বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority

Share

জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য

নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা, খাদ্যশিল্প ও খাদ্য ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের সহযোগিতায় যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক বিধি-বিধান তৈরি ও কার্যকর প্রয়োগ এবং খাদ্য শৃঙ্খল পরিবীক্ষণ এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনার সাথে নিয়োজিত সংস্থাসমূহের কার্যক্রম ফলপ্রসূভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা

03/06/2026

খাবার নিরাপদ রাখার ৫ চাবিকাঠির ৩য় চাবিকাঠি: সঠিকভাবে রান্না করুন।
নিজে জানুন, শেয়ার করুন- অন্যকে জানান।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 20/05/2026

"গ্রামীন ডানোন ফুডস লিমিটেড" বেতগাড়ি, বনানী, সাজাহানপুর, বগুড়ায় অভিযান !! ৩,০০,০০০/- (তিন লাখ টাকা) জরিমানা।।

অদ্য ২০/০৫/২৬ ইং তারিখ সকাল ১১.০০ টা থেকে দুপুর ০২.০০ মিনিট পর্যন্ত সাজাহানপুর উপজেলার বেতগাড়ি, বনানী এলাকায় "গ্রামীন ডানোন ফুডস লিমিটেড" এর কারখানায় উপজেলা প্রশাসন, সাজাহানপুর, বগুড়া এর সহযোগিতায় মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

মনিটরিংকালে-
১. "প্লেইন ইয়োগার্ট" ব্র্যান্ড নামের শক্তি দইয়ে কালার এবং ফ্লেভার ব্যবহার করলে তা মোড়কে উপাদান হিসেবে ঘোষণা করছে না মর্মে প্রতীয়মান হয়;
২. "ফর্টিফাইড টক দই" ব্র্যান্ড নামের টক দইয়ে STPP (সোডিয়াম ট্রাই পলিফসফেট) ব্যবহার করলেও তা মোড়কে উপাদান হিসেবে ঘোষণা করছে না মর্মে প্রতীয়মান হয়; উল্লেখ্য, STPP প্রি-ডায়বেটিক, ডায়াবেটিক, কিডনি রোগী এবং শিশুদের জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর রাসায়নিক।
৩. দই তৈরির মূল উপাদান "দুধ" নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে "টেট্রাসাইক্লিন" এবং "বিটা ল্যাকটাম" এন্টিবায়োটিক এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। যা অধিকতর পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

উক্ত অপরাধে "গ্রামীন ডানোন ফুডস লিমিটেড" বেতগাড়ি, বনানী, সাজাহানপুর, বগুড়াকে সহকারী কমিশনার (ভূমি), সাজাহানপুর, বগুড়া ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জান্নাতুল ফেরদৌস ঊর্মি এঁর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩২(ক) ধারা লঙ্ঘন জনিত অপরাধে ৩,০০,০০০/- (তিন লাখ টাকা) জরিমানা আরোপ এবং আদায় করা হয়।

এসময় জনাব মোঃ রাসেল, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বগুড়া ও জনাব মোঃ ফারুক হোসেন, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, সাজাহানপুর, বগুড়াসহ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বগুড়া জেলা কার্যালয়ে অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন সাজাহানপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম।

এসময় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে সরকারের সকল আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 20/05/2026

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অদ্য ২০ মে ২০২৬ খ্রি. রোজ বুধবার রাঙামাটি জেলার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত পরিচালনা করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট শিমু সরকার। অভিযানে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন জনাব সৌরভ রায়, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, রাঙামাটি , জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাঙামাটি পৌরসভা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাঙামাটি সদর, সহায়ক স্টাফবৃন্দ, ও রাঙামাটি সদর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম।

অভিযানকালে রাঙামাটি পৌরসভার কলেজগেট, নিউ কোর্ট রোড, ও পৌরসভা গেট এলাকায় নিন্মোক্ত প্রতিষ্ঠান সমুহে অভিযান পরিচালিত হয়।
১।হাজী নান্না বিরিয়ানি, বনরুপা বাজার।
২। কুটুম বাড়ী রেস্তুরা, বনরুপা বাজার।
৩। মায়ের দোয়া হোটেল, কলেজ গেইট।
৪। মধুবন, বনরুপা বাজার।

এইসময় নান্না বিরিয়ানি, বনরুপা বাজার এ বিভিন্ন অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম পোড়াতেলের ব্যবহার, ফ্রিজে পচা ও বাসি খাবার রাখা, কাচা ও রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, খাবারে অজানা রাসায়নিক এর ব্যবহার, যথাযথ ভাউচার ও চালান কপি না রাখা, ময়লা ও স্যাতস্যাতে পরিবেশে খাবার তৈরি, রান্নাঘরের পাশেই টয়লেট এর উপস্থিতি ইত্যাদি।
উক্ত অসংগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় হাজী নান্না বিরিয়ানি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩৮ ধারায় ১০০০০০/- টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।

এবং মায়ের দোয়া হোটেল কলেজ গেইট বাজার এ বিভিন্ন অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম ময়লায় ভরা রান্না ঘরে খাবার রাখা ও তৈরি করা, খাবারে খাবারে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ও মাত্রারিক্ত এমোনিয়াম ব্যবহার , যথাযথ ভাউচার ও চালান কপি না রাখা, ময়লা ও স্যাতস্যাতে পরিবেশে খাবার তৈরি ইত্যাদি।
উক্ত অসংগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় মায়ের দোয়া হোটেল কলেজ গেইট কে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩৮ ধারায় ১০০০০০/- টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।
এছাড়া অভিযানকালে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমুহে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে খাবার তৈরির নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 20/05/2026

২০ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার সিলেট জেলার দক্ষিন সুরমায় উপজেলার কায়েস্তরাইল এলাকার সড়কের সম্মূখে অবস্থিত আশা আইসবার নামক প্রতিষ্ঠানে জনাব মো: পারভেজ, সহকারী কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, সিলেট ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, সিলেট কর্তৃক নিরাপদ খাদ্য আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে আশা আইসবার নামক প্রতিষ্ঠান এ আইসক্রীম উৎপাদনে বেশকিছু অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। তারই ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ আবু হানিফ-কে এক বছরের কারাদন্ড প্রদান ও বিপুল পরিমাণে ভেজাল আইসক্রীম জব্দপূর্বক ধ্বংস করা হয়।
জনাব সৈয়দ সারফরাজ হোসেন , নিরাপদ খাদ্য অফিসার, সিলেট জেলা সার্বিক সমন্বয়ে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে জনাব মো: সাইফুল ইসলাম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, জনাব মো: আব্দুল মুমিত, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সিলেট সিটি কর্পোরেশন সহ একটি চৌকস টিম উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত মোবাইল কোর্টে পরিলক্ষিত সমস্যাগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ
১। আইসক্রীম তৈরীতে অননুমোদিত টেক্সটাইল কালার এর ব্যবহার।
২। নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রীম তৈরী করা হচ্ছে।
৩। আইসক্রীম তৈরীর সরঞ্জামগুলো খুবই অপরিষ্কার।
৪। আইসক্রীম তৈরীতে পাইপ এর মাধ্যমে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পানির ব্যবহার।
৫। চিনির বদলে সোডিয়াম সাইক্লামেট এর ব্যবহার এবং উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
৬। মিথ্যা লেবেলিং দিয়ে প্যাকেটিং করে আইসক্রীম বিক্রি করা হয়।
৭। আইসক্রীম ফ্যাক্টরীর ভিতর এবং বাহিরের অংশ অপরিষ্কার।
৮। ভেজাল দুধ এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 20/05/2026

২০/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে জেলা প্রশাসন, নরসিংদী এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, নরসিংদী এর সমন্বয়ে ঢাকা বেকারী, মাধবদী, নরসিংদীতে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে বেকারিতে মানব স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনিবন্ধিত উপায়ে নিম্নমানের খাদ্যপণ্য উৎপাদন, খাদ্যপণ্য লেবেলিংয়ে ভবিষ্যৎ তারিখের ব্যবহার, বিএসটিআই সনদ ছাড়াই লোগো ব্যবহার, বিপুল পরিমাণ পোড়াতেলের উপস্থিতি সহ নানাবিধ অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী ১,০০,০০০ টাকা এবং ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী ৫০,০০০ টাকা মোট দেড় লক্ষ টাকা (১,৫০,০০০/-) জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।
উক্ত আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন মাধবদী থানা পুলিশ ও র‍্যাব এর একটি চৌকস দল।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 19/05/2026

দিনাজপুর শহরের পুলহাট এলাকায় আল-বাঈত বেকারিতে যৌথ অভিযান: চালানবিহীন খোলা রং জব্দ ও জরিমানা
আজ ১৯/০৫/২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসন, দিনাজপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, দিনাজপুরের যৌথ উদ্যোগে দিনাজপুর শহরের পুলহাট এলাকার আল-বাঈত বেকারিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটিতে চালানবিহীন খোলা কাপড়ের রং, লেবেলবিহীন প্যাকেটজাত সামগ্রী, বিষ্ঠাযুক্ত ডিম, খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত খবরের কাগজ এবং বাসি খাদ্য উপকরণসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে এসব সামগ্রী জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্বেও এ ধরনের অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
এ সকল অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আরফাত উদ্দীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার জনাব গৌতম কুমার সাহা।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 19/05/2026

১৮ মে ২০২৬ তারিখে একটি তেল, ঘি, বাটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কারখানায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়সণগঞ্জ, র‍্যাব ১১ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, নারায়ণগঞ্জ ও জেলা পুলিশ কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে পরিলক্ষিত হয় যে কারখানায়-

১. হালনাগাদকৃত বিএসটিআই এর লাইসেন্স / অনিবন্ধিত অবস্থায় ঘি, উতপাদন মোড়ক জাতকরন, সংরক্ষণ ও বিপনন করতে দেখা যায়।অন্যান্য পন্যের বিএস টি আই সনদ সহ ও অন্যান্য লাইসেন্স পাওয়া যায়নি।
2.ঘি ও বাটার ওয়েল উতপাদনে ২ টি নাম বিহীন উপকরণ ব্যবহার করতে দেখা যায়, যা লেবেলিং এ উল্লেখ করা হয়নি।
3. ক্রিম/ কাচামাল ক্রয় বিক্রয় রশিদ/ শনাক্তকরণ উৎস সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি৷
4. বাটার ওয়েলের ক্ষেত্রে রঙ ব্যবহার করতে দেখা যায়।
5. অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করণ করতে দেখা যায়।

এসকল অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব তারিফ আল তাওহীদ এঁর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে প্রতিষ্ঠানের মালিক কে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৯ ধারা অনুসারে অনিবন্ধিত অবস্থায় খাদ্যপন্য উতপাদনের জন্য এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

অভিযানে জনাব সুরাইয়া সাইদুন নাহার, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, জনাব মো: শাহজাহান হালদার , নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, সদর, নারায়ণগঞ্জ,কমান্ডার, র‍্যাব ১১,নারায়ণগঞ্জ এবং অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন র‍্যাব -১১ ওপুলিশ সদস্যবৃন্দের দুইটি চৌকস টিম। জনস্বার্থে অভিযান চলমান থাকবে।

18/05/2026

খাবার নিরাপদ রাখতে কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখুন, পরিষ্কার দা-বটি ও ফুড-গ্রেড পাত্র ব্যবহার করুন।
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 12/05/2026

*ফরিদপুরে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোবাইল কোর্ট: ১ লক্ষ টাকা জরিমানা*
🗓️ তারিখ: ১২ মে ২০২৬
📍 স্থান: রূপালী ফিস, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার, ফরিদপুর

অদ্য ১২ মে ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসন, ফরিদপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ফরিদপুর-এর যৌথ উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী একটি সমন্বিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জনাব দেব কুমার পাল, সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং পার্থ প্রতীম মন্ডল, সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানে জনাব মো: আজমুল ফুয়াদ, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ফরিদপুর সার্বিক বিষয়ে সমন্বয় করেন। এছাড়া উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং ফরিদপুর জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।

অভিযানকালে নিম্নোক্ত অনিয়মসমূহ পরিলক্ষিত হয়:
১. নিম্নমানের ও পচনশীল মাছ সংরক্ষণ।
২. প্রিমিসেস লাইসেন্স ও মেডিক্যাল সনদের অনুপস্থিতি।
৩. অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ফ্রিজে মাছ সংরক্ষণ।
৪. সংরক্ষিত মাছের ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত রশিদ ও চালান সংরক্ষণ না করা।
৫. নির্ধারিত পদ্ধতিতে চিহ্নিতকরণ ও লেবেল সংযোজন ছাড়া মাছ সংরক্ষণ।
৬. অনিবন্ধিত অবস্থায় মাছ সংরক্ষণ ও বিক্রয়।
৭. বিদেশি (ইমপোর্টেড) মাছ দাবি করে অধিক মূল্যে বিক্রি করলেও সংশ্লিষ্ট সহায়ক কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়।

উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়। একই সাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

Photos from বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Bangladesh Food Safety Authority's post 12/05/2026

*শরীয়তপুরে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোবাইল কোর্ট: ২ লক্ষ টাকা জরিমানা*

অদ্য ১২ মে ২০২৬ তারিখে উপজেলা প্রশাসন, শরীয়তপুর সদর, শরীয়তপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, শরীয়তপুর -এর যৌথ উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং বাজার (উত্তর প্রান্ত) এলাকায় একটি সমন্বিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জনাব নাফিস এলাহী, সহকারী কমিশনার(ভূমি), শরীয়তপুর সদর, শরীয়তপুর। অভিযানে জনাব সুব্রত ভট্টাচার্য্য, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, শরীয়তপুর সার্বিক বিষয়ে সমন্বয় করেন। এছাড়া উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং শরীয়তপুর জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।

অভিযানকালে নিম্নোক্ত অনিয়মসমূহ পরিলক্ষিত হয়:
১. খাদ্য স্থাপনার পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত না থাকা।
২. দই ও ঘিতে বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না থাকা।
৩. দই ও ঘি এর পাত্রে যথাযথ লেবেলিং (উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ ইত্যাদি) না থাকা।
৪. সকল খাদ্যপণ্য ঢেকে না রাখা।
৫. সকল খাদ্যপণ্য মাটি থেকে কমপক্ষে ৬ ইঞ্চি উপরে না রাখা।
৬. খাদ্যকর্মীদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা।
৭. সকল খাদ্যপণ্যের চালান যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা।

উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

অভিযানকালে এই সকল অনিয়মের জন্য অত্র এলাকার "গোপাল ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার" এবং " হারু ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার" এর স্বত্বাধিকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৯ মোতাবেক "গোপাল ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার" কে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা এবং " হারু ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার" কে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৮ মোতাবেক ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়। একই সাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


BSL Office Complex (Beside Hotel InterContinental Dhaka), Bhaban 2, (Level 4, 5, 6), , 119 Kazi Nazrul Islam Avenue
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00