Advocate Arafat Khan

Advocate Arafat Khan

Share

"বাংলাদেশ পরিবর্তন হবে, অবশ্যই হবে। আইনের সঠিক প্রয়োগ ও সচেতনতাই সেই পরিবর্তনের চাবিকাঠি।"

28/05/2026

Eid mubarak

28/05/2026

বিয়ে?
হয় দুনিয়ার জান্নাত নয়তো জাহান্নামের মত!

28/05/2026

আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমার প্রিয় জন্মমাটি বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ ও দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
​ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই ঈদে বরিশালবাসীর জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। ঈদ উপলক্ষে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বরিশালের ১০০ জন সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রফেশনাল আইনি পরামর্শ দেওয়া হবে।

*গরীব কিনা তার যথেষ্ট প্রমাণ দিতে হবে। স্বচ্ছলদের জন্য ফ্রি নেই

28/05/2026

ঈদ মোবারক। কোরবানি একটি একান্ত খাঁটি আত্মত্যাগের ইবাদত। লৌকিকতার জায়গা এখানে নেই। একান্ত পারসোনাল ইবাদত এটি। যা খাঁটি আয় দিয়ে, খাঁটি নিয়তে পালন করা জরুরী।

নামাজ, পর্দা বরখেলাপ করে একটি পশু জবাই করাটাই আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে কি?
বিশেষত ফরজ নামাজের পর তাকবির আদায় করার মত এতগুলো ওয়াজিবকে হেয়ালা করে?

মৌলিক কথাগুলো বলা জরুরী।

27/05/2026

ঈদ মোবারক। আইনগত জটিল সমস্যা: সঠিক সিদ্ধান্ত জেনে নিন, নিশ্চিত করুন অধিকার ও ভবিষ্যৎ। ​একটি ভুল সিদ্ধান্ত, একটি অসচেতন চুক্তি কিংবা আইনের সামান্য অজ্ঞতা—নিমেষেই ধ্বংস করে দিতে পারে আপনার সারাজীবনের অর্জন।

📍​নিচের যেকোনো একটি অবহেলা আপনার ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে:

​জমি ও সম্পত্তি:
দলিল বা বাটোয়ারার ছোট একটি আইনি লুপহোল (Loophole) আপনার পৈতৃক সম্পত্তিকে চিরকালের জন্য হাতছাড়া করে দিতে পারে।

​চুক্তি ও লেনদেন:
ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত চুক্তিতে আইনি সুরক্ষার অভাব আপনাকে নিয়ে যেতে পারে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

​চেক ও অর্থঋণ:
একটি সাধারণ চেকে সই বা ঋণের মারপ্যাঁচে জড়িয়ে হারাতে পারেন নিজের স্বাধীনতা, হতে পারে জেল-জরিমানা।

​পারিবারিক ও বিয়ে:
বিয়ের আগে আইনি অধিকার না জানা, কিংবা বিচ্ছেদের পর সন্তানের কাস্টডি (Custody) ও দেনমোহরের জটিলতা জীবনকে নরক বানিয়ে তুলতে পারে।

​আদালতের বারান্দায় বছরের পর বছর ঘুরে অর্থ ও মানসিক শান্তি বিসর্জন দেওয়ার চেয়ে, শুরুতেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

​ঈদের এই ছুটির অবসরে আপনার যেকোনো আইনি জটিলতা নিয়ে সচেতন হোন। যেকোনো সিভিল, ক্রাইম, ল্যান্ড বা ফ্যামিলি ল সংক্রান্ত বিষয়ে সঠিক ও প্রফেশনাল পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।
​Advocate Arafat Khan
Dhaka & Barisal

​📞 জরুরি পরামর্শের জন্য কল করুন: 01747-618761 ( পরামর্শ ফি প্রযোজ্য, ফ্রি নেই)

24/05/2026

২০ বছর আগেও বাহিরের খাবারের নামে এত আবর্জনার দোকান ঢাকায় ছিল না।

এরপর আস্তে আস্তে এই আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ে মহামারির মতো।

বিষাক্ত এই খাবারের ভিতর সবার আগে দখল করে নেয় চিকেন গ্রিল নামে একটি অস্বাস্থ্যকর খাবার।

এরপর কেএফসির আদলে মুরগি ফ্রাই নামে আরেকটি বিষাক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার একদম ভ্যানগাড়ি অবদি পৌঁছে যায়। এখন এটি হকারি করে বিক্রি করা হয় পুরো শহর জুড়ে।

ঢাকার অলিতে গলিতে এখন আরেকটা জিনিস শুরু হয়েছে, তা হল লাইভ বেকারি। ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠেছে একের পর এক।

লাইভ বেকারির যে রকম সিস্টেম মেইন্টেইন করে করা উচিৎ তার ছিটেফোঁটাও নেই। অসাস্থ্যকর পরিবেশে অসুস্হ্য চিকেন, বাজারের সব চাইতে সস্তা ময়দা, দুধের নামে মিল্ক এসেন্স সেটাও কিনা সবচাইতে সস্তা দামের। যার যেই কোন মান। এমনকি এগুলো কার কাছ থেকে কিনছে নেই তার ক্যাশ মেমো।

অসাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বানানো হয়। আর চলে দেদারসে। রোজ স্কুল গোয়িং বাচ্চাদের দেখি এসব খাবার খেতে।

তারপর মুদি দোকানের মতো করে ই আরেকটি বিষাক্ত খাবার প্রতিটি মহল্লা ও পাড়ায় জায়গা করে নেয়। যার নাম কাচ্চি বিরানি।

যেটি খাওয়া আর বিষ খাওয়া একই কথা। একটা সাথে সাথে মা-রবে আরেকটা সময় নিয়ে নিঃস্ব করে মা-রবে।

বিয়ে বাড়ি নানা অনুষ্ঠান সব জায়গায় এই খাবারটি জায়গা করে নিয়েছে।

এইসব খাবার ছড়িয়ে পরার সাথে সাথে ভিড় বাড়তে শুরু করে হাসপাতল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

ফুড ব্লগারদের বদৌলতে এসব ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।

বাঙালি সব কিছুতে খেতে চায়। তাও এইসব খাবার। যা কিনা পুরো জাতি কে অকেজো করে দিচ্ছে।

মানুষ এত বাহিরে খায় যে সেহেরি নাইট নামেও একটি ফ্যাশন চালু হয়েছে ঢাকায়।

এছাড়া ফুচকা চটপটি রাস্তার হালিম, বট ভাজা, পুড়ি সিঙ্গারা, ইত্যাদি নানা প্রকার অপ্রয়োজনীয় খাবার উৎসব করে খায়।

এখন আরো একটি যুক্ত হয়েছে তার নাম চিতল পিঠা।

যেভাবে এসব খাবার বানানো হয় আর পরিবেশন করা হয় তার পুরোটাই জীবানুতে ভরা।

ঢাকার যত সুস্বাদু ঝালমুড়ি ভর্তা আছে তার প্রায় সবগুলো ই বিয়ে বাড়ির উচ্ছিষ্ট ঝোল দিয়ে তৈরী করা হয়।

ঘরে যা খাই তাও বিশুদ্ধ নয়। তার উপর বাইরের এসব খাবার আমাদের কে উপহার দিচ্ছে বাড়তি ওজন ও নানান জটিল রোগ।

এসব খাবারের জন্য অধিকাংশের ই এখন ঢাউস সাইজের মেদবহুল পেট দেখা যায়। এর ভিতর নারীরা আরো এগিয়ে রয়েছে কেন না তারা এসব খাওয়ায় ওস্তাদ। যাদের ওজন থাকার কথা ৫০ থেকে ৬০ কেজি, তাদের গড় ওজন ৭০ এর উপরে।

এর একমাত্র কারণ খাবার।

তারা চিনি দিয়ে দুধ চা খায় তাও বাইরে, মিষ্টি খায় ভরপুর,

রাস্তায় ফুটপাতে দুনিয়ার যা আছে কোন কিছুতে না নাই।

আমি বলবো, আপনারা ঘরের খাবার খেতে চেষ্টা করুন। বাচ্চাদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন। বাংলাদেশের অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট ও স্ট্রিট ফুড ই স্বাস্থ্যকর নয়।

এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০ বছর পর একটি শতভাগে অসুস্থ জাতি আমরা পেয়ে যাবো। এখনকার কাচ্চির দোকানের মতো তখন পাড়া মহল্লায় হাসপাতাল ও ক্লিনিক রাখা লাগবে।

লেখা: সাইফুল ইসলাম

23/05/2026

প্রশ্ন:
কোরবানির দশদিন আগ থেকে চুল ও নখ না কাটলে কোরবানির সওয়াব হয়। এই না কাটা মানে কি মোটেও কিছু কাটা যাবে না? গালের উপরের দাড়ি কি কাটা যাবে? গলার নিচের দাড়ি বা মোচ?

উত্তর:

কোরবানির প্রথম ১০ দিন (জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানি দেওয়া পর্যন্ত) চুল, নখ ও শরীরের অন্যান্য পশম না কাটার বিষয়টি একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত বা মুস্তাহাব বিধান।
​আপনার মনে যে প্রশ্নগুলো জেগেছে, সেগুলোর উত্তর নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

​১. 'না কাটা' মানে কি মোটেও কিছু কাটা যাবে না?

​হ্যাঁ, এই ১০ দিন শরীরের যেকোনো অংশের চুল, নখ, গোঁফ বা অন্য যেকোনো পশম কাটার বিষয়ে সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
​"যখন জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন আসে এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করে, সে যেন তার চুল ও চামড়ার (নখের) কোনো অংশ স্পর্শ না করে (না কাটে)।" (সহীহ মুসলিম)
​তাই উত্তম হলো, জিলহজ মাস শুরু হওয়ার আগেই (অর্থাৎ জিলকদ মাসের শেষ দিনগুলোতে) নখ, চুল এবং শরীরের অপ্রয়োজনীয় পশম পরিষ্কার করে নেওয়া।

​২. গালের উপরের বা গলার নিচের দাড়ি কি কাটা যাবে?

​শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, দাড়ি এক মুষ্টির কম হলে তা কাটার কোনো সুযোগ নেই, তা কোরবানির সময় হোক বা বছরের অন্য যেকোনো সময়ই হোক।
​তবে সাধারণ সময়ে যারা এক মুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি কেটে থাকেন বা গালের উপরের ও গলার নিচের বাড়তি পশম ছেঁটে পরিষ্কার করেন, কোরবানির এই ১০ দিন তাদের জন্যও এগুলো কাটা থেকে বিরত থাকা উত্তম। যেহেতু হাদিসে সাধারণভাবে "চুল ও পশম" কাটতে নিষেধ করা হয়েছে, তাই গাল বা গলার নিচের পশমও এর আওতাভুক্ত।

​৩. মোচ বা গোঁফ কি কাটা যাবে?

​গোঁফ ছেঁটে ছোট রাখা সুন্নাত। তবে কোরবানির এই ১০ দিন গোঁফ কাটাও এড়িয়ে চলতে হবে।
​একটি বিশেষ ব্যতিক্রম (৪০ দিনের নিয়ম):
ইসলামে শরীরের অপ্রয়োজনীয় পশম ও নখ ৪০ দিনের বেশি না কেটে রাখা নিষিদ্ধ। যদি এমন হয় যে, জিলহজ মাসের ১০ দিন চুল-নখ না কাটলে আপনার কোনো পশম বা নখ কাটার মেয়াদ ৪০ দিন পার হয়ে যাবে, তবে সেই ক্ষেত্রে গুনাহ থেকে বাঁচতে জিলহজের ১০ দিনের মধ্যেও তা কেটে ফেলা ওয়াজিব বা আবশ্যক। কারণ সুন্নাত বা মুস্তাহাব আমল পালন করতে গিয়ে ওয়াজিব লঙ্ঘন করা যাবে না।

​সংক্ষেপে করণীয়:
​জিলহজের চাঁদ দেখার আগে আগেই নখ, চুল ও গোঁফ কেটে পরিচ্ছন্ন হয়ে নিন।
​চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি শেষ হওয়া পর্যন্ত গাল, গলা, গোঁফ বা শরীরের কোথাও কোনো ক্ষুর, কাঁচি বা নেইলকাটার ব্যবহার করবেন না।
​কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর এগুলো কাটবেন। (যারা কোরবানি দিতে পারছেন না, তারাও যদি এই আমলটি করেন, তবে হাদিস অনুযায়ী তারাও কোরবানির সওয়াব পাবেন)।

প্রশ্ন: আমি কোরবানি দিচ্ছি না ⭕

উত্তর:📍

আপনি কোরবানি না দিলেও এই আমলটি আপনার জন্য অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ এবং এর মাধ্যমে আপনিও কোরবানির সওয়াব লাভ করতে পারবেন। এটি ইসলামের একটি বিশেষ অনুকম্পা।
​হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা আর্থিক অক্ষমতা বা অন্য কোনো কারণে কোরবানি দিতে পারছেন না, তারাও যদি জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন নিজের চুল, নখ ও পশম না কেটে কোরবানি ঈদের দিন কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর সেগুলো কাটেন, তবে আল্লাহর দরবারে তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ কোরবানি দেওয়ার সওয়াব লিখে দেওয়া হবে। (সুনানে আবু দাউদ, নাসায়ি)।

​তাই আপনার জন্য নিয়মগুলো একই থাকবে:

​চাঁদ দেখার আগে: জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার আগেই (অর্থাৎ জিলকদ মাসের শেষ দিকে) আপনার নখ, গোঁফ বা শরীরের অপ্রয়োজনীয় পশম কেটে পরিষ্কার করে নিন।
​১০ দিনের নিষেধাজ্ঞা: জিলহজের ১ তারিখ থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত গাল, গলা, গোঁফ, চুল বা নখ—কোনো কিছুই কাটবেন না।
​কখন কাটবেন: ঈদের দিন ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার পর (অথবা এলাকার কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর) আপনি আপনার নখ ও চুল কাটবেন। এর মাধ্যমেই আপনি কোরবানির সওয়াবের অংশীদার হবেন, ইনশাআল্লাহ।

22/05/2026

শিশু রামিসার উপর পৈশাচিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটি হৃদয়বিদারক এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের ব্যর্থতাকে প্রমাণ করে। একই সাথে এমন ধরনের সকল অপরাধকে সমূলে ধ্বংস করতে মাদক, চলচ্চিত্রের নোংরা প্রচারনা এবং মাঠপর্যায়ের ওপেন অসামাজিক কার্যকলাপকে প্রতিহত করা জরুরী।।।

একই সাথে আইন ও বিচার বিষয়ে নিম্নোক্ত কথাগুলো পড়ুন ও শুনুন।

-
দেশের মানুষের সৌভাগ্য যে, তারা একজন দক্ষ, মানবিক ও বিবেকবান এ্যাটর্নি জেনারেল পেয়েছেন। স্যারের প্রতিটা কথার সাথে সহমত।

পর কথা হলো-
ঢাকা বার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের কোন আইনজীবী যেন না দাড়ায়। তাহলে সরকারের উচিত তার জন্য আইনজীবী দেওয়া। অপরাধী হিসেবে তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করা সরকারি দায়িত্ব। একসাথে সামাজিক দায়বদ্ধতায় কোন আইনজীবী তার হয়ে দাড়াতে না চাইলে - সরকারের দায়িত্ব তার জন্য কথা বলার উকিল দেওয়া।

নিশ্চয়ই তার অপরাধের প্রমাণ যেহুতু নিশ্চিত সুতরাং এখানে তারজন্য শত উকিল দাড়ালেও তার সুযোগ হবে না তাইনা।

এই ঘটনা মর্মান্তিক এবং বারের এই সিদ্ধান্ত বিবেকবান। কিন্তু দায়টা এখানে সরকারের উভয় দিকটাই দেখার। প্রমাণ নিশ্চিত করা, শাস্তি দেওয়া, দ্রুত করা, এবং আসামীর জন্যও আইনী অপশন ওপেন রাখা।

সর্বোপরি, আজও কিন্তু তনু'র বিচার শেষ হয়নি! এমন বহু ঘটনা আছে। দায়টা সরকারের। তারা তা পালন করেনি ঠিকমত কখনোই, কেউই।

সর্বোপরি, এই যে এত এত অন্যায় একটার পর একটা ঘটে চলে কেন হচ্ছে? এদেশে মাদক এবং এমন সব আচার-আচরণ কে কারা প্রমোট করতেছে?

ঐ ছেলে তো নেশাগ্রস্ত। সম্ভবত তার ওয়াইফও নেশাগ্রস্ত। হয়তো দেখা যাবে আরো লোক ছিলো যারা জানালা দিয়ে পালিয়েছে অসম্ভব কি?

আমাদের চলচ্চিত্র ইদানীং কি শিখাচ্ছে? তারা যতটা সম্ভব ততোটাই আকর্ষণীয় করে মাদক ও এই ধরনের বিহেভিয়ারগুলোকে প্রচার করতেছে। বিশেষত ওয়েব সিরিজগুলোতো আরো।

বিদেশের চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক মানের। তাদের চলচ্চিত্রেও বোধহয় এতটা মোহগ্রস্ত চারিত্রিক অবক্ষয়কে শো করা হয়না।

এটি সামষ্টিক পরিবেশের কর্মফল। এই পরিবেশ ঠিক করার দায় সরকারের, ধর্মীয় পন্ডিদদের। মাদকের সস্তা বিস্তার এবং চলচ্চিত্রের নোংরা প্রচারনা বন্ধ করা না গেলে- এমন ঘটনা কমবে বলে মনে হয়?

একদিকে তুমুলভাবে মাদকের বিস্তার ঘটাবেন আর চলচ্চিত্রে নোংরা প্রচারনা চালাবেন অপরদিকে চাইবেন অন্যায় না ঘটুক- এটি অসম্ভব!

#শিশুর সুরক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট নিজ পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশী সকলের আচার-আচরণ কে নোটিশ করা জরুরী। এদের ভিতর বড়দের কেউই যদি অন্যায় স্বভাবের সাথে জড়িত থাকে- হোক তা পরিবারে অথবা প্রতিবেশী কেউ- সেখানের শিশুরা নিরাপদ নয়।

শিশু সুরক্ষায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অবনতি চরম আকার ধারন করেছে। বিশেষত পরিবারগুলোর ভিতরেই।

17/05/2026

⚖️ সব আইনজীবীর কাজ এক নয়!

অনেকেই মনে করেন একজন আইনজীবীর কাজ শুধু আদালতে দাঁড়িয়ে মামলা পরিচালনা করা…
কিন্তু বাস্তবে আইন পেশা এর চেয়েও অনেক বড় ও বিস্তৃত।

বাংলাদেশে আইনজীবীদের কাজের বিভিন্ন ক্ষেত্র👇

👨‍⚖️ ফৌজদারি আইনজীবী (Criminal Lawyers)
খুন, চুরি, প্রতারণা, মাদক, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন ফৌজদারি মামলায় আসামি বা বাদীর পক্ষে আদালতে লড়াই করেন।

🏠 ভূমি ও সম্পত্তি আইনজীবী (Property Lawyers)
জমিজমা বিরোধ, দলিল, নামজারি, ভোগদখল, ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধ ও সম্পত্তি হস্তান্তরের কাজ পরিচালনা করেন।

👫 পারিবারিক আইনজীবী (Family Lawyers)
তালাক, ভরণপোষণ, সন্তানের হেফাজত, পারিবারিক বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করেন।

💼 কর্পোরেট আইনজীবী (Corporate Lawyers)
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ব্যবসায়িক চুক্তি, আইনি পরামর্শ ও কোম্পানির আইনগত বিষয় দেখভাল করেন।

👷 শ্রম আইনজীবী (Labour Lawyers)
চাকরি থেকে অবৈধভাবে বহিষ্কার, বেতন-বোনাস, শ্রমিক অধিকার ও কর্মস্থলের বিরোধ নিয়ে কাজ করেন।

🧾 কর আইনজীবী (Tax Lawyers)
আয়কর, ভ্যাট ও কর সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করেন।

🌍 মানবাধিকার আইনজীবী (Human Rights Lawyers)
অন্যায় আটক, নির্যাতন, নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন ও মানবাধিকার বিষয়ক মামলায় কাজ করেন।

🎵 বিনোদন ও মেধাস্বত্ব আইনজীবী (Entertainment & IP Lawyers)
শিল্পী, ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ব্যবসার কপিরাইট, ট্রেডমার্ক ও চুক্তি সংক্রান্ত বিষয় দেখেন।

🌐 সাইবার আইনজীবী (Cyber Lawyers)
অনলাইন প্রতারণা, হ্যাকিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে কাজ করেন।

⚓ মেরিটাইম আইনজীবী (Maritime Lawyers)
জাহাজ, বন্দর, আমদানি-রপ্তানি ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য সংক্রান্ত আইনি বিষয় পরিচালনা করেন।

🛢️ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের আইনজীবী (Oil, Gas & Energy Lawyers)
বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও বড় প্রকল্প সংক্রান্ত আইনগত বিষয় দেখেন।

⚖️ সাংবিধানিক আইনজীবী (Constitutional Lawyers)
সংবিধান ব্যাখ্যা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদালতে লড়াই করেন।

আইন পেশা শুধু কালো কোট পরে আদালতে দাঁড়ানো নয়…
আইন পেশা সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচা‌র নিশ্চিত করার দায়িত্ব বহন করে।

একটা আইন…
কিন্তু লড়াই ভিন্ন।
ক্ষেত্র ভিন্ন।
দায়িত্ব ভিন্ন। ⚖️🔥

কমেন্টে জানান—
আপনি কোন ধরনের আইন নিয়ে কাজ করেন?
অথবা কোন বিষয়ে আইনি সহায়তা জানতে চান?



( একজন আইনজীবী একাধিক বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে পারেন অথবা একটি ল ফার্ম অনেক বিষয়ে কাজ করতে পারে।)

14/05/2026

সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনের ফলাফল গণনার লাইভ

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Rose View Plaza(china Kitchen) 185, Elephant Road, Hatirpool, Dhaka
Dhaka
1205

Opening Hours

Friday 21:00 - 12:00
Saturday 22:00 - 12:00