একটি সিম্বলিক গাছ..
Md Piru Molla
Read by the Name of Allah "Md Piru Molla " পেজ এর পক্ষ থেকে সবাকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আসসালামু আলাইকুম, ঈদতো শেষ হলো,আপনাদের পড়াশোনায় ফিরেছেন কি?
আশা করা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়িই হয়তো নিবন্ধন এর সার্কুলার চলে আসবে।অনেকেই নিবন্ধনের জন্য পরামর্শ চেয়েছেন যে কীভাবে কী করবেন?
সাবজেক্টিভ এর জন্য প্রথমেই আপনার বিষয় এর ইন্টারের বইটা শেষ করেন,সেখান থেকে বেসিক টা আয়ত্ত্বে নিয়ে আসেন।তারপর চাইলে বাজার থেকে যে কোন প্রকাশনীর একটা বই নিতে পারেন বা ৪৯ স্পেশাল বিসিএস এর সাবজেক্টিভের জন্য বের হয়েছিলো।আশাকরি ভালো একটা ফলাফল পাবেন।
এবার জেনারেল এর বিষয় এ বলি..বাজারের যে কোন প্রকাশনীর বাংলা, গনিত,ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান বই গুলোর এমসিকিউ গুলো তামাতামা করে রাখেন,ইন শা আল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন।
চাইলে আমাদের জেনারেল এর জন্য লেকচার বুক ৪ টাও নিতে পারেন,সঠিকভাবে ১৪০০০ + এমসিকিউ পড়ে শেষ করতে পারলে ইনশাআল্লাহ প্রস্তুতি শতভাগ গুছিয়ে নিতে পারবেন।
( আমাদের নিবন্ধন ও জেনারেল এর কোর্স চলমান আছে, ভর্তি হয়ে গাইড লাইন এ চলে আসতে পারেন)
চাকুরি প্রাপ্তির পথে আপনার বাঁধা কী?
"জবানের পবিত্রতা আরশের দূরত্ব্বের ব্যস্তানুপাতিক "
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটা হাদিস কয়েকদিন ধরে বারবার স্মৃতিতে বেজে চলেছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বললেন তোমরা আমাকে দুইটা জিনিস হেফাজতের নিশ্চয়তা দাও আমি তোমাদের জান্নাতের নিশ্চয়তা দিব। তার একটি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী নরম বস্তু আরেকটি দু পায়ের মধ্যবর্তী। চোয়ালের মধ্যে থাকা এই নরম বস্তুটা নিয়ন্ত্রণ করা এতটা কঠিন কেন? যার জন্য রাসুলুল্লাহ জান্নাতের গ্যারান্টি দিয়ে দিলেন?
সোস্যাল মিডিয়ায় একটু এক্টিভ হয়ে তা বারবার উপলব্ধি করছি। কত সহজে মানুষ যাকে চিনে না, জানে না,নিজের স্বার্থ্যের কোন ক্ষতিও হয়নি তারপরও শুধুমাত্র মতের অমিলের জন্য এমন সব বিশ্রি কমেন্ট করে দিবে যা দেখে এর সাথে অনভ্যস্ত মানুষগুলোর দৃষ্টি শুধু আকাশের দিকেই যাবে।
নিজের মতের সাথে না মিললেই হোক ধর্মীয়,হোক সাধারণ নির্ভেজাল কোন বিষয়, বিশ্রী কমেন্টের জোয়ার বয়ে যাবে। ভাই, আপনার একটা কমেন্টে এই দেশে বিপ্লব হয়ে যাবে না।কিন্তু জবানের যে ক্ষতিটা করে ফেললেন তা আসলে অপূরণীয়। একটা ঘটনা বলি। আমার এক ছাত্র কোন এক পীরের ভক্ত। মাঝে মাঝেই দেখি সে ভিন্নমতের বক্তাদের আ/ক্র/মণ করে কথা বলে। একদিন দেখা হলে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম আচ্ছা আমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দাও আমি যদি ইবলিসকে বলি, ইবলিস তুই একটা ** এর পোলা।আচ্ছা ইবলিশকে গালি দিলাম ইবলিশ কি রাগ করবে?বরং তাকে গালি দেওয়ার জন্যই সে খুশি হবে।
কারণ তার একমাত্র চাওয়াই হল আমার জবানের পবিত্রতা নষ্ট করা। আর যার জবানের পবিত্রতা যত কম আরশ থেকে তার দূরত্ব তত বেশি। অর্থাৎ প্রয়োজনে চরম বিপদের সময় আরশের কোন সাহায্যের দরকার হলে আরশ থেকে সাহায্য পাবেন না।
তাই ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে ভিন্ন মতের বক্তাকে গা/লা/গালি করে আর যাইহোক আরশের মালিককে খুশি করতে পারবা না। কাউকে এমন আঘাত দিয়ে কথা বললেন যাতে তার হৃদয়ে ক্ষতের তৈরি হল।আচ্ছা আপনি যে অন্যের হৃদয়ের ক্ষত করা মি/সা/ইল দুই চোয়ালের মধ্যকার নরম বস্তু দিয়ে ছুঁড়লেন সেই নরম বস্তু দিয়েই যখন আসমান ওয়ালার কাছে কিছু চাইবেন কবুল হবে?কী মনে হয়?
আর দোষ দিবেন আল্লাহকে। বলবেন কই এত ডাকাডাকি করলাম সাড়া তো দিল না। অথচ"তিনি বলেছেন তোমরা আমাকে ডাক আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব।"আপনার কি মনে হয়? ওয়াদা রক্ষায় কে সর্বশ্রেষ্ঠ?
শেষ পর্যন্ত পড়েছেন কি??
পিক ফর এটেনশন।
বি.দ্র.ছবিটি আমাদের গ্রামের অসাধারণ দৃশ্যের একটি
পৃথিবীতে অসাধারণ কিছু করার একটা গোপন টেকনিক বলি কাজে লাগাতে পারলে নিশ্চিত বিজয়ী হবেন ইন শা আল্লাহ। আর তা হলো পিতামাতার প্রতি এমন সদয় হওয়া,নিজের সীমার বাইরে গিয়েও এমন কিছু করার চেষ্টা করা যাতে পিতা মাতা একটু বেশিই খুশি হয়ে যান।
আর পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি। অর্থাৎ আপনার সাথে আপনার পিতার সন্তুষ্টি আছে মানে স্বয়ং আল্লাহর সন্তুষ্টি আপনার সাথে আছে। আর আল্লাহর সন্তুষ্টি যেখানে সেখানে পরাজয় থাকতে পারে না। মনে রাখতে হবে সব পিতামাতাই সন্তানের জন্য দোয়া করেন।তাই আপনার আমার লাগবে বিশেষ বা স্পেশাল কিছু দোয়া। তাই কিছু বিশেষ অনুভুতির দোয়া কেবল বিশেষ মুহুর্তে অসাধারণ কিছুর করার কারণেই আসে।
বড় সার্কুলার গুলোর মধ্যে পদসংখ্যার বিচারে
১।নিবন্ধন
২।প্রাইমারী
৩।বিসিএস
এককভাবে পদসংখ্যার বিচারে উপরের তিনটি সার্কুলার সম্পর্কে সবারই মোটামুটি একটা ধারণা থাকে।যে বিষয়ে তুলনামূলক কম ধারণা থাকে সেটা হলো ১৪-২০ গ্রেডের সার্কুলারগুলো সম্পর্কে। সার্কুলারে পদসংখ্যা কম থাকে।অথচ সব সার্কুলারের পদসংখ্যা যোগ করলে তা NTRCA পদসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়।পদ কম কিন্তু প্রচুর সার্কুলার হয়,দ্রুত এবং নিয়মিত পরীক্ষাও হয়।
তাই জব প্রত্যাশীদের যারা দ্রুত একটা কিছুর মধ্যে ঢুকতে চান তারা এইদিকেও একটু ফোকাস রাখতে পারেন।অথবা যাদের টার্গেটই ১৪-২০ তারা একটু সিরিয়াস হলে এখান থেকে দ্রুত ভালো ফলাফল বের করে আনা সম্ভব ইন শা আল্লাহ।
নিচের দেওয়া কয়েকটা বই ফলো করতে পারেন।
১।১৪-২০ গ্রেডের লিখিত একটা বই।
২।পিএসসির রিটেন এক্সাম বই এর শর্ট প্রশ্নগুলো।
৩।এস আই নিয়োগ গাইড বইটার শর্ট প্রশ্নগুলো।
৪।এমসিকিউ অংশের জন্য সাফল্য একাডেমির লেকচার বুক চারটা।(কমন উপযোগী+আলোচনা পড়তে পারলে এবং তা মনে রাখতে পারলে রিটেনের জন্যেও)
৫।এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। কারণ এখানে আছে চাকুরি পাওয়ার চাবিকাঠি। আর তা হলো অংক।এই পরীক্ষাগুলোর রিটেনে প্রায়ই ২০/২৫/৩০ মার্কের অংক থাকে।যা থেকে কেউ যদি ফুল মার্ক তুলতে পারে তাহলে জব প্রাপ্তির জন্য প্রায় ৬০% এগিয়ে যায়।আর এই ফুল মার্ক পাওয়ার ফর্মুলা হলো ক্লাস-৭,৮ এবং ক্লাস-৯ এর বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো উদাহরণ সহ করে ফেলা।
পুরো পরিকল্পনা সাজাতে এবং বাস্তবায়ন করতে ৬ মাস থেকে ১ বছরের একটা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ধারাবাহিক চেষ্টা করে যেতে পারলে ইন শা আল্লাহ দ্রুত ভালো কিছু করা সম্ভব।
এছাড়া যদি এই বই,ঐ বই কালেকশন করা কঠিন মনে হয় তাহলে রেডিমেট প্যাকেজ হিসেবে সাফল্য একাডেমির ১৪-২০ গ্রেডের প্রস্তুতি ব্যাচে আসতে পারেন।
বি.দ্র.সমাজসেবা অধিদপ্তরের বড় একটা সার্কুলার ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে।যারা এই জবটাকে মুল ফোকাসে রেখে প্রস্তুতি নিতে চান তারা এই ব্যাচে আসলে আশা করি উপকৃত হবেন ইন শা আল্লাহ।
30/05/2026
সুন্দর না?জায়গাটির নাম কেউ জানেন?
30/05/2026
চাকুরির প্রস্তুতি নিয়ে পোস্ট করার কারণে মাঝে মাঝে তীর্যক কমেন্ট আসে।চাকুরি হলো দাসত্ব। তাই চাকুরি বাদ দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করতে বলে আমাকে জ্ঞান দেন।প্রশ্ন হলো উদ্যোক্তারা কি নিজেই সব কাজ করেন নাকি সেখানেও কেউ না কেউ চাকুরি করেন? তাহলে সেখানেওতো দাসত্বের প্রশ্ন আসবে।
যাইহোক উদ্যোক্তা হতে যারা পরামর্শ দেন তাদের জন্য এই ছবিটা।তারা জেনে খুশী হবেন এখানে আমি(কনসাল্ট্যান্ট)সহ মোট ১৯ জন লোক কাজ করি। যাদের একাংশের সাথে এখানে ঈদের ছুটি উপলক্ষ্যে ছুটির পূর্বে একটা গেদারিং এ আমি নিজে।
30/05/2026
হলিউডের বিখ্যাত এ্যাকশান সুপার স্টার জেট লি কেন হঠাৎ রুপালী পর্দা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
এটা এমন এক চমকপ্রদ কাহিনী যা তার জীবনটাকে পুরোপুরি পালটে দেয়।
২০০৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর, জেট লি ছুটি কাটাতে খুব গভীর রাতে মালদ্বীপের ফোর সিজনস হোটেলে পৌঁছান। সাথে স্ত্রী আর ছোট দুটো কন্যা। অদ্ভুত সুন্দর, নির্জন এক শান্তিপূর্ণ দ্বীপ। অবকাশ যাপনের জন্য উৎকৃষ্ট।
সমুদ্রের তীর ধরে তারা হাঁটছেন আর ছুটো দুটি মেয়ে মনের আনন্দে দৌড়াচ্ছে।
কিন্তু কয়েক পলকের মাঝে কিছু বুঝে ওঠার আগে দেখা গেলো- তীব্র গতিতে ছুটে আসছে পানির জোয়ার। সমূদ্রের গভীর তলদেশে তৈরি হয়েছে সুনামি। এটা সিনেমার কোনো সাজানো দৃশ্য না। একেবারে জীবন্ত কাহিনী। এটা ঘটছে তাদের চোখের সামনে।
জেট লি তখন তার চার বছরের মেয়ে জেনেকে তুলে নেন। আর তাদের সাথে থাকা ন্যানি দু বছরের জাডাকে কোলে নিয়ে দৌড়াতে থাকে। পানি তখন তাদের হাঁটু থেকে কোমড় স্পর্শ করে ফেলেছে। হোটেলের দিকে আরেক পা ফেলতে না ফেলতেই পানি তাদের বুক পর্যন্ত ওঠে। কয়েক সেকেণ্ড দেরী হলে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যাবে জেট লি'র পরিবার।
জেট লি এবার তার মেয়ে জেনেকে কাঁধে তুলে নেন এবং অন্য হাতে স্ত্রীকে ধরে সর্বোচ্চ সংগ্রাম করছেন- হোটেলে পৌঁছাতে। তিনি এবার পেছন ফিরে দেখেন অনেক মানুষ পানির তোড়ে ভেসে গেছে। সমূদ্রের পানিতে সব কিছু একাকার হয়ে গেছে। তিনি আরো অবাক হয়ে দেখেন- তাদের ন্যানি আর দু বছরের মেয়ে জাডা আর তাদের সাথে নেই। তার স্ত্রী উন্মাদের মতো কাঁদতে শুরু করেছে।
জেট লি দেখেন কিছুদূরে পানির স্রোতের মাঝে পড়ে জীবন বিপন্ন ন্যানি আর দুবছরের কন্যা জাডা। জেট লি ভাবছেন- তিনি এখন কাকে উদ্ধার করবেন। স্ত্রীর হাত ছেড়ে দিবেন, কাঁধে রাখা মেয়েকে স্ত্রীর হাতে সঁপে দিবেন। নাকি ন্যানি আর কন্যাকে উদ্ধার করতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
জীবনে অর্জিত এতো ধন সম্পদ যা কিনা মুহুর্তের ইচ্ছায় তাকে মালদ্বীপে অবকাশ যাপনে পৌঁছে দিয়েছে। সেই ধন সম্পদ এখন তার কোনো কাজে আসছেনা তার অসহায় ছোট মেয়ের জীবন বাঁচাতে।
জেট লি উন্মাদের মতো সাহায্যের আশায় চীৎকার করা শুরু করেন এবং দেখেন এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। দুজন জেলে ন্যানি আর তার শিশু কন্যাকে উদ্ধার করে তাদের দিকে ছুটে আসছে।
তিনি বুঝতে পারলেন- জীবন আর মৃত্যুর ফারাক ন্যানো সেকেণ্ডেরও কম।
তারা হোটেলে ফিরেন। ঘন্টা খানেক আগে যে শহর ছিলো পূর্ণ বিভায় আলোকিত শহর। তা হয়ে গেছে এক ভুতুড়ে নগর।
নিষ্প্রাণ হোটেলের বিছানায় দু মেয়েকে বুকের সাথ জড়িয়ে জেট লি ভাবছেন- ঈশ্বর তাকে নতুনভাবে যে জীবন দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এর পেছনে কোনো এক অর্থ আছে। তিনি ভাবছেন- সমূদ্র থেকে তো বাঁচলাম। কিন্তু মাটির গর্তে চলে যাওয়ার আগে এই জীবনটাকে অর্থবহ করে তোলার জন্য কি কিছু করে যেতে পারলাম।
জেটলি বলেন- জীবনের ৪১ টি বছর শুধু নিজেকে জেট লি বানাতেই কাটিয়েছি। প্রমাণ করতে চেয়েছি- আমি কত বড় তারকা। আমি বিশেষ কিছু। কিন্তুু আজ বুঝতে পারছি- যে জেলে আমার কন্যার জীবন বাঁচিয়ে দিলো- তারাই মানবতার সবচেয়ে বড় হিরো। তারাই সত্যিকারের তারকা। এই ভাবনাই পাল্টে যায় আমার জীবন।
সিদ্ধান্ত নিলাম- অবসর নেওয়ার জন্য আর অপেক্ষা করা যাবেনা। শুরু করে দিতে হবে মানুষের জীবন বদলের কাজ। ছবির জগৎ থেকে বিদায় নিয়ে ২০০৭ সালে শুরু করলাম"ওয়ান ফাউন্ডেশন" নামক চ্যারিটি সংগঠন। ছবির জন্য খুব সামান্য কাজ করবো। কিন্তু মূল প্রায়োরিটি হবে আমার চ্যারিটি। আমি এই বিশ্বাস ছড়িয়ে দিতে চাই - প্রতিটি মানব প্রজাতিরও একটি দায়িত্ব রয়েছে। এটা শুধুমাত্র তখন নয়, যখন আপনি শুধুমাত্র মিলিয়ন ডলার উপার্জন করবেন। এটি শুরু করা যায় যে কোনো মুহুর্ত থেকে। এ
আমি দ্বিতীয় অপশনটাই বেছে নিলাম।
সেদিন থেকেই সংকল্প করেছি আমার বাকি জীবনটা মানুষের কল্যাণে ব্যয় হবে। আমার এই মানব জীবন তখনই তাৎপর্যময় হবে, যখন আমার কারণে পৃথিবীর কোনো না কোনো বিপন্ন গৃহে অন্তত একটু হাসি ফুটে ওঠবে।
-Copy Post
পিক ফর এটেনশন
আমি যদি কবি হতাম তাহলে কবিতার ভাষায় লিখতাম।আমি যদি গায়ক হতাম তাহলে গানের সুরে বলতাম।আমি যদি চিকিৎসা বিজ্ঞানী হতাম তাহলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলতাম।আমি যদি সম্পদশালী হতাম তাহলে সম্পদের ভাষায় বলতাম।আমি জ্ঞানী হতাম তাহলে আমার জ্ঞান দিয়ে বলতাম।যে ভোরে ঘুম থেকে উঠে যদি জ্ঞান চর্চা করেন তবে জ্ঞানী হবেন,যদি সম্পদ চর্চা করেন তবে সম্পদশালী হবেন আর যদি স্বাস্থ্য চর্চা করেন তাহলে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন।
এই সময়ের গুরুত্ব বোঝার জন্য আপনার এই পাখি ডাকা ভোরে উঠতে হবে।এই হাওয়া যার গায়ে লাগে কেবল সেই বুঝে এই হাওয়া কী?
এই অনুভুতিকে ভাষায় রুপ দিবে এমন কোন কবি নেই,গানে রুপ দিবে এমন কোন গায়ক নেই,বিজ্ঞান দিয়ে বুঝাবে এমন কোন বিজ্ঞানী নেই।
আসলে কিছু কিছু অনুভুতি প্রকাশ অযোগ্য কেবল তা অনুভব যোগ্য।
শুভ সকাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Address
সিভিল অডিট ডিরেক্টরেট, অডিট কমপ্লেক্স, সেগুনবাগিচা
Dhaka
1216
