Pranto Pondit

Call Directions

Pranto Pondit I BELIEVE IN ME!! AND THAT IS ENOUGH!!

16/03/2026

What do you hear?

21/02/2026

Jerry Sick 🥲

10/02/2026

Miss Childhood 🥲

বর্তমানে লাভজনক ব্যবসা কী?আপনি যে কোন ব্যবসায় লাভ করতে পারবেন। আপনি যেকোন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবসা করতে পারবেন এবং সেখান থে...
03/11/2025

বর্তমানে লাভজনক ব্যবসা কী?
আপনি যে কোন ব্যবসায় লাভ করতে পারবেন। আপনি যেকোন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবসা করতে পারবেন এবং সেখান থেকে লাভবান হতে পারবেন যদি আপনার দুইটা প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে।

১. আমার কাস্টমারের এমন কি সমস্যা আছে যে সমস্যাটা সে নিজে সমাধান করতে পারছে না?

২. আমি এমন কি সমাধান নিয়ে আসতে পারি যা কাস্টমার সহজেই আমার কাছ থেকে গ্রহণ করবে?

এই দুটো প্রশ্নের উওর আপনাকে যে সকল সুবিধা দিবে তাহলো —

আপনাকে কম্পিটিশন থেকে আগায় রাখবে।
আপনার ব্যাবসায় ১০০% প্রফিট সুনিশ্চিত থাকবে।
আপনার কাস্টমার আপনার প্রতি আনুগত্য থাকবে।
আপনার ব্রান্ড ইকুইটি অনেক বাড়বে।
আপনার ব্যাবসার ম্যানপাওয়ার সন্তুষ্ট থাকবে।
আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্ট বেশি থাকবে।
আপনার ইনভেন্টরি টারনওভার বেশি থাকবে।
Financial প্রতিষ্ঠান থেকে ভাল সুযোগ সুবিধা পাবেন। ইত্যাদি আর বিভিন্ন প্রকার সুবিধা আপনি পাবেন।
একদম অল্প টাকায় ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে ডিজিটাল প্রোডাক্ট এর বিজনেস দিয়ে শুরু করতে পারেন কারন এখানে অনেক কম টাকা লাগে এবং একবারই আপনি খুব তাড়াতাড়ি ভালো পরিমাণ গ্রাহক আকর্ষণ করতে পারবেন।

আর এই ব্যবসায় আপনি দেশের চাহিদা পূরণ করে ইন্টারন্যাশনাল ভাবে আপনার ব্যাবসাকে খুব সহজেই এবং খুব তাড়াতাড়ি প্রসারিত করতে পারবেন।

উদাহরন হিসাবে -

গ্রাফিক্স ডিজাইন
এনিমেশন ডিজাইন
Video প্রোডাকশন
ফটোগ্রাফি
ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
আর্টিকেল এবং ইনফোগ্রাফিক্স
সফটওয়্যার ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট
ই-বুক
ডাউনলোড করা যায় এমন মিউজিক
স্ট্রিমিং মিডিয়া
ভিডিও টিউটোরিয়াল
অনলাইন গেমস
মোবাইল অ্যাপস
ইন্টারনেট কুপন এবং ইলেকট্রনিক টিকিট
ডিজিটাল Marketing & Selling
ইত্যাদি আরো অনেক ডিজিটাল পণ্যের বিজনেস আছে। ছাড়া আপনি যেকোন ফিজিক্যাল পণ্যের ব্যবসা করতে পারেন কিন্তু সেখানে অবশ্যই টেকনোলজিকে যুক্ত করতেই হবে কারণ টেকনোলজি হচ্ছে সামনের ভবিষ্যৎ।

উদহারণ হিসাবে, এখন আপনি যদি টি শার্ট এর বিজনেস করেন তাহলে সেখানে আপনাকে টেকনোলজি যুক্ত করতে হবে কারণ টেকনোলজি হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যা আপনার খরচ কমাবে 10 গুণ প্রফিট বাড়াবে 50 গুন।

চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বলেছিলেন: "তুমি যদি বানরদের সামনে কলা এবং টাকা রাখো, তাহলে বানররা কলা বেছে নেবে কারণ তারা জানে...
03/11/2025

চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বলেছিলেন: "তুমি যদি বানরদের সামনে কলা এবং টাকা রাখো, তাহলে বানররা কলা বেছে নেবে কারণ তারা জানে না যে টাকা দিয়ে অনেক কলা কেনা যায়। আসলে, যদি তুমি লোকেদের কাজ এবং ব্যবসার প্রস্তাব দাও, তাহলে তারা কাজ বেছে নেবে কারণ বেশিরভাগ মানুষ জানে না যে একটি ব্যবসা বেতনের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে। দরিদ্ররা দরিদ্র হওয়ার কারণ হল তারা স্কুলে অনেক সময় ব্যয় করে এবং তারা নিজেদের জন্য কাজ করার পরিবর্তে বেতনের জন্য কাজ করে, কারণ বেতন আপনাকে কেবল বেঁচে থাকার জন্য আয় দেয়, কিন্তু লাভ আপনাকে ভাগ্যবান করে তুলতে পারে।"

নিউইয়র্কে সাম্প্রতিক একটা শো-রুম চালু করা হয়েছে, যেটার নাম হলো "Husband for Sale"।এখানে বিভিন্ন ধরনের পুরুষরা রয়েছেন, মে...
03/11/2025

নিউইয়র্কে সাম্প্রতিক একটা শো-রুম চালু করা হয়েছে, যেটার নাম হলো "Husband for Sale"।
এখানে বিভিন্ন ধরনের পুরুষরা রয়েছেন, মেয়েরা এখান থেকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী স্বামী পছন্দ করতে পারবে।

সেখানের নিয়ম হলো--

(১) যেকোনো মহিলা সেখানে একবারই মাত্র প্রবেশাধিকার পাবেন।

(২) এখানে ৬টি ফ্লোর আছে এবং মহিলারা যেকোনো ফ্লোর থেকে নিজের স্বামী নির্বাচন করতে পারবেন।

তবে ২য় ফ্লোর অতিক্রম করে ৩য় ফ্লোরে গিয়ে যদি স্বামী পছন্দ না হয়, তাহলে ঐ মহিলা তার উপরের ফ্লোরে যেতে পারবেন, কিন্তু যে ফ্লোর তিনি ইতিমধ্যে অতিক্রম করে চলে গেছেন সেখান থেকে আর স্বামী নির্বাচন করতে পারবেন না। অর্থাৎ উপরের ফ্লোরের স্বামী পছন্দ না হলে পুনরায় নিচের ফ্লোরে এসে স্বামী পছন্দ করা যাবে না।

এক মহিলা নিজের জন্য স্বামী পছন্দ করতে গিয়ে দেখলেন...

১ম ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরীজীবী ও তারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী।

মহিলাটি তারপর দ্বিতীয় ফ্লোরে গেলেন...

২য় ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী ও শিশু প্রেমিক।

মহিলাটি ধীরে ধীরে ৩য় ফ্লোরের দিকে অগ্রসর হলেন...

৩য় ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক ও খুব রুপবান।

মহিলাটি আরেকটু ভালো স্বামী নির্বাচনের আশায় ৪র্থ ফ্লোরে গেলেন...

সেখানে লেখা রয়েছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান এবং তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী।

যতই উপরের দিকে যাচ্ছেন গুণধর স্বামীদের সন্ধান মিলছে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে মহিলা ৫ম ফ্লোরের দিকে পা বাড়ালেন...

সেখানে লেখা রয়ছে-

এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান, তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী আর তারা খুব রোমান্টিক ভাবনার পুরুষ।

এখানেই মহিলাটির শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তবু তিনি ৬নং ফ্লোরে গেলেন আরো গুণধর স্বামীর সন্ধানের আশায়।

সেখানে লেখা রয়েছে- দুঃখিত এখানে কোনো স্বামী পাওয়া যায় না। এখানে নির্বাচন করার মতো কোনো পুরুষ নেই। এই ফ্লোরটা আমাদের শো-রুমের কোনো অঙ্গ নয়। এই ফ্লোরটা রাখা হয়েছে শুধু এটা প্রমাণ করার জন্য যে মেয়েদের সন্তুষ্ট করাটা কতো বড় একটা অসম্ভব ব্যাপার সেটা প্রমাণ করার জন্য!

মনে রাখবেন,,,

জীবনের চাহিদাকে যতো সীমিত রাখবেন....

জীবন ততোই শান্তিময় হবে....❤️❤️ লেখাটা কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। নিয়মিত এরকম পোস্ট পেতে আমার এই পেজে একটা ফলো দিয়ে রাখুন।

#সংগৃহীত,,,,

09/07/2025

একজন পুরুষ যখন সারাদিনের ধকল সামলে ঘরে ফেরে, তার মনে শুধু একটাই ইচ্ছা কাজ করে একটুখানি শান্তি।
রাস্তা, অফিস, এবং মানুষের নানা রকম চাপ সব মিলিয়ে তার মন ক্লান্ত। তার পর, ঘরটিই একমাত্র স্থান যা তাকে শান্তি এবং প্রশান্তি দিতে পারে। সেখানে তার বিশ্রাম, সহানুভূতি এবং পরিবারের স্নেহের প্রয়োজন।

একটা মেয়ে সারাদিন ঘরের কাজ করে, সন্তান সামলায়, রান্না-বান্না করে তার শরীর-মন সবই নিংড়ে দেয় পরিবারের জন্য। এই শ্রমের মূল্য কেউ না বুঝলেও, একসময় যখন একজন স্ত্রী এই বাস্তবতা বুঝতে পারে তাহলে তার সংসার হতে পারে আরও সুখী।

যখন স্বামী বাড়িতে ফিরে আসে, প্রথম এক ঘণ্টা তাকে দিন
এটা শুধুই তার জন্য হওয়া উচিত, কোনো অভিযোগ নয়, কোনো তাগাদা নয়, শুধু ভালোবাসা আর আন্তরিকতা। তাকে গ্লাস পানি বা শরবত দিন, আর জিজ্ঞেস করুন, “কেমন কাটল দিনটা?” তার ক্লান্ত মুখে একটু হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন। এই সময়ে তাকে বলা উচিত নয় প্লেট ভেঙে গেছে, বাজার শেষ, বা আজ কেন ফোন দিলেন না!

ধরা যাক, আপনার সন্তান কাঁদছে, আপনি নিজেও ক্লান্ত, কিন্তু সেই প্রথম এক ঘণ্টায় শুধুমাত্র তার অনুভূতিকে মূল্য দিন। তার জন্য হয়ে উঠুন শান্তির ঠিকানা। আপনার ভালোবাসা, যত্ন, এবং সম্মান তাকে মনে করিয়ে দিক যে, সে তার নিজের ঘরে ফিরেছে।

পুরুষরা অনেক সময় আবেগপ্রবণ হলেও সেটা প্রকাশ করতে জানে না। আপনি যদি তার মন বুঝে নিতে পারেন, তাহলে একসময় সে নিজেই আপনাকে সব বলবে কী হয়েছিল অফিসে, কেন ফোন দেয়নি, বা কেন মন খারাপ ছিল। সে তার মনের কথা আপনাকে বিশ্বাস করে বলবে, তখন আপনি চাইলেও হয়তো তার উপর রাগ করতে পারবেন না।

বলা হয়, সংসার নারীর কাছে নির্ভর করে। পুরুষ টাকা এনে দেয়, কিন্তু ভালোবাসার বাতাসে ভরিয়ে দিতে পারে একজন নারীই। আপনি যদি ইগো সরিয়ে রেখে, তাকে জায়গা দেন তাহলে হয়তো রাতের খাবার শেষে সে বলবে, “আজ চা আমি বানিয়ে দিই তোমাকে।” এই ছোট্ট ভালোবাসাময় মুহূর্তের জন্যই তো জীবন, এই ভালোবাসার ছায়াটুকুর জন্যই তো এত আয়োজন।

এক ঘণ্টার এই নিরব, ভালোবাসাময় প্রস্তুতির জন্য আপনি কিছু হারাবেন না।
বরং, পুরো দিনের বাকি সময়টা আপনারই হয়ে উঠবে। আবদার, হাসি, এমনকি যদি ঝগড়াও হয় তাও ভালোবাসার কাঠামোতেই হবে।

সব দাম্পত্যেই চাপ থাকে, ক্লান্তি থাকে, কিন্তু সেটা দূর হতে পারে একজন স্ত্রীর ছোট্ট কিন্তু শক্তিশালী চেষ্টায়। ভালোবাসার ঘর গড়ে তোলা কঠিন নয়, প্রয়োজন শুধু একে অপরকে বোঝার মানসিকতা।

ভালো থাকুক সব দম্পতি। ভালোবাসা থাকুক সবার সংসারে।

দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে স্বাস্থ্যকর যোগাযোগের গুরুত্ব:

যতটুকু সম্ভব, সম্পর্কের মধ্যে স্বাস্থ্যকর যোগাযোগ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কথোপকথন, অনুভূতিকে সম্মান জানানো, এবং একে অপরকে সঙ্গ দেয়াটা সম্পর্কের প্রতি একধরনের ভালোবাসার প্রতীক।

একে অপরের জন্য সময় বের করা:

আজকালকার ব্যস্ত জীবনে, একসাথে সময় কাটানো অনেক দম্পতির জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে মনে রাখবেন, সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সপ্তাহে বা দিনে কিছু নির্দিষ্ট সময় একসাথে কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট মুহূর্তগুলোতেই প্রেম ও বোঝাপড়ার গতি বাড়ানো সম্ভব।

দাম্পত্য সম্পর্কের শান্তি বজায় রাখার অভ্যাস:

শ্রদ্ধা ও সম্মান: একে অপরকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করে।

আপস করার মানসিকতা: সবসময় একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে চেষ্টা করুন এবং কোনো বিরোধ হলে আপস করার প্রস্তুতি নিন।

আন্তরিক সমর্থন: একে অপরকে নিজের জীবনের সব ক্ষেত্রে সমর্থন দিন, বিশেষ করে কঠিন সময়ে।

এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও সুন্দর করে তোলে।

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।স...
22/06/2025

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করতো।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারতো।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারালো?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

শিক্ষাঃ
অতিরিক্ত ম্যানেজমেন্ট, অপ্রয়োজনীয় মিটিং ও কাগজপত্র আসল কর্মদক্ষতা নষ্ট করে। যারা কাজ করে, তাদের গুরুত্ব না দিলে প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবশেষে বলির পাঁঠা হয় সেই নিষ্ঠাবান কর্মী, যে একসময় অফিসের আসল চালিকাশক্তি ছিল।

Address

Mymensingh
Dhaka

Telephone

+8801676714337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pranto Pondit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share