জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে

জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে

Share

একাত্তরে দলীয়ভাবে যুদ্ধাপরাধ করার দায়ে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে এই দলের বিচার করতে হবে।

যুদ্ধপরাধীদের বিচার হাজার বার করলেও কোন লাভ হবেনা যতক্ষন না জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয় ।

কেননা, ব্যাক্তির চেয়ে মতার্দশ অনেক শক্তিশালী আর সেই অপ-মতার্দশীরা যদি একবার রাষ্ট্র ক্ষমতা হাতে পায়, হিটলারের গ্যাস চেম্বার হয়ে পড়বে সারা দেশ ।

মওদুদী ছিল এই দলটির প্রতিষ্টাতা, আজতো মওদুদী নাই-জামায়াত কি ব্যাক্তি মওদুদীর চেয়েও ক্ষতিকর নয় ?

এইটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল, যেই উগ্র দলটা আমাদের মুক্ত

21/11/2025

একাত্তর এখন পরাভূত, একাত্তরের চেতনা এখন পর্যুদস্ত। চারেদিকে এখন ছড়িয়ে পড়েছে একাত্তর বিরোধী প্রবণতা।

কিন্তু ওই সময়কে কী করে ভুলি, যে সময় ছিল আমাদের শ্রেষ্ঠ সময়, যা হয়তো আর জীবনে দ্বিতীয় বার আসবে না।

তবে একাত্তর যদি পরাভূত হতে হতে বিনষ্টও হয়ে যায়, তবু বাংলায় থাকবে এমন অসংখ্য মানুষ, যাদের ভেতরে জ্বলছে একাত্তরের আগুন।

যে আগুন থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সংগ্রহ করবে জীবন অগ্নি।

হুমায়ুন আজাদ

21/11/2025

শিশুও সাপ চেনে, বাঙালিরও চেনার কথা জামাতকে;' কিন্তু মনে হয় বাঙালি শিশুর থেকেও নির্বোধ, গোখরোর কামড় খেয়েও বাঙালি চেনে না সাপ কাকে বলে।

বাঙলাদেশ ও তার বিভ্রান্ত রাজনীতি দুধকলা দিয়ে পুষে আসছে কালজাতিটিকে, যার ছোঁবলে একদিন সম্পূর্ণ নীল হয়ে যেতে হবে বাঙালি জাতিকে।

-হুমায়ুন আজাদ।

15/07/2025

হঠাত একি! এ কী হলো ?
কোন খেলাতে রাজাকারের উত্থানেরই লাগলো জোয়ার
মুক্তিযোদ্ধা বীরের হাতে পূণর্বাসন রাজাকারের!
অবশেষে বিশ বছরে, রাজাকারই রাজা হলো!

যে রাজাকার আমার চোখের স্বপ্ন নিলো,
আমার বধূর মুক্তা সফেদ হাঁসি নিলো,
ডাগর আঁখির দীঘি নিলো,
আলতা-রাঙা চরণ নিলো,
আমার ভালোবাসা নিলো
জীবন নিলো, জগত নিলো
অবশেষে সেই রাজাকার আমার দেশের রাজা হলো?
আমার রক্ত, আমার জীবন-সব কী তবে বৃথা গেলো?

-শেখ হাফিজুর রহমান

Photos from জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে's post 01/08/2024

শেষ অবধি জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ।

15/08/2023

রাজাকার, আর মুক্তিযােদ্ধা শুধু ব্যক্তি নয়; তারা দুটি বিপরীত আদর্শ। প্রগতি, মুক্তি, স্বাধীনতা, কল্যাণের নাম মুক্তিযােদ্ধা; প্রতিক্রিয়াশীলতা, অধীনতা, মধ্যযুগীয় বর্বরতা, মনুষ্যত্বশূন্যতার নাম রাজাকার। রাজাকার হওয়া সহজ, কঠিন মুক্তিযােদ্ধা হওয়া। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলে কেউ মুক্তিযোদ্ধা হয় না, মুক্তিযােদ্ধা হওয়ার জন্যে অপরিহার্য প্রগতি, মুক্তি, স্বাধীনতা, কল্যাণে অটল, আপোষহীন বিশ্বাস। একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযােদ্ধা মানেই চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়।

একাত্তরে এমন ছিলাে না। রাজাকারদের দখলে ছিলাে কয়েকটি ভবন, রাস্তা ও এলাকা ও কয়েকটি পত্রিকা। এর বেশি কিছু তারা দখল করতে পারেনি। এখন তারা দখল করেছে সব। বাস্তব জগতটি তারা দখল করেছে, এটা খুবই মারাত্মক; তবে এর চেয়েও ভয়াবহ হচ্ছে তারা অবাস্তব জগতটি; – আমাদের স্বপ্ন, কামনা, সৃষ্টিশীলতা ও মননশীলতার এলাকাটিও দখল করতে যাচ্ছে। বাঙলাদেশের বাস্তবতা ও স্বপ্নলােক জুড়ে সারাক্ষণ কাজ করে চলছে রাজাকাররা।

---- হুমায়ুন আজাদ

Photos from জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে's post 10/06/2023

রাজাকার হইতে সাবধান।

10/06/2023

গত চৌদ্দ বছর সরকার কে বুঝানোর চেষ্টা করেছি জামায়াত কে নিষিদ্ধ করতে, কর্ণপাত করেনি।

13/12/2022

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পুরোটা জুড়েই, মূলত এর শেষলগ্নে এসে ১৪-১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের
স্থানীয় সহযোগী আল বদর বাহিনী বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।

এই সময় ঢাকা সহ সারা দেশে হাজার হাজার শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাতের অন্ধকারে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আল বদর বাহিনীর কর্মীরা এসব বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার করার কাজটি করেন। বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের
লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ।

এই হত্যাকাণ্ডের কালো দিনগুলোর স্মরণে প্রতি বছর বাংলাদেশ ১৪ ডিসেম্বর বুদ্বিজীবী দিবস হিসেবে পালন করে।
বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণে বাংলাদেশের ঢাকায়
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ
ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের
স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের করেছে।

বধ্যভূমির সন্ধান

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন
বধ্যভূমি খোঁজার জন্য ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর থেকে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার
ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি।

সারা দেশে প্রায় ৯৪২টি বধ্যভূমি শনাক্ত করতে পেরেছে তারা।

স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন প্রকাশিত পত্রিকা, এ বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধ-নিবন্ধ, গ্রন্থ, এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবার এবং স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে এসব বধ্যভূমি খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে।

প্রত্যেক বধ্যভূমিতে ফলক
স্থাপনের পরিকল্পনা হচ্ছে।
অধিকাংশ জেলাতেই মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমিগুলো হয় রেলের নয়তো সড়ক ও জনপথের আওতাভুক্ত জায়গায়।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা :

অজিয়র রহমান
অতীন্দ্রনাথ ভদ্র
অনুদ্বৈপায়ন ভট্রাচার্য
অর্জুনচন্দ্র দে
অসীম শান্তি রায়
আ ন ম গোলাম মোস্তফা
আ. ন. ম. ফয়জুল মহী
আতাউর রহমান খান খাদেম
আতাউর রহমান
আতীকুর রহমান
আনোয়ার পাশা
আফতাবউদ্দিন আহমদ
আবু ফারুক চৌধুরী
আবু সালেহ মোহাম্মদ এরশাদুল্লাহ
আব্দুর নূর
আবদুর রহমান
আব্দুল আলিম চৌধুরী
আবদুল আহাদ
আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার
আব্দুল কাদের মিয়া
আবদুল জব্বার
আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন
আবুল খায়ের জিয়াউল হক
আবুল গাজী ওয়াহিদুজ্জামান
আবুল বাশার চৌধুরী
আবুল বাশার
আবুল হাশেম মিয়া
আমিনউদ্দিন
আমিনুল ইসলাম
আমিনুল হক
আয়েশা বেদৌরা চৌধুরী
আরজ আলী
আলতাফ মাহমুদ
আলতাফ হোসেন
আলাউদ্দীন মোহাম্মদ জাহীন
আলী করিম
আহমদ ওয়াহিদুর রহমান
আহমদুর রহমান
উইলিয়াম প্যাট্রিক ইভান্স
এ. এইচ. নুরুল আলম
এ. এন. এম. মুনিরিজ্জামান
এ. ওয়াই. মাহফুজ আলী
এ. কে. এম. নুরুল হক
এ. কে. এম. ফারক
এ. বি. এম. আবদুর রহিম
এন. এ. এম. জাহাঙ্গীর
এম. এ. গফুর
এস. এম. নূরুল হুদা
কসিমউদ্দিন আহমদ
কাজী শামসুল হক
কালাচাঁদ রায়
খন্দকার আবু তালেব
খন্দকার আবুল কাশেম
খাজা নিজামুদ্দিন
খালেদ রশীদ
গিয়াসউদ্দিন আহমদ
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী
গোলাম মোর্তজা
গোলাম রহমান
গোলাম সারোয়ার খান সাধন
গোলাম সারোয়ার
গোলাম হোসেন
জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা
জসিমউদ্দিন আহমদ
জহির রায়হান
জহিরুল ইসলাম
জালালুদ্দীন আকন্দ
জিতেন্দ্রলাল দত্ত
জীবনকুমার দাস
ড. আবুল খায়ের
ড. সিদ্দিক আহমদ
ডাঃ অমলেন্দু দাক্ষী
ডাঃ আজহারুল হক
ডাঃ আব্দুল জব্বার
ডাঃ এম. এ. হাফিজ
ডাঃ বদিউল আলম চৌধুরী
ডাঃ মোঃ খোরশেদ আলী সরকার
ডাঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি
ডাঃ শ্যামলকান্তি লালা
ডাঃ শামসুদ্দীন আহমেদ
ডাঃ শামসাদ আলী
ডাঃ হুমায়ুন কবীর
ডাঃ হাসিময় হাজরা
তরফদার আতিয়ার রহমান
তসলিমউদ্দিন আহমদ
তিমির কান্তি দেব
তোজাম্মেল হোসেন
দীনেশচন্দ্র রায় মৌলিক
দেবেন্দ্রনাথ পণ্ডিত
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
নইমুল ইসলাম
নগেন্দ্রনাথ নন্দী
নজরুল ইসলাম
নূরুল আবসার
নরেন্দ্রনাথ ঘোষ
নাসিরউদ্দীন আহমদ
নিজামুদ্দীন আহমদ
নিত্যানন্দ পাল
প্রতুল কর্মকার
প্রভাষকুমার বড়ুয়া
প্রিয়সাধন সরকার
ফজলুর রহমান খান
ফজলুর রহমান
ফজলুল হক চৌধুরী
ফজলুল হক
ফনীভূষণ দেওয়াঞ্জী
ফাদার লুকাশ মারান্ডী
ফেরদৌস-দৌলা খান বাবলু
বদরুল হক চৌধুরী
বাগীশ্বর বড়ুয়া
বাদশা আলম সিকদার
বাসের আলী
বীরেন্দ্রনাথ সরকার
বীরেন্দ্রলাল চৌধুরী
ভোলানাথ বসু
মুক্তাদির
মখলেছার রহমান চৌধুরী
মখলেছার রহমান
মতিউর রহমান
মুন্সী কবিরউদ্দিন আহমদ
মুনীন্দ্রকুমার সরকার
মুনীর চৌধুরী
মুনীরুজ্জামান
মফিজউদ্দিন খান
মসিউর রহমান
মুহম্মদ আকরাম হোসেন
মুহম্মদ আখতার
মুহম্মদ আবদুল মুকতাদির
মানিক কিশোর ন্যানাসী
মানিক শামছুল হক
মাহমুদ হোসেন আকন্দ
মেহেরুন্নেসা
মোঃ আফসার হোসেন
মোঃ আবদুল জব্বার
মোঃ ফজলুর রহমান
মোঃ শফিকুল আনোয়ার
মোকসদ আলী
মোকাররম হোসেন মুকুল
মোকাররম হোসেন
মোজাম্মেল হক চৌধুরী
মোজাম্মেল হক
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
মোহাম্মদ ইলিয়াস
মোহাম্মদ নূর হোসেন
মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী
মোহাম্মদ শফি
মোহাম্মদ সাদেক
মোহাম্মদ হানিক
মোহাম্মদ হেদায়েতউল্ল্যা
যোগেশচন্দ্র ঘোষ
রণদাপ্রসাদ সাহা
রামরঞ্জন ভট্রাচার্য
রাশীদুল হাসান
রেজাউর রহমান
লতাফত হোসেন জোয়ার্দার
লুৎফুন নাহার হেলেন
ললিতকুমার বল
লাডু ভাই
লে. ক. মোয়াজ্জম হোসেন
লে. ক. মোহাম্মদ আব্দুল কাদির
শ্যামশংকর চন্দ
শশাঙ্কপাল
শহীদ সাবের
শহীদুল্লাহ কায়সার
শামসুজ্জামান
শামসুদ্দীন আহমেদ
শামসুল হক খান
শিবাজীমোহন চৌধুরী
শিবেন্দ্রনাথ মুখার্জী
শেখ আব্দুস সালাম
শেখ মুহম্মদ রুস্তম আলী
শেখ মোঃ তাহাজ্জেদ হোসেন
শেখ মোঃ শামসুজ্জোহা
শেখ হাবিবুর রহমান
শেরাফত আলী
সুজাউদ্দিন আহমদ
সতীশচন্দ্র সরকার
সুধীরকুমার চক্রবর্তী
সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য
সুপতিঞ্জন বড়ুয়া
সরোজকুমার নাথ অধিকারী
সুলতানউদ্দিন আহমদ
সাঈফ মিজানুর রহমান
সাদত আলী

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
1202