“জুলাই সনদ” কিভাবে বাস্তবায়ন হবে? দেশে এতো বিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে কারো মাথায় কি আশে নাই যে, পার্লামেন্ট দিয়ে কখনোই এই সংবিধানকে সংশোধন করা যাবে না কারণ এই সংবিধান অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই!
BCP, বিসিপি
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BCP, বিসিপি, Political Party, House # 78, Road # 12, Block # C, Banani, Dhaka.
24/02/2026
জ্বী সবাই প্রস্তুত । আপনি শুধু ডাক দেন....
24/02/2026
17/02/2026
বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে!
ডঃ আসলাম আল মেহেদী
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে। সংবিধানে এই পরিষদের শপথ নেওয়ার বিধান নেই উল্লেখ করে বিএনপি দলীয় সদস্যরা এমপি হিসেবে শপথ নিলেও প্রস্তাবিত এই পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সাথে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবেও কাজ করবেন। ৬০ সদস্যের কোরাম হলেই এই পরিষদ কাজ করতে পারে। ওই আদেশের ভিত্তিতে যে গণভোট হয়েছে, সেখানে 'হ্যাঁ' ভোট জয় লাভ করেছে। ওদিকে বিএনপি আজ এ পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলেও জামায়াত-এনসিপির ৭৭ জন নির্বাচিত সদস্য একই সাথে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
বিএনপির সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় এনসিপি দলীয়ভাবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করে। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, "গণভোটে জনরায়ের সাথে প্রতারণা করে শপথ নিতে যাচ্ছে সরকার"। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বিএনপি দুটি শপথ না নিলে সংসদে যাওয়াই তো অর্থহীন। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণভোটের রায়ের কারণে যদি জুলাই আদেশ বাস্তবায়নযোগ্যই হয়ে যায়, তাহলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তাই থাকে না। আবার অন্যদিকে যেসব সদস্যরা শপথ নিয়েছেন তারা নিজেরাই জুলাই আদেশ অনুযায়ী নিজেরাই সংবিধান বানিয়ে ফেলতে পারেন। তাদের মতে, জুলাই আদেশে এ ধরনের সুযোগ থাকায় একে ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও ফলাফল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।
নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যদের শপথের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ। বিশেষ করে বিএনপি এই পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে কি-না, তা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছিল। সকালে সংসদ ভবনে দলটির নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবার ঠিক আগ মুহূর্তে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ একটি সাদা ও একটি নীল রংয়ের ফরম হাতে নিয়ে মাইকের সামনে দাঁড়ান। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সিনিয়র নেতারা তখন সেখানে সামনের সাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। মি. আহমদ সাদা ও নীল রংয়ের দুটি ফরম হাতে নিয়ে বলেন, "আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটা ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে। এমন ফরম সংবিধানের তৃতীয় তপশিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হবার পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলেছি। আশা করি সামনের দিনেও চলবো"।
এরপর তিনি দলীয় সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, "আমি মাননীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওনার উপস্থিতিতে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত জানালাম"।প্রসঙ্গত, বিএনপি আগে থেকেই ক্ষমতা গ্রহণের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দলটি সনদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার কথা বলে আসছে।
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় প্রাথমিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির দিক থেকে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি শপথের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখন বিএনপি যদি একটি শপথ নেয় তাহলে সেই সংসদে গিয়ে কী হবে? সোমবার কমিশনের চিঠিতে বলা হয় 'মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার'। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলছেন, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৬০ জন পরিষদ সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে।
"জামায়াত-এনসিপির তো ৭৭ জন ওই আদেশ অনুযায়ী পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আদেশ বলছে কোরামের জন্য দরকার ৬০ জন। তাহলে ওই আদেশ অনুযায়ী তারা তো চাইলে নিজেদের মতো করে একটি সংবিধান বানিয়ে ফেলতে পারে। সেই পথে গেলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী হবে কিংবা তারা সেটি করবে কি-না তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৩ই নভেম্বর গেজেট হওয়া ওই আদেশে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ত্রিশ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহবান করা হবে অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান করা হবে।
এতে বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিষদের মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে এবং অন্য বিষয়ে উপস্থিত ও ভোট দানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। মনজিল মোরসেদ বলছেন, এ আদেশ মানলে এসব নিয়ম অনুযায়ী জামায়াত-এনসিপি নিজেরাই পরিষদ আহবান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এমনকি নতুন সংবিধানও বানিয়ে ফেলতে পারেন। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ পরিষদের গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, নির্বাচিত প্রতিনিধিগন একই সাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে এবং এই আদেশ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
এই ধারায় আরও বলা হয়েছে, আরও বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্য দিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং তা সম্পন্ন করবার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে। কিন্তু বিএনপি শপথ না নেওয়ায় কার্যত এটি করার আর সুযোগ নেই বলেই মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক। গত বছর অক্টোবরে জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন
শাহদীন মালিক বলছেন, যেই ৭৭ জন শপথ নিয়েছেন তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে পারেন সেই আদেশ বলে। কিন্তু তেমন কিছু করার জন্য সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে সেটি আর জনগণের সমর্থন পাবে না বলে মনে করেন তিনি। "জুলাই আদেশ অনুযায়ী গণভোটের জেতার কারণেই যদি এটি বাস্তবায়নযোগ্য হয়ে যায়, তাহলে এমনিতেও আর সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রয়োজন হয় না। তবে এ নিয়ে রাজনৈতিক সংকট তৈরির চেষ্টা আর সফল হবে না, কারণ এখন স্থিতিশীলতা চায়," বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি। মনজিল মোরসেদ বলছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের মধ্যে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তোলা বীজ রাখা হয়েছে এবং তার মতে, এটি করাই হয়েছে দেশে আবারো অনির্বাচিত সরকার আনার প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই দেশ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় চলে এসেছে এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা ও এমপিদের শপথ হয়েছে সংবিধান অনুযায়ী।
বাংলাদেশের বর্তমান সাংবিধানিক ব্যবস্থায় সংসদ বহাল না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বা নতুন আইন জারি করা হলে তা সংসদ বহাল হওয়ার পর উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন করতে হয়। না হলে সেটি বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করে জুলাই বাস্তবায়ন আদেশের যে গণভোট হয়েছে, সেক্ষেত্রে কি হবে, সেটি পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে মনজিল মোরশেদ বলছেন, ''যে অধ্যাদেশে গণভোট হয়েছে, সেটা হয়েছে রাষ্ট্রপতির নামে জারি করা একটি আদেশের ওপর নির্ভর করে। এভাবে অধ্যাদেশ হতে পারে কিনা, সেটি নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়ে গেছে। আবার সেই অধ্যাদেশকে বা গণভোটকে বৈধতা দিতে হলে সংসদে উত্থাপন করে পাশ করাতে হবে। বিএনপি এখন সেটা সংসদে তুলবে কিনা, সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।''
তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষেত্রে সংবিধানে কিছু সীমাবদ্ধতা বেধে দিয়েছে। সংবিধানে যা নেই অর্থাৎ সংসদ যে বিষয়ে আইন করতে পারে না বা সংবিধানের কোনো বিধান পরির্বতন হয়ে যায়, সেসব বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না। সংবিধানে যেহেতু গণভোটের বিধান নেই, তাই এ বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির নেই বলে মনে করেন মনজিল মোরশেদ। ফলে এসব বিষয় নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তিনি মনে করেন। এর মধ্যেই মঙ্গলবার গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও ফলাফল স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন করেছেন একজন আইনজীবী। সেই রিটে গণভোট বাতিল চাওয়া হয়েছে।
ওদিকে সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণের সময় বিএনপির দিক থেকে যেই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে তারা সংবিধান অনুযায়ী পদক্ষেপ নিবেন। তবে এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সংবিধান সংস্কারের কিছু বিষয়ে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, নির্বাচনে তাদের ইশতেহার জনগণের ম্যান্ডেট পেলে তার সে অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের পদক্ষেপ নিবে।মনজিল মোরসেদ বলছেন, সংবিধানে সংস্কার আনার বিষয়ে বিএনপি তাদের যে পরিকল্পনার কথা আগে জানিয়েছিল সে অনুযায়ী সংসদে বিল উত্থাপনের মাধ্যমে সংবিধানের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন তারা করতে পারবে।
17/02/2026
বাংলাদেশে মন্ত্রী হলে কী সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়!
ডঃ আসলাম আল মেহেদী
বাংলাদেশে ১৮ মাস পর আজ দায়িত্ব নিচ্ছে নির্বাচিত সরকার! ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আজ ১৭ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিপরিষদ। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মিলিয়ে যারা শপথ নেবেন তাদের কাছে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানাে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে একজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা কেমন? বেতনের বাইরে তারা আর কী কী সুযোগ সুবিধা পান?
প্রধানমন্ত্রীর বেতন ভাতা: দ্য প্রাইম মিনিস্টার'স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান তিন হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী একটি সরকারি বাসভবন পান। ওই বাসভবনের সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার বহন করে সরকার। মন্ত্রীর বেতন ভাতা: দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বেতন পান মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা এবং চিফ হুইপরাও সমান বেতন পান।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী কাউকেই তাদের বেতনের জন্য কোন কর দিতে হয় না। এছাড়া একজন মন্ত্রী আরো যেসব সুবিধা পান: দৈনিক ভাতা: দুই হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা: মাসিক ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল: ১০ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা, সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে। সরকারি খরচে রেল ভ্রমণ ও বিদেশ ভ্রমণ, বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে, আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র! সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল! বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা সুবিধা আট লাখ টাকা! সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী!
নির্বাচন সংসদ :বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুইজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন। উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা। আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।
প্রতিমন্ত্রীর বেতন ভাতা: প্রতিমন্ত্রীদের বেতন প্রতি মাসে ৯২ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর কোন কর নেই। এছাড়া তিনি আরো পাবেন: দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা, প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা: ৭ হাজার ৫০০ টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৭ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা, বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে, আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র, সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরণের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ, উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুইজন কর্মকর্তা। আরো পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুইজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।
নির্বাচন সংসদ: উপমন্ত্রীর বেতন ভাতা: একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন ভাতার জন্য কোন কর দিতে হবে না। দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা: পাঁচ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৫ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা, বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে, আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র, সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরণের সেবা খাতের বিল, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। এছাড়া একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, একজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যারা সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে, তারা আরো কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।
What are the benefits of being a minister in Bangladesh?
Dr. Aslam Al Mehdi
The elected government is taking charge in Bangladesh after 18 months! The new cabinet of Bangladesh is going to take charge on Tuesday afternoon, February 17, after the 13th National Parliament election. Formal letters have already been sent to the ministers, state ministers and deputy ministers who will be sworn in in this BNP-led cabinet. What is the salary and allowance of a minister, state minister or deputy minister in Bangladesh? What other benefits do they get apart from their salary?
Prime Minister's salary and allowance: According to the Prime Minister's (Remuneration and Privileges) (Amendment) Bill, 2016, the salary of the Prime Minister of Bangladesh is one lakh 15 thousand taka per month. In addition, he receives one lakh taka per month for house rent, and three thousand taka as daily allowance. The Prime Minister gets a government residence. The government bears the cost of decoration and maintenance of that residence. Minister's salary and allowances: According to the Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers (Remuneration and Privileges) (Amendment) Bill, 2016, a minister receives a monthly salary of one lakh five thousand taka. The Deputy Speaker, Leader of the Opposition and the Chief Whip also receive the same salary.
No minister, state minister or deputy minister has to pay any tax on their salary. Apart from this, other benefits that a minister receives are: Daily allowance: two thousand taka, Regulatory allowance: ten thousand taka per month, Discretionary fund: ten lakh taka, 75 thousand taka to buy a mobile phone, a full-time car at government expense. An additional jeep will be provided for official tours outside Dhaka, all the expenses of which will be borne by the government. Rail travel and foreign travel at government expense, Rent-free government residence: The government will bear all the maintenance of the building including gas, electricity, water, telephone, Furniture: Furniture worth a maximum of five lakh taka in government residence! If not in government housing: 80,000 taka for house rent, plus house management costs and all kinds of utility bills! Insurance benefits for air travel of 800,000 taka! Round-the-clock security guards.
Election Parliament: Will get travel expenses from residence to office or from office to residence. He will also get travel expenses for himself and his family members. In addition, he will get travel expenses for at least two domestic workers. One private secretary of the rank of deputy secretary, one assistant private secretary of the rank of assistant secretary and another assistant private secretary from outside the cadre. Two officers of the 10th grade in the national pay scale. Also, he will get one jamadar and one ardali, two MLSS, one cook or peon.
Salary allowance of the Minister of State: The salary of the Minister of State is 92 thousand taka per month. There is no tax on this income. Apart from this, he will also get: Daily allowance: 1500 taka, State Minister's regulatory allowance: 7,500 taka, Discretionary fund: 7.5 lakh taka, 75 thousand taka for buying a mobile phone, Rent-free government residence: The government will bear all maintenance of the building including gas, electricity, water, telephone, furniture: Furniture worth a maximum of 4 lakh taka in the government residence, if there is no government residence: 70 thousand taka for house rent, along with bills for all types of services including gas, electricity, water, telephone and house management expenses, a private secretary with the rank of deputy secretary, an assistant private secretary with the rank of assistant secretary and another assistant private secretary from outside the cadre. Two officers of the 10th grade in the national pay scale. He will also get one Jamadar and one Ardali, two MLSS, one cook or peon.
Elected Parliament: Deputy Minister's salary allowance: A deputy minister gets a salary of 86 thousand 500 taka. He also does not have to pay any tax for salary allowance. Daily allowance: 1500 taka, Regulatory allowance: 5000 taka, Discretionary fund: 550,000 taka, 75,000 taka for buying a mobile phone, Rent-free government residence: The government will bear all maintenance of the building including gas, electricity, water, telephone, furniture: maximum furniture worth 400,000 taka in government residence, if there is no government residence: 70,000 taka for house rent, along with house management expenses and all types of service sector bills, one private secretary with the rank of assistant secretary, and another assistant private secretary from outside the cadre. In addition, one personal assistant, one jamadar and one ardali, one MLSS, one cook or peon. In addition to performing duties as a minister, state minister or deputy minister, those who are elected as members of parliament will receive some additional benefits.
01/02/2026
সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা কেন
ডঃ আসলাম আল মেহেদী
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের জন্য নির্বাচিত আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদ গঠন করা হয়। তারা সংবিধান অনুমোদন করেন। শুরু থেকে বিতর্ক ছিল যে, পাকিস্তানের জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে জেনারেল ইয়াহিয়ার চাপিয়ে দেয়া লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডারের (এলএফও) শর্ত মেনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়ন করতে পারেন কি না। তখন দাবি ছিল, নতুন করে নির্বাচনের মাধ্যমে গণপরিষদ গঠন করতে হবে। বিপুল জনপ্রিয় আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কারো কথায় কর্ণপাত করেননি। তিনি ও তার দল সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের আলোকে সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন। সংবিধান যেহেতু নাগরিকদের সাধারণ ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ, সেহেতু চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য গণভোট করা উচিত ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি।
১৯৭২ সালের সংবিধান নিয়ে তখনকার বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিমত প্রকাশ করা হয়েছিল। যদিও সে সময়ে ইসলামী আদর্শ ও মুসলিম জাতীয়তাবাদী দলগুলো নিষিদ্ধ থাকায় তাদের পক্ষে মতপ্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে তখনকার শাসকরা তাদের হিসেবেও রাখেননি। মজার বিষয় হলো- যদিও আওয়ামী লীগ তখন দাবি করেছিল, বাংলাদেশের সংবিধান বিশ্বের অন্যতম সেরা সংবিধান, তথাপি তারা মাত্র দুই বছরের মাথায় চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের খোলনলচে পাল্টিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। গণতন্ত্র, স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে একদম খর্ব করা হয়েছিল। অর্থাৎ চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিকেও ভূলুণ্ঠিত করা হয়।
জিয়াউর রহমান পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে ইসলামী মূল্যবোধ সংবিধানে সন্নিবেশিত করেন। মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে ২০১০ সালে আবার সংবিধান সংশোধন করে পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে দেন। শুধু তাই নয়, ১৯৯৬ সালে সব রাজনৈতিক দলের সম্মতিক্রমে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছিল তারা ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় এসে আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে সেটিকেও বাতিল করে দেয়। এভাবে বড় দাগে সংবিধানে বারবার পরিবর্তনের ফলে শেখ হাসিনা চরম স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার রাস্তা তৈরি করেন। তিনি বারবার প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার সুযোগ পেয়ে যান।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তার সাম্রাজ্যের তখতেতাউস তাসের ঘরের মতো উবে যায়। দেশের মানুষ একটি গণতান্ত্রিক ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নতুন স্বপ্ন দেখছে। তার অংশ হিসেবে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রকাঠামোর বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সংবিধান সংস্কার। কারো কারো মতে, বিদ্যমান সংবিধান বাতিল করা উচিত; আবার কারো মতে সংশোধন করলেই চলবে। জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণ নেতাদের নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকে বলে আসছে, একটি গণপরিষদ গঠন করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ অভিমত প্রকাশ করেছিলেন, সংবিধান পুনর্লিখিত হওয়া উচিত
বিশিষ্ট লেখক ফরহাদ মজহারও তাই মনে করেন। ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে কিছু বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে পাঁচটি সংস্কার কমিশনের ১৬৬টি সুপারিশ সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে কমিশন লিখিত মতামত চেয়েছিল। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অভিন্ন মতামত দিয়েছে। তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক বিষয়ে মতপার্থক্য থাকায় সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় দফায় ধারাবাহিক সংলাপ চলছে। এর মধ্যে কয়েকটি মৌলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
প্রথমত, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে সাম্য, সামাজিক সুবিচার, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদের সুপারিশ করা হয়। প্রায় সব দল বহুত্ববাদ গ্রহণ না করায় ঐকমত্য কমিশন বহুত্ববাদ পরিহার করে সাম্য, সামাজিক সুবিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতন্ত্রের প্রস্তাব করেছে। এ নিয়ে ডান ও ইসলামপন্থীদের মধ্যে একটি অভিন্ন মতামত দেখা গেলেও বাম ও সেকুলার ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলোর কয়েকটি বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় মূলনীতি বহাল রাখার পক্ষে মতপ্রকাশ করেছে। বিএনপি ও ইসলামপন্থীরা পঞ্চম সংশোধনীতে উল্লিখিত ‘আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস ও আস্থা’ রাখার পক্ষে অভিমত দিয়েছে। এ বিষয়ে ঐকমত্য কমিশন বলেছে, বিষয়টি তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রাখতে পারে এবং জনগণ তার পক্ষে মত দিলে তারা পরবর্তী সংসদের মাধ্যমে সংবিধানে সংযুক্ত করার সুযোগ পাবে।
দ্বিতীয়ত, জাতীয় সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট থাকবে নাকি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা হবে। অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ১০০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চ কক্ষ গঠন করার পক্ষে মত দিয়েছে। তবে উচ্চ কক্ষের জনপ্রতিনিধিরা কোন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হবেন তা নিয়ে এখনো মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোনো কোনো দল নিম্নকক্ষে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার অনুপাতে উচ্চ কক্ষের সদস্য নির্বাচনের পক্ষে। অপর দিকে, অনেক দল নিম্নকক্ষে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক হারে উচ্চ কক্ষে সদস্য নির্বাচনের পক্ষে। আবার কোনো কোনো দল ৫০ শতাংশ ভোটের সংখ্যানুপাতিক ও ৫০ শতাংশ প্রাপ্ত আসন সংখ্যার অনুপাতে উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচনের পক্ষে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধি রাখার সুপারিশ করেছে। সামগ্রিক বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আলোচনায় কী ফয়সালা হবে তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তৃতীয়ত, নিম্নকক্ষে নারীদের জন্য ক’টি আসন থাকবে তা নিয়ে মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বহু দল নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ থেকে বৃদ্ধি করে ১০০ নির্ধারণ করার পক্ষে মত দিয়েছে। বেশ কিছু দল নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে বিভিন্ন দলের নারী সদস্য নির্বাচনের পক্ষে। বিএনপি বিদ্যমান নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে নারী সদস্য নির্বাচনের পক্ষে। অপর দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ কয়েকটি দল নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে সরাসরি ভোটের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের অভিমত অনুযায়ী, প্রতি তিনটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে একজন নারী প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।
অনেকে অভিমত প্রকাশ করেন, যেখানে বিদ্যমান একটি আসনে একজন প্রার্থীর নির্বাচন করতে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে একজন নারী প্রার্থী তিনটি আসনের বিশাল এলাকা কিভাবে সামাল দেবেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হবে। বিষয়টিতে কিভাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
চতুর্থত, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি। ১৯৯৬ সালে জামায়াত, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার প্রথমে এর বিরোধিতা করলেও আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত তা মেনে নিয়ে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি সংযুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার আওতায় ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচন অনেকটা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৬ সালে বিএনপি সরকার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে দিলে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এরপর সংবিধান মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের প্রথম কয়েকটি অপশন বাদ দিয়ে শেষ অপশনে থাকা রাষ্ট্রপতিকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব দেয়া হলে প্রচণ্ড রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দেয়। ফলে সামরিক বাহিনী সমর্থিত এক-এগারোর সরকার গঠিত হয়।
ওই সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চেয়ে অধিকতর সময় নেয় ও ব্যাপক ক্ষমতা চর্চা করে। তারা ২০০৮ সালে যে নির্বাচন করে তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এরপর ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্ট একটি রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে দেয়। যদিও ওই রায়ে আরো দু’টি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার তার প্রতি তোয়াক্কা না করে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে। এরপর তিনটি প্রহসনের নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের প্রতি বিরাট চপেটাঘাত। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ হটানোর পরে এখন জনআকাক্সক্ষা হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তন করা। এবারে সবাই একমত হলেও এর গঠন কাঠামো বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো এখনো ঐকমত্যে উপনীত হতে পারেনি।
পঞ্চমত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি। বিদ্যমান ব্যবস্থায় সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে যে দল সরকার গঠন করে তাদের প্রার্থী সহজে নির্বাচিত হয়ে যান। আর যদি সরকারে প্রধানমন্ত্রীর আধিপত্য থাকে তা হলে তিনি যে কাউকে মনোনয়ন দেবেন, তিনিই নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপতি, যিনি রাষ্ট্রের এক নম্বর ব্যক্তি তার নির্বাচনে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কোনো মতামত প্রতিফলিত হয় না। বর্তমান রাষ্ট্রপতির নির্বাচনকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়ে থাকে। সংবিধান সংস্কার কমিশন ও নির্বাচন সংস্কার কমিশন উভয়ই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের সুপারিশ করেছে।
সংবিধান সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছে, সংসদের উভয়কক্ষের প্রতি সদস্যের একটি করে ভোট, প্রতিটি জেলা সমন্বয় কাউন্সিলের একটি করে ভোট এবং সিটি করপোরেশনগুলোর সমন্বিত একটি ভোট নিয়ে একটি ইলেক্টোরাল কলেজ রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন ইলেক্টোরাল কলেজ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সম্প্রসারণের সুপারিশ করেছে। এ সুপারিশ অনেক দল এ কারণে গ্রহণ করেনি যে, পাকিস্তান আমলে স্বৈরাচারী আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র নামে ত্রুটিপূর্ণ ও দুর্নীতিগ্রস্ত একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। আবার কেউ কেউ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সরাসরি জনগণের ভোটে করার পক্ষে যুক্তি দিয়ে থাকেন। এর বিপরীতে যুক্তি হলো- সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত থাকে। তিনি যদি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন তালে মনস্তাত্ত্বিকভাবে তিনি নিজেকে বেশি শক্তিশালী মনে করবেন। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন একটি মাত্র নির্বাচনী এলাকা থেকে; আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন ৩০০টি নির্বাচিত এলাকা থেকে। ফলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হতে পারে। দেখা যাক, ঐকমত্য কমিশন এ বিষয়ে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে কি না।
ষষ্ঠত, প্রধানমন্ত্রী পদে কতবার থাকা যাবে। পতিত সরকারের আমলে দেখা গেছে, প্রহসনের নির্বাচন করে শেখ হাসিনা একাধারে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পদে থেকে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন। এ ক্ষেত্রে যুক্তি দেয়া হয়, এক ব্যক্তি দীর্ঘকাল একই পদে বিশেষত প্রধানমন্ত্রী পদে থাকলে নিজে ধরাকে সরাজ্ঞান করেন। তাই ওই পদের মেয়াদ সীমিত করে দেয়া সমীচীন। যেমন যুক্তরাষ্ট্রে একজন প্রেসিডেন্ট জীবনে দু’বারের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না। আবার থাইল্যান্ডে একজন প্রধানমন্ত্রী জীবনে আট বছরের বেশি ওই পদে থাকতে পারেন না।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় সব দল প্রায় একমত যে, একজন প্রধানমন্ত্রী জীবনে ১০ বছরের বেশি ওই পদে থাকতে পারবেন না। তবে বিএনপি বিষয়টিকে শর্তযুক্ত করতে চায় যে, সেক্ষেত্রে সংবিধানে সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটি বলে সংবিধানে কিছু না রাখা। তাদের মতে, এটা রাখা হলে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা হ্রাস পাবে। বিষয়টি আরো আলোচনার পর সবাই একটি পয়েন্টে একমত হতে পারবেন বলে আশা করা যায়।
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, তবে সেটি “জাতীয় সংসদ নির্বাচন” নয়, “গণপরিষদ নির্বাচন” হবে!
21/07/2025
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২০ জন নিহত এবং প্রায় দেড়শ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৭ জনই শিশু! বাংলাদেশ সিটিজেন পার্টির উপদেষ্টা বাংলাদেশের সেরা বার্ন এন্ড প্লাষ্টিক সার্জন প্রফেসর সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ তার টিম নিয়ে সেবা প্রদান করেছেন! আমরা নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি! আমিন!
18/07/2025
বাংলাদেশের আরো একটি ইসলামপন্থী দল "এনসিপি" যারা সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি কিংস পার্টি এখনো নিবন্ধন পায় নাই! ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার অবদান শুধু একা তাদের নয়, আরো অনেকের অনেক অবদান রয়েছে! এই এনসিপি সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা করছে। আর এই পরিকল্পনার সাথে ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস সাহেবের উপদেষ্টা মন্ডলীর গুটিকয়েক উপদেষ্টারা এই অপকর্মের সাথে জড়িত হয়েছে। কারণ এনসিপির দলের প্রধান নাহিদ ইসলাম ও নেতাকর্মীদের কর্মসূচি ছিল পদযাত্রা হঠাৎ করে পদযাত্রা কর্মসূচি থেকে "মার্স টু গোপালগঞ্জ" কেন এই কর্মসূচি পরিবর্তন করা হলো এই প্রশ্নটা কি কেউ করেছেন? এই পদযাত্রা কর্মসূচিকে পরিবর্তন করার সাথে সরাসরিভাবে আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া জড়িত আছে এতে কোন সন্দেহ নাই। এই আসিফ মাহমুদ ভূইয়া এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ অনেক বড় বড় কথা বলেছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেছে। এতদিন ধরে বাংলাদেশের মানুষ তাদের পক্ষে ছিল আস্তে আস্তে এখন তাদের চরিত্র উন্মোচন হচ্ছে জাতির সামনে। যেখানে সারা বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরশাসক খুনি হাসিনা এবং খুনি হাসিনার দলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করছে সেইখানে এই ঐক্যর ফাটল ধরানোর জন্য হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সারজিস আলম যেই ধরনের বক্তব্য রাখছে এইসব বক্তব্যের কারণে কখনোই ঐক্য থাকবে না। এমনকি খালেদা জিয়া এবং জিয়াউর রহমানের নামেও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে এই দলের আরেক নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এরা আসলে কি ধরনের রাজনীতি করতে চায়? দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চায়? ওরা কি দেশটাকে ধ্বংস করে দিতে চায়? ওরা প্রথম দিন থেকে পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে যে পরিমাণ কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, অপমান, অপদস্ত করেছে তারপরও আজকে দেখেন পুলিশ বাহিনী তাদের জীবন বাজি রেখে এই ছেলেদেরকে উদ্ধার করে এনেছে। এই তথাকথিত দল এনসিপির নেতারা দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে প্রতিদিন ওরা যে পরিমাণ নেগেটিভ বক্তব্য দিচ্ছে এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য অত্যান্ত অপমানজনক। আজকে দেখেন এই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহযোগিতায় তারা দ্বিতীয় বারের মতন জীবন ফিরে পেল। যদি ওদের বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকে তাহলে আর সেনাবাহিনীকে নিয়ে কোনরকম অপমানজনক কথাবার্তা বলবে না। এই তথাকথিত দল এনসিপির নেতাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নির্বাচনকে কিভাবে পিছিয়ে দেওয়া যায় সেই পায়তারা করছে। তবে আমার মনে হয় এই ষড়যন্ত্রকে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সচেতন গণতান্ত্রিক দলগুলো প্রতিহত করবে। এমনকি দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীও গণতান্ত্রিক উপায়ে ফিরে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করবে আমি আশা করি। কারণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকাররুজ্জামান একজন দেশ প্রেমিক সেনাপ্রধান সে কখনোই বাংলাদেশকে ধ্বংস হতে দিবে না এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। গতকাল গোপালগঞ্জের ঘটনায় সুস্পষ্ট হয়ে গেছে এনসিপি নামক এই দলটি দেশটাকে অরাজগতার দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নাই। ওদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনকে পিছিয়ে দিয়ে ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস সাহেবকে সামনে রেখে ওরা লুটপাট, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি, টেন্ডারবাজি, বদলি বাণিজ্য, এই ধরনের সব অপকর্মের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এটাই হচ্ছে ওদের মূল উদ্দেশ্য। সর্বশেষ আমার একটি কথা আছে। কথাটা হচ্ছে দেশটাকে যদি রক্ষা করতে হয়। তাহলে এখন সেনাপ্রধান ওয়াকাররুজ্জামান তিনি উদ্যোগ নিয়ে রহমান সাহেব, খালেদা জিয়া, এবং প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোঃ ইউনুস সাহেব, এই চারজন একসাথে এক টেবিলে বসে দেশকে বাঁচানোর জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ অতি দ্রুত দিয়ে দেশটাকে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই একমাত্র কাজ এবং দায়িত্ব। আর এই দায়িত্বটি একমাত্র দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকারুজামানি নিতে হবে।
Another Islamist party in Bangladesh, "NCP", which is a government-controlled Kings Party, has not yet been registered! The contribution to the mass uprising of 24 and the expulsion of the dictator Sheikh Hasina from the country is not only theirs alone, but many others have contributed a lot! This NCP is planning to destabilize the country in a well-planned manner. And with this plan, a few advisors from Dr. Mohammad Yunus' advisory board have been involved in this misdeed. Because the program of the NCP party chief Nahid Islam and the leaders and activists was a march, has anyone asked why this program was suddenly changed from the march program to "March to Gopalganj"? There is no doubt that Asif Mahmud Bhuiyan is directly involved in changing this march program. This Asif Mahmud Bhuiyan and Hasnat Abdullah have said many big things and have said ugly things against the army. For so long, the people of Bangladesh have been on their side, now their character is slowly being revealed before the nation. Where the people of all Bangladesh are unitedly fighting against the dictator-murderer Hasina and the murderer Hasina's party, there will never be unity due to the kind of statements that Hasnat Abdullah and Sarjis Alam are making to create a rift in this unity. Even in the name of Khaleda Zia and Ziaur Rahman, another leader of this party, Nasir Uddin Patwary, is making ugly statements. What kind of politics do they actually want to do? Where do they want to take the country? Do they want to destroy the country? They have made so many ugly statements, insults, and humiliations about the police force from the first day, yet today we see that the police force has rescued these boys by risking their lives. The amount of negative statements that the leaders of this so-called party, NCP, are making every day about the patriotic army is extremely insulting for the Bangladesh Army. Today we see that with the help of this Bangladesh Army, they have regained their lives for the second time. If they have any shame, they will not say any more insulting words about the army. The main objective of this so-called party, NCP, is to create anarchy in the country and find a way to postpone the elections. However, I think every conscious democratic party in Bangladesh will resist this conspiracy. I hope that even the patriotic army will cooperate in returning to the democratic way. Because I firmly believe that the Chief of the Bangladesh Army, General Waqarruzzaman, is a patriotic army chief and he will never let Bangladesh be destroyed. Yesterday's Gopalganj incident has made it clear that this party called NCP is trying to push the country towards anarchy, there is no doubt about it. Their main objective is to postpone the elections and keep Dr. Muhammad Yunus in front and continue all such evil activities like looting, extortion, fraud, tender rigging, transfer trading, this is their main objective. Finally, I have one thing to say. The point is that if the country has to be saved. So now the only task and responsibility is to quickly give the election roadmap to save the country and take the country forward on the democratic path by taking the initiative of Army Chief Waqarruzzaman, Rahman Saheb, Khaleda Zia, and Chief Advisor Dr. Md. Yunus Saheb. These four should sit together at one table. And this responsibility should be taken only by the patriotic Army Chief, General Waqarruzzaman.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
House # 78, Road # 12, Block # C, Banani
Dhaka
1213
