ধ্বংস করে দিচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ...? cDi
জনতার মার্কা নৌকা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জনতার মার্কা নৌকা, Political organisation, Dhaka.
11/01/2026
11/01/2026
বঙ্গবন্ধু ভবন, ম্যুরাল বা জাদুঘর ভেঙে ফেললেও ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যাবে না | Sheikh Hasina বেঁচে যখন আছি, আবার এই দুঃশাসন হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করবো: শেখ হাসিনা ...
নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে যেতে দেওয়া হবে না নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি
১. বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম কে পিটিয়েছিলেন পুলিশ দিয়ে কারন জাহানারা ইমাম গোলাম আজম ও নিজামীদের বিচার চেয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায়ও আসামী করেন জাহানারা ইমাম কে।সেই মামলা কাঁধে নিয়েই তিনি মৃত্যুবরন করেন।
কিন্তু, না খালেদা জিয়া এরপরও ইনোসেন্ট। কারন রাজাকার শিরোমনি দের পিতাদের রক্ষা করতে চেয়েছিলেন ।অথচ এই কাজ হাসিনা করলে সে হয়ে যেতো ফ্যাসিস্ট।
২. সারের দাবিতে আন্দোলন করায় ৯৫ সালে খালেদা জিয়ার পুলিশের গুলিতে ১৮ জন কৃষক মারা যায়। একই বছর ই সিলেট থেকে ফেরার পথে শেখ হাসিনার ট্রেনযাত্রায় বৃষ্টির মতো গুলি করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। কিন্তু, না এখানে খালেদা জিয়ার কোনো দায় নেই। শেখ হাসিনা হলে হয়ে যেতো জালিম।
৩. ৯৬ সালের পাতানো ইলেকশনের দিন আওয়ামিলীগ এর ৩০+ নেতাকর্মী খুন হয়। এবং ৩ মাসের হরতালে ২০০ এর কাছাকাছি নেতাকর্মী নিহত হয়। এবং এই ইলেকশনে বঙ্গবন্ধুর খুনী রশিদ কে পাতানো বিরোধীদলীয় প্রধান বানানো হয়। কিন্তু না এরপরও তিনি ভালো। কারন মুজিবের খুনীরা বিএনপি সমর্থক ও রাজাকারদের কাছে হিরো।
৪. শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম ছিল ঢাকা আন্তজার্তিক বিমানবন্দর। বিএনপি সেটাকে নাম দেয় জিয়া আন্তজার্তিক বিমানবন্দর ৮০ সালে । এবং আওয়ামীলীগ মেনেও নেয়।
৯৬-২০০০ সাল ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামিলীগ এই নামটিতে হাত দেয়নি।
কিন্তু, হাসিনা যখন ৯৬ তে এসে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের নামকরন করেন এম হান্নানের নামে তখনই আর সহ্য করতে পারেনি খালেদা। তিনি এই নামটি পরিবর্তন করে শাহ আমানত রাখেন। কারন হান্নান সাহেব সাধীনতার ঘোষনার প্রথম পাঠক। যদি মানুষ সত্যটা জেনে যায় তাই।
তো, এরপর হাসিনাও নাম পরিবর্তন করে শাহজালাল রাখেন জিয়া আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের। কিন্তু হাসিনা প্রতিহিংসাপরায়ন বাট খালেদা জিয়া ইনোসেন্ট। খারাপ হলো হাসিনা কারন তিনি কেন একজন বীরউত্তম এর নাম পরিবর্তন করলো। এদিকে বীরউত্তম, উপসেনাপ্রধান সহ ৪ বছরে ৩ বার জিয়াউর রহমান কে প্রমোশন দিয়েছিলেন শেখ মুজিব। এরপরও মুজিবের উপর রাগের শেষ নাই।
৫. যাইহোক, এইবার আসি বাড়ির প্রসঙ্গে। খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাড়িটি দিয়েছিল এরশাদ। খালেদা জিয়া সেটি সাদরে গ্রহন করেন। অথচ বিএনপি দাবি করে এরশাদ জিয়াউর রহমান এর খুনে জড়িত এবং হাসিনা নাকি এরশাদের সাথে জোট করেছিলেন। হাসিনা মুনাফেক ব্লা ব্লা ব্লা।
অথচ, হাসিনা কোনোদিনও সেই বাড়ি নিয়ে এলার্জি দেখায়নাই। কথাও বলেনি। কিন্তু, ৯৬ সালে হাসিনা ও রেহানার নামে বাড়ি বরাদ্দ করা হয় কারন তাদের ব্যাক্তিগত কোনো সম্পত্তি ছিলনা। ৯৪ সালে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার কে জাদুঘর ঘোষনা করা হয় এবং এটি রাস্ট্রীয় কোষাগারে দিয়ে দেয়া হয় ট্রাস্টের নামে তাই। মানে এটি জনগনের সম্পদ হিসাবে ঘোষনা করে হাসিনা।
কিন্তু, খালেদা জিয়া ২০০১ এ এসেই দুটি বাড়ির বরাদ্দ বাতিল করে দেন। এবং হাসিনাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেন। অথচ খালেদা গনভবনে একদিনের জন্যও থাকেনি। কিন্তু এরপরও খালেদা জিয়া ইনোসেন্ট। সব দোষ হাসিনার তিনি কেন রিভেঞ্জ নিলেন।
৬. ৯০ দশক থেকে খালেদা জিয়া ১৫ ই আগস্ট জন্মদিন পালন শুরু করেন ঘোষনা দিয়ে। অথচ ওনার জন্ম ১৯৪৫ সালে ৫ সেপ্টেম্বর। এটা ওনার বাবা ইস্কান্দার মির্জাই বলছে বিচিত্রা তে সাক্ষাৎকারে যখন খালেদা গৃহবধূ থেকে রাজনীতি তে আসেন । এই সাক্ষাৎকার এর হার্ডকপি এখনও আছে। পোস্ট এ দেওয়া হলো।
কিন্তু, আওয়ামিলীগ বা হাসিনা কখনোই জিয়ার মৃত্যুদিনে উৎসব তো দূরে থাক সামান্য সেলিব্রেটও করেনি। তাও হাসিনা খারাপ কারন তিনি একটি ভূয়া জন্মদিন পয়দা করতে পারেনি।
৭. কবর প্রসঙ্গঃ হাসিনার সরাসরি কাটছাট বক্তব্য শুনে বিএনপি সমর্থকদের ক্ষোভ ও রাগ আসবে এটাই নরমাল। তবে বাস্তবতা হলো জিয়াউর রহমান এর ডেডবডি পাওয়া যায়নি। কারন ব্রাশফায়ারের ফলে তার শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। পরবর্তী তে হালদা নদীতে জিয়াউর রহমান সহ বাকিদের লাশ ফেলা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার করে কিছু অংশ ঢাকায় আনা হয়। এবং লাশ কাউকে দেখতে দেয়া হয়নি।
জিয়াউর রহমান এর লাশ নেই কবরে এই বিতর্ক প্রথম তুলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী। যাকে বিএনপি রাস্ট্রপতি বানিয়েছিল ২০০১ সালে । তিনি কবর জিয়ারত করতে অসীকৃতি জানান। যার ফলশ্রুতিতে তাকে রাস্ট্রপতি পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। এবং হামলা করা হয় তার উপর। তার গুলশানে বাড়িতেও আগুন দেয়া হয়।
৮. গ্রেনেড হামলাঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা। শাহবাগ ও রমনা থানা মামলা নেয়নি। ঘটনাস্থলে এম্বুলেন্স যায়নি। আইভী, সুরঞ্জিত, কাদের, হাসান মাহমুদ রা রিক্সা ও ঠেলাগাড়িতে করে হাসপাতালে যেতে হয়। সরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা দেয়নি। তারপর বাধ্য হয়ে জজ মিয়া নাটক। হাসিনাকে দেখতে যায়নি খালেদা। কিন্তু দিনশেষে সব দোষ হাসিনার। সে নাকি ব্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছে। বলেছিলেন " খালেদা জিয়াই "। খন্দকার মোশাররফ বলেছিলেন " আরে এগুলো কোনো ঘটনাই নাই "। এখনো সেই ক্লিপ পাবেন ইউটিউবে।
কিন্তু, না হাসিনা খারাপ কারন তিনি গ্রেনেড মারেনি বড় বড় সমাবেশ করতে দিসে বাট জেলে নিলো কেন। অথচ পৃথিবীর ইতিহাসের প্রতিপক্ষের সমাবেশে গ্রেনেড মারার নজীর না থাকলেও প্রতিপক্ষকে জেল খাটানোর নজীর আছে হাজার হাজার। ইমরান খান কে দেখেন পাকিস্তানে। আরো অনেক উদাহরণ আছে। শেখ মুজিব তো ৫৫ বছরের ১৭ বছর জেল খেটেছিলেন। ম্যান্ডেলা ছিলেন সম্ভবত ৩৯ বছর। আর ২ বছর কারাগারে থাকায় সব দোষ এখন হাসিনার।
৯. বিদ্যুৎ না পেয়ে ক্ষুদ্ধ জনতা আন্দোলন করলে ২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার পুলিশ ও বিজিবি ৩১ জন কে গুলি করে মেরেছিল। কিন্তু এরপরও ওনার ব্যর্থতা নাই। হাসিনা করলে সে হয়ে যেতো ফেরাউন।
১০. হাসিনা বলেছিল আমি ভারতকে যা দিয়েছি তারা তা সারাজীবন মনে রাখবে।সীমান্তে প্রতিদিনের গুলি ও বোমাবাজি থেকে তাদের মুক্তি দিয়েছি।
এটা তো সত্য উলফার প্রধানকে হাসিনা বন্দীবিনিময় চুক্তিতে হ্যান্ডওভার করেছিল শুধু আঞ্চলিক শান্তির জন্য। বিনিময়ে ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গাও আদায় করেছিলেন ভারত থেকে। তারেক সামীনা বাড়ানোর কথা বললেও বাস্তবে সীমানা বাড়িয়েছে হাসিনা গিভেন টেক ওয়েতে।
বাট আমাদের " মিডিয়া শুধু কাট করে আমি যা দিয়েছি সারাজীবন তা মনে রাখবে এটিই প্রচার করে " বিরোধীরাও এটাই প্রচার করে এখন।
আর খালেদা জিয়া ২০০২ সালে ভারতকে গ্যাস দিতে চেয়েছিলেন।যার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে আওয়ামিলীগ ও বামপন্থী রা। পরবর্তী তা ঠেকিয়ে দেন।
কিন্তু, এরপরও খালেদা জিয়া ভারতের বিরুদ্ধে আধিপত্যবাদবিরোধী আর হাসিনা দালাল।
১১. যেই রেন্টুর বই নিয়ে বিএনপি সমর্থকরা লাফায়। সেই রেন্টু বিএনপির আমলেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয় কারন তাকে হত্যার ছক তৈরী করেছিল গোয়েন্দারা কারন সে হাওয়া ভবন নিয়েও লিখেছিল।
১২. ১৮ সালের ইলেকশনের সময় লীগ কর্মীদের হাতে সূর্বনচরে গৃহবধূ ধর্ষনের ঘটনায় হাসিনা আসামীদের সাজা দিয়েছিলেন। এরা এখনো দেশেই আছে। আর বিএনপি আমলে বহুল আলোচিত পূর্নিমা গনধর্ষন মামলার আসামীরা বিএনপি আমলেই দেশ ছেড়েছিল।
১৩. খালেদা জিয়া গোপালগঞ্জের নাম বদলে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, হাসিনা কখনোই বলেনাই আমি ফেনী, বগুড়া অথবা দিনাজপুরের নাম বদলে দিব। ওটা খালেদার এলাকা। তাও ম্যাডাম জিয়া ইনোসেন্ট।
১৪. পদ্মা সেতু নিয়ে ম্যাডাম জিয়া কি করেছেন তাও দেখেছে সবাই। কর্মীদের ও মানুষকে উঠতে বারন করেছিলেন বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে বানানো। আর এখন বিএনপি সমর্থকরাই বলে হাসিনা তার বাপের টাকায় উন্নয়ন করেনি।
অথচ, জগনের টাকায় জনগনের উপকার করতে গিয়ে হাসিনাকে খেতে হলো গালি ও নানা ঘাত--প্রতিঘাত। বলি দিতে হলো সৈয়দ আবুল হোসেন এর মতো এক জননন্দিত নেতাকে।
১৫. বিনামূল্যে পেয়েও উনি সাবমেরিন কিনেনাই। অথচ ভুর্তকি দিয়ে হাসিনা সাবমেরিন কিনেই হয়ে গেলো খারাপ। উনি বললেন এই সাবমেরিন ডুবে যাবে। অথচ এটি যে পানির নিচে থাকে সেটা তিনি জানেন্না।
১৬. ইন্টারনেট আনেন্নি তিনি কারন তথ্যপাচার হয়ে যাবে দেশের। অথচ ইন্টারনেট এর সর্বোচ্চ সুবিধা টা ব্যবহার করছে এখন তার কর্মীরা।
১৭. শুধু তার মন্ত্রী মোর্শেদ খান কে দিয়ে একটি সিম বাজারে রেখেছিলেন। নাম সিটিসেল। আর হাসিনা রবি, গ্রামীন সহ সবাইকে এনে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিলেন মোবাইল। তাও হাসিনা খারাপ আর ম্যাডাম হইলো সফল।
১৮. শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের নাম টিউলিপ দেখে তিনি নেদারল্যান্ডস থেকে কম্পিউটার চুক্তি করেনাই। অথচ নেদারল্যান্ডস যে ফুলের জন্য বিখ্যাত তিনি তা জানতেন্না।
আর হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্প নিয়ে সবচেয়ে তিরস্কার ও হাসিতামাশা করলো তারই কর্মীরা। বাট সুযোগ সুবিধা ঠিকই সবাই পাচ্ছে।
১৯. রাজনৈতিক নেত্রীর গাড়ি বহরে হামলা শুরু হয় ওনার আমলেই। গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া সহ একাধিক জায়গায় হাসিনার বহরে হামলা হয়।
২০. ৮৮ সালে এরশাদ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য রাস্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিলেন। ম্যাডাম জিয়া বলেছিলেন এটির প্রয়োজন পড়েনা। এটার মাধ্যমে জাতিকে বিভাজিত করা হচ্ছে।
যদিও আওয়ামিলীগ ও জামায়াতও তখন এর বিরোধীতা করেছিলো।।অথচ জামায়াত ও কওমীদের কাছে তিনি প্রগতিশীল না, ওনার বেলায় নারী নেতৃত্ব ও হারাম না। কিন্তু হাসিনা নাকি ইসলাম বিরোধী। শুধু হাসিনার নেতৃত্বই ছিল হারাম।
২১. এবং দিনশেষে ধ্রুব সত্য হলো বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে হাসিনাই একমাত্র সরকার প্রধান যে সেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়েছিল ২০০১ সালে কেয়ারটেকার এর কাছে কোনো গ্যাঞ্জাম ছাড়া।
আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার ইতিহাসে সেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়ার নজীর নেই। মানুষকে ২ বার রক্ত দিয়ে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হয়েছিল ৯৬ ও ২০০৬ এ।
যার ফলশ্রুতিতে হাসিনাও ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন পরবর্তীতে। কারন আপনি বিরাজনীতিকরন না করলে আমি কেন করবো?
তো হাসিনা যদি মনস্টার হয় সেই মনস্টার হওয়ার জন্য ৭০% দায়ী ম্যাডাম জিয়া ও হাসিনা বিরোধীরা।
কিন্তু, এতকিছুর পরেও বিএনপি সমর্থকদের কপাল ভালো তখন ফেসবুক ছিলনা।
তো দিনশেষে বিষয়টা হলো বিএনপি বা খালেদা জিয়া করলে ফ্লার্টিং আর হাসিনা ও লীগ করলে সেটা হ্যারাজমেন্ট ও পৈশাচিকতা। মানে যারে দেখতে পারিনা তার চলন বাঁকা। বিচার মানে তালগাছ টা আমার।
আসলেই খালেদা জিয়া ভাগ্যবান। তিনি পাচমিশালী এক সাপোর্টারস পেয়েছেন। যারা ওনাকে অন্ধের মতো পূজা করেন। ওনার কোনো দোষ বা ভূল দেখে না।
এতকিছু বলতাম না ওনার মৃত্যুর পর। কিন্তু বাধ্য হলাম তার ভক্তকূলের একচেটিয়া আবেগ ও ইনোসেন্ট বানানো দেখে। কারন আমরা তো আর তার ফ্যানবেইজের মতো ইতর না যে একজন নারীনেত্রী কে "খান**, মা**, ডাইনী বলে গালি দিবো রাগ থেকে । আমরা নোংরামী করলে ১৫ বছরে অনলাইনে অনেক কিছুই করতে পারতাম। বাট এসব নোংরামী আমাদের আইডোলজি তে নাই। আমরা বট বাহিনী না।
খোদা হাফেজ।
পাপেট তন্ত্র।
11/12/2025
অব্যাহতি পাচ্ছেন শেখ হাসিনাসহ ৪২ জন। এখন মামলাকারী বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন তদন্ত কর্মকর্তার।
Disclaimer: In line with Meta’s Community Standards, this material is shared for journalistic purposes based on verified facts. It upholds the principles of responsible reporting and does not support or promote violence, bias, or harm of any kind.
02/12/2025
নোবেল বিজয়ী সুদখোর এখন ইন্টারনেটেও সুদ আদায় করছে : জনগণকে লুটতে কোনো খাত বাকি রাখছে না অবৈধ সরকার
জুলাইয়ের রক্তাক্ত দাঙ্গার মধ্য দিয়ে যে অবৈধ প্রশাসন ক্ষমতায় বসেছে, তাদের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি এখন মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই তথাকথিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে যা বলেছে আর যা করেছে, তার মধ্যে কোনো মিল নেই। ইন্টারনেটের দাম কমানোর কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু বিটিআরসির নিজস্ব প্রতিবেদনই বলছে গত ১৮ মাসে মোবাইল ডাটার দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
এই মূল্যবৃদ্ধি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। যে সময়টায় দাম বাড়ানো হয়েছে, ঠিক সেই সময়েই দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল হয়েছে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে যারা এসেছেন, তাদের বলা হচ্ছিল সংস্কারক, জনদরদি, দেশপ্রেমিক। কিন্তু ক্ষমতায় বসেই তারা যা করছেন তা হলো সাধারণ মানুষের পকেট কাটা। গ্রামীণফোনের প্যাকেজের দিকে তাকান। ৫ জিবি ৭ দিনের প্যাকেজ ৯৯ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪৮ টাকা। এটা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। ৩০ দিনের ৩০ জিবি প্যাকেজ ৩৯৯ টাকা থেকে লাফিয়ে উঠেছে ৫৯৯ টাকায়। আর মজার ব্যাপার হলো, গ্রামীণফোন কার কোম্পানি? মুহাম্মদ ইউনুসের।
যে মানুষটি এখন দেশ চালাচ্ছেন, যার নামে জুলাই দাঙ্গা হয়েছে, সেই মানুষের কোম্পানিই দাম বাড়াচ্ছে সবার আগে। এর চেয়ে বড় স্ববিরোধিতা আর কী হতে পারে? ইউনুস নিজে যে ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মালিক, সেই সাম্রাজ্য থেকেই সাধারণ মানুষকে লুটে নেওয়া হচ্ছে।
এপ্রিলে এই অ-সরকারই ঘোষণা দিয়েছিল ইন্টারনেটের দাম কমবে তিনটি স্তরে। আইটিসি ও আইআইজি পর্যায়ে ১০ শতাংশ, এনটিটিএন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজেই বলেছিলেন বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের মান খারাপ আর দাম অনেক বেশি। তাহলে কী হলো? সেই ঘোষণার পর থেকে দাম তো কমেনি, উল্টো বেড়েছে। মোবাইল অপারেটররা যেন সরকারের নির্দেশনাকে সরাসরি উপেক্ষা করে দাম বাড়িয়ে চলেছে।
প্রশ্ন হলো, এই সরকারের কি আদৌ কোনো ক্ষমতা আছে? নাকি পুরো ব্যাপারটাই একটা নাটক? যে সরকার নির্বাচিত নয়, যার জনসমর্থন নেই, যারা সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় টিকে আছে, তাদের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব বড় কর্পোরেট গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা? নাকি আসলে এটাই ছিল পরিকল্পনা যে ক্ষমতায় এসে জনগণের কাছ থেকে যেভাবে পারা যায় অর্থ আদায় করা হবে?
রবি, বাংলালিংক, টেলিটক সবাই দাম বাড়িয়েছে। রবির ৫ জিবি প্যাকেজ ১৪৮ থেকে ১৯৮ টাকা, বাংলালিংকের ১০৮ থেকে ১৪৯ টাকা। এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকও বাদ যায়নি। তাদের ৩০ জিবি প্যাকেজ ২৮৪ থেকে বেড়ে ৩৫৯ টাকা হয়েছে। যে সরকার নিজের প্রতিষ্ঠানের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তারা বেসরকারি অপারেটরদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে?
বাংলালিংকের কর্মকর্তা তাইমুর রহমান বলেছেন তাদের রাজস্ব কমে গেছে, ট্যাক্স ও স্পেকট্রাম খরচ বেড়েছে। এই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য? টেলিযোগাযোগ খাত বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার একটি। গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক প্রতি বছর হাজার কোটি টাকা মুনাফা করে। তাদের মুনাফার হিসাব প্রকাশ্য। আর এখন তারা বলছে খরচ বেড়েছে তাই দাম বাড়াতে হচ্ছে। কিন্তু গ্রাহকদের কথা কে ভাবছে? যাদের আয় বাড়েনি, বরং মূল্যস্ফীতির চাপে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে, তারা কীভাবে এই বাড়তি খরচ বহন করবে?
বিটিআরসির প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি প্যাকেজ ব্যবহারকারীদের মাসে অতিরিক্ত ৭৫ থেকে ২০০ টাকা খরচ বাড়ছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের কাছে এই টাকা অনেক। একজন রিকশাচালক, একজন দিনমজুর, একজন ছোট দোকানদারের কাছে মাসে ২০০ টাকা মানে তার পরিবারের একটা দিনের খাবার। কিন্তু সেই টাকা এখন যাবে মোবাইল অপারেটরদের পকেটে। আর সেই অপারেটরদের মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মালিক হলেন এই দেশ চালানো মুহাম্মদ ইউনুস।
ইউনুসের সরকার বলছে তারা তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন করবে। কিন্তু ইন্টারনেটের দাম বাড়িয়ে কীভাবে উন্নয়ন সম্ভব? অনলাইন শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সবকিছুই নির্ভর করে সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের ওপর। দাম বাড়লে মানুষ ব্যবহার কমিয়ে দেবে। ইতিমধ্যে অনেকেই কমিয়ে দিয়েছে। ফ্রিল্যান্সাররা যারা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে দেশে পাঠান, তাদের খরচ বাড়ছে। ছাত্রছাত্রীরা যারা অনলাইনে পড়াশোনা করে, তাদের পরিবারের ওপর চাপ বাড়ছে।
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ সরাসরি বলেছেন অপারেটরদের সুবিধা দেওয়ার পরও তারা গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি বিটিআরসিকে জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলেছেন। কিন্তু বিটিআরসি তো সরকারের অধীন। সেই সরকার যদি নিজেই জনস্বার্থ না দেখে, তাহলে বিটিআরসি কী করবে?
আসল সত্য হলো এই অ-সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। তারা নির্বাচিত নয়, তাই জনগণের কাছে তাদের কোনো দায় নেই। তারা ক্ষমতায় এসেছে অস্ত্রের জোরে, বিদেশি মদদে, সামরিক সমর্থনে। এখন তারা যা করছে তা হলো নিজেদের এবং নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করা। ইউনুস যখন গরিবের বন্ধু সেজে নোবেল পুরস্কার নিয়েছিলেন, তখন তার মাইক্রোক্রেডিট নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। সুদের হার, আদায়ের পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ ছিল। এখন দেশ চালানোর সুযোগ পেয়ে তিনি দেখাচ্ছেন আসল চেহারা।
গ্রামীণফোন যে দাম বাড়াচ্ছে সবার আগে, এটা কাকতালীয় নয়। এটা একটা সুপরিকল্পিত লুটপাট। যে মানুষ দেশের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বসে আছেন, তার কোম্পানি জনগণের পকেট কাটছে। আর সরকার বসে বসে দেখছে। না, শুধু দেখছে না, বরং উৎসাহ দিচ্ছে। কারণ এই লুটপাটের ভাগ তো তাদেরও পৌঁছাচ্ছে।
দেশের প্রতিটি খাতে এখন একই চিত্র। ডলারের দাম বাড়ছে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, এখন ইন্টারনেটের দামও বাড়ছে। কোনো খাতই বাকি নেই। আর এই সবকিছুর পেছনে রয়েছে একটাই উদ্দেশ্য, যত দ্রুত সম্ভব যতটা পারা যায় জনগণের কাছ থেকে অর্থ তুলে নেওয়া। কারণ তারা জানে এই ক্ষমতা বেশিদিন থাকবে না। যে ক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে, সেই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা কঠিন। তাই যতদিন আছে, ততদিন লুটে নিতে হবে।
ইন্টারনেট এখন বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন। কিন্তু ইউনুসের অ-সরকার সেটা বুঝতে চায় না বা বুঝে বুঝেও উপেক্ষা করছে। তারা জানে ইন্টারনেট ছাড়া আধুনিক জীবন অসম্ভব। তাই মানুষ বাধ্য হয়েই এই চড়া দামে ডাটা কিনবে। আর এই বাধ্যবাধকতাকেই কাজে লাগাচ্ছে অপারেটররা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক এই অবৈধ সরকার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
