14/03/2026
Motivational Speech BD
আমাদের লক্ষ্যও উদ্দেশ্য হলো এদেশের মানুষকে বেকার মুক্ত করা। বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে উদ্যোক্তা তৈরী করা
14/03/2026
10/01/2026
অপূর্ব তার চোখের হাসি
সফলতার ১৫টি সূত্রঃ
১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।
২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।
৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।
৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.
৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।
৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।
৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।
৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।
৯. যে সবকিছু তৈরি পাওয়ার জন্য তৈরি, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।
১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO= Next opportun
26/08/2024
হেলথ টিপস্-
ধনিয়ার বীজ পানিতে ভিজিয়ে খেলে এত উপকার, জানতেন?
বাঙালি রান্নায় ধনেপাতা ও ধনেগুঁড়া অন্যতম উপাদান। এর সুঘ্রাণ ও ভেষজ গুণ দারুণ। ধনিয়া ভিটামিন সি, খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, আমিষ, ভিটামিন বি, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে ইত্যাদি উপাদানে সমৃদ্ধ। তাই ধনিয়ার বীজ পানিতে ভিজিয়ে খেলে হৃদরোগ, পেটব্যথা, ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি হ্রাস, রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস, বদহজম থেকে মুক্তি মেলে। প্রস্রাবের ইনফেকশন বা সংক্রমণের কারণে জ্বালাভাব দূর করতেও ধনিয়ার পানি কার্যকর। নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং প্রদাহ দূর হয়।
এর আরও কিছু গুণ জেনে নেওয়া যাক।
বাঙালি রান্নায় ধনেপাতা ও ধনেগুঁড়া অন্যতম উপাদান
👉হাড় মেরামত করে।
ধনিয়ার পানিতে আছে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। এ ছাড়া ভিটামিন কে-তে ভরপুর, যা আপনার রক্ত জমাট বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন কে হাড় মেরামত করতেও সাহায্য করে, অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
👉ফ্রি র্যাডিকেল কমায়।
ধনিয়ার পানিতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ফ্রি র্যাডিক্যাল হলো একধরনের আলগা অক্সিজেন অণু, যা আপনার কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এতে ক্যানসার, হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে। এমনকি বার্ধক্যের লক্ষণগুলোও কমে।
👉হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
ধনিয়ার পানি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়। এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ধনিয়ার পানিতে এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। করোনারি হৃদরোগের (এথেরোস্ক্লেরোসিস) ঝুঁকিও কমায়।
👉প্রদাহ কমায়
ধনেবীজের পানি শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ক্যানসার, হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগ থাকলেও প্রদাহ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো প্রদাহ কমায় এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়।
👉রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।
ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে শর্করা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে এই ধনিয়ার পানি। পরীক্ষায় দেখা গেছে, রক্তের গ্লুকোজ প্রক্রিয়াজাত করতে প্রয়োনীয় কিছু এনজাইমকে সক্রিয় করে ধনিয়ার পানি। ফলে রক্তে উচ্চ শর্করা থাকলে ধনিয়ার পানি খেতে পারেন।
👉চোখ ভালো রাখে।
ধনিয়ার পানি ভিটামিন এ-এর ভালো উৎস, যা চোখের রেটিনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই ভিটামিন এ আপনার চোখ আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে উপকারী।
👉ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখে।
ধনিয়ার পানি ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। এতে ইমিউন সিস্টেম ভালো থাকে। শ্বেতরক্তকণিকাকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে এবং আয়রন শোষণে করে সহায়তা। ভিটামিন সি ক্ষত নিরাময় করে এবং কোলাজেন উৎপাদনেও ভূমিকা রাখে, যা ত্বক সুন্দর করে।
👉মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারে।
প্রদাহের সঙ্গে মস্তিষ্কের রোগ, যেমন পারকিনসন্স, আলঝেইমারস ডিজিজ, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস যুক্ত। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ধনিয়ার পানি এসব রোগ থেকে রক্ষা করে। এই পানি উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ধনেপানি ডায়াজেপাম ওষুধের মতোই কাজ করে। ডায়াজেপাম দুশ্চিন্তা দূর করতে ব্যবহৃত হয়।
👉হজমের সমস্যা দূর করে।
ধনিয়ার বীজ থেকে নিষ্কাশিত তেল হজমের সমস্যা দূর করে। ৮ সপ্তাহের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমসহ (আইবিএস) পেটব্যথা, ফোলাভাব এবং অস্বস্তি কমাতে পারে এই পানি।
👉সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
এতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল যৌগ আছে, যা সংক্রমণ ও খাদ্যজনিত অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। ধনিয়ার পানিতে ডোডেসেনাল নামক একটি যৌগ থাকে, যা সালমোনেলার মতো ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়ার কারণে মারাত্মক খাদ্যবিষক্রিয়া হতে পারে, যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, এই পানি মূত্রনালির সংক্রমণের (ইউটিআই) জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।
সূত্র: ওয়েবএমডি ও হেলথ লাইন।
23/08/2024
এমন বাংলাদেশই আমরা চাই যেখানে কে হিন্দু কে মুসলিম কোন বৈষম্য থাকবেনা। আমরা সবাই একটা পরিবার।❤❤❤
28/01/2024
এই গ্রামের সব মেয়েরাই সুন্দরী, গর্ভবতী হন ৯০ বছর বয়সেও
পাকিস্তানের একেবারে উত্তরে অবস্থিত পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান। কারাকোরাম,পশ্চিম হিমালয়,পামির ও হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণী দিয়ে ঘেরা ছবির মত সুন্দর এই প্রদেশের উত্তরে আছে নয়নাভিরাম হুনজা উপত্যকা। পাকিস্তানের উত্তরে রয়েছে হুনজা উপত্যকা।
এই উপত্যকার চারদিক উঁচু পাহাড়ে ঘেরা। উপত্যকায় যে গ্রামগুলো রয়েছে, তাও কেমন ছন্নছাড়া। কিন্তু এই উপত্যকার অধিবাসীরা অনন্য অন্য এক কারণে। এই উপত্যকার মানুষ কমপক্ষে ১০০ বছর বাঁচেন। কখনো কখনো ১২০ বছর পর্যন্তও বেঁচে থাকেন হুনজা উপত্যকার অধিবাসীরা। হুনজা উপত্যকার নারীদের প্রজনন ক্ষমতাও নজরে পড়ার মতো।
শোনা যায়, এই উপত্যকায় ৬০ থেকে ৯০ বছরের নারীরাও সন্তানধারণে সক্ষম। হুনজা উপত্যকার এই অধিবাসীরা বুরুশো নামে বেশি পরিচিত। বুরুশোদের দেখে মনে হয়, তারা যেন সব সময় নিজেদের যৌবনেই রয়েছেন। বয়সের ছাপ চোখেমুখে পড়ে না তাদের। সময়ের কাঁটা যেন তাদের জন্য থমকে গিয়েছে। বুরুশোদের যৌবন ধরে রাখার রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাদের জীবনযাপনে।
কী এই রহস্য? বিজ্ঞানীদের মতে, এলাকায় যে সব ফলমূল, সবজি পাওয়া যায়, সে সব খুবই পুষ্টিকর। এই সব খাবারেই লুকিয়ে রয়েছে বুরুশোদের দীর্ঘায়ু হওয়ার রহস্য। দুধ, দই থেকে শুরু করে নানা রকম ফল এবং শাকসব্জি খান বুরুশোরা। পাশাপাশি বুরুশোরা এমন এলাকায় থাকেন যেখানে দূষণের পরিমাণ প্রায় শূন্য। বুরুশোদের সবাই নিজেদের চাষের জমি রয়েছে। তবে এই জমিগুলো কারও বাড়ির লাগোয়া নয়। পাহাড়ের ধাপ কেটে কেটে তৈরি জমিতে চাষ করেন বুরুশোরা। স্বভাবত কর্মঠ এই বুরুশো সম্প্রদায়ের লোকজন। প্রাত্যহিক কাজকর্মের মাধ্যমেই শরীরচর্চা হয়ে যায় তাদের।
কথিত আছে, বুরুশো সম্প্রদায়ের লোকেরা কখনো কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হন না। কর্কট রোগ, আলসার, পেটের রোগ এমনকি অ্যাপেনডিক্সের সমস্যাতেও কেউ কোনো দিন ভোগেননি বলে দাবি স্থানীয়দের। হেনরি কোয়ান্ডা নামে এক বিজ্ঞানী হুনজা উপত্যকায় গিয়ে প্রায় ৬০ বছর ছিলেন। হুনজা উপত্যকার হিমবাহের পানি পরীক্ষা করে তিনি দাবি করেন, এই পানিই বুরুশোদের দীর্ঘায়ুর কারণ।
17/01/2024
জীবনে পিছিয়ে পড়া বলতে কিছুই নেই। মনে রাখবেন, টিকিটের লাইনের শেষ ব্যক্তিটাও একসময় কাউন্টারের সামনে ঠিক পৌঁছে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
8020
