিদেশে উচ্চ শিক্ষার্থে বৃত্তি পাওয়া
(৬) দেশে প্রথম শ্রেনীর চাকুরী পাওয়া
(৭) কোন প্রজেক্টে / কার্যক্রমে বিশেষ অবদান / অর্জন (কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে)

তুমি বা তোমার ক্যাম্পাসে কোন মোরাল চাইল্ড যদি গত দুই মাসে এরকম কোন সফলতা থেকে থাকে তাহলে তা আমাদের জানাতে পার।

তোমাদের স্বপ্ন পূরনে সহযোগী …
মোরাল প্যারেন্টিং পরিবার!

Moral Parenting-More than charity Moral Parenting is a charity to support poor but meritorious students. We collect and distribute scholarships for the students. We make a bo***ge between Moral Parent and Moral Child.

18/05/2026

Moral parenting web Designer members and Trusty board meeting altogether..

Photos from Moral Parenting's post 16/05/2026

ট্রাস্টি বোর্ড মিটিং!!

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে ট্রাস্টি বোর্ড এর মিটিং সম্পন্ন হলো। মোরাল পরিবারের যত পরিকল্পনা ও কাজ সম্পন্ন করার অনুপ্রেরণা দেয়া টিমের সকলের কাজ। সন্তানদের নিয়ে চিন্তাভাবনা, তাদের সহযোগিতা থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ কাজের সকল বিষয়ে আলোচনা করা হলো। বোর্ড কমিটির সকলেই সন্তানদের প্রতি নিবেদিত মোরাল পরিবারের একনিষ্ঠ। আশা করি আগত সময়ে আসন্ন সকল কল্যাণের কাজে এক হয়ে পরিবারের কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। আমরা চাই সন্তানেরা আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, প্রানবন্ত মনোভাব, সময় সচেতনতা, পারিবারিক দায়বদ্ধতা এর পাশাপাশি নৈতিক ভাবে সমাজ ও দেশগঠনে এগিয়ে আসুক।

15/05/2026

অদম্য শিখার অদম্য ( স্বপ্ন ও পরিশ্রমে সার্থকতা)

বাবার রিকশায় বোনা স্বপ্ন!

বিসিএসে পূর্ণতা:

গাইবান্ধা জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে আমার জন্ম। নদীভাঙন আমাদের পরিবারকে শিখিয়েছে—এক মুহূর্তে সব হারানোর কষ্ট কাকে বলে। বাপ–দাদার ভিটেমাটি নদীতে বিলীন হওয়ার পর আমরা আশ্রয় নিয়েছিলাম অন্য জায়গায়, যেখানে দারিদ্র্যই ছিল প্রতিদিনের বাস্তবতা। বাবা কখনো গ্রামে ভ্যান চালাতেন, আবার কখনো ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালাতেন। এই অস্থির জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী ছিল না—শুধু অভাব আর অনিশ্চয়তা।
সংসারের হাল ধরতে ছোট বয়সেই মাঠের কাজ, ভ্যান চালানো, টিউশনি—কী না করেছি! অভাব এতটাই তীব্র ছিল যে দুই-তিনবার বাড়ি ছেড়ে কাজের খোঁজে পালিয়ে যাওয়ার কথাও ভেবেছি। আজ ফিরে তাকালে বুঝি, আল্লাহর রহমত না থাকলে হয়তো এই গল্প আর লেখা হতো না।
তবুও পড়াশোনার প্রতি আমার জেদ ছিল অদম্য। সব প্রতিকূলতার মাঝেই এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করি। এরপর ঢাকায় পড়তে আসা—যা ছিল স্বপ্ন ও সংগ্রামের মিশ্রণ। বাবা তখন ঢাকায় রিকশা চালান। রিকশা চালাতে চালাতে তিনি আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর বুয়েট এলাকা ঘুরিয়ে দেখাতেন। বলতেন,
“দেখ বাবা, একদিন তুই এখানেই পড়বি।”
রিকশার পেছনে বসে বাবার চোখে সেই স্বপ্ন দেখেছি—সেই স্বপ্নই আমার ভেতরে গেঁথে যায়।
কিন্তু বাস্তবতা ছিল কঠিন। আর্থিক সংকটে পড়াশোনা মাঝপথে থেমে যায়, গ্রামে ফিরে যেতে হয়। আবার নতুন করে লড়াই শুরু করি। বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন পূরণ না হলেও, সুযোগ আসে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদে। ভর্তির টাকাও তখন হাতে ছিল না—এক শুভাকাঙ্ক্ষীর সহায়তায় সেই দরজা খুলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছর গুলো ছিল চরম কষ্টের,থার্ড ইয়ারের শেষে খবর পাই মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের। এই দীর্ঘ সংগ্রামের পথে এই পরিবার আমার পাশে দাঁড়ায় নির্ভরতার আশ্রয় হয়ে। মায়ানমার প্রবাসী এক মোরাল প্যারেন্টের ধারাবাহিক বৃত্তি ও মানসিক সাহস আমাকে পথে টিকে থাকার শক্তি দিয়েছে।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসে—অসংখ্য ত্যাগ, দোয়া, উপবাস আর নিরলস পরিশ্রমের ফল হিসেবে ৪৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে লাইভস্টক ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটে পড়তে না পারলেও, বাবার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে অন্যভাবে—আমি হয়েছি বিসিএস ক্যাডার।
নদীভাঙনে নিঃস্ব এক পরিবার, রিকশাচালক বাবার চোখে দেখা স্বপ্ন আর এক সংগ্রামী সন্তানের অদম্য বিশ্বাস—এই তিনে মিলেই আমার জীবনের গল্প।

মোঃ মানিক মিয়া
৪৪ তম বিসিএস, লাইভস্টক ক্যাডার।
সাবেক শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

14/05/2026

একটা সংগ্রামী মেয়ের গল্প!!!

মেয়েটির বাবা চিত্রা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত; নদী শুকিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার আয়ের পথ ও সংকুচিত হতে থাকল।
এদিকে মেয়ে SSC পরীক্ষায় খুব ভাল ফলাফল করেছে, কিন্তু শহরের ভাল স্কুলে পাঠানোর সামরথ নেই; তাই পাশের গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি করা হল।
আমরা তখন এই মেয়েটির খোঁজ নিলাম; সেই থেকে সে আমাদের মোরাল চাইল্ড। HSC পাশ করে খুলনা ভার্সিটিতে ভর্তি হল। সেখানেও সে তার সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে।
দুইমাস আগে সে জানাল, তার বৃত্তি টা আর লাগবে না; সে একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে লেকচারার হিসাবে জয়েন করছে; বৃত্তি টা অন্য কাওকে দিতে অনুরোধ করল।
আজ সে "ডীন্স এওয়ার্ড" পেয়েছে।
এই হলো ৬ লাইনে লেখা ৬ বছরের একটি ছোট গল্প!

রক্তের নয় আত্মার বন্ধনে মোরাল প্যারেন্টিং পরিবার!!

14/05/2026

এই মেয়েটির বাবা চিত্রা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত; নদী শুকিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার আয়ের পথ ও সংকুচিত হতে থাকল।
এদিকে মেয়ে SSC পরীক্ষায় খুব ভাল ফলাফল করেছে, কিন্তু শহরের ভাল স্কুলে পাঠানোর সামরথ নেই; তাই পাশের গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি করা হল।
আমরা তখন এই মেয়েটির খোঁজ নিলাম; সেই থেকে সে আমাদের মোরাল চাইল্ড। HSC পাশ করে খুলনা ভার্সিটিতে ভর্তি হল। সেখানেও সে তার সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে।
দুইমাস আগে সে জানাল, তার বৃত্তি টা আর লাগবে না; সে একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে লেকচারার হিসাবে জয়েন করছে; বৃত্তি টা অন্য কাওকে দিতে অনুরোধ করল।
আজ সে "ডীন্স এওয়ার্ড" পেয়েছে।
এই হলো ৬ লাইনে লেখা ৬ বছরের একটি ছোট গল্প!

রক্তের নয় আত্মার বন্ধনে মোরাল প্যারেন্টিং পরিবার!!

Photos from Moral Parenting's post 13/05/2026

টাঙ্গাইল মওলানা ভাসানী ও ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সেদিন গিয়েছিলাম আমাদের ছেলেমেয়েদের সাথে দেখা করতে। অনলাইনে ওদের সাথে প্রায় ই কথা হয়; কিন্তু কোথায় যেন একটা গ্যাপ থেকে যাচ্ছে। ওদের নিয়ে আমাদের কতটা উৎকণ্ঠা তা যেন ওদের বুঝাতে পারছিলাম না। ওদের ইন-এক্টিভনেস আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।

তাই, ওদের কাছে গিয়েছিলাম, সরাসরি দেখতে, কথা বলতে; একে আমরা Moral Parent's Day নাম দিয়েছি। ঐ দিনটা শুধু ওদের জন্য, বছরের পর বছর ওদের প্যারেন্টিং করছি, কাছ থেকে দেখে খুব ভাল লাগল, ওরাও আমাদের কাছে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা!

বকাবকিও কম করিনি, কোর্সে জয়েন না করা, এক্টিভ না থাকা, দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, কমিউনিকেশন স্কিল চ্যারাভ্যারা ... আচ্ছামত ঝেড়েছি! আবার, জড়িয়ে ধরে ছবি তুলেছি, মাথায় হাত বুলিয়ে বুঝিয়ে বলেছি... বাবারে আর একটু চেষ্টা কর, আর একটু এক্টিভ হ ... সামনে চমৎকার একটা জীবন অপেক্ষা করছে। ওরা কথা দিয়েছে, ওরা আরো দায়িত্বশীল হবে, ৬ মাসের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। ওরা যদি কথা রাখে তাহলে আবার যাব ওদের ক্যাম্পাসে।

জার্নি টা ছিল অসাধারন! দুইটা গাড়িতে ৯ জন। আমি আর রানা ভাই ( Afsana Rahman ম্যাডামের ) ড্রাইভার! রাস্তা ফাকা পেয়ে রানা ভাই ১২০ তুলে ফেলেছেন, আমিও তার পিছুপিছু; হঠাত পুলিশের হাতে কট! আমি গিয়ে লাজুক হাসি দিয়ে পুলিশ কে বললাম; ভাই ঘুরতে যাচ্ছি, কেস দিয়ে মনটা খারাপ করে দিয়েন না। পুলিশও দেখলাম পটে গেল; সেও হাসি চেপে রাখতে পারলনা। বল্ল; স্যার, সাবধানে যাইয়েন, এই রাস্তায় খুব এক্সিডেন্ট হয়!

পথে নাস্তা করলাম, কি যেন হোটেল টার নাম?? চিমটা চিমটা তন্দুরি; গ্যাসের অভাবে রুটি নাকি ফুলাতে পারেনি।

এরপর টাঙ্গাইল ভার্সিটি। চমৎকার গোছানো গাছানো ছিমছাম ক্যাম্পাস। মওলানা ভাসানীর মাজারের পাশে মসজিদে জুম্মা পড়লাম। ছেলেমেয়েদের বললাম, দেখ, এটা হচ্ছে সোশ্যাল লিডারের সম্মান। পলিটিক্যাল লিডার এক সময় দাপটে থাকে আর ক্ষমতা গেলে দৌড়ের উপর; আর সোশ্যাল লিডারের সম্মান আজীবন।

টাঙ্গাইলে লান্স করে ছুটলাম ময়মনসিংহ এর দিকে; মধুপুর এর বনভুমীর বুক চিরে এত সুন্দর রাস্তা!! মনে পড়ে গেল মালয়েশিয়ায় ড্রাইভিং এর কথা। পথে পোলাপানের আবদারে মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলা। মধুপুর গিয়ে আনারস না খেলে কি হয়?? পোলাপান অবশ্য ক্ষেত থেকে চুরি করে খেতে চাচ্ছিল; ঝাড়ি দিয়ে থামালাম; পরে বাজার থেকে একগাদা কিনে নিয়ে গেলাম BAU এর ছেলেমেয়েদের সাথে খাব বলে।

মুক্তাগাছার মিস্টি খেলাম; যতটা গল্প শুনে গেছি আহামরি কিছু মনে হল না; অবশ্য যারা বেশি চিনি পছন্দ করে তাদের কাছে ভাল লাগতে পারে। পাশে জমিদার বাড়ি দেখাও হল।

কৃষি ভার্সিটি পৌছাতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেল; ছেলেমেয়েগুলো ৩-৪ ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছিল। এখানে আগেও গিয়েছি। এই ক্যাম্পাসে ঢুকলে অন্যরকম ভাললাগে; এত বড় ক্যাম্পাস!! বিশালতার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া। এখানে নারসিং কলেজের কিছু মেয়ে আছে। ওদের আন্তরিকতা ছেড়ে আর ফিরতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু কি আর করা, সন্ধার পর রওনা হতে হল।

ঢাকায় ফিরতে রাত প্রায় ১ টা বাজল! সেই সাত সকাল থেকে ১ মিনিটের জন্যও রেস্ট নেই; সারাক্ষণ টানটান উত্তেজনা; হয় ড্রাইভিং নয়ত ছেলেমেয়েদের সাথে কথা বলা। ঢাকা ভার্সিটিতে অন্যদের নামিয়ে যখন মিরপুর বাসায় ফিরছিলাম তখন মাথা আর কাজ করছিল না। শতশতবার যাতায়াত করা রাস্তা রাতের আধারের মধ্যে অপরিচিত লাগছিল। পরে Google মামা'র হেল্প নিয়ে রাস্তা চিনে বাসায় ফিরলাম।

আমার প্রতিটি দিন যায়, এই ছেলেমেয়েদের নিয়ে। ওরা যদি আমাদের আন্তরিকতাটা একটু বুঝে, আমাদের কথামত চলে তাহলেই আমাদের শান্তি। আমাদের একমাত্র চাওয়া ওদের সুন্দর একটা ভবিষ্যৎ!

সামনে কোন ক্যাম্পাস? কারা দাওয়াত দিবে???

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


8/2 Indira Road, West Raja Bazar, Farmgate
Dhaka
1215