ইসলামিক চ্যানেল

ইসলামিক চ্যানেল

Share

আল্লাহর কোরআন ও শরিয়া আইন দিন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামিক মিডিয়া BCS EXAM Preparation

22/03/2026

এই ১০টি সংকেত দেখলে বুঝবেন, আপনার বিজয় খুব নিকটেই!

১. আপনার ওপর বিপদ আসার কোনো মানবিক সমাধান নেই। এটি আসলে আল্লাহর একটি 'ছদ্মবেশী রহমত', যা আপনাকে দুনিয়ার মোহ থেকে সরিয়ে তাঁর সিজদায় নিয়ে এসেছে।

২. যখনই আপনি তওবা করে ঠিক পথে চলতে শুরু করবেন, মানুষ বা শয়তানের পক্ষ থেকে বাধা, ঠাট্টা বা কুমন্ত্রণা আসবে। মনে রাখবেন, চোর কখনোই খালি বাড়িতে চুরি করতে যায় না; আপনার হৃদয়ে ঈমানের সম্পদ জমা হচ্ছে দেখেই শয়তান হানা দিচ্ছে।

৩. হারাম ছেড়ে দিলে সাথে সাথেই হয়তো হালাল রিযিক আসবে না। মাঝখানে একটি পরীক্ষার সময় আসবে যখন মনে হবে সব আটকে গেছে। এটি আপনার সততার পরীক্ষা।

৪. কষ্টের সময় দীর্ঘ হতে হতে যখন আপনি প্রায় হাল ছেড়ে দেবেন, তখনই আল্লাহর সাহায্য আসার সময়। হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ৯ বছরের জেলের পর মিশরের শাসনভার পাওয়ার ঘটনাটি এর বড় প্রমাণ।

৫. যখন দেখবেন নামায আর ভারী মনে হচ্ছে না, কুরআন তিলাওয়াত আপনার সঙ্গী হয়ে গেছে। বুঝবেন আল্লাহ আপনাকে বড় নিয়ামত দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করছেন।

৬. ইস্তিগফারের কয়েক মাস পর আল্লাহ স্বপ্ন বা যে কোনো মাধ্যমে আপনাকে বা আপনার শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে বিভিন্ন শুভ সংকেত পাঠাতে শুরু করবেন।

৭. যে সব পাপে আপনি আগে আসক্ত ছিলেন, সেগুলোর প্রতি আপনার মনে প্রচণ্ড অনীহা তৈরি হবে। এই চারিত্রিক পরিবর্তনই বস্তুগত রিযিক আসার পূর্বশর্ত।

৮. আপনার বড় সমস্যাটি হয়তো এখনও সমাধান হয়নি, কিন্তু ছোট ছোট বিষয়ে (যেমন- অসুস্থতা থেকে মুক্তি বা পারিবারিক শান্তি) আল্লাহর সাহায্য টের পাবেন। এটি আপনার দীর্ঘ সফরের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পাথেয়।

৯. আপনি বুঝতে শুরু করবেন যে, রিযিক বা সফলতা কেবল মেধা দিয়ে অর্জন হয় না। এটাও মনে রাখতে হবে, গাড়ি (নেয়ামত) দেওয়ার আগে আল্লাহ আপনাকে ড্রাইভিং (উপলব্ধি) শেখাচ্ছেন।

১০. আপনার চারপাশের চাটুকার বা হিংসুকদের আসল চেহারা আপনার সামনে প্রকাশ হয়ে যাবে। আল্লাহ চান আপনি যখন বড় সফলতার স্তরে পৌঁছাবেন, তখন যেন আপনার আশেপাশে কোনো মুনাফিক না থাকে।

বিজয় আসার সময়টি একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে (কারও এক বছর, কারও পাঁচ বছর)। তবে সবচেয়ে বড় ফাঁদ হলো ‘বাধার পর্যায়’ এবং ‘শয়তানের আক্রমণ’। ৯০% মানুষ এই স্তরে এসে ইস্তিগফার ছেড়ে দেয়। আপনি যদি এই বাধা পার হতে পারেন, তবে আল্লাহর সাহায্য অবধারিত।

(আরবি থেকে অনূদিত)

07/03/2026
07/03/2026

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক ব*দর দিবস।

যেখান থেকে ইসলামের সূর্য উদিত হয়েছে। হিজরি শতক ২য় হিজরির ১৭ই রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত হয় এ যু*দ্ধ। হুজুর পাক মোহাম্মদ (ﷺ) তাঁর ৩১৩ জন সাহাবাদের নিয়ে মক্কার হাজারোধিক কা*ফেরদের বিরুদ্ধে যু/-/দ্ধ করে বিজয় লাভ করেছিলেন।

ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম সবচেয়ে বড় যু/দ্ধ। এ যুদ্ধে মোট ১৪ জন সাহাবা শ*হীদ হন অপর পক্ষে ৭০জন মুশ*রি*ককে হ/ত্যা! ও আরো ৭০জনকে বন্দী করা হয়। বদরের যু/দ্ধে মহান আল্লাহ তাআলা সরাসরি ফেরেস্তা প্রেরণের মাধ্যমে মুসলমানদের সাহায্য করেন।

এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনুল কারিমে আল্লাহ পাক এরশাদ করেছেন,

'‘বদ*রের যু/দ্ধে যখন তোমরা হীনবল ছিলে, আল্লাহ তো তোমাদের সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।’'

__ সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১২৩-১২৫

ব*দর আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার আল্লাহু আকবার।

04/03/2026

দজ্জালকে আমরা যে রকম মনে করি আসলে সে সেই রকম কিছু না।

একসময় হুজুর দজ্জাল সম্পর্কে বলতো যে, শেষ জমানায় একজন নিজেকে "আল্লাহ" দাবী করবে। এবং সেটা প্রমানের জন্য সে বিভিন্ন মুজেজা দেখাবে। দজ্জাল সকল ধরনের অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখাবে। তাকে আল্লাহ বলে স্বীকার করানোর জন্য আরাম আয়েশের ব্যবস্থা করবে, তাতে কাজ না হলে শারীরিক নির্যাতন করবে। যারা তাকে আল্লাহ মেনে নিবে তাদের সে পুরুষ্কৃত করবে। যারা মানবে না তাদের সে শাস্তি দিবে।

তখন আমি চিন্তা করতাম, "আমার ঈমান স্ট্রং। আমাকে যে যেভাবে ট্রাই করবে করুক, আমি বশ্যতা স্বীকার করবো না কখনো।"
কিন্তু এখন চিন্তা করি, এটাকি আসলেই এতো সহজ?

দজ্জালের কাজ হলো মানবসম্প্রদায়কে ধোঁকা দেওয়া, মানুষকে আরাম আয়েশে নিমজ্জিত করে রেখে নিজের কতৃত্ব ফলানো। মানুষ জানবে এবং বুঝতে পারবে যে এ দজ্জাল আমাদের ধোকা দিচ্ছে, তবুও তারা আরাম আয়েশ ছেড়ে সেটার প্রতিবাদ করবে না।

আমরা মনে করছি এগুলো এগুলো অনেক পরের হিসাব। ততদিন আমরা দুনিয়ায় থাকবো না, তাই এসব চিন্তা করে লাভ নাই।
কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখলাম ঐ যুগটা এখনই চলতেছে।

হ্যা, এক চোখ ওয়ালা দজ্জাল আসেনি এখনো, তবুও আরব বিশ্ব এ ইহুদিদের বশ্যতা স্বীকার করছে অনেক আগেই। আরাম আয়েশের বিনিময়ে তারা পশ্চিমা বিশ্ব ও ইহুদিদের কাছে আমরা মুসলিমরা অলরেডি নত হয়ে গেছি। ইহুদিদের মানচিত্র সামনে আরো বড় হবে। আরাম আয়েশের বিনিময়ে ইজরায়েল পুরো আরব বিশ্ব নিয়ে গ্রেট ইজরায়েল গঠন সময়ের ব্যপার মাত্র। কারণ কোন দেশের প্রতিবাদের ইচ্ছে নেই।
লাখ লাখ মুসলমান নারী শিশু হ*ত্যা করা হয়েছে এবং হচ্ছে, কেউ কিছু বলেছে? বলবে না, কারণ আরাম আয়েশ। মুসলিমদের উপর অন্যায় হচ্ছে জেনেও সেটার প্রতিবাদ না করা কি মুসলমানদের কাজ? দজ্জালের যেটা দেওয়ার কথা সেটা দজ্জাল আসার আগেই তার সাঙ্গপাঙ্গরাই দিয়ে দিচ্ছে মুসলিমদের।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেই মার্কিন ঘাটি আছে, তারা মার্কিনিদের কথায় ওঠাবসা করে, ফেসিলিটি বাড়ালে তাদের পা চেটে পরিষ্কার করে দিতে বললেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোর কোন অসুবিধা নাই। তারা দিবে। তাদের দরকার শুধু দুনিয়ার আরাম আয়েশ।
তাহলে এবার চিন্তা করেন, দজ্জাল এসে তাদের যখন পুরুষ্কারের লোভ দেখিয়ে নিজেকে খোদা মেনে নিতে বলবে, এটা কি মেনে নেওয়া আমাদের মুসলমানদের জন্য অসম্ভব কিছু?

কারণ তাদেরতো শুধু দুনিয়াই লাগবে।

আরব বিশ্ব বাদ দেন, ব্যক্তিগত জীবনে আসি। আমার বা আপনার আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ থাকলে আমরা কি সে সুযোগ ছেড়ে দিবো?
শুধু পরিষ্কার মনে এটা চিন্তা করে দেখেন, আমাদের ঈমান কতটুকু দূর্বল বা শক্ত সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

ইরান এতো নিষেধাজ্ঞার পরও এসব আরাম আয়েশ গ্রহন না করে নিজেদের আলাদা রেখেছে এজন্য তাদের জন্য আমার একটা সফট কর্ণার আছে। তারা অন্তত চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করে, বা করার চেষ্টা অন্তত করে। এদিক থেকে ওরা আমাদের থেকে একটু হলেও বেটার।

যাইহোক, পৃথিবী তার ভবিষ্যতের দিকেই আগাচ্ছে। করার কিছু নাই। এটা যার যার ঈমানি পরিক্ষা।

21/02/2026

১. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।
২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।
৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।
৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।
৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।
৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।
৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।
৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।
৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।
১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷
১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।
১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।
১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।
১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।
১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।
১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।
১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।
১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।
২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।
২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।
২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।
২৫. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

21/02/2026

ইয়া আল্লাহ —
আমাদেরকে ঋণমুক্ত, অভাবমুক্ত, রোগমুক্ত, হতাশামুক্ত, শত্রুমুক্ত, দুশ্চিন্তামুক্ত, গোনামুক্ত জীবন দান করুন।

Photos from ইসলামিক চ্যানেল's post 02/05/2025

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নোট।

Photos from ইসলামিক চ্যানেল's post 02/05/2025

💥 টেকনিকের চৌদ্দগুষ্টি একত্রে

#সাধারণ জ্ঞানের #টেকনিক নিয়ে যাদের সমস্যা আছে তারা নোটটি দেখতে পারেন।।

✅ নোটটি দেখার পরে আশা করি আপনার এই বিষয়ে সমস্যা থাকবে না।।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka