08/05/2026
প্রতিবেশী চাচা কর্তৃক কিশোরী ধর্ষণ; আসামিকে গ্রেফতার করলো পিবিআই, খুলনা
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন চিংড়া সাকিনস্থ বিশ্বজিৎ সরকার এবং একই গ্রামের পঞ্চানন সরকারের পুত্র আকাশ সরকার (২৭) পরস্পর প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে ভাই। আকাশ সরকার দীর্ঘদিন যাবত বিশ্বজিৎ সরকারের মেয়ে প্রিয়াংকা সরকার (ছদ্মনাম) (১৩)-কে অশ্লীল অঙ্গ ভঙ্গিসহ কুপ্রস্তাব দিত। গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী ইতিকা সরকার বাড়িতে না থাকার সুযোগে আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারের বসত ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করার জন্য ঝাপটে ধরে খাটের উপর ফেলে দেয়। ভিকটিম তখন আকাশ সরকারের নিকট হতে বাঁচার জন্য চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে আকাশ সরকার ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আকাশ সরকার চলে যাবার সময় বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে হুমকি দিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিশ্বজিৎ সরকার এবং তার স্ত্রী দুপুরের পর বাড়িতে আসলে ভিকটিম প্রিয়াংকা তাদেরকে বিস্তারিত ঘটনা বলে। ভিকটিমের পরিবার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি তাৎক্ষনিক কাউকে জানাননি। এ অবস্থায় গত ২০/০৪/২০২৬ ইং সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ইতিকা সরকার এবং তার স্বামী তাদের শিশুপুত্রকে নিয়ে পাসপোর্ট করার উদ্দেশ্যে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গেলে সেই সুযোগে ঐ দিন ১৫.৫০ ঘটিকায় আকাশ সরকার পুনরায় ভিকটিম প্রিয়াংকার ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে জড়িয়ে ধরে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বরাবর আসামি আকাশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ইতিকা সরকারের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, খুলনা বিষয়টি ছায়া তদন্তের জন্য এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের বিষয়ে ছায়া তদন্তকালে আসামি আকাশ সরকার ভিকটিম প্রিয়াংকা সরকারকে গত ১৫/০৩/২০২৬ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় ধর্ষণ করেছে মর্মে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ইতিকা সরকার এই ঘটনায় আসামি আকাশ সরকারের রিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার মামলা নং-৭, তারিখ: ০৮/০৫/২০২৬ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধীত-২০০৩) এর ৯(১) দায়ের করেন।
মামলাটি পিবিআই এর শিডিউলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই, খুলনা স্ব-উদ্যোগে মামলাটি গ্রহণ করে এবং তদন্তভার এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলার উপর অর্পণ করা হয়। পরবর্তীতে পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই খুলনা জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম-সেবা এর নেতৃত্ত্বে পুঃ পরিঃ (নিঃ) মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বিশ্বাস এবং এসআই (নিঃ) গুলশান আরা শীলা ডুমুরিয়া থানা এলাকা থেকে আসামির বসতবাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়।
০৮/০৫/২০২৬ ইং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে।
08/05/2026
কুমিল্লায় রোড ডাকাতির ঘটনায় পিবিআই কর্তৃক ডাকাত গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার
গত ২৩/০৩/২০২৬ ইং মামলার বাদী যমুনা ও সেনা এলপি গ্যাসের স্থানীয় ডিলার মোঃ জহরুল হক হাওলাদার তার ব্যাক্তিগত প্রাইভেটকার যোগে ঢাকা থেকে লালমাই যাওয়ার পথে রাত অনুমান ৩:০০ ঘটিকা নাগাদ লালমাই থানাধীন কেশনপাড়া জ্যাতব্বল বৌদ্ধবিহার এর পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন ডাকাত মহাসড়কে গাছ ফেলে তাদের প্রাইভেট কারটি জোরপূর্বক থামাতে বাধ্য করে। পরে ডাকাতদলের সদস্যরা তাদের সাথে থাকা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে প্রাইভেট কারের গ্লাস ভেঙ্গে ব্যবসায়ী জহুরুল হক ও তার সাথে থাকা ড্রাইভার সাইফুল ইসলামদের জিম্মি করে তাদের সাথে থাকা নগদ ৯,২৫,০০০/- (নয় লক্ষ পঁচিশ হাজার) টাকা ও চারটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ব্যবসায়ী জহুরুল হক হাওলাদার লালমাই থানায় একটি ডাকাতি মামলা রুজু করেন (লালমাই থানার মামলা নং-০৬, তারিখঃ ১৩/০৩/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭, পেনাল কোড)।
থানা পুলিশের তদন্তকালে মামলার তদন্তে উল্লেখ্যযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় মামলার বাদী গত ২৯/০৩/২৬ খ্রিঃ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করে পিবিতাই দ্বারা তদন্ত করার আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদীর
আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি তদন্ত কারার জন্য
পিবিআই কুমিল্লা জেলাকে নির্দেশ প্রদান করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক পিবিআই, কুমিল্লা জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন কারে। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ০৬/০৫/২৬ খ্রিঃ ২০:১০ ঘটিকার সময় কুমিল্লার কোতয়ালী থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট নিশ্চিন্তপুর এলাকা হতে ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত আসামী মোঃ একরাম হোসেন (৩২), পিতা-মোঃ গিয়াসউদ্দিন, সাং- ভূইশ্বর মধ্যপাড়া, থানা- সরাইল, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়িয়া ও মোঃ শাহাজান মিয়া, পিতা- মৃত রব্বান মিয়া, সাং- বাঁশচর, থানা-নবীগঞ্জ,জেলা- হবিগঞ্জদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয় এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকা জব্দ করা হয়। ধৃত আসামী ইকরাম হোসেন নিজেকে জড়িত করে ঘটনার সাথে জড়িত অপরাপর ডাকাতদলের সদস্যদের নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
জড়িত ডাকাতদলের অপরাপর সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
07/05/2026
দুবাই থেকে আলোচিত হত্যা মামলার আসামী ধরে আনলো পিবিআই নরসিংদী
নরসিংদীর শিবপুরের উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশিদ খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আসামীকে ইন্টারপোলের রেড এলার্টের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করে এবং গ্রেফতারের বিষয়টি দুবাই পুলিশ বাংলাদেশে বার্তা প্রেরণ করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ পুলিশের একটি টিম দুবাই গিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে এবং উক্ত আসামী-আরিফ সরকার(৪০), পিতা-মৃত হাফিজ উদ্দিন সরকার, গ্রাম-পুটিয়া কামারগাঁও, থানা-শিবপুর, জেলা-নরসিংদীকে গত ০৬/০৫/২০২৬ খ্রি. বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ভিকটিম বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশিদ খাঁ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামীদের পরিকল্পনায় গত-২৫/০২/২০২৩ খ্রিঃ সকাল ০৬:১৩ টার সময় ভিকটিমের নিজ বাসায় পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর জখম করা হয়।ভিকটিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১/০৫/২০২৩ খ্রিঃ মৃত্যুবরণ করে। উক্ত ঘটনায় গত ২৭/০২/২০২৩ খ্রিঃ ভিকটিমের ছেলে আমানুর রশিদ খান বাদী হয়ে আসামী আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে শিবপুর মডেল থানার মামলা নং-১৭, তারিখ-২৭/০২/২০২৩ খ্রিঃ, ধারা-৩২৬/৩০৭/১১৪/১০৯/৩৪ সংযুক্ত ৩০২ পেনাল কোড দায়ের করেন। প্রথমে থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়াটার্সের নির্দেশে গত ২৩/০৬/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ পিবিআই নরসিংদী জেলা কর্তৃক মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
পিবিআই এর তদন্তকালে ইতিপূর্বে ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামী মহসীনকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দুবাই থেকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হলে উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামী আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামীদের ঘটনায় জড়িত থাকা ও পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন তথ্য প্রদান করে। আরিফ সরকার ঘটনায় জড়িত থাকার সু-স্পষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় পিবিআই নরসিংদী জেলা আসামী আরিফ সরকারের বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য The Assistant Inspector General (NCB), Bangladesh Police, Police Headquarter, Dhaka বরাবরে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে আসামী আরিফ সরকার দুবাইতে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালত থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যূ করা হয় এবং তাকে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত আনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা হয়। অতঃপর মামলা তদন্ত শেষে পিবিআই নরসিংদী জেলা গত ২৪/১১/২০২৫ খ্রিঃ আসামী আরিফ সরকার সহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
পরবর্তীতে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ আসামী আরিফ সরকারকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশকে অবহিত করলে পিবিআই এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টিম আসামী আরিফ সরকারকে দুবাই থেকে ০৬/০৫/২০২৬ খ্রিঃ বাংলাদেশে নিয়ে আসে। আসামী আরিফ সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা শিবপুর থানায় মুলতরি থাকায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হযরত শাহজালাল(রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে শিবপুর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। শিবপুর থানা পুলিশ গত ০৬/০৫/২০২৬ খ্রিঃ আসামী আরিফ সরকারকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
03/05/2026
বাসায় লিভ টুগেদারের সুযোগ দিয়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে হত্যা, ১৫ দিনের মধ্যে পিবিআই ময়মনসিংহ কর্তৃক রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও ভিকটিমের মোবাইল উদ্ধার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী
গত ২৮/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখে ময়মনসিংহের কোতয়ালী থানাধীন এলাকায় নিজ বাড়িতে হত্যাকান্ডের শিকার হন নূরজাহান (৬০)। নির্জন বাড়ি হওয়ায় ৩০/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখে বাড়ির রান্না ঘরের পাশে খড়ে ঢাকা অবস্থায় পরিবার কর্তৃক লাশ খুজে পাওয়া যায়। এই সংক্রান্তে ভিকটিমের মেয়ে নুরুন্নাহার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন । (মামলা নং-৯০, তারিখ-৩১/০১/২০২৬ খ্রি., ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড)
থানা পুলিশের তদন্তাধীন অবস্থায় পিবিআই ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। গত ১৬/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা মামলাটি স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে এসআই(নিঃ) অমিতাভ দাসকে তদন্তভার প্রদান করে।
গত ০২/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী মোঃ রনি মিয়া(২৬)কে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানার শম্ভুগঞ্জ এলাকায় তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে ভিকটিমের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে জানা যায়, আসামী রনি মিয়া পেশায় একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি এবং ভিকটিমকে সে "নানী" বলে সম্মোধন করতো। সে প্রায়ই ভিকটিম নূরজাহান এর বাড়িতে তার প্রেমিকা-কে নিয়ে সময় কাটাতে আসতো এবং এর বিনিময়ে ভিকটিম কে ঘরভাড়া দিতো। ঘটনার দিন নূরজাহান ধৃত আসামী রনি'র কাছে পূর্বের বকেয়া ৫০০ টাকা দাবী করে এবং বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করলে তিনি রনি'র এই অসামাজিক কার্যকলাপ এর তথ্য তার পরিবারকে অবগত করবেন মর্মে হুমকি দেয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে আসামী রনি রান্নার কাজে ব্যাবহৃত "পাটার শিল" দ্বারা নূরজাহান এর মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং মৃতদেহটি রান্নাঘরে খড় দিয়ে ঢেকে রেখে দেয়। আসামী রনি যাবার সময় ভিকটিমের এর বাটন মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।
আসামী রনি মিয়াকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
02/05/2026
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০ লাখ টাকার ডাকাতি: ৪ বছর পর রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ১, আদালতে স্বীকারোক্তি
২০২২ সালের ৯ এপ্রিল দিবাগত রাত তথা ১০ এপ্রিল ভোররাতে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল রূপগঞ্জ থানাধীন কাঞ্চন বাড়ৈই পাড়া এলাকায় ফারুক হাসানের বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায়। ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে। বাধা দিলে ফারুক হাসান, তার স্ত্রী, ভাই মাসুম ও চাচা গিয়াস উদ্দিন গুরুতর আহত হন; এ সময় মাসুম গুলিবিদ্ধ হন। একই রাতে খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়িতেও ডাকাতি সংঘটিত হয়। ঘটনায় সর্বমোট প্রায় ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুণ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ফারুক হাসান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মামলা নং-৩৮, তারিখ: ১০/০৪/২০২২ খ্রি., ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোডে দায়ের করেন।প্রাথমিকভাবে থানা পুলিশ প্রায় ১০ মাস তদন্ত পরিচালনা করে। পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে ০৬/০৩/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলায় হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ মফিজুর রহমান মামলাটির তদন্ত করছেন।
তদন্তকালে তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য হোসেন মিয়া (৩৫) উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত। তাকে অন্য একটি মামলায় হাজতি অবস্থায় “শোন অ্যারেস্ট” দেখিয়ে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয় এবং রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। তার দেওয়া গত তথ্যের ভিত্তিতে ৩০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় রূপগঞ্জ থানাধীন বরপা উত্তর পাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে ডাকাত দলের অপর সক্রিয় সদস্য মোঃ আজিজুল হক ভূইয়া ওরফে আজিজুল হককে গ্রেফতার করা হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন এবং বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
জবানবন্দিতে পর্যালোচনায় জানা যায় ২০২২ সালের ৯/১০ এপ্রিল রাতে তিনি সংঘবদ্ধ ১৫-২০ জনের একটি পেশাদার ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ পরিকল্পিতভাবে ফারুক হাসান, খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যান। এছাড়া, তিনি দলের অন্যান্য সদস্যদের অংশগ্রহণ, লুণ্ঠিত মালামাল ও হামলার কৌশল সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন।
উক্ত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।
02/05/2026
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভনে ৬০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, পিবিআই কর্তৃক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার; আদালতে স্বীকারোক্তি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র গত ০১/১১/২০২৫ খ্রিঃ হতে ০১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সামাল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সরাইল থানার মামলা নং-২২, তারিখ-১৫/০৩/২০২৬খ্রিঃ, ধারা- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২২ দায়ের করেন। পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ শাহাদাত হোসেন মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ০১/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ০৫:০০ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন ভাদুঘর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন এলাকা হতে প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য স্বপন কুমার রায় গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
পিবিআই এর তদন্তে এবং আসামীর জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, আসামি স্বপন নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার দিয়াবাড়ি বাজারে ‘উৎসব ফার্মেসী’ নামক দোকানের মালিক। তিনি প্রতারক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি তার পরিচিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কলেজ শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আতিকীসহ আরও কয়েকজনের নামে কৌশলে তিনটি বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং সিমগুলো নিজের হেফাজতে রেখে প্রতারণার অর্থ পেমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করেন। প্রাথমিকভাবে তিনটি মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বমোট ২৯,৩২,১৪১/- (ঊনত্রিশ লক্ষ বত্রিশ হাজার একশত একচল্লিশ) টাকা পেমেন্ট করে তার সহযোগী পলাতক আসামির মাধ্যমে নগদায়ন করে আত্মসাৎ করে।
ঘটনার সাথে জড়িত চক্রের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের গ্রেফতারে পিবিআই-এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।। মামলাটির তদন্ত অব্যহত আছে।
30/04/2026
সিরাজগঞ্জে অটোরিক্সা চালকের গলাকাটা লাশের রহস্য উন্মোচন,অটো রিক্সা উদ্ধার এবং আসামী গ্রেফতার
২৮/০৪/২৬ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ৮:০০ ঘটিকায় অফিসার ইনচার্জ রায়গঞ্জ থানার ফোন কল পেয়ে পিবিআই সিরাজগঞ্জ জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করেন । ছায়াতদন্তকালে জানা যায়, ২৯/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল ০৬.০০ ঘটিকার সময় রায়গঞ্জ থানাধীন সোনাখাড়া ইউনিয়নে খৈচালা বিলের দক্ষিন পার্শ্বে জনৈক আব্দুর রহমানের ধান ক্ষেতে সংলগ্ন কাঁচা রাস্তার উপরে ০১ টি গলা কাটা অজ্ঞাত মৃত দেহ পড়ে আছে। পিবিআই মৃতদেহের পরিচয় সনাক্ত করে। স্ত্রী মোছাঃ খাদিজা খাতুনসহ আত্মীয় স্বজনরা ঘটনাস্থলে হাজির হইয়া জানান যে মৃত ব্যক্তির নাম নাঈম উদ্দিন (৩৩), পিতা মৃত নজরুল ইসলাম, গ্রাম মালতি নগর, ইউনিয়ন ধুবিল, থানা সলঙ্গা, জেলা সিরাজগঞ্জ ২৮/০৪/২০২৬ তারিখ রাত্রি অনুমান ১৯.০০ ঘটিকার সময় জরুরী ভাড়া আছে বলে বাড়ি হতে বের হয়ে যায়। ভিকটিমের স্ত্রী মামলা দায়ের করে জানান যে, অজ্ঞাতনামা আসামী/আসামীরা তাহার স্বামীর ব্যবহৃত স্মার্ট ভিভো ওয়াই ২৯ মোবাইল ফোন যাহার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২,০০০/- (বাইশ হাজার) টাকা ও পুরাতন ব্যবহৃত অটোমিশু গাড়ী যাহার আনুমানিক বর্তমান বাজার মূল্য ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা কাড়িয়া নিয়া তাহার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা কোপাইয়া ও গলা জবাই করিয়া হত্যা করিয়া ঘটনাস্থলে মৃত দেহ ফেলে চলে যায়।
ছায়া তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের সনাক্ত করা হয়।ছায়া তদন্তকালে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী মোঃ শামীম(২৮),পিতা-মোঃ আনোয়ার হোসেন,সাং-জাহাঙ্গীরগাতি,থানা-তাড়াশ,জেলা-সিরাজগঞ্জকে তাড়াশ থানাধীন কৃষ্ণদীঘী বাজার এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকান্ডের সময় ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটি উদ্ধার করা হয় এবং ব্যাটারি বিক্রির ১২০০০/= টাকা উদ্ধার করে পিবিআই সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অফিসার ইনচার্জ রায়গঞ্জ থানার নিকট গ্রেফতারকৃত আসামী,উদ্ধারকৃত অটোরিক্সা ও ব্যাটারি বিক্রির ১২০০০/= টাকা হস্তান্তর করা হয়।ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মামলাটি পিবিআই এর শিডিউল ভুক্ত হওয়ায় পিবিআই স্ব-উদ্যেগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
28/04/2026
যশোরের বেনাপোলে অজ্ঞাতনামা আসামি কর্তৃক হত্যা মামলার রহস্য ২ দিনের মধ্যে উন্মোচন, গ্রেফতার-২, আলামত উদ্ধার
যশোর বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আচড়া গ্রামের ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল স্থল বন্দরের ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে সিকিউরিটি হিসাবে কাজ করতো। তার স্ত্রী তাসলীমা খাতুন তাকে ছেড়ে আনোয়ার হোসেনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিছুদিন পর তাসলীমা খাতুন উক্ত সংসার ছেড়ে পুনরায় ইউনুস আলীর নিকট ফিরে আসে । এই ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ইউনুস আলীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ধৃত আসামী তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে কাজের উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে রহমতপুর সাকিনস্থ অত্র মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামী রানা এর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ার হোসেন এবং তার সাথে থাকা রানা ইউনুস আলীকে মারপিট এবং শারীরিক নির্যাতনসহ শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মৃতদেহ অপর ধৃত আসামী সবুজের মোটর সাইকেল যোগে অত্র মামলার ঘটনাস্থল বেনাপোল পোর্ট থানাধীন চারা বটতলা নামক স্থানে ফেলে পালিয়ে যায় । উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিমের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানার মামলা নং—১৫, তারিখ—২৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা—৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন।
মামলাটি পিবিআই এর সিডিউলভূক্ত হওয়ায় পিবিআই যশোর জেলা স্বউদ্যোগে মামলাটি গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) রতন মিয়া এর উপর অর্পণ করে।
তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী মোঃ তরিকুল ইসলামকে গত ২৭/০৪/২০২৬ তারিখ গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী মামলার ঘটনায় জড়িত অপর আসামী মোঃ সবুজ হোসেন (২১),বেনাপোল পোর্ট, জেলা যশোরকে একই দিন তার নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়। আসামী সবুজ হোসেনের স্বীকারোক্তি এবং দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মটর সাইকেল তার নিজ বাড়ি হতে উদ্ধার করা হয়।
পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অত্র মামলার ভিকটিমের স্ত্রী তাসলীমা খাতুনের সাথে আনোয়ার হোসেনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল এবং তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিছুদিন পর তাসলীমা খাতুন উক্ত সংসার ছেড়ে পুনরায় ইউনুস আলীর নিকট ফেরে আসে। এতে পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন ভিকটিমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনানুযায়ী পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন তদন্তে প্রাপ্ত ধৃত আসামী তরিকুল ইসলামের মাধ্যমে ঘটনার দিন ও সময়ে ভিকটিমকে তদন্তে প্রাপ্ত অপর আসামী রানার বাড়িতে ডেকে এনে তাকে অমানুষিক নির্যাতন শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং তদন্তে প্রাপ্ত ধৃত আসামী সবুজ হোসেনের মোটর সাইকেলযোগে আসামী রানা ও সুবজ ভিকটিমের মৃতদেহ মোটর সাইকেলের মাঝখানে বসিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে ফেলে রেখে আসে মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ০১। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৪০) এবং ০২। মোঃ সবুজ হোসেন (২১) বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যহত আছে।
27/04/2026
চেতনানাশক খাইয়ে সিরিজ চুরি:
পিবিআই কর্তৃক রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার-০১, আদালতে স্বীকারোক্তি
রাজধানীর উত্তরায় চেতনানাশক খাইয়ে সিরিজ চুরির রহস্য উদঘাটনসহ ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামী বিলকিস বেগমকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)। গত ১৭/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় গৃহকর্মী কর্তৃক মালিককে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে হত্যা করতঃ নগদ অর্থ ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার সাথে পূর্ববর্তী ঘটনার আচরণগত ও কৌশলগত মিল পাওয়া যায়।
গত ১৩/০৮/২০২৫ তারিখে উত্তরা ০৪নং সেক্টরে বাসার মালিক জনৈক মোঃ ইবনুল আলম পলাশের বাসার কেয়ারটেকার মোঃ জাকিরের সাথে এক অজ্ঞাতনামা মহিলা গৃহকর্মীর কাজের জন্য দেখা করে। বাসার মালিক ও তার স্ত্রী তাকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন এবং পরদিন এনআইডি নিয়ে আসতে বলেন। গত ১৪/০৮/২০২৫ তারিখে সে কাজে যোগ দিলেও এনআইডি আনে না। বাসার মালিক ও তার স্ত্রী কর্মস্থলে গেলে বাসার মালিকের বৃদ্ধা ভিকটিম রওশনারা বেগমকে নাস্তার সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করে ভিকটিমের পরিহিত স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে বাসার মালিক মোঃ ইবনুল আলম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা নং—০৮, তারিখ—১৩/০৯/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা—৩২৮/৩০৭/৩৮১ পেনাল কোড দায়ের করেন। থানা পুলিশ মামলাটি কয়েক মাস তদন্ত করে ঘটনর সাথে জড়িত আসামিকে সনাক্ত করতে না পারায় থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (সত্য) দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ প্রদান করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ)/ফিরোজ আহমেদ মুন্সী মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এবং ডিআইজি (সেন্ট্রাল ক্রাইম) জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক-নির্দেশনায়, পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) এর অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ এনায়েত হোসেন মান্নান, পিপিএম—সেবা এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) ফিরোজ আহমেদ মুন্সী এর নেতৃত্বে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) এর চৌকশ তদন্ত টিম তদন্তে নামে। গত ১৭/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় গৃহকর্মী কর্তৃক মালিককে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে হত্যা করত নগদ অর্থ ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার সাথে পূর্ববর্তী ঘটনার আচরণগত ও কৌশলগত মিল পাওয়া যায়।
পিবিআই এর তদন্তকার্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণপূর্বক ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পূর্বের হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামি বিলকিস বেগম (৪০) কে শনাক্ত করে শোন এ্যারেস্ট মূলে গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করলে গত ১৯/০৪/২৬ খ্রি. তারিখে বিজ্ঞ আদালত ০৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করে। গত ২২/০৪/২৬ খ্রি. তারিখে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে। তার দেয়া তথ্য মতে পিবিআই এর অভিযানিক দল গাজীপুরে অভিযান করে শহরবানুকে পাওয়া যায় এবং জুয়েলারী দোকান খুজে পেয়ে চুরিরর স্বর্ণ বিক্রয়ের সত্যতা পাওয়া যায়। আসামি বিলকিস বেগম বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং শহরবানু ও জুয়েলারী ব্যবসায়ী গোবিন্দ ঘোষ ও রুপা সরকার সাক্ষী হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে বিস্তারিত জবানবন্দী দেয়।
পিবিআই তদন্তে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, আসামি বিলকিস কৌশলে পরিচয় গোপন করে ভিকটিমের ছেলের বাসায় বুয়ার চাকুরি নেয়। বাসার মালিক ও তার স্ত্রীর অনুপস্থিতে নাস্তার সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে ভিকটিম রওশনারা বেগমকে খাইয়ে অচেতন করে ভিকটিমের পরিহিত স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ টাকা চুরি করে গাজীপুরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে পূর্ব পরিচিত শহরবানুর মাধ্যমে বিক্রয় করে ।
এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) এর ইউনিট ইনচার্জ ডিআইজি মোঃ এনায়েত হোসেন মান্নান, পিপিএম—সেবা বলেন, “পিবিআই আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর তদন্ত প্রতিষ্ঠান। অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের কাঠগড়ায় দাড় করাতে আমরা বদ্ধ পরিকর।”
22/04/2026
মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে খুন,
এক সপ্তাহের মধ্যে পিবিআই কর্তৃক আসামী গ্রেফতারসহ আলামত উদ্ধার, আদালতে স্বীকারোক্তি
ঘটনার ০১ (এক) সপ্তাহের মধ্যে ঢাকার আশুলিয়ার শ্রীখন্ডিয়া এলাকার চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোল্লা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আসামি মো:বিপ্লব হাসান বিপুকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা। গত ১৯ এবং ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ অভিযান পরিচালনা করে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সাতৈর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহতৃত ‘দা’ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন শ্রীখন্ডিয়া এলাকায় ফয়সাল মোল্লা (৩৫) নামক এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মোঃ হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মো:বিপ্লব হাসান বিপু (২৮) এবং মো: মাসুদ (৩৪) সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১/২ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানার মামলা নং ৭১, তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই এজাহার নামীয় আসামি মো: বিপ্লব হাসান বিপু (২৮) এবং মো: মাসুদ পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পিবিআই এর সিডিউল ভুক্ত মামলা হওয়ায়, গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ আহসান উল্লাহ মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় এবং পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এন. মোর্শেদ, পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আরেফিন এর নেতৃত্বে পিবিআই এর তদন্ত টিম গত ১৯ এবং ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বোয়ালমারীর সাতৈর থেকে মামলার এজাহার নামীয় আসামি মো:বিপ্লব হাসান বিপু (২৮) কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মো:বিপ্লব হাসান বিপু'র দেখানো মতে আশুলিয়া থানার শ্রীখন্ডিয়া এলাকার জনৈক হাজী আলতাফ সরদারের নার্সারীর কাঁঠাল গাছের নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছেনি দা'টি ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকালে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
পিবিআই এর তদন্তে এবং জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, বিপু মাদক ব্যবসা করত। তার গরুর খামারের কর্মচারীরা তাকে সহযোগিতা করত। ভিকটিম ফয়সাল মাদকাসক্ত এবং বিপুর বন্ধু। ঝগড়া হলে ভিকটিম বিপুর খামারের কর্মচারীদের মোবাইল নিয়ে যায়। বিপু ও তার বড় ভাই মো: মাসুদ সহ ভিকটিম ফয়সালের নিকট থেকে মোবাইল ফোন ফেরত আনতে গেলে ভিকটিম ফয়সাল দা নিয়ে তেড়ে আসে। এক পর্যায়ে আসামী বিপু এবং তার ভাই ভিকটিমের নিকট থেকে দা কেড়ে নিয়ে কুপিয়ে এবং রড় দিয়ে পিটিয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
22/04/2026
অজ্ঞাতনামা আসামী কর্তৃক হত্যাকান্ড, পিবিআই খুলনা কর্তৃক গ্রেফতার-০১, বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি
গত ২৬/০৮/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ১৪.২৮ ঘটিকায় কেএমপি খুলনা লবণচরা থানাধীন পুটিমারি দশগেট সাকিনস্থ ম্যাক শিপিং এর খালি জায়গার পশ্চিম পার্শ্বে কাজীবাছা নদীর কিনারায় আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী একজন অজ্ঞাতনামা পুরুষের বস্তাবন্দি মৃতদেহ পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে পিবিআই খুলনা জেলার ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের পরিচয় সনাক্তকরনের চেষ্টা করে। কিন্তু মৃতদেহটি অতিমাত্রায় পঁচে যাওয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভাব হয়নি। এই ঘটনায় রুপসা নৌ-পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে লবনচরা থানার মামলা নং-১৬, তারিখ-২৮/০৮/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড আইনে হত্যা মামলা দায়ের করেন। রুপসা নৌ-পুলিশ ডিএনএ পরক্ষীর মাধ্যমে উদ্ধারকৃত মৃতদেহের পরিচয় সনাক্ত করেন। নিহত ব্যক্তির নাম মোঃ শফিকুল ইসলাম (৫৪), পিতা- মৃত আঃ মান্নান, সাং- পোতপাড়া, থানা- অভয়নগর, জেলা- যশোর। নৌপুলিশে তদন্তাধীন অবস্থায় বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে গত ১৫/০১/২০২৬ খ্রি. পিবিআই খুলনা জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে এসআই (নিঃ) রেজোয়ান মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে গত ২১/০৪/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ০০.১৫ ঘটিকায় বরিশাল মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন শেরে-ই-বাংলা রোডস্থ জনৈক করিব হোসেনের চায়ের দোকানের সামনে হতে যশোরের অভয়নগর থানাধীন পাইকপাড়া গ্রামস্থ মোঃ দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী দ্বীন ইসলাম ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পিবিআই এর তদন্তে এবং আসামী দ্বীন ইসলামের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, পলাতক মূল আসামী রুবেল (ছদ্দনাম) এর সাথে ভিকটিম একত্রে কাঠের ব্যবসা করত। ভিকটিম শফিকুল ইসলাম তার নিকট প্রায় ১২ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা পেত। পাওনা টাকা চাওয়ায় পলাতক আসামী রুবেলের সাথে ভিকটিমের বিরোধের সৃষ্টি হয়। উক্ত বিরোধের জেরে আসামী রুবেল (ছদ্দনাম) ভিকটিমকে হত্যার পরিকল্পণা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক গত আগস্ট/২০২৫ খ্রিস্টাব্দে ১৪/১৫ তারিখে পলাতক আসামী রুবেল এবং সৌখিন গ্রেফতরকৃত আসামী দ্বীন ইসলামের নিকট আসে এবং ৫০০০/- টাকার বিনিময়ে তার নৌকা দিয়ে বস্তাবন্দি হিন্দুদের একটি দামী মূর্তি লোকজনের আড়ালে নদী পার করে দেওয়ার জন্য ভাড়া করে এবং ঘটনার দিন গত ২০/০৮/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাত অনুমান ২২.৩০ ঘটিকায় নৌকা নিয়ে তাকে ভাটপাড়া ঘাটে আসতে বলে। কথা মত আসামি দ্বীন ইসলাম নৌকা নিয়ে ভাটপাড়া ঘাটে আসে এবং নদীর কিনারায় পূর্ব হতে সংরক্ষিত ১৫/২০ টি ইট নৌকায় তুলে নিয়ে পলাতক আসামী রুবেল, সৌখন ও গ্রেফতারকৃত আসামী দ্বীন ইসলাম বিভাগদী শ্মশানঘাট সংলগ্ন বাগানের পাশে যায়। তখন আসামী সৌখিন ও পলাতক আসামী রুবেল নৌকা থেকে নেমে যায় এবং কিছুক্ষণ পরে তারা বস্তাবন্দি ভিকটিম শফিকুল ইসলামের মৃতদেহ নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তারা নৌকায় করে মৃতদেহটি ভৈরব নদীর মাঝখানে নিয়ে বস্তার মধ্যে কয়েকটি ইট ডুকিয়ে মৃতদেহটি পানিতে ফেলে দেয় এবং বিষয়টি তারা গোপন রাখতে বলে।
পলাতক মূল আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।