07/08/2020
৬টি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল চলছে : ডব্লিউএইচও
একটি জিনিসের আশাতেই দিন গুনছে, তা হলো করোনার ভ্যাকসিন। করোনা প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিনই একমাত্র বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ছয়টি সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে তিনটি ভ্যাকসিনই চীনের। ডব্লিউএইচওর জরুরি স্বাস্থ্য কার্যক্রম বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মাইকেল রায়ান বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
তবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই যে এসব ভ্যাকসিনই কার্যকর হবে। সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন ও সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানিয়েছে।
সারা পৃথিবীতে মোট ১৬৫টি সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। প্রতিটি ভ্যাকসিন আলাদা আলাদা পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে ২৬টি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরো জানিয়েছে, তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালে প্রচুর সংখ্যক মানুষের ওপর ভ্যাকসিনের প্রয়োগ হয়। দেখা হয় সবচেয়ে বেশি কত সংখ্যক মানুষ ভ্যাকসিনের দ্বারা উপকৃত হচ্ছে।
তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল শেষ না হলে ভ্যাকসিন যে কার্যকর হবেই, এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় না। তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালে রয়েছে চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক, উহান ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট ও বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টের ভ্যাকসিন।
যুক্তরাষ্ট্রে জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মডার্না করোনা ভ্যাকসিনের ওপর সবার আগে থেকে কাজ শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের ভ্যাকসিনের প্রথম দুই পর্বের পরীক্ষা আশাব্যঞ্জক। সবচেয়ে কঠিন তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল গত ২৭ জুলাই থেকে শুরু হয়ে গেছে।
এ ছাড়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন নিয়ে সারা পৃথিবীর মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল আলাদা আলাদা দেশের মানুষের ওপর চলছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনের সহযোগী।
ভারতে দুটি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ হচ্ছে। যে দুটি সংস্থা কাজ করছে সেগুলো হলো ভারত বায়োটেক ও জাইডাস ক্যাডিলা। দুটি সংস্থাই হিউম্যান ট্রায়াল বা মানবশরীরে ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শুরু করেছে। ভারত বায়োটেক এর আগে পোলিও, র্যাবিস, চিকুনগুনিয়া, জাপানি এনকেফালাইটিস, রোটাভাইরাস ও জিকা ভাইরাসের জন্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছে।
04/08/2020
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“গোরা শেষের কবিতার চার অধ্যায় লিখতে গিয়ে চতুরঙ্গের চোখের বালিতে পরিণত হল।
দুইবোন মালঞ্চ ও রার্জষিকে ঘরের বাইরে যোগাযোগ করে পেলনা বলে বৌ ঠাকুররানীর হাটে খুঁজতে গিয়ে নৌকাডুবি হল।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১.গোরা ২.শেষের কবিতা ৩.চার অধ্যায় ৪.চতুরঙ্গ ৫.চোখের বালি ৬.দুই বোন ৭.মালঞ্চ
৮.রার্জষি ৯.ঘরের বাইরে ১০.যোগাযোগ ১১.বৌঠাকুররানীর হাট ১২.নৌকাডুবি
বিকল্প টেকনিক
বৌয়ের চোখে চার নৌকাডুবি দেখে দুইবোন করুনার শেষে চতুর রাজর্ষি গোরাকে নিয়ে ঘরে বাইরে
যোগাযোগ করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. বৌয়ের— বৌঠাকুরানীর হাট ২. চোখের— চোখের বালি
৩. চার— চার অধ্যায় ৪. নৌকাডুবি— নৌকাডুবি
৫. দুই বোন— দুই বোন ৬. করুনা— করুনা
৭. শেষে— শেষের কবিতা ৮. চতুর— চতুরঙ্গ
৯. রাজর্ষি— রাজর্ষি ১০. গোরা— গোরা
১১. ঘরেবাইরে— ঘরেবাইরে ১২. যোগাযোগ-যোগাযোগ
ছোট গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
পোস্টমাস্টার কাবুলিওয়ালা দেনা পাওনার কর্মফলে হৈমন্তির দিদির পত্র রক্ষা করতে পারল না।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. পোস্টমাস্টার ২. কাবুলিওয়ালা ৩. দেনা পাওনা ৪. কর্মফল ৬. হৈমন্তি ৭. দিদি ৮. পত্র রক্ষা
প্রেমের গল্প সহজে মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
দূর আশায় দৃষ্টিদান করে ল্যাবরেটরীর অধ্যাপক তার নষ্টনীড় জীবনের শেষের রাত্রির শেষ কথার সমাপ্তি
টেনে স্ত্রীর কাছে পত্র লেখেন
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. ল্যাবরেটরী ২. অধ্যাপক ৩. নষ্টনীড় ৪. শেষ রাত্রি ৫. সমাপ্তি ৬. স্ত্রীর পত্র ৭. একরাত্রি
৮. দূর আশা ৯. দৃষ্টিদান
বিখ্যাত নাটকগুলি মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাজা অচলায়তন চিরকুমারকে ডেকে রক্তকরবী মুক্ত মুকুট নিয়ে অরুনাচল অরুপরতনকে সঙ্গে নিয়ে
কালের যাত্রায় বিসর্জন দিতে তাসের দেশে গেলেন ।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১. রাজা-রাজা ২. অচলায়তন-অচলায়তন
৩. চিরকুমার-চিরকুমার সভা ৪. ডেকে –ডাকঘর
৫. রক্তকরবী-রক্তকরবী ৬. মুক্ত —- মুক্তধারা
৭. মুকুট—- মুকুট ৮. অরুণাচল— অরুণাচল
৯. অরুপরতন— অরুপরতন ১০. কালের যাত্রায়—- কালের যাত্রা
১১. বিসর্জন— বিসর্জন ১২. তাসের দেশে—- তাসের দেশ
কাজী নজরুলের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“কুহেলিকা মৃত্যুক্ষুধায় বাধনহারা হয়ে গেল”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) কুহেলিকা
২) মৃত্যুক্ষুধা
৩) বাধনহারা
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক
“আলেয়া তাঁর পুতুলের বিয়েতে ঝিলিমিলি রঙের শাড়ি পড়েছে”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) আলেয়া
২) পুতুলের বিয়ে
৩) ঝিলিমিলি
জসীম উদদীনের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্যগ্রন্থসমূহ মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
“রাখালীদের বালুর চরের ধানক্ষেতে মা জননী হাসুকে নিয়ে সুচয়নী জলের লেখায় সজন বাদিয়ার ঘাটে
হলুদবরণ নকশিকাথা বিছিয়ে গল্প করছেন।”
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১) রাখালী ২) বালুর চর ৩) ধানক্ষেত ৪) মা যে জননী কাঁন্দে ৫) হাসু
৬) সুচয়নী ৭) জলের লেখায় ৮) সজন বাদিয়ার ঘাট ৯) হলুদবরণ ১০) নকশি কাঁথা
বিকল্প টেকনিক
হলুদ বরণীর দেশে হাসু ডালিমকুমার, সখিনা ও সূচয়নী ভয়াবহ সেই দিনগুলোতে একপয়সার বাঁশি
বাজিয়ে ধানক্ষেতের বালুচরে মাটির তৈরি কবর জলে লেখা নকশীকাঁথার কাফন মুড়িয়ে
সোজন বাদিয়ার ঘাটে এসে রাখালির মা যে জননী রঙ্গিলা নায়ের মাঝির জন্য কাঁদতে লাগল।
জীবনানন্দ দাশের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
সতীর্থ তার জলপাইহাটী নিবাসী বান্ধবী কবিতার কথায় তার ছোট বোন কল্যানীকে মাল্যদান করল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। জলপাই হাটি ২। সতীর্থ ৩। কল্যানী ৪। মাল্যদান
প্রবন্ধ: কবিতার কথা
কাব্য মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
এই মহাপৃথিবীর মাঝে বেলা অবেলা কালবেলায় সাতটি তারার তিমিরে রুপসী বাংলার মেয়ে বনলতা সেন
কুড়িয়ে পাওয়া ঝরা পালকটি ধূসর পান্ডুলিপির ভেতর যত্ন করে রাখল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রুপসী বাংলা ২। বনলতা সেন ৩। ধূসর পান্ডুলিপি ৪। ঝরাপালক
৫। বেলা অবেলা কালবেলা ৬। সাতটি তারার তিমির ৭। মহা পৃথিবী
মীর মশাররফ হোসেনের সৃষ্টিকর্ম
প্রহসন মনে রাখার শর্ট টেকনিক :
ভাইয়ে ভাইয়ে ফাঁস কাগজে একি করল ? এর উপায় কি?
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। ভাই ভাই এই তো চাই ২। একি ৩। এর উপায় কি ৪। ফাঁস কাগজ
নাটক মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
বেটা বসন্ত জমিদার।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। বে – বেহুলা গীতাভিনয়
২। টা- টালা অভিনয়
৩। বসন্ত – বসন্ত কুমারী
৪। জমিদার – জমিদার দর্পন
উপন্যাস মনে রাখার শর্ট টেকনিক:
রত্নাবতী বিষাদসিন্ধুর পানে তাকিয়ে থাকা উদাসীন পথিকের মনের কথা বুঝতে পেরে বাঁধা খাতাটি
গাজী মিয়ার বস্তানীতে রাখলেন।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। রত্নাবতী – বাংলা সাহিত্যের মুসলমান রচিত ১ম উপন্যাস
২। বিষাদসিন্ধু
৩। গাজীমিয়ার বস্তানী
৪। বাঁধা খাতা
৫। উদাসীন পথিকের মনের কথা
মহাকবি কায়কোবাদের সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার কৌশল
কাব্য মনে রাখার কৌশল:
অমিয়ের সাথে কুসুমের আর দহরম মহরম নেই বিরহ চলছে। তাই সে মহাশ্মশানের শিব মন্দিরে
অশ্রুমালা বিসর্জন দিল।
টেকনিক ব্যাখ্যা:
১। অমিয়ধারা ২। কুসুমকানন ৩। মহরম শরীফ ৪। বিরহ বিলাপ ৫। শিব মন্দির ৬। অশ্রুমালা
মহাকাব্য:
মহাশ্মশান: বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কতৃক রচিত ১ম মহাকাব্য।
মহাশ্মশান ১৯০৩ সালে রচিত হয়। এটি পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) নিয়ে রচিত।