03/05/2026
তাওবা অর্থ ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। আল্লাহ তা‘আলার নাফরমানি থেকে ফিরে আসা, আল্লাহর হুকুমের পাবন্দি করার উপর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা এবং অতীতের কৃত কর্মের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে তা ছেড়ে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আর কখনো আল্লাহর নাফরমানি না করা ও তার হুকুমের অবাধ্য না হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প করা।
#মুসলিম_যুবক
30/04/2026
"যে ব্যক্তি অন্যের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে এবং উপকার করতে সচেষ্ট থাকে, আল্লাহ নিজে তার দুঃখ-কষ্ট দূর করার দায়িত্ব নেন।"
—ইমাম ইবনুল ক্বাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ।
—[আল-ওয়াবিল আল-সাইয়্যিব: ৬৩]।
30/04/2026
আল্লাহর রাসূল ﷺ শেষ জামানা সম্পর্কে হ*ত্যা সম্পর্কিত দুটো কথা বলে গিয়েছেন–
১. “কিয়ামতের আগে ‘হারাজ’ বেড়ে যাবে।”
সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, “হারাজ কী?”
তিনি বললেন, “হ*ত্যা, হ*ত্যা।”
[সহীহ্ বুখারী, হাদিস নং ৬৫৮৭]
২. “এমন এক সময় আসবে, যখন হ*ত্যাকারী জানবে না সে কেন হ*ত্যা করছে, আর যাকে হ*ত্যা করা হচ্ছে সে-ও জানবে না কেন তাঁকে হ*ত্যা করা হচ্ছে।” অর্থাৎ যথাযথ কোনো রাগ-ক্ষোভ, হিংসা বা যৌক্তিক কারণ থাকবে না।”
[সহীহ্ মুসলিম, হাদিস নং ৭০৩৯]
25/04/2026
এটা ফেমিনিস্ট দের ফাঁদ/ আবার তাদের শেষ বয়েসের আফসোস।
07/04/2026
তখন ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ছিলাম। একজন মহিলাকে মৃত ঘোষণার পর দেখি তার ছেলে মায়ের শরীর থেকে স্বর্ণের গহনা খুলে নিচ্ছে। মৃত্যুর পর এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । শরীর ফুলে গেলে তখন গহনা সরানো যায় না। ঘটনার এক ঘন্টা পর আরেক ছেলে ইমার্জেন্সিতে এসে হাউমাউ করে কান্না শুরু করলো। সে ভাই নাকি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়েছে। ওটাতে তার ও ভাগ ছিল। মায়ের মৃত্যু ছাপিয়ে স্বর্ণের জন্য সে ছেলের কান্নায় আমি হতবিহ্বল হয়ে পড়লাম।
মেডিকেল সেক্টরে আমার বয়স প্রায় ২০ বছর। অসংখ্য মৃত্যু আর অপমৃত্যুর স্বাক্ষী আমি।
একবার সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত একজন মানুষকে লোকজন ধরাধরি করে রেখে গেল। এদেশে সড়ক দূর্ঘটনার পর সবার আগে খোয়া যায় প্রাণ, তারপর মোবাইল, তারপর মানিব্যাগ। আমি তার রক্তাক্ত দেহ হাতিয়ে ক্যাশমেমো জাতীয় একটা কাগজ পেলাম। সে নাম্বারে ফোন দিলাম। একজন ভদ্রমহিলা ফোন ধরলেন। একসময় বুঝলাম ভদ্রমহিলা মৃত লোকটির প্রাক্তন স্ত্রী। নতুন করে সংসার পেতেছেন চট্টগ্রামে। তিনি আসতে পারবেন না। পরিচিত অন্য কারো ফোন নাম্বার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানালেন- উনাদের পরিবারের কারোর সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই, ফোন নাম্বার ও নেই। ছেলের ফোন নাম্বার আছে কিন্তু ও দেশের বাহিরে থাকে। উপজেলায় আপনারা এতক্ষণ লাশ রাখতে পারবেন না। কবর দিয়ে দেন।
তিনি ফোনটা কেটে দিলেন।
ইমার্জেন্সীতে এসে একবার এক বাপের দুকন্যার ঝগড়া! সে কি ঝগড়া! কে ডেথ্ সার্টিফিকেট নিবে!
ইন্সুইরেন্স কোম্পানি আর ব্যাংকের ব্যাপার-স্যাপার।বললাম- টস করে ফেলেন। দুজনের গালে একই ওজনের দুটা চড় দিবো। যিনি ব্যথা পাবেন না। তিনি জয়ী হবেন। তারা দুজনেই বাঁকা চোখে আমার দিকে কটমট করে তাকালো।
তিনটা ঘটনাই শহরের তিনটা শিক্ষিত পরিবারের। আমার দুঃখ লাগে- বাবাগুলো তারপর ও নিজেকে সময় দেয়। অফিস থেকে বের হয়ে আড্ডা দিয়ে আসে, অনেক সময় বন্ধুদের নিয়ে ট্যূরে বের হয়। আর মায়েরা সন্তান আর এক পরিবারের পিছনে সারাটা জীবন কাটিয়ে দেয়।
মৃত্যুর পর যদি মানুষের পার্থিব পূনরুত্থান হতো, তাহলে সে সবচাইতে বেশি ঘৃণা করতো তার সন্তানকে।
লেখা- ডা: হাসিব
07/03/2026
কে বলে দোয়া কবুল হয় না?
মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।
অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।
পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।
ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,
"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"
(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)
দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।
উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
©