মধ্যপ্রাচ্যে ইরানে হামলা করার মাধ্যমে আমেরিকা-ইসরায়েল অঘোষিত ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করল। ইরান এখন তার সর্বোচ্চ দিয়ে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে যা মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবগুলো দেশে আঘাত হেনেছে। এমনকি ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসেও যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। এই যুদ্ধ এখন পুরো বিশ্বে ছড়াবে। ইরানকে চীন, রাশিয়া প্রকাশ্যে সমর্থন না জানালেও গোপনে যে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তা গত কয়েকদিনে ইরানের পাল্টা হামলার ব্যাপকতা ও তাদের আহত সিংহের মত মধ্য প্রাচ্যে আমেরিকার যত অস্তিত্ব আছে তাতে বার বার হামলার ধরণ থেকেই বোঝা যায়। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে। তাছাড়া সৌদিতে অবস্থিত আমেরকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর স্টেশনে হামলা চালিয়েছে। শুধু তাই নয় আমেরিকান যারা বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করেছে সেখানেও হামলা চালিয়েছে। ইরানের স্রেফ ঘোষণা তারা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার অস্তিত্ব রাখবেনা। তাদের আর হারানোর কিছু নেই। তাই তারা এবার মরণ কামড় দিচ্ছে। তাছাড়া এই হামলায় আমেরিকা যে ভালোই চাপে আছে তা ট্রাম্প প্রশাসনের ভিতরে সমালোচনার মধ্যেই প্রকাশ পাচ্ছে। সাবেক মার্কিন নৌ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক স্কট রিটার বলেছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প ইরান হামলার প্রথম দিন থেকেই পরাজিত। প্রথম আঘাতেই আলী খামেনির প্রতি ইরানিদের আনুগত্য বেড়ে গিয়ে এই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইউটিউবে জর্জ গ্যালাওয়েকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
Step Forward
We are trying to post related to beautiful nature, life, fruits, vegetables farming, survival life etc.
01/03/2026
আমেরিকা ও ইসরায়েল নৃশংস ভাবে ইরানের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী সহ শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নির্মভাবে হত্যা করে। আমেরিকা একটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তারা কোনো রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা চায় ইরানী জনগন রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটিয়ে তাদের মদদপুষ্টের অনুগত সরকার বসাতে। ইরানি জাতীয়তাবাদ বেশ পোক্ত। ইরানে যেমন বেশ কিছু জনগন ইসলামি শাসন চায়না তেমনি তারা ইসরায়েল ও আমেরিকার আগ্রাসনও মেনে নিবে না। তাছাড়া আয়াতুল্লাহ খামেনী আগে থেকে তিন চার স্তর বিশিষ্ট নেতৃত্ব ঠিক করে গিয়েছেন। তাই সহসাই বর্তমান ইসলামি শাসনের বিলুপ্তি ঘটছে না। আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার মাধ্যমে ইরানী জনগনের ক্ষোভ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ক্ষোভের আগুনের কাছে কোনো বিরোধী গোষ্ঠী মাঠে নেমে পার পাবে না! ইরান এখন প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে। এই আগুনে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জ্বলবে।
28/02/2026
মধ্যপ্রাচ্যের আমেরিকার প্রায় সব কটি ঘাটি লক্ষ্য করে বিশেষ করে কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব, জর্ডান সহ প্রায় ৭ টি আমেরিকান ঘাটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪ এর ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
28/02/2026
আমেরিকা মধ্য প্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরী করে যুদ্ধ লাগাবে তা সহজেই অনুমেয় ছিল। তবে যুদ্ধে জড়ানোর আগে তারা বেশ আঁটসাঁট বেধে তারপর নেমেছে যা বিগত বেশ কিছুদিন ধরে আমেরিকার গতিবিধি লক্ষ্য করলে সহজেই বোঝা যায়। তারা তাদের বেশ কয়েকটি শক্তিশালী রণতরী, কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি প্রস্তুত রাখা, সৈন্য সমাবেশ ঘটানো, তারপর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের নাগরিকদের সরানো এবং সর্বশেষ ইসরায়েল থেকে নাগরিকদের সরিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত করে যে, তারা ইরানের উপর হামলা চালাতে যাচ্ছে। এবং আজ ইসরায়েলকে দিয়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করেই ফেলল। তবে এ হামলা থেকে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিক রয়েছে।
প্রথমত, তারা তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জায়গায় সীমিত পরিসরে কয়েকটি হামলা চালিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি ধারণা নিল।
দ্বিতীয়ত, তারা এখন ইরানের পাল্টা হামলার জবাব কেমন এবং হামলার তীব্রতা কেমন তা দেখতে চাইবে।
তৃতীয়ত, আমেরিকা এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই পাল্টা হামলা কতটা প্রতিরোধ করতে পারবে তা যাচাই করবে।
চতুর্থত, যদি তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে ইরানের হামলা ঠেকিয়ে দিতে পারে, তাহলে আমেরিকা- ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের উপর সর্বাত্মক হামলা চালাবে। এবং হামলা চালিয়ে ইরানকে কার্যত অচল করে দিতে চাইবে।
তবে সম্প্রতি ইরান যেভাবে তাদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে তাতে আশা করা যায় ইসরায়েলের কোমর ভেঙ্গে দিতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
28/02/2026
আমেরিকার মদদে ২৮ ফেব্রুয়ারী সকালে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের বরাতে জানা যায় যে, তারা নাকি প্রতিরোধ মূলক হামলা চালিয়েছে। হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইসরায়েল জুড়ে স্থায়ী জরুরি অবস্থা জারী করেছে। আমেরিকার কুটচালের কাছে পুরো বিশ্ব জিম্মি হয়ে রয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে এ রকম বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
29/01/2026
ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তারা হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আরও কয়েক ধাপ উপরে উঠে গেছে। ইরান ইতোমধ্যে তিন স্তরের নেতৃত্ব প্রস্তুত করে রেখেছে আয়াতুল্লাহ খামেনির পরামর্শ অনুযায়ী। যদি আমেরিকার হামলায় প্রথম স্তরের নেতৃত্বের পতন ঘটে তাহলে দ্বিতীয় স্তরের নেতৃত্ব শুরু হবে। দ্বিতীয় স্তরের পতন ঘটলে তৃতীয় স্তরের নেতৃত্ব চলবে। তারপরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক ঘোষণা দেয়া আছে। কাজেই আমেরিকা এত সহজে ইরানকে দমাতে পারবে না। এদিকে হয়ত আমেরিকা পুরোপুরি জিততে না পারলেও ইরানের উপর সম্ভাব্য যে হামলা চালাতে পারে তা হল- মিসাইল কারখানা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, আইআরজিসি সামরিক স্থাপনা, পরমাণু কেন্দ্র ও সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা। আর ইরান তাদের আত্মরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে লড়াই করবে। সম্ভবত ইরান হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক মাইন পেতে রেখেছে। এমনকি পারস্য উপসাগরে ড্রোন নজরদারি বাড়িয়েছে এবং আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে। তাছাড়া তারা হাজার হাজার ড্রোন, দ্রুতগতির টর্পেডো স্পিডবোট ও হাইপারসোনিক মিসাইল দিয়ে আমেরিকার রণতরী ধ্বংস করে দিতে পারে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে। একসাথে এতগুলো হামলা চালালে হয়তো আমেরিকার ডিফেন্স সিস্টেমগুলোর সবগুলো হামলা ঠেকানো কঠিন হবে। আর এতে করে যদি তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে সক্ষম হয় তাহলে আমেরিকা চরম অপমানিত হবে এবং তাদের দর্প চূর্ণ হবে। আর ইরান হয়তো সেটিই করতে চাইবে। তাছাড়া তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আমেরিকার ঘাটিগুলোতে হামলা চালাবে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমেরিকার ঘাটি গুড়িয়ে দিতেও সক্ষম হবে। আর ইরানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে তারা প্রাকৃতিকভাবে পাহাড় বেষ্টনী দিয়ে আবদ্ধ। যার ফলে আমেরিকার জন্য দুর্ভেদ্য হবে স্থলাভিযান চালানো। আর আমেরিকা হয়তো সবকিছুর পরেও ইরানে হামলা চালাবে। আর সেটা হতে পারে কাল কিংবা পরশু!
28/01/2026
মধ্যপ্রাচ্য খুব দ্রুতই আরেকটি বড় ও খুব বিপদজনক যুদ্ধের স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আমেরিকার নৌবহর পারস্য সাগরে অবস্থান করছে। যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। ওদিকে ইরান ও কম না। তারা কোনোভাবেই মাথা নত করবে না। ইরান হরমুজ প্রণালীতে তাদের মহড়া শুরু করছে। তারা জানান দিচ্ছে তারা পিছন থেকে যুদ্ধ করবে না, যুদ্ধ হবে সামনা সামনি। এইবার যদি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডান তাদের আকাশসীমা দিয়ে ইরানকে কোনো রকম বাঁধা না দেয়, আরব আমিরাত ও কাতার যদি আমেরিকাকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয় আর সৌদি তো বলেই দিয়েছে তারা তাদের আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানে হামলা করতে দিবে না। যদি এরকমটি হয় তাহলে আমেরিকার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে ইরানকে পরাজিত করা। ইরান বলেই দিয়েছে তারা আমেরিকার কোনো শর্ত মানতে নারাজ। আর আমেরিকার বিকল্প কেবল হামলা চালানো। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যদি আমেরিকাকে কোনো রকম সাপোর্ট না দেয় তাহলে আমেরিকাকে কেবল মাত্র সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কিংবা সাময়িক যুদ্ধ করেই ক্ষান্ত দিতে হবে। কিন্তু সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বা সাময়িক যুদ্ধ করে ক্ষান্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কবর রচিত হবে। কারণ ইরান বলে দিয়েছে আমেরিকা যদি ভুলেও তাদের ভূখণ্ডে আঘাত হানে তাহলে ইরান সর্বাত্মক যুদ্ধের ডাক দিবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ঘাটি গুড়িয়ে দেয়া হবে। এই যাত্রায় আমেরিকা যদি পিছপা হয় কিংবা ইরানের সাথে সাময়িক যুদ্ধে জড়িয়ে পিছু হটে তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের নেতৃত্বে ইরানের অভিনব আবির্ভাব ঘটবে। আর সেজন্যই ইরান এবার কঠিন আত্মবিশ্বাস আর ইমানী জজবা দিয়ে লড়ে যাওয়ার সুদৃঢ় ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, আমেরিকা যদি ইরানের উপর ভুলেও সার্জিক্যাল কিংবা স্বল্প সময়ের জন্যও হামলা চালায় তাহলে ইরান সেটাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করবে। গত বছর ইসরায়েল ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধে কৌশলগত ভাবে ইসরায়েল হেরে যাওয়ার পর ইরান অনেক আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। পাশাপাশি তারা আরও বহুগুণে সামরিক ভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। তাই বলা যায় এবারের যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি ঘটবে।
24/01/2026
দক্ষিণ চীন সাগর থেকে আমেরিকার রণবাহী জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিপুল পরিমান সামরিক সরঞ্জাম, এয়ার ডেস্ট্রয়ার ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধ বিমান সহ পারস্য উপসাগরের দিকে রওনা হয়েছে। একইভাবে আরেকটি রণতরী ইউএসএস রুজবেল্ট মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতেও সৈন্য সমারোহ বাড়াচ্ছে। আর এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আশেপাশে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ইরানের আশেপাশের আকাশসীমা এড়িয়ে চলছে। ইরানও আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি আঁচ করতে পেরে যুদ্ধের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তাছাড়া ইরান গত সপ্তাহে প্রথমবারের মত আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। যার মাধ্যমে তারা সরাসরি আমেরিকার ভূখন্ডে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করল। আমেরিকা এখন পর্যন্ত ইরানে হামলা না চালানোর বড় কারন হচ্ছে ইরানের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন। ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করার মত প্রয়োজনীয় এয়ার ডিফেন্স না থাকলে আমেরিকা বিশাল ধাক্কা খাবে। আর এজন্যই আমেরিকা চতুর্দিক থেকে হামলা করে ইরানের এয়ার ডিফেন্স আর ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপনের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি জ্যাম করার চেষ্টা চালাবে। ইরানের আরও বড় সক্ষমতা হচ্ছে, তারা চাইলে একসাথে প্রায় দুই তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এক যোগে নিক্ষেপ করতে পারবে। পাশাপাশি তাদের রয়েছে বিপুল পরিমান সামরিক ড্রোন ও হাইপারসোনিক মিশাইল। এছাড়া গত কয়েকদিনে চিন ও রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমান সামরিক সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও সামরিক প্রযুক্তিবাহী কার্গো বিমান ইরানে এসে পৌঁছেছে। ইরান যেমন সামরিক ভাবে শক্তিশালী তার চেয়েও বেশী রয়েছে তাদের মধ্যে প্রচন্ড জাতীয়তাবাদ ও ইমানদীপ্ত জজবা। তারা সহজে হার মানার পাত্র না। আমেরিকার জন্য ইরান এর হিসেব নিকেশ বহু জটিল হবে। তবে এবার যদি আমেরিকা ইরানে হামলা চালায় তাহলে ইরান সরাসরি আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা দিবে। ইতোমধ্যে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডের প্রধান তা বলেই দিয়েছেন। আর যদি যুদ্ধ বেধেই যায় তবে তা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ কারণ এ যুদ্ধ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিবে এবং ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা!
22/01/2026
সম্প্রতি আমেরিকা যেভাবে ভেনেজুয়েলায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কে অপহরণ করেছে তাতে করে বিশ্বব্যবস্থা ভাঙনের প্রথম ধাপ ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের নতুন করে সূচনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গ্রীনল্যান্ড ও দখল করতে চায়। যদিও মেরুদণ্ডবিহীন ইউরোপীয়রা হাতে পায়ে ধরে ট্রাম্পকে কিছুটা বুঝাতে সক্ষম হয়েছে বলে মিডিয়ার মাধ্যমে জানা যায়। যদি এরকম হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্য খারাপ বলা যায়। কারন সন্ত্রাসী ট্রাম্প কোনো না কোনো ভাবে ইরানে হামলা করার জন্য ওৎ পেতে রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই আমেরিকা বিগত সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবস্থান সেইভাবেই পাকাপোক্ত করে এসেছে। যদি আমরা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকাই তাহলে দেখা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবকটি দেশেই তারা সামরিক ও কৌশলগত ঘাটি পেতে রেখেছে। লিবিয়া, ইরাক, সিরিয়ার পর এবার তারা ইরানকে ধ্বংস করতে চায়। সেজন্য তাদের মদদপুষ্ট ইসরায়েলকে সাথে নিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্য গিলে ফেলতে চায়। আমেরিকা কৌশলগতভাবে যদি ইরানে হামলা চালায় তাহলে কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ ঘাটি ইরানের দক্ষিণ ও মধ্য অংশ কভার করবে। বাস্তবে আমেরিকার জন্য এই ঘাটি হচ্ছে ইরানসংক্রান্ত যেকোনো বড় অপারেশনের “কমান্ড সেন্টার”।
বাহরাইন এর উপসাগরীয় ঘাটি থেকে মূলত নৌপথ নিয়ন্ত্রণ ও উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য ব্যবহার করতে পারে। পাশাপাশি ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করে ইরানের ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংশ করতে চাইবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে গোয়েন্দা নজরদারি ও হামলার মাধ্যমে ইরানের দক্ষিণ পশ্চিম অংশ কভার করার জন্য স্টেল্ট এয়ারক্রাফট ও ড্রোন ব্যবস্থা ব্যবহার হতে পারে।
কুয়েতে অবস্থিত সামরিক ঘাটি থেকে তারা মূলত লজিস্টিক সাপোর্ট ও সেনা সমাবেশ করার কাজে ব্যবহার করতে পারে। এই ঘাটি মূলত সরাসরি হামলার চেয়ে ব্যাক-এন্ড সাপোর্ট দিবে বেশি।
তবে সৌদি ও তুরস্কের ঘাটি দিয়ে হয়ত বেশি সুবিধা করতে পারবে না। যেহেতু তারা সরাসরি জড়াতে চাইবে না। তারা বলে দিয়েছে তাদের আকাশ সীমা ব্যবহার করতে দিবে না। কুয়েতে প্রচুর মার্কিন সেনা সমাবেশ রয়েছে তাছাড়া ইরান থেকে বেশ নিকটে। তাই এই জায়গা ইরানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আবার কাতার থেকে হামলা হলে রাজনৈতিক ভাবে পুরু মধ্যপ্রাচ্য জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রকট। তাই কাতারও চায় না আমেরিকা হামলা চালাক। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ও ড্রোন প্রযুক্তি ব্যপক হারে বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্রে অনক এগিয়েছে যার মাধ্যমে গত বছরের ইরাইন ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলের ব্যপক ক্ষতি করতে সফল হয়েছে। তাছাড়া ইরান দাবী করছে তারা আন্ত:দেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরী করেছে। যার ফলে তারা আমেরিকার ভূখণ্ডে আঘাত হানার মত সক্ষমতা তৈরী করে ফেলেছে। এতদিন আমেরিকা হয়তো শুধু তাদের মধ্যপ্রাচ্যের ঘাটির সুরক্ষার কথা চিন্তা করত। এবার হয়তো তাদের নিজ ভূখন্ডের উপর আঘাত হানার হুমকীতে পিলে চমকাবে। বিশ্লেষকরা দাবী করছেন ইরান হয়তো সম্প্রতি পারমানবিক অস্ত্র তৈরী করার মত সক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে। যদি পারমাণবিক সক্ষমতা সত্যি সত্যিই অর্জন হয়ে যায় তাহলে ইসরায়েলের জন্য মাথা ব্যথা বহুগুন বেড়ে যাবে। আমেরিকা যদি সত্যিই ইরানে হামলা চালাতে চায় তাহলে আমেরিকা যে ভুল করবে তা সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখেই বুঝা যায়। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে আমেরিকা একমাত্র হুমকী হিসেবে বিবেচনা করে। আমেরিকা হামলা চালিয়ে যদি সফল না হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ঘাটি অরক্ষিত অবস্থায় পরে যাবে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের ঘাটি সরাতে বাধ্য হবে। এত কিছুর জন্যই হয়তো আমেরিকা হামলা থেকে বিরত থেকেছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমেরিকা যেভাবে মধ্য প্রাচ্যের দিকে সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে তাদের ঘাটিগুলো সন্নিবেশ করছে তাতে করে খুব দ্রূতই মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বেড়ে গিয়ে পৃথিবীর মোড় অন্যকোনো দিকে নিয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। আগামি ১০/২০ বছরের মধ্যেই হয়তো নতুন কোনো বিশ্বব্যবস্থা তৈরী হবে। আর সেটা হয়তো আমেরিকার পতনের মাধ্যমেই হবে!
তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি
গোলকধাঁধার পৃথিবীতে বসবাস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
