23/03/2026
আওয়ামী শাসনামলে মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়ায় রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহ পেশাদারিত্ব হারিয়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার জনমনে বিপুল আশার সঞ্চার করলেও, এক পর্যায়ে খোদ এর উপদেষ্টাদের নিয়োগ ও নিয়্যত নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। জনগণ তাই নির্বাচিত একটি সরকারের জন্যে এই ভেবে অপেক্ষা করতে থাকে যে, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট হয়তো প্রশাসনের ভেতরে কাঙ্ক্ষিত নৈতিক শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। কিন্তু সরকারের সাম্প্রতিক নিয়োগগুলো সেই আশার জায়গাটিকেই পুনরায় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
নবগঠিত সরকারের নিয়োগ বিতর্কের সাম্প্রতিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখা দিয়েছে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পদ। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যে শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি পেশাগতভাবে একজন শিক্ষক হলেও তাঁর সবচেয়ে পরিচিত পরিচয় হলো- তিনি সরকার দলের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান যখন রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকেন, তখন প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে- একাডেমিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কি গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার মানদণ্ডই প্রধান হওয়া উচিত, নাকি রাজনৈতিক আনুগত্যও সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে? আর সেই প্রশ্ন থেকেই জন্ম নেয় আরও একটি সংশয়: বর্তমান সরকার কি সত্যিই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে আগ্রহী, নাকি অনুগত শিক্ষক সমাজ তৈরির পুরনো পথেই হাঁটছে?
একইভাবে ইউজিসি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এমন একজন শিক্ষক, যিনি সরকার দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং দলের একটি অঙ্গসংগঠনের সভাপতি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও সরাসরি দলীয় নেতৃবৃন্দকে উপাচার্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। প্রতিটি নিয়োগেই একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব কিংবা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা অভিজ্ঞতার বদলে ‘সাদা দল’ বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যানারের প্রতি আনুগত্যকে পরম ও প্রধান যোগ্যতা বিবেচনা করা হয়েছে। এখানেও তাই একই প্রশ্ন উঠছে, বর্তমান সরকারও কি পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মেধার চেয়ে তদবির ও রাজনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে?
বিশ্ববিদ্যালয় মানে মেধা ও জ্ঞান উৎপাদনের কেন্দ্র, যেখানে আগামীর চিন্তা নির্মিত হয় এবং সমাজের নৈতিক দিকনির্দেশ নির্ধারিত হয়। এ কারণে উপাচার্যের মতো পদে এমন ব্যক্তিবর্গের প্রয়োজন, যারা প্রশাসনিক দক্ষতার পাশাপাশি বৌদ্ধিক নেতৃত্ব দিতে সক্ষম; যারা জ্ঞান উৎপাদন বা গবেষণাকে এগিয়ে নেবেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান শক্তিশালী করবেন এবং মুক্ত চিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করবেন। কিন্তু যখন নিয়োগের মানদণ্ড হিসেবে রাজনৈতিক আনুগত্য, মিছিলে উপস্থিতি বা লিয়াজোঁ করার ক্ষমতা গুরুত্ব পায়, তখন বিশ্ববিদ্যালয় তার মৌলিক চরিত্র হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি বিপজ্জনক ধারণা জন্ম নেয়- এখানে মেধা নয়, বরং রাজনৈতিক সংশ্লেষই নির্ধারক শক্তি। এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিতর্কের প্রায় একই সময়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাতেও স্পষ্ট দলীয়করণের চিত্র দৃশ্যমান হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ সারা দেশের ৪২টি জেলা পরিষদ এবং বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে সরকার দলের নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগেও ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে একই ধারা অনুসরণ করা হয়েছিল। প্রশাসনিক প্রয়োজনের যুক্তি সামনে আনা হলেও এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ স্থানীয় সরকারের স্বায়ত্তশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। কারণ, প্রশাসনিক নিয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হলে তাদের দায়বদ্ধতা স্বাভাবিকভাবেই জনগণের পরিবর্তে রাজনৈতিক কেন্দ্রের দিকে সরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, যা গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণের মূল দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ, স্থানীয় সরকারের সিদ্ধান্তগুলো নাগরিক জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই কাঠামো দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে, জনসেবার গুণগত মান ব্যাহত হওয়া অনিবার্য। প্রশাসনিক ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের এই একীভূতকরণ ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের পথকেও প্রশস্ত করে। ফলে স্থানীয় সরকার তার স্বতন্ত্র গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে একটি 'নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায়' রূপ নেয়; যেখানে জন-অংশগ্রহণের চেয়ে দলীয় নিয়ন্ত্রণ এবং জবাবদিহিতার চেয়ে আনুগত্যই মুখ্য হয়ে ওঠে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও সাম্প্রতিক একটি নিয়োগ দেশজুড়ে বিস্তৃত আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে একজন ঋণখেলাপী ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের আর্থিক ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত। সাধারণত এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অর্থনীতিবিদ বা অভিজ্ঞ ব্যাংকারদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের মুদ্রানীতি নির্ধারণ, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মূল দায়িত্ব পালন করে। এই প্রেক্ষাপটে এমন একজন ব্যক্তিকে এই পদে আসীন করা, যার সাথে বাণিজ্যিক স্বার্থের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তা অবধারিতভাবেই ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of Interest)-এর প্রশ্নটি সামনে নিয়ে আসে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সিপিডি-র মতো সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই এই নিয়োগের স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা পুরো বিতর্ককে আরও জোরালো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি রাষ্ট্রের “আর্থিক বিবেক”। কারণ, এখানকার নীতিনির্ধারণ সরাসরি মুদ্রাস্ফীতি, ঋণপ্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে। এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে নিরপেক্ষতা, কঠোরতা এবং পেশাগত সততা তাই অপরিহার্য। কিন্তু যখন এমন একজনকে এই দায়িত্বে বসানো হয়, যার পেশাগত স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে এবং যার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের হয়েছে, তখন জনমনে আস্থার সংকট তৈরি হওয়া অবশ্যম্ভাবী। বিশেষকরে অতীতের আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের অভিজ্ঞতা বিবেচনায়, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রতীয়মান হচ্ছে। এতে করে একটি উদ্বেগ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে- রাষ্ট্রের আর্থিক নিরাপত্তার চেয়ে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থই কি নতুন সরকারের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে?
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বকে ঘিরেও তৈরি হয়েছে আরেকটি বিতর্কিত অধ্যায়। একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত তার আন্তর্জাতিক পরিচয়, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মানচিত্র নির্ধারণ করে। তাই এই সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন, যার ওপর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু সাম্প্রতিক নিয়োগে দেখা গেছে, অতীতে বিতর্কিত অবস্থানে থাকা একজন ব্যক্তিকেই এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। বিশেষত, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে যার ভূমিকা নিয়ে খোদ নিজ শিবিরের নেতারাই প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাকেই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে আসীন করা হয়েছে। এই দ্রুত অবস্থান পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট 'রাজনৈতিক স্মৃতি' এবং বর্তমান বাস্তবতার মধ্যকার বৈপরীত্য জনমনে গভীর সংশয় তৈরি করেছে।
রাজনীতির ইতিহাসে কৌশলগত অবস্থান বদল নতুন কিছু নয়; কিন্তু যখন সেই পরিবর্তনের কোনো গ্রহণযোগ্য নৈতিক ব্যাখ্যা থাকে না, তখন তা আস্থার সংকটে রূপ নেয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি রাষ্ট্রের সার্বভৌম মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ধারক। তাই এখানে শীর্ষ নেতৃত্বের বিষয়টি যেমন প্রশাসনিক, তেমনি গভীরভাবে নৈতিকও। যখন এমন কাউকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় যিনি দলীয় অভ্যন্তরেই প্রশ্নবিদ্ধ, তখন রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে- যাকে কিছুদিন আগে জনসমক্ষে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছিল, ক্ষমতার কোন সমীকরণে তাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলো?
রাষ্ট্রের শক্তিমত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নির্ভর করে তার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতার ওপর। কোনো রাষ্ট্রই রাতারাতি ভেতর থেকে দুর্বল হয় না; বরং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো ভুল মানুষের হাতে সঁপে দেওয়ার মাধ্যমেই এর প্রাতিষ্ঠানিক পঙ্গুত্ব শুরু হয়। বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলোতে স্বচ্ছতার অভাব এবং মেধার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার যে সংস্কৃতি পুনরায় দেখা যাচ্ছে, তা মূলত পুরনো অদক্ষতা ও দুর্নীতিকেই নতুন করে উৎসাহিত করছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যোগ্য ও দূরদর্শী জনবল নিয়োগ দেওয়া কোনো বাড়তি চাওয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষার পূর্বশর্ত। যখন পেশাদারিত্বের জায়গায় রাজনৈতিক আনুগত্য জেঁকে বসে, তখন কেবল প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাই নষ্ট হয় না, বরং রাষ্ট্রের প্রতি সাধারণ মানুষের মৌলিক আস্থাও বিপন্ন হতে শুরু করে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সংকট হলো- জনপ্রিয়তার উন্মাদনা অনেক সময় নীতিনির্ধারণের নূন্যতম বৌদ্ধিক প্রস্তুতিকেও ছাপিয়ে যায়। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন, মিছিল কিংবা নির্বাচনী প্রচারণায় যতটা পারদর্শী, রাষ্ট্র পরিচালনার সূক্ষ্ম ও জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের নীতিগত ও দার্শনিক ভিত্তি ঠিক ততটাই নড়বড়ে। যখন রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রস্তুতিতে এমন বিস্তর ঘাটতি থাকে, তখন শাসনব্যবস্থা অনিবার্যভাবেই তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াগুলো ক্রমশ পেশাদারিত্ব হারায় এবং শেষ পর্যন্ত তা গভীর জনআস্থার সংকটে নিমজ্জিত হয়।
শেষপর্যন্ত সব বিতর্কই জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রে ফিরে আসে। গণতন্ত্র যতটা না ভোটের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পদ্ধতি, তারচেয়ে বেশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনের একটি প্রক্রিয়া। প্রতিটি নিয়োগে তাই স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কোনো সাধারণ সুযোগ নয়, বরং রাষ্ট্রের সম্মানজনক অস্তিত্ব ও সুরক্ষার এক অনিবার্য শর্ত। মেধা ও পেশাদারিত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা না হলে, রাষ্ট্রকে কাঠামোগত অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই পথ চলতে হবে।।