মির্জা মোস্তফা জামান

মির্জা মোস্তফা জামান

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মির্জা মোস্তফা জামান, Dhaka.

Photos from মির্জা মোস্তফা জামান's post 30/12/2025

কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে..
সিরাজগঞ্জ সদর-২ আসনের প্রয়াত এমপি মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের পরিবারবর্গ। 🤲

24/09/2025

আগামী সরকার গঠনের জন্য ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য দল বিএনপি: জরিপ

05/07/2025

সিরাজগঞ্জ সদর আসনের প্রয়াত জাতীয় সংসদ সদস্য মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের সংক্ষিপ্ত জীবনি....

14/02/2025
16/01/2025

যাদের জীবিকা শুধু রাজনীতি
তাদের মূল পেশা দূর্নীতি!!

16/01/2025

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত....

07/07/2024

বিনম্র শ্রদ্ধা 🇧🇩🇧🇫

10/04/2024

ঈদ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে ৫ শতাধিক গরীব-দুস্থদের মাঝে বেশকিছু দিন যাবৎ শাড়ী-লুঙ্গী বিতরন করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান। আজ বুধবার সকালে শহরের ধানবান্ধি মহল্লায় নিজ বাড়ি থেকে শাড়ী-লুঙ্গী বিতরন করেন।

এছাড়া গরীব-অসহায় ও দলীয় কিছু নেতাকর্মীদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাউল বিতরন করেছেন। মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের পাঞ্জাবি, গামছা, গেঞ্জি বিতরন করেছেন তিনি।

বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা মোরাদুজ্জামানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করেছেন।

এসময় সিরাজগঞ্জ পৌর বিএনপি'র অন্যতম নেতা শহিদুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আকাশ খন্দকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা হামিদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইবুল হাসান, জেলা যুবদল নেতা সুরুজ ও ছাত্রদল নেতা হাবিবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা মোস্তফা জামান সিরাজগঞ্জ-২ (সদর) আসনের সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি'র প্রথম আহ্বায়ক কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য মির্জা মোরাদুজ্জামানের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

21/09/2023

✪রাজনৈতিক পরিচিতি ও জীবন বৃত্তান্তঃ-
----------------------------------------
#মির্জা_মোস্তফা_জামান

✪পিতাঃ-
মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামান
সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য,
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপি,
সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি।

✪সাবেক অবস্থান :
----------------------------------------
১। যুগ্ম-আহবায়ক, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
২। সভাপতি, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
৩। সিনিয়র সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি
৪। ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি
৫। আহবায়ক, সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য, সিরাজগঞ্জ জেলা
৬। যুগ্ম-আহবায়ক, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি।

✪বর্তমান অবস্থান :
------------------------------------------
সাংগঠনিক সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি।

✪শিক্ষাগত যোগ্যতা :
----------------------------------------
এম.এ / এল.এল.বি।

✪সামাজিক অবস্থান:
----------------------------------------
রাজনীতির পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। সিরাজগঞ্জ পৌরসভার স্কুল, কলেজে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি এবং মসজিদ ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি / সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী, সিরাজগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য, সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটি, সিরাজগঞ্জ নজরুল একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, একক সংঘ ও প্রভাতী সংঘ এর সদস্য, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সাবেক পরিচালক, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদের সদস্য, মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামান স্মৃতি সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

✪রাজনৈতিক কর্মকান্ড :
----------------------------------------
স্কুল জীবন নববই এর দশক থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং ৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন সহ সিরাজগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সরাসরি সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং গতিশীল করণ। সেই সাথে আন্দোলন করতে গিয়ে আওয়ামী শাসন আমলে ১৯৯৬-২০০০ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনী দ্বারা বারংবার নির্যাতন ও গ্রেফতারের স্বীকার হই।

✪কারাবরণঃ-
----------------------------------------
২০০০ সালের শেষের দিকে আওয়ামী বিরোধী মিছিলে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাবরণ। কারামুক্ত হওয়ার পর থেকে আবার রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামীলীগ আহুত লগি-বৈঠা আন্দোলনের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা অবস্থায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা মারাত্মক হামলার শিকার হই। ওই হামলায় আমার কিডনীসহ শরীরের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ৩ মাস ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করি। সেই আঘাতের চিহ্ন ও যন্ত্রনা আজও আমি বহন করে যাচ্ছি।

✪ওয়ান ইলেভেনে (১/১১) আমার রাজনৈতিক ভূমিকা :
----------------------------------------
১১ জানুয়ারি-২০০৮ অন্তর্বর্তী সেনাসমর্থিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বিএনপির তৃণমূল সংগঠনকে ভয়ভীতি এবং সরকারের চাপ উপেক্ষা করে সঠিক ধারায় রাজনীতি পরিচালনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পতাকাকে উর্ধ্বে তুলে ধরি। দেশনেত্রীর মুক্তি ও বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আগামীর রাষ্টনায়ক দেশনায়ক তারেক রহমানের মুক্তি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মী নির্যাতন বিরোধী জনমত সংগঠিত করতে দেশনেত্রীর নির্দেশে সাহসী ভূমিকা পালন করি। তূণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ও তাদের মনোবল অটুট রাখতে যথাযথ ভূমিকা পালন করি।

✪কারাবরণঃ-
----------------------------------------
২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের এক তরফা নির্বাচন ও আওয়ামী বিরোধী গনতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে বর্তমান বিনা ভোটের অবৈধ সংসদ সদস্য ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাড়ী ভাংচুরের মামলায় গ্রেফতার, নির্যাতন ও কারাবরণ করতে হয়।
বর্তমানে স্বৈরশাসক জুলুমবাজ ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে হামলা-মামলা, নির্যাতন ও গ্রেফতারের শিকার হই।

✪কারাবরণঃ-
----------------------------------------
২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর সারা দেশব্যাপি দেশনেত্রী মমতাময়ী মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরনের দাবীতে জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও মামলার শিকার হই এবং ২০২২ সালের ১৩ মার্চ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করি।

✪রাজনৈতিক মামলার সংখ্যাঃ- মোট প্রায় ৪০টি
----------------------------------------
চলমান সংখ্যা -৩৫টি
কোর্টে নিষ্পতির সংখ্যা - ৫টি

✪পারিবারিক পরিচিতি:
----------------------------------------
সিরাজগঞ্জ শহরের ধানবান্ধি মহল্লায় ঐতিহ্যবাহী ৭০ বছরের পুরনো রাজনৈতিক পরিবারে আমার জন্ম।
আমার পিতা মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামান ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঘনিষ্ট সহকর্মী। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অত্যান্ত আস্থাভাজন ব্যক্তি ছিলেন, তার সততা, আদর্শ ও ন্যায় পরায়নতার কারণে। যার কারণে তিনি সিরাজগঞ্জের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে আজও মানুষের মনের মনিকোঠায় এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে তিনি ছিলেন অতি প্রিয়ভাজন। মির্জা মোরাদুজ্জামান ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, পরবর্তীতে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সিরাজগঞ্জ সদর আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

✪আমার চাচা কমরেড মনিরুজ্জামান "তারা"
----------------------------------------
কমরেড মনিরুজ্জামান" তারা" ছিলেন পূর্ববাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি (এমএল)’র সাধারন সম্পাদক। তিনি আওয়ামী একদলীয় শাসন বাকশাল বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে মুজিববাদী রক্ষী বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হন এবং ১৯৭৫ সালের ২২ মে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের করে এনে সিরাজগঞ্জে রক্ষী বাহিনী ক্যাম্পে নির্যাতনের পর নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।

07/08/2023

স্মৃতিতে অম্লান মির্জা মোরাদুজ্জামান
ফুটবল টুর্নামেন্ট'২৩

Photos from মির্জা মোস্তফা জামান's post 17/07/2023

#অনুষ্ঠান সমূহে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি...
১৮ জুলাই'২৩ মঙ্গলবার______
#সকালঃ ৯টায়-মরহুমের কবর জিয়ারত,
স্থানঃ #মালশাপাড়া_পৌর_কবরস্থান।
#বিকালঃ ৫টায়(বাদ আছর)-দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, স্থানঃ #বি_এল_স্কুল_রোড_জামে_মসজিদ, ধানবান্ধি, সিরাজগঞ্জ।
#সন্ধ্যাঃ ৭টায়(বাদ মাগরিব)-আলোচনা ও দোয়া মাহফিল, স্থানঃ #বিএনপি_দলীয়_কার্যালয়, ই.বি রোড, সিরাজগঞ্জ।
#আমন্ত্রণে_________
মরহুমের জ্যেষ্ঠপুত্র
#মির্জা_মোস্তফা_জামান।
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১১৩০১৬৯০

13/07/2023

#সংক্ষিপ্ত_জীবনী🖤
বর্ষীয়ান জননেতা সিরাজগঞ্জ সদর-২ আসনের প্রয়াত #জাতীয়_সংসদ_সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক

#মরহুম_মির্জা_মোরাদুজ্জামান এর
#বর্নাঢ্য_ইতিহাস

সিরাজগঞ্জ সদর থানাধীন কাওয়াকোলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কুড়িপাড়া গ্রামে ১৯৩৯ সালের ১১ই মার্চে এক সম্রান্ত কৃষক পরিবারে মির্জা মোরাদুজ্জামান জন্ম গ্রহন করেন। পিতা মির্জা জহিরউদ্দিন ছিলেন তদানিন্তন কংগ্রেস আন্দোলনের একজন স্থানীয় নেতা। মির্জা মোরাদুজ্জামান সিরাজগঞ্জ মুসলিম হাই স্কুলে ছাত্রাবস্থায় প্রত্যক্ষ রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে পড়েন। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই রাজনীতিতে সক্রিয়তা বেড়ে ওঠে। তৎকালীন ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। সিরাজগঞ্জ মহকুমা ন্যাপের সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিড়ি-শ্রমিকদের সংগঠন ও রিক্সা-টমটম গাড়ি শ্রমিকদের সংগঠিত করেন এবং উক্ত ২টি সংগঠনের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এভাবে মির্জা মোরাদুজ্জামান শ্রমিক নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হন। তিনি ছিলেন সৎ, দায়িত্ববান এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি আর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী।

১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের মধ্যে বিড়ি-শ্রমিকদের সংগঠিত করে তাদের বাঁচার দাবী পাট-সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জে জুটমিল প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এই আন্দোলনের ফলে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গর্ভনর জেনারেল আজম খান সিরাজগঞ্জে আসেন এবং নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার পর জুট মিল প্রতিষ্ঠার পর বহু বেকার বিড়ি শ্রমিক জুট মিলে চাকরি পায়। ১৯৬৩ সালে মিল শ্রমিকদের নিয়ে কওমী মজদুর ইউনিয়ন গঠনেও তিনি মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৪ সালে কওমী জুট মিলের শ্রমিক নেতৃবন্দ কারাগারে গেলে তিনি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে বিপুল ভোটে সদস্য নির্বাচিত হন এবং কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বিডি মেম্বর নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে আইয়ুব খান এবং পাক গর্ভণর মোনায়েম খান বিরোধী শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মির্জা মোরাদুজ্জামান সহ ১৭ জন নেতা কর্মী গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ১১ মাস কারা ভোগের পর তিনি আবারো রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। মির্জা মোরাদুজ্জামান অকুতোভয় নেতা মাওলানা ভাসানীর রাজনীতিকে উর্ধ্বে তুলে ধরেন। তিনি ন্যাপের সভাপতি নির্বাচিত হন। পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠী ১৯৭১ সালে ২৫ শে মার্চ নিরীহ বাঙ্গালীদের হত্যা যজ্ঞে মেতে উঠে।

এ সময় মির্জা মোরাদুজ্জামান মাওলানা ভাসানীর সাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন এবং বর্হিবিশ্বের স্বাধীনতার পক্ষে চাপ সৃষ্টির জন্য নদী পথে আসাম দিয়ে যাত্রা শুরু করলে পতিমধ্যে ভারত সরকার তাদেরকে আমন্ত্রণ জানান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।
১৯৭৬ সালে মাওলানা ভাসানীর মৃত্যুর পর এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করলে মির্জা মোরাদুজ্জামান বিএনপি গঠনে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে পড়েন। মির্জা মোরাদুজ্জামান বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রথম আহবায়ক কমিটি'র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান এবং সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি'র’ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও পরবর্তীতে তিনি বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, সর্বশেষে তিনি বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটি'র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সেই সাথে ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় থাকার কারণে স্বৈরাচারের স্থানীয় দোসরদের ষড়যন্ত্রে দৈহিক নির্যাতনের শিকার হন ও কারা নির্যাতন ভোগ করেন।

স্বৈরাচারের পতনের পর ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ সদর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে মির্জা মোরাদুজ্জামান বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সার্বজনীন কাজের দিকে তিনি নজর দেন।

মির্জা মোরাদুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য, শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন। জনপ্রতিনিধি হিসাবে মির্জা মোরাদুজ্জামান অন্যদের চাইতে আলাদা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। আবালবৃদ্ধবণিতা সর্বশ্রেণী-পেশার মানুষ তার কাছে অবাধে যেতেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা, সমস্যার কথা অকপটে বলতে পারতেন। সে কারণে তিনি হয়েছিলেন সবার প্রিয় ‘‘মুরাই ভাই’’।।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহযোগীতায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান, মন্দির, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভাট নির্মাণে তার সক্রিয় সহযোগিতা কালের স্বাক্ষী হিসাবে আজও দাঁড়িয়ে আছে। সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রুপান্তর ও অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু করেন। বাণিজ্য ভবন, ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণসহ মাওলানা ভাসানী ডিগ্রী কলেজ, যমুনা ডিগ্রী কলেজ, শিমলা ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাগবাটি (আব্দুলস্নাহ আল মাহমুদ) ডিগ্রী কলেজ এম.পি.ও ভুক্ত করেন। এছাড়াও সিরাজগঞ্জ শহীদ শামসুদ্দিন ষ্টেডিয়াম, সদর হাসপাতাল আধুনিকরণ, নার্সিং ট্রেনিং ইন্সষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, সিরাজগঞ্জ বার ভবন ও যমুনা বহুমূখী সেতু নির্মাণে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন।

মৃত্যুব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ভারতের বোম্বে টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। সেখানে অল্প কিছুদিন চিকিৎসার পর তিনি দেশে ফিরে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় ভর্তি হন। তিনি মৃত্যু পথযাত্রী হয়েও নিজের কথা, নিজের পরিবারের কথা চিন্তা না করে জাতীয় সংসদে ১০ জুলাই ১৯৯৫ সালে জীবনের শেষ বক্তব্যে সরকারের কাছে নিজের এলাকার জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের কথা, উন্নয়নের কথা, উন্নয়নের মাঝে বেঁচে থাকার কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশে একটি আধুনিক ক্যান্সার ইন্সষ্টিটিউট গড়ে তোলার জন্য সরকারের কাছে জোড় দাবী উত্থাপন করেন। তিনি ১৯৯৫ সালের ১৮ জুলাই ভোরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

তৎক্ষনাৎ মির্জা মোরাদুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করে

১ম জানাযা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এবং ২য় জানাযা অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়া পল্টনের সামনে।
জানাযায় শরীক হন মাননীয় উপ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ।

মৃত্যুর পর হেলিকাপ্টার যোগে তাঁর মরদেহ সিরাজগঞ্জে আনা হলে সর্বজনবিদিত প্রিয় নেতার মুখ শেষ বারের মতো দেখার জন্য শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। প্রবীণ জননেতা সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীণ সভাপতি মরহুম মোতাহার হোসেন তালকুদারসহ জেলার সব দলের নেতৃমন্ডলী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ সিরাজগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে লাখো জনতার সেই শোক সমাবেশে স্মৃতিচারণ করে আবেগ ঘন বক্তব্য রাখেন এবং জানাযা শেষে সিরাজগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর মরহুমের মৃত দেহ মালশাপাড়া কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।

মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের স্মৃতি প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সম্মানে সিরাজগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাণিজ্য ভবনকে মির্জা মোরাদুজ্জামান ভবন, সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে সম্প্রসারিত ভবনকে মির্জা মোরাদুজ্জামান ভবন, সিরাজগঞ্জ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালকে মির্জা মোরাদুজ্জামান বাস টার্মিনাল, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ এর প্রস্তাব গৃহীত হয়।

তাঁর বিদ্রেহী আত্মার প্রতি মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বাণী প্রেরণ করেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সংসদ উপনেতা বি. চৌধুরী, বিএনপি'র প্রয়াত মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া (মন্ত্রী), প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার আমিনুল হক, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকা, আমানউল্লাহ আমান, রাশেদ খান মেনন ও প্রয়াত ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন প্রমুখ।

মির্জা মোরাদুজ্জামানের মরদেহ মালশাপাড়া কবরস্থানে তাঁর ছোট ভাই কমরেড মানিরুজ্জামান তাঁরা’র কবরের পাশেই সমাহিত করা হয়।

#কমরেড_মনিরুজ্জামান_তাঁরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণের পর আওয়ামী দুঃশাসন একদলীয় বাকশাল গঠনের বিরুদ্ধে বামপন্থী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাকে গ্রেফতার এবং রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের করে এনে রক্ষাীবাহিনী ক্যাম্পে সারারাত পাশবিক নির্যাতনের পর রাতের অন্ধকারে স্থানীয় মালশাপাড়া কবরস্থানের পার্শ্বে গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়।

মৃত্যুকালে মির্জা মোরাদুজ্জামান তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম এবং দুই পুত্র ও তিন কন্যা সহ আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং বহু গুনগ্রাহী রেখে যান।

তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র #মির্জা_মোস্তফা_জামান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি'র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেছেন।

#মির্জা_মোস্তফা_জামান বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র #সাংগঠনিক_সম্পাদক হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

#প্রচারেঃ মির্জা মোরাদুজ্জামান স্মৃতি সংসদ, সিরাজগঞ্জ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka