Shohid Bagh আমাদের শহিদবাগ

Shohid Bagh আমাদের শহিদবাগ

Share

আমাদের শহিদবাগ আমাদের সবার। এলাকার উ?

18/03/2024

প্রতিটি চোখ এক একটি আয়না, মুনাফিক গুলো হেসে বলে আমরা তোদেরই চায়না।

13/10/2022

What a cool men

09/03/2022

Arifur vai great

26/11/2021

ঢাকা থেকে সম্পূর্ণ ট্রেনে করে অল্প খরচে কিভাবে চেন্নাই এবং ভেলরে পৌঁছাবেন? বিস্তারিত ভ্রমণ গাইডলাইন এবং খরচসহ পোস্ট পড়ুন।

যারা চেন্নাই বা ভেলরের সি এম সি হাসপাতালে ডাঃ দেখাতে যেতে চাচ্ছেন কিন্তু কম খরচ করে কিভাবে সেখানে যাবেন এবং থাকা খাওয়া কেমন খরচ হবে সেই ব্যাপারে হয়তো রিলায়েবল তথ্য খুজছেন, এসে গেছে বিডিইন্ডি ট্রাভেরা।

আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি যে, বাংলাদেশের ৬৪ জেলা শহর থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কিভাবে যাবেন, কেমন খরচ হবে, কোথায় থাকবেন সব ধিরে ধিরে পোস্টের মাধ্যমে পাব্লিশ করা হবে।

কারণ আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে সব সময় শেয়ারিং করবো যাতে আপনারা কিছুটা হলেও উপকৃত হন।

বিডিইন্ডি ট্রাভেরার বাস্তব ৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে তাই আমরা আপনাকে যে গাইডলাইন দিবো সেটা সঠিক ভেবে প্লান শুরু করতে পারেন নিশ্চিন্ত মনে, তাহলে চলুন শুরু করা যাক---

#প্রথম ধাপঃ

যেহেতু দেশের বাইরে যাবেন তাই আগে আপনাকে পাসপোর্ট করতে হবে কারণ পাসপোর্ট ছাড়া অন্য দেশে যাওয়া যায় না, নিয়মও নেই।

দ্রুত পাসপোর্ট করুন তারপর ভিসা করার জন্য আপনার নিকটস্থ ভারতীয় এম্বাসিতে পাসপোর্ট সহ অন্যান্য পেপারস জমা দিন। ভিসা এম্বাসি এখন অনেক জেলা শহরে বিদ্যমান।

তাই আপনার জেলা শহরে ভিসা অফিস কোথায় আছে সেটা খুজে সেখানে জমা দিন বা আমাদের কাছ থেকে ঠিকানা নিতে পারবেন যদি দরকার মনে করেন।

তাহলে প্রথম ধাপে আপনার খরচ হবে

#খরচ হবেঃ
পাসপোর্ট বাবদঃ ৫০০০ টাকা
ভিসা ফি বাবদঃ ৮২৪ টাকা
ভিসা এপ্লিকেশন ও প্রসেসিং বাবদঃ ৩০০ টাকা
ভারতীয় ডাঃ আ্যপ বাবদঃ ১৫০০ টাকা

#মোট খরচ হবেঃ ৭৬২৪ টাকা

বিঃদ্রঃ যদি কেউ মেডিকেল ভিসা করতে দেন সেক্ষেত্রে (ডাঃ আ্যপ বাবদ ১৫০০ টাকা) খরচ হবে কিন্তু ট্যুরিস্ট ভিসা করতে দিলে লাগবে না কিন্তু ভেলরে ডাঃ দেখানোর জন্য ঠিকই লাগবে।

তাই ডাঃ আ্যপ আগেই নিয়ে রাখা ভালো নতুবা ভিসা পাবার পর নিতে চাইলে আরো অন্তত ২৫ বা ৩০ দিন অপেক্ষা করা ছাড়া ডাঃ এর অগ্রীম আ্যপ পাবেন না।

এমনকি ডাঃ আ্যপ পেতে ২/৩ মাস লেগে যেতে পারে। তাই ডাঃ দেখানোর উদ্দেশ্য থাকলে অবশ্যই ডাঃ এর সিরিয়াল নিয়ে রাখবেন।

#২য় ধাপ

পাসপোর্ট, ভিসা, ডাঃ আ্যপ তো রেডি তাহলে এখন ভারতীয় ট্রেনের টিকিট নিতে হবে কারণ এই ট্রেনের টিকিট নরমালি ২০/২৫ দিন আগে ছাড়া পাওয়া যায় না। তাই যাদের পাসপোর্ট হয়ে যাবে এবং ভিসা করতে দিবেন তখনই ট্রেনের টিকিট অগ্রীম করে নিবেন কারণ যেহেতু ভিসা করতে দিয়েছেন আর ভেলর/চেন্নাই সিটি ডাঃ দেখানোর জন্য যাবেন তাই অগ্রীম ট্রেনের টিকিট করে নিবেন কোন এজেন্সির মাধ্যমে বা আমাদের কাছ থেকে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনার সময় বেচে যাবে কারণ অগ্রীম সিট না নিয়ে যাত্রা শুরু করলে টিকিটের জন্য আপনাকে কলকাতা ১ বা ২ রাত থাকা লাগতে পারে সেক্ষেত্রে আপনার খরচ কিন্তু বেড়ে যাবে যেমন হোটেল ভাড়া, খাওয়া দাওয়া এবং সময়ের অপচয় এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

#ভেলর ট্রেনের শিডিউলিংঃ

কলকাতা থেকে ভেলর যাওয়ার সরাসরি ট্রেন আছে যেমন YPR EXPRESS, এটি রাত ৮ঃ৩৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়ে। এটি রেগুলার ট্রেন। এই ট্রেনের নন এসি স্লিপার ভাড়া ১১৫০ টাকা প্রতিজন, এসি স্লিপার ভাড়া প্রতিজন ২৫৫০ টাকা।

আবার আরো একটি ট্রেন আছে যেমন হামসাফার এক্সপ্রেস ট্রেন যা প্রতি মংগলবার দুপুর ১২ টা ৪০ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়ে, ফুল এসি ট্রেন এবং পরের দিন বিকেল ৫ টায় ভেলর পৌঁছায় তবে এই ট্রেনের ভাড়া অন্য যে কোন ট্রেনের চেয়ে বেশি থাকে। এসি স্লিপার ভাড়া প্রতিজন ৪০০০/৪২০০/৪৪০০ টাকা হয়ে থাকে বা আরো কম হয়ে থাকে যেহেতু এই ট্রেনের ভাড়া আপ-ডাউন হয়ে থাকে

আবার আরো একটি ট্রেন আছে যেমন PDY EXP যা রাত ১১ টা ৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়ে এবং ভেলর গিয়ে পৌঁছায় ২৮ ঘন্টা পর অর্থাৎ ভোর ৫ টার পরে। ট্রেনটি সাপ্তাহিক এবং প্রতি রবিবার ছাড়ে।

আরো একটি ট্রেন আছে যেমন SHM TVC EXP যা রাত ১১ টা ৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সপ্তাহে দুই দিন যেমন রবিবার এবং মংগলবার ছাড়ে আর ভেলর গিয়ে ২৮ ঘন্টা পর ভোর ৬ টার মধ্যে যাবে।

আরো একটি সাপ্তাহিক ট্রেন আছে যেমন SRC SUBIDHA যা রাত ৯ টা ৫০ মিনিটে সাতরাগাছি রেল স্টেশন থেকে প্রতি বুধবার ছাড়বে এবং ভেলর গিয়ে পৌঁছাবে ৩৪ ঘন্টা পর অর্থাৎ ভোর ৫ টার মধ্যে, একটু দেরি হয়ে থাকে তবে এই ট্রেনে সিট পাবেন এবং ভাড়াও দিগুন অন্য ট্রেনের তুলনাতে।

তবে যাদের অগ্রীম কনফার্মড সিট লাগবে তারা যেতে পারেন এই ট্রেনে। এই ট্রেনের নন এসি স্লিপার ভাড়া ২৬০০/২৮০০/৩০০০ টাকা হয়ে থাকে, ভাড়া আপ ডাউন হয়ে থাকে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে ভেলরের সরাসরি ট্রেনের সিট নরমালি ৪০/৪৫ দিন আগে ছাড়া পাওয়া যায় না, আর গেলেও ১ বা ২ টি ট্রেন আছে যার ভাড়া অনেক অনেক বেশি তাই বিকল্প হিসেবে অনেকে কলকাতা টু চেন্নাই ট্রেন টিকিট নিয়ে থাকে তারপর চেন্নাই টু ভেলর কানেক্টিং ট্রেনে করে গিয়ে থাকে অর্থাৎ মাঝে ৩/৪ ঘন্টা গ্যাপ দিয়ে টিকিট নিলে আর কোন সমস্যা থাকে না।

#চেন্নাই ট্রেনের শিডিউলিংঃ

হাওড়া থেকে প্রতিদিন ২ টি ট্রেন চেন্নাই এর দিকে যাত্রা করে। Hwh mass mail যা হাওড়া স্টেশন থেকে রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটে প্রতিদিন ছাড়ে এবং চেন্নাই গিয়ে পৌঁছায় পরশু ভোর ৪ টার দিকে অর্থাৎ প্রায় ২৮ ঘন্টার ভ্রমণ থাকে এবং এই ট্রেনের চেন্নাই স্টেশন হচ্ছে লাস্ট গন্তব্য। এসি স্লিপার ভাড়া প্রতিজন ২৫৫০ টাকা এবং নন এসি স্লিপার ভাড়া প্রতিজন ১১৫০ টাকা।

এই ট্রেনের টাইমিং বাংলাদেশিদের জন্য খুব পছন্দের কারণ বাংলাদেশের যে প্রান্ত থেকে যে কেউ আসুক না কেন তারা এই ট্রেনে যেতে পছন্দ করে যেহেতু ট্রেন মিস হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না অথবা ওই দিনই কলকাতা থেকে রওনা দিতে পারে।

আরো একটি ট্রেন আছে যেমন করোমন্ডল এক্সপ্রেস যা হাওড়া থেকে প্রতিদিন দুপুর ২ টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে এবং চেন্নাই গিয়ে পরের দিন বিকেল ৫ টায় পৌঁছায় অর্থাৎ ২৬ ঘন্টার ভ্রমণ। এই ট্রেনের ভাড়াও এসি এবং নন এসি স্লিপার Hwh mass mail এর মতো। তবে এই ট্রেনের টাইমিং টা বাংলাদেশিদের জন্য একটু রিস্ক কারণ ২ টা ৪০ মিনিটে অনেকের জন্য পৌঁছানো কিছুটা রিস্ক থেকে যায় সেক্ষেত্রে এই ট্রেনে যেতে হলে একদিন আগে কলকাতা পৌঁছাতে হবে নতুবা রিস্ক নিতে হবে।

আরো একটি ট্রেন আছে যা সাপ্তাহিক যেমন SRC MAS AC EXP যা সপ্তাহে শুক্রবার ও মংগলবার ছাড়ে সাতরাগাছি স্টেশন থেকে এবং সন্ধ্যা ৭ টায় ছাড়ে আর চেন্নাই গিয়ে পৌঁছায় পরের দিন রাত ১১ টার দিকে তবে এটি ফুল এসি ট্রেন, কোন নন এসি বগি এতে থাকে না। এই ট্রেনের এসি স্লিপারের ভাড়াও Hwh mass or Coromondal exp ট্রেনের মতো।

আর এই ট্রেনের টাইমিং টাও অনেক দারুন, সন্ধ্যা ৭ টা মানে কলকাতা পৌঁছে খুব বেশি দেরি করতে হচ্ছে না আপনাকে। আপনাকে সাতরাগাছি স্টেশনে যেতে হবে যা হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ৯ কিমি দূরে তবে কোন সমস্যা নেই, ছোট স্টেশন জাস্ট স্টেশনে চলে যাবেন, ট্রেনে উঠবেন কোন দুঃচিন্তা করার কিছু নেই। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১১০০*২ = ২২০০ যাত্রী নিয়ে প্রতি সপ্তাহে চেন্নাই যাতায়াত করছে। যারা চেন্নাই ট্রিটমেন্ট করাবেন তারা অনায়াসে এই ট্রেনে যেতে পারেন আর যারা ভেলর ট্রিটমেন্ট করাবেন তারাও এই ট্রেনে চেন্নাই গিয়ে অন্য ট্রেনে করে ভেলর যেতে পারেন।

#চেন্নাই টু ভেলর ট্রেন সিডিউলিংঃ

চেন্নাইতো পৌঁছালেন কিন্তু ভেলর কোন ট্রেনে যাবেন সেটা নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই কারণ চেন্নাই থেকে ভেলরে যাওয়ার প্রথম ট্রেন ছাড়ে রাত ২ টায়, তারপর ভোর ৬ টা ৫ মিনিটে, তারপর ৭ টায়, ৮ টায় এরকম ৩০ টির মতো ট্রেন যাতায়াত করে রেগুলার। প্রতিজন নন এসি চেয়ার সিট ভাড়া ২৫০ টাকা করে এবং ভেলর যেতে মাত্র ২ ঘন্টার কিছু বেশি সময় লেগে যাবে।

তাহলে #২য় ধাপে খরচ হবে

ঢাকা টু বেনাপোলঃ ৫০৫ টাকা (ট্রেনে)
বেনাপোল টু বর্ডারঃ ১০ টাকা (ইজি বাইক)
ব্রেকফাস্ট বাবদঃ ৫০ টাকা
বর্ডার ট্যাক্সঃ ৫৫০ টাকা
বর্ডার টিপসঃ ১০০ টাকা

মোট বাংলাদেশি ১২১৫ টাকা

এবার রুপির হিসাব শুরু হচ্ছে

বেনাপোল টু বনগা স্টেশনঃ ৩০ রুপি
বনগা টু শিয়ালদা স্টেশনঃ ২০ রুপি
শিয়ালদা টু হাওড়া/সাতরাগাছিঃ ১০ রুপি
কলকাতা টু চেন্নাই/ভেলর ট্রেন ভাড়াঃ ৬৮০ রুপি
স্টেশন ও ট্রেনে খাওয়া-দাওয়া বাবদঃ ৫৫০ রুপি
চেন্নাই টু ভেলর ভাড়াঃ ৯০ রুপি (সিটিং চেয়ার)
কাটপাডি টু CMC ভাড়াঃ ১৭০ রুপি (Auto)

তাহলে #মোট খরচ হচ্ছে
১৫৫০ রুপি*১.১৭
= ১৮১৪ টাকা
কিছু কম বেশি হতে পারে রুপির কনভারসন রেট অনুযায়ী

তাহলে দুইটা মিলে মোট খরচ হচ্ছে
১২১৫+১৮১৪

= ৩০২৯ টাকা (এটি ২য় ধাপ এর খরচ)

#তয় ধাপ

ভেলর তো পৌঁছে গেলেন এবার তাহলে হোটেল খুজে উঠে পড়ুন। ওখানে কম বা মিডিয়াম দামের মধ্যে বহু হোটেল পাবেন যেমন ৩০০ রুপি, ৩২০ রুপি, ৩৫০ রুপি, ৪০০/৪৫০/৫০০/৭০০/৮০০/৯০০ রুপির মধ্যেও পাবেন। তাহলে হোটেলে উঠে পড়ুন এবং রেস্ট নিন।

ঠিক পরের দিন সকাল ৭ টার আগে 900B নামে বিল্ডিং আছে সেখানে সবার পাসপোর্ট বই নিয়ে যাবেন।এবং ডাঃআ্যপ দেখিয়ে সিরিয়াল টোকেন স্লিপ নিয়ে বাকি কাজ শেষ করবেন। এই বিল্ডিং টা Out gate এর কাছে, যে কোন সিকিউরিটি অফিসারকে বললে দেখিয়ে দিবে অর্থাৎ সি এম সি তে ডাঃ দেখানোর জন্য বাংলাদেশি সব রোগীকে 900B building থেকে এন্ট্রি করে তবেই ডাঃ দেখানোর অনুমতি পাবেন নতুবা নয়।

কিছু মিডিয়াম মানের হোটেল আছে যেমন
New city lodge যার ভাড়া ৪৫০/৫০০ রুপি করে প্রতি রুমে ২ জন করে আবার সিংগলে রুমের ভাড়া ৩৭৫ রুপি করে যদিও ২ জন থাকার ব্যবস্থা আছে।

Mysore Palace যার ভাড়া ৩৫০ রুপি, ৪০০ রুপি করে ২ জনের জন্য এবং লিফট ব্যবস্থা আছে। এরকম বহু হোটেল আছে যা সি এম সি হাসপাতালের সামনে ও ভিতরের দিকে পাবেন।

জিনিস পত্রের দাম মোটামুটি তবে ইদানিং কাচা বাজারের কিছু কিছু প্রডাক্টের দাম বেড়েছে যা হয়তো ওরা ইচ্ছা করে বাড়িয়ে থাকে মাঝে মাঝে।

হোটেল ভাড়াঃ ৩৫০ রুপি প্রতিদিন
৩৫০*১৫ দিন = ৫২৫০ রুপি (২ জনের জন্য)

খাওয়া দাওয়া বাবদঃ ৩৫ রুপি প্রতি মিল বাবদ
যদি রান্না করে খেতে পারেন তাহলে খরচ একদম কম

৩৫ রুপি প্রতি বেলা
১৫ দিন = ৪৫ বেলা খাবার*৩৫ রুপি
= ১৫৭৫ রুপি (১৫ দিনের জন্য প্রতিজন বাবদ)

তাহলে খরচ হচ্ছে
৫২৫০+১৫৭৫
= ৬৮২৫ রুপি*১.১৭
= ৭৯৮৫ টাকা (৩য় ধাপের খরচ ২ জনের মিলে)

তাহলে মোট খরচ হচ্ছে ১ম+২য়+৩য় ধাপ মিলে
৮৭২৪+৩০২৯+৭৯৮৫
= ১৯,৭৩৮ টাকা খরচ হয়ে যাবে

উপরে যে খরচ দেখালাম সেটি মূলত ডাঃ এর কোন টেস্ট খরচ ও রিটার্ন খরচ বাদে এবং ১৫ দিনের জন্য হিসাব দিয়েছি তবে ৯৮% এরকম খরচ হবে এবং এই খরচ মূলত তাদের জন্য যাদের অল্প খরচে কিভাবে চেন্নাই বা ভেলর পৌঁছাতে পারবেন এবং খাওয়া, থাকা খরচ কেমন হবে সেটার বিষয়ে জানালাম।

চেন্নাই সিটিতে থাকলেও এরকম খরচ হবে তাই চেন্নাই এর হিসাব দিলাম না। একদম স্টেপ বাই স্টেপ হিসাব দিয়েছি।

আশা করছি আপনাদের এই খরচের হিসাব দেখলে ভেলর বা চেন্নাই গিয়ে কেমন খরচ হতে পারে তার ধারণা পেয়ে যাবেন অনায়াসচম

ভেলর বা চেন্নাই ট্রিটমেন্ট বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে আমাদেরকে মেসেজ বা ফোন করুন। আমরা চেস্টা করবো সঠিক তথ্য দিয়ে গেল্প করার জন্য।

CMC হাসপাতালের যে কোন ডাঃ আ্যপ নিতে এবং পরামর্শ নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন এবং আপনার ভ্রমণকে আরো সহজ করে তুলুন।

পরবর্তী বিগ পোস্ট শুধু ভেলরের বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট খরচ নিয়ে বিস্তারিত আসছে ------ পেজে লাইক দিয়ে রাখুন

#জরুরী প্রয়োজনেঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০
(Whatsup & imo also)

#ওয়েবসাইটঃ
www.bdindi-traverra.com
ব্যাপক তথ্য পেতে সাইট থেকে ঘুরে আসুন।

ভ্রমণ হবে সহজে

16/02/2021

أُولَٰئِكَ الَّذِينَ اشْتَرَوُا الضَّلَالَةَ بِالْهُدَىٰ وَالْعَذَابَ بِالْمَغْفِرَةِ ۚ فَمَا أَصْبَرَهُمْ عَلَى النَّارِ

তাহারাই সৎপথের বিনিময়ে ভ্রান্ত পথ এবং ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি ক্রয় করিয়াছে; আগুন সহ্য করিতে তাহারা কতই না ধৈর্যশীল!

19/10/2020
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Shahidbag Mosque
Dhaka
1217