14/06/2020
ভাঙ্গা উপজেলা
ভাঙ্গা উপজেলা (ফরিদপুর জেলা) আয়তন: ২১৬.৩৪ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৩°১৭´ থেকে ২৩°২৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৫৫´ থেকে ৯০°০৬´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে সদরপুর ও নগরকান্দা উপজেলা, দক্ষিণে মুকসুদপুর ও রাজৈর উপজেলা, পূর্বে শিবচর ও সদরপুর উপজেলা, পশ্চিমে নগরকান্দা ও মুকসুদপুর উপজেলা।
জনসংখ্যা ২৩২৩৮৬; পুরুষ ১১৭২৪৮, মহিলা ১১৫১৩৮। মুসলিম ২১৩৩৯০, হিন্দু ১৮৯৬৩, খ্রিস্টান ১১ এবং অন্যান্য ২২।
জলাশয় প্রধান নদী: আড়িয়াল খাঁ, কুমার, শীতলক্ষ্যা।
প্রশাসন ভাঙ্গা থানা গঠিত হয় ১৯০৮ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে।
উপজেলা
পৌরসভা ইউনিয়ন মৌজা গ্রাম জনসংখ্যা ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (১৫%)
শহর গ্রাম শহর গ্রাম
১ ১২ ১৩৬ ২০৫ ৩৯৭৪৩ ১৯২৬৪৩ ১০৭৪ ৪৬.৮ ৩৬.৩
পৌরসভা
আয়তন (বর্গকিমি) ওয়ার্ড মহল্লা লোকসংখ্যা ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার(১০%)
১৮.৩০ ৯ ২৬ ২৮০৫৭ ১৫৩৩ ৫১.৬৬
পৌরসভার বাইরে উপজেলা শহর
আয়তন (বর্গ কিমি) মৌজা লোকসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (১৫%)
১৭.০৩ ২ ১১৬৮৬ ৬৮৬ ৩৫.০
ইউনিয়ন
ইউনিয়নের নাম ও জিও কোড আয়তন (একর) লোকসংখ্যা শিক্ষার হার (৫%)
পুরুষ মহিলা
আজিমনগরগর ১৫ ৩৯৯৬ ৭৬৯৩ ৭৮২১ ৩৫.৬৮
আলগী ১৩ ৭০৫১ ১৩৯৫৭ ১৩২২১ ৩১.৮১ া
উলীবেড়াড়া ৬৩ ৫১৪৯ ৯৩১৭ ৯৪৭৭ ৩৫.৫১ া
লামৃধাধা ৫৫ ৩৭৮২ ৭৭৪৯ ৭৭৪৮ ৩৬.৪৮
ঘারুয়ায়া ৩৯ ৬১৮৬ ১১৯২৯ ১১৮০৬ ৩২.৮৬
চন্দ্রাদা ৩১ ২৮৯৬ ৬৬৫৭ ৬৭৫১ ৩৩.২৮
চুমুরদিদি ২৫ ৪৪৮৪ ৪৭৮০ ৪৮০০ ৪১.৩৬
তুজারপুর ৯৪ ৩৫৭৫ ৬৫৯০ ৬৫৩৫ ৩২.৭৫
নাসিরাবাদাদ ৭৯ ৩২২৬ ৬৫৪৭ ৬৯৮৪ ৪১.৮৮
নুরুল্লাগঞ্জগ্ম ৮৭ ৪৬০০ ৮৯৪৭ ৮৬৪৩ ৩৫.৮৭
মানিকদহদহ ৭১ ৪৫৬৪ ৯৩৭২ ৯২৩১ ৩৮.৬৬
হামিরদিদি ৪৭ ৩৯৫৪ ৯০১৬ ৮৭৫৮ ৪৩.৯৩
সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ পাতরাইল মসজিদ (১৪৯৩-১৫১৯), পাতরাইল দীঘি, মজলিশ আবদুল্লাহ খানের মাযার, রায়নগর মসজিদ (মুগল আমলে নির্মিত), খাটরার বাসুদেব মন্দির, ভাঙ্গার সিদ্ধেশ্বরী নাট্যমঞ্চ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ১ (নওয়াপাড়া)।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ ৩৮৪, মন্দির ৩৯, তীর্থস্থান ১ (খাটরা)। উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: পাতরাইল মসজিদ, রায়নগর মসজিদ, ঘারুয়া জামে মসজিদ, ভাঙ্গা বাজার জামে মসজিদ, বাসুদেব মন্দির।
শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৩৮.১%; পুরুষ ৪২.৬%, মহিলা ৩৩.৬%। কল
(Collected)
24/03/2020
করোনাভাইরাস নিয়ে খারাপ সংবাদ শুনতে শুনতে আপনি কি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন?
বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগজনক সংবাদে বিশ্ববাসী অনেকটা ক্লান্ত। তবে এর মধ্যেও আমরা কিছু স্বস্তির খবর শুনাতে চাই।
কাতারভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি ফিচারে করোনা ভাইরাস নিয়ে ১৩টি উপকারী তথ্য দেয়া হয়েছে।
এই সুসংবাদের উদ্দেশ্য এটি নয় যে, করোনার ভয়াবহতা কমে গেছে বা এটির প্রতি এখন আর গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই সরকারের স্বাস্থ্যবিধি, কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন মেনে চলতে হবে।
১. গবেষণা বলছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৯৯ শতাংশ সুস্থ হয়ে যায় এবং কিছু মানুষের ভেতর ভাইরাস থাকা সত্ত্বেও কোনো লক্ষণ প্রকাশিত হওয়ার আগেই সে সুস্থ হয়ে যায়। ফলে বুঝাই যায় না যে, সে কখনও এই মহামারিতে আক্রান্ত ছিল।
২. এই ভাইরাসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হলেও মোট মৃত্যুর হার কিন্তু অনেক কম। প্রায় ১ শতাংশ বা আরও কম। এটি গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সিন্ড্রোমের (এসএআরএস) রোগী ও ইবোলা রোগীর মৃত্যুরহারের তুলনায় অনেক কম। এসএআরএসের রোগীর মৃত্যুর হার প্রায় ১১ শতাংশ আর ইবোলা ৯০ শতাংশ।
যদিও মৃত্যুর হার গণনা একেক জনের কাছে একেক রকম। যেমন, স্পেনীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুসারে, ৭০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী করোনার রোগীদের মধ্যে মারা যাওয়ার হার ৫ শতাংশ, ৬০ থেকে ৬৯ বছর বয়সী লোকদের মধ্যে ২.১৬ শতাংশ এবং ৪০ দশকে যারা রয়েছেন তাদের মৃত্যুঝুঁকি মাত্র ০.৩ শতাংশ।
৩. শিশুদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
৪. ভাইরাসের প্রার্দুভাবের পর পরিস্থিতির গুরুতরতা সম্পর্কে বিশ্ব সম্পূর্ণরূপে অবগত। সে কারণেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সরকারগুলো এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে চলছে।
৫. বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস কিভাবে মানব কোষগুলো সংক্রামিত করে তা খুঁজে পেয়েছেন। যা চিকিৎসা বিকাশে ব্যাপকভাবে সহায়তা করবে।
৬. উন্নত দেশগুলো করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছে। করোনাভাইরাসটির সম্ভাব্য চিকিৎসা এবং ওষুধ আবিষ্কারের জন্য বেশ কয়েকটি দেশের অংশগ্রহণে গবেষণা কাজকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
৭. জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আর্টুরো কাসাদেভালের মতে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে অ্যান্টিবডিগুলো সংগ্রহ করে সেগুলো ঝুঁকিতে থাকা লোকদের সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা যায়।
৮. অস্ট্রেলিয়ান গবেষক অধ্যাপক ক্যাথরিন কিডজারকা করোনাভাইরাসের জন্য দুটি ওষুধ পরীক্ষা করছেন। তারা নির্ণয় করতে পেরেছে, কিভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। গবেষণাটি নেচার মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৯. জাপানের একটি ওষুধ চীনের উহান এবং শেনজেনে ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরীক্ষার পরে ফেভিপিরাবির নামে পরিচিত করোনার কার্যকর চিকিৎসায় সাফল্য দেখিয়েছে।
১০. জার্মান সংস্থা করভ্যাকের প্রধান ফ্রাঞ্জ ফার্নার হাসি বলেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কয়েক হাজার মানুষ আগামী শরতে এই ভ্যাকসিনটি পেতে পারেন। তিনি আরও বলেন, সংস্থার বিজ্ঞানীদের অগ্রগতির হলে এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলো আগামী গ্রীষ্মে চালু করা হবে।
১১. চীন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে পাঁচটি ভিন্ন ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং বলেছে যে এপ্রিলের মধ্যেই এটির একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত হতে পারে।
১২. জার্মানিতে ট্রপিকাল মেডিসিন ইনস্টিটিউট মানব-পরীক্ষায় ক্লোরোকুইন ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে। যা ম্যালেরিয়ার ড্রাগ ইন্সটিটিউটের পরিচালক পিটার ক্রেমসনার এই সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন যে ক্লোরোকুইন সম্ভবত করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
ক্রেমসনার আরও জানান, বিপুল সংখ্যক কোভিড -১৯ রোগী চীন এবং ইতালিতে ক্লোরোকুইন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে।
১৩. যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ড্রাগ, রিমিজভির এশিয়ার ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলোর ওপর চূড়ান্ত গবেষণা চলছে। চীনের চিকিৎসকরা বলেছেন যে এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
আল-জাজিরা আরবি অবলম্বনে- মুহাম্মদ শোয়াইব
23/03/2020
রাজা তার আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাস করলেন-
: আমি মৎস শিকারে যেতে চাই , আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে বলে জানা গেছে ?
সে বল্লো -
: আজকে অতীব সুন্দর, রৌদ্রোজ্জ্বল এবং চমৎকার আবহাওয়া থাকবে জাহাপনা ! আপনি নিঃশংক চিত্তে যেতে পারেন ।
রাজা বের হলেন । রাজা যখন সাগর পাড়ে গেলেন , সাগর পাড়ে এক জেলে ছাগল চড়াচ্ছিলো , সে বললো-
: মহারাজ আজকে কেন আপনি সাগরে যাচ্ছেন ? একটু পরেই তাে ঝুম বৃষ্টি হবে !
রাজা রেগে বল্লেন -
: বেটা জেলের বাচ্চা ! তুই কি জানিস আবহাওয়ার খবর ? আর আমাকে কি মূর্খ পেয়েছিস! আমি খবর জেনে তবেই এসেছি ।
রাজা সাগরে গেলেন , কিছুক্ষণ পর শুরু হলাে ঝুম বৃষ্টি ! রাজা প্রাসাদে ফিরে এসে আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে বরখাস্ত করলেন, তারপর ঐ জেলেকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন ! জেলে তো পড়লাে মহা বিপদে! সে তাে আবহাওয়ার কিছুই জানে না! রাজ দরবারে গিয়ে জেলে কেঁদে বল্লো-
: মহারাজ আমাকে যেতে দিন! আমি আসলে আবহাওয়ার কিছুই জানি না।
রাজা বল্লো -
: তাহলে ঐ দিন আমার আবহাওয়া বিভাগে চেয়েও সঠিক খবর তুই কি করে দিলি !
জেলে উত্তর দিল ,
: মহারাজ সেখানে আমার কোন কৃতিত্ব ছিল না ! সব কৃতিত্ব আমার ছাগলের ! বৃষ্টি আসার আধাঘন্টা আগে থেকে ছাগলটা ঘনঘন মুতে ! এর থেকে আমি বুঝতে পারি একটু পর বৃষ্টি হবে !
তারপর রাজা জেলেকে ছেড়ে দিয়ে তার ছাগলটাকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন ! সেই থেকেই বড় বড় পদগুলােতে ছাগল নিয়ােগ দেওয়ার রীতি চালু হয়।
COLLECTED
23/03/2020
জেনে নিন #করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার ৫টি উপায়:
💧 সঠিক নিয়ম মেনে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে,
💪 হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু অথবা কাপড় দিয়ে বা বাহুর ভাঁজে নাক-মুখ ঢেকে নিতে হবে,
🐂 বাজারে কোন প্রাণীকে স্পর্শ করা যাবেনা,
😷 শিশুকে ঠাণ্ডা- কাশিতে আক্রান্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে দূরে রাখতে হবে এবং
👩⚕️ শিশুর জ্বর বা ফ্লুর কোন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
25/09/2019
এক নজরে আমাদের স্বপ্নের শহর ভাঙ্গা
#ভাঙ্গা উপজেলা
ভাঙ্গা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।
#অবস্থান
ভাঙ্গা ফরিদপুর সদর থেকে ২৮ কিঃ মিঃ পূর্বে কাওরাকান্দি থেকে ২০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ পশ্চিমে। ভৌগোলিক বিবেচনায় ভাঙ্গার পশ্চিমে ফরিদপুর জেলায় নগরকান্দা উপজেলা, পূর্বে মাদারিপুর জেলার রাজৈর উপজেলা, উত্তরে ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলা এবং দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা। এটি ঢাকার অদূরে অবস্থিত।
২১৪, ফরিদপুর-৪। আয়তন ২১৭.৫৩ বর্গ কিমি। ইউনিয়ন ১২ টি, মৌজা ১৩৬ টি, গ্রাম ২২৭ টি। ইউনিয়ন গুলি হচ্ছে:
১) মানিকদাহ
২) হামিরদিহ
৩) নুল্লাগঞ্জ
৪) চান্দ্রা
৫) কালামৃধা
৬) আজিম নগর
৭) তুজার পুর
৮) নাছিরাবাদ
৯) ঘাড়ুয়া
১০) কাউলিবেড়া
১১) চুমুরদী
১২) আলগী
#ইতিহাস
ভাংগা কুমার নদীর পাড়ে অবস্থিত। কথিত আছে কুমার নদীর পাড়ে কুমারগঞ্জ নামে একটি বিরাট হাট বসত। কোন এক সময় হাটকে কেন্দ্র করে কুমার নদীর এপার ওপারের লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগে এবং দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে ওপারের লোকজন কুমারগঞ্জের হাট ভেঙ্গে ওপারের হাট চালু করে। চালুকৃত হাটকেই ভাঙ্গার হাট নামে নামকরণ করা হয়। এ থেকেই ভাংগা উপজেলার উৎপত্তি।
#জনসংখ্যার উপাত্ত
এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২,৩২,৩৮৬ জন (প্রায়)।
#ধর্ম
মুসলিম ৯০.৩৫%; সনাতন ধর্মী ৯.৫২%; অন্যান্য ০.১৩%।
#ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
মসজিদ ৪০৬ টি, মন্দির ৪২ টি, তীর্থস্থান-১(খাটরা),
#নদনদী
ভাঙ্গা উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে আড়িয়াল খাঁ নদী, কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ) এবং পুরানো কুমার নদী।
#শিক্ষা
এই উপজলার শিক্ষার হার=৬৫%। পুরুষ=৬৮% এবং মহিলা=৬২%।
#শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কলেজ ৩ টি; উচ্চবিদ্যালয় ১৭ টি; জুনিয়র হাই স্কুল ২ টি; বালিকা বিদ্যালয় ১ টি; প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭৩ টি; মাদ্রাসা ১৩ টি; এতিমখানা ২।
#অর্থনীতি
এই এলাকার অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে কৃষি কাজ। মালিকগ্রামের পাটের হাট ও গরু হাটের সুনাম সারা বাংলাদেশে রয়েছে।
#কৃতী ব্যক্তিত্ব
তারেক মাসুদ,
অ্যাডভোকেট সারোয়ার জান মিয়া
মনিরুজ্জামান মন্নু মিয়া (চেয়ারম্যান) ,
কাজী জাফরউল্ল্যা
নিক্সন চৌধুরী,
আবু ফয়েজ রেজা
শাহাদাত হোসেন ,
খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম
শামসুদ্দীন মোল্লা
শাহরিয়ার রুমি মোল্লা,
ফকির আলমগীর ।
#প্রত্নসম্পদ
১) নুরপুর তারেক মাসুদ এর বাড়ি
২) পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি
৩) মজলিশ আব্দুল খানের মাযার
৪) খাটরার বাসুদেব মন্দির
৫) সিদ্ধেশ্বরী নাট্যমঞ্চ
৬) মালিকগ্রাম পাল বাড়ি
৭) নারান দাসের ভিটা
৮) রায় বাড়ি
৯) ঘাড়ুয়া ইউনিয়ন এর উত্তর চানপট্টি গ্রামের ৭ টি গায়েবি গাছ আছে ।
Collected
09/08/2019
হত্যা করে গরু কুরবানী করছেন না তো?
""একটি ছোট্ট ভুল এবং বাতিল হয়ে যাওয়া কুরবানী।""
সকল কুরবানী দাতাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।
১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে আমাদের করা ছোট্ট একটি ভুলের কারণে সম্পূর্নরুপে বাতিল হয়ে যেতে পারে আমাদের অত্যন্ত যত্নের সাথে আদায়কৃত আল্লাহর মহান হুকুম কুরবানী।
★পশু জবেহ সম্পন্ন হবার পর একটি ছোট তীক্ষ্ণ ছুড়ি দ্বারা জবেহের স্থানে খোঁচা দেয়ার একটা সিস্টেমের সাথে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই পরিচিত। আমাদের অনেকেরই ধারণা, এই কাজটার মাধ্যমে পশু দ্রুত মারা যায় এবং কষ্ট কম পায়। এই ছোট্ট একটা ভুলই আমাদের কুরবানী বরবাদ করে দেবার জন্য যথেষ্ট।
★পশু জবেহ সহীহ হবার শর্ত হলো:-
পশুর অন্তত মূল তিনটি রগ কেটে দেয়া। আর মূল তিনটি রগ কেটে দিলে, রক্তক্ষরনের স্বাভাবিক ফলস্বরুপ পশুটি খুব দ্রুত মারা যায়।
★আমরা একটু অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে পশুটার মেরুদন্ডের ভেতর তীক্ষ্ণ ছুড়ি ঢুকিয়ে "মেরুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড" বিচ্ছিন্ন করে দ্রুত মেরে ফেলার চেষ্টা করি। স্পাইনাল কর্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পশুর মস্তিষ্ক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এর ফলে পশুটি হার্ট এটাক করে এবং মারা যায়।
অনেক সময় এভাবে দ্রুত পশুটিকে শান্ত করতে গিয়ে কুরবানীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং পশুটি জবেহ না হয়ে, হত্যা হিসেবে পরিগণিত হয়।
★চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পন্থা অত্যন্ত গর্হিত এবং বিপদজনক। স্পাইনাল কর্ড কেঁটে গেলে পশুর দেহের মাংশপেশিতেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং ফলশ্রুতিতে গোশত দূষিত হয়ে পরে। এই গোশত ভক্ষণে ক্যান্সার, এইচবিএএস-সহ অন্তত ১৮ প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
(সবাই বেশি লেখাটি শেয়ার/কপি পোস্ট করি ছবিসহ)
এতএব,
কুরবানী দাতা সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে, ১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে, দয়া করে আপনার কুরবানীকে বরবাদ হয়ে যাওয়া থেকে হেফাজত করুন।
আমিন।
( লেখাটি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে )
01/08/2019
ঔষধ কোম্পানির ট্যাবলেট এর পাতায় কেন মূল্য লেখা হয়না?
ফার্মেসী গুলো ওদের ইচ্ছে মতো মেশিনে দাম হিসাব করে হাতে ধরিয়ে দিয়ে দেয়, যার সমন্দে আমাদের সাধারণ ক্রেতাদের মনে প্রশ্ন থেকে যায়!!
#মূল্য_চাই_ঔষধের_পাতায়☝
24/07/2019
লেখাটা খুব সময়োপযোগী মনে হল, তাই শেয়ার করলাম।
"প্রথমে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সচেতনতা মুলক পোষ্ট।
বিয়ের খাবার টেবিল। আমার পাশে দুইটা বাচ্চা বসা, সাথে মা। একটার বয়স ৭-৮ আরেকটার বয়স ৪-৫। মজার বিষয় হচ্ছে দুইজনের প্লেটে খাবার পরিমান একজন পুর্নবয়স্ক মানুষের খাবার সমান। খেয়াল করলাম, প্লেটে যা খাবার আছে তার চার ভাগের এক ভাগও বাচ্চাগুলা খায়নি। পুরাটা অপচয়ের খাতায়!
এটা না হয় বাচ্চা, বয়স্ক বিশেষ করে মহিলাদের অবস্থা এর থেকে বেশি ভালো ছিল না। একটা ভয়ঙ্কর সাইকোলজি কাজ করে আমাদের। যে টাকার গিফট দিয়েছি তা উদ্ধার করে ছাড়ব। উদ্ধার করতে গিয়ে এই ভয়াবহ অপচয়।
গত বছর এক প্রোগ্রামে হোটেল রেডিসনের খাবার টেবিলে যা দেখলাম তা আমাকে আবার ভাবিয়ে তুলে। আমার টেবিলের বাকি ৭ জন কেউই খাবারের অর্ধেকও খায়নি। সমাজের শিক্ষিত লোকেরা যদি এই ভাবে অপচয় করে তাহলে কাকে কি বলব? প্লেটের খাবার শেষ করাটা যদি খ্যাত পর্যায়ের হয় তাহলে নিঃসন্দেহে আমি সবচেয়ে বড় খ্যাত।
আসলে খারাপ লাগে দেখে এই কথা বলছি। বড় ধরনের সচেতনতার প্রয়োজন আছে। এই সমাজের কিছুটা বাস্তব চিত্র আর খুব নিন্ম শ্রেণীর মানুষের অবস্থা দেখে বড় হয়েছি। বাড়িতে মা-চাচিরা ভাত রান্না করার পরে দুপুরে বস্তির মেয়েগুলা প্রতিদিন বাড়ির সামনে পাতিল নিয়ে বসে থাকত। না ভাতের জন্য না, ভাতের মাড়ের জন্য!
সারা বছর বিয়ে, বৌভাত, গায়েহলুদ, বার্থডে, ম্যারেজডে, দাওয়াত, মেজবান, আকিকা, মিলাদ, শ্রাদ্ধ, কুলখানি, কোরানখানি, চল্লিশা, সেমিনার, ওয়ার্কশপ, মাহফিল, রাজনৈতিক সভা রমজানে আরেকটা যোগ হয় ‘ইফতার পার্টি”। হয়ত বলবেন ‘আমার টাকা আছে আমি অপচয় করি, তোর সমস্যা কি?’
আমি একটা গল্প বলি। একবার ভারতের টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান রতন টাটা বন্ধু সহ জার্মানিতে বেড়াতে গেলেন। একটা রেস্তুরেন্টে ঢুকে তারা খাবার খেয়ে এক-তৃতীয়াংশ না খেয়ে বের হয় যাচ্ছিলেন। রেস্টুরেন্টে বসা কিছু বৃদ্ধ মহিলা তাদেরকে বললেন খাবারগুলো অপচয় না করতে। টাটার এক বন্ধু জবাব দিলেন, “ আমার টাকা দিয়ে কিনেছি, আমি খাব না; আপনাদের কি?” এক বৃদ্ধা রাগান্বিত হয়ে ফোন উঠিয়ে কল দিলেন আর কিছু সময়ের মধ্যে উনির্ফম পরা সোশাল সার্ভিসের এক লোক হাজির। সব শুনে টাটার দলকে ৫০ ইউরো জরিমানা করে বললেন, "Order what you can consume, money is yours but resources belong to the society. There are many others in the world who are facing shortage of resources. You have no reason to waste resources."
আমরা যে ভাবে খাবার অপচয় করি তা রীতিমত এক ভয়াভহ দৃশ্য। যেখানে আমাদের প্রায় ছাব্বিশ শতাংশ (২৬%) মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে সেখানে এই রকম অপচয় আমাদের জন্য বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই না!
যারা সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম গ্রহন করেছেন; যারা শহরের লাল, নীল আরও কত জমকালো বাতির করণে ওই প্রত্যন্ত অঞ্চলের অন্ধকার জগতটাকে দেখতে পান না; যারা এই শহরের উশৄঙ্খল ডিজে পার্টি আর ব্যান্ড - এর আওয়াজের কারণে ক্ষুধার্ত মানুষগুলোর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান না; যারা এই শহরের চাইনিজ, BFC আর KFC এর স্বাদের কারণে ঐ গ্রাম্য অঞ্চলের তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ পান না তাদেরকে বলছি; মানুষের মৌলিক অধিকার নষ্ট করছেন যে ভাবে সেটা কি দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা নয় কি?
আমি আবারও বলছি, “Money is yours but resources belong to the society. You have no right to waste resources.”
#
22/07/2019
গণ পি.. টু নি থেকে নিরাপদ – রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলে ধ রা সন্দেহে গণ পি.. টু নিতে নি হ ত হয়েছেন কয়েকজন নিরহ মানুষ। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
সম্প্রতি গণ পি.. টু নির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের।
এ ঘটনা সামাল দিতে পুলিশ সদর দপ্তর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মা থা লাগবে’ বলে গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলে ধ রা সন্দেহে গণ পি.. টু নিতে মর্মা ন্তিকভাবে কয়েকজনের প্রাণ হা নি ঘটেছে।
গুজব ছড়িয়ে ও গ ণ পি.. টু নি দিয়ে হ.. ত্যার ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। দ্রুতই জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছেলে ধ রা সন্দেহ হলে গণ পি.. টু নি না দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
নাগরিক হিসেবে চলমান পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটার আগ পর্যন্ত কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারি আমরা। যেমন:
১. অপরিচিত এলাকায় যাওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং গেলে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
২. অপরিচিত কোথাও গেলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে এদিক সেদিক উদভ্রান্তের মতো তাকানো থেকে বিরত থাকুন।
৩. কারও সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তার সাথে আগেই যোগাযোগ করে নিন, সারপ্রাইজ দিতে কিংবা কোনো কারণেই না জানিয়ে যাবেন না
৪. নিজের বাচ্চাকে তার মাকে ছাড়া কোথাও নিয়ে যাবেন না। বিশেষ করে যেসব বাচ্চারা ছিচকাদুনে এবং খালি বায়না ধরে তাদের নিয়ে কয়েকটা দিনের জন্য দূরত্বে বের হবেন না।
৫. যদি আপনি চাকরীজীবী হোন, তাহলে প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড সাথে রাখুন, প্রয়োজনে অপরিচিত এলাকায় গেলে গলায় ঝুলিয়ে রাখুন।
৬. কেউ কোন প্রশ্ন করলে থতমত খাবেন না; সহজভাবে উত্তর দিন। ভাব নিতে যাবেন না।
৭. রাস্তা-ঘাটে কারো সাথে উটকো ঝামেলায় জড়াবেন না।
৮. এ ধরণের ঘটনা দেখলে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে পুলিশকে জানান।
৯. যদি আপনি কোনো এলাকায় নতুন হোন (আপনাকে যদি কেউ না চিনে থাকে) তাহলে কর্মক্ষেত্র থেকে সরাসরি বাসায় চলে আসুন
১০. সর্বোপরি, এ অবস্থার দ্রুতই অবসান হবে আশা করি। তাই আত ঙ্কিত হবেন না।