Md.Alam Sir

Md.Alam Sir

Share

ok

03/12/2022
22/08/2017

ঈদের ছুটি ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর !

ডেস্ক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে। বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পেঁৗছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সরকারি একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পেঁৗছতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি। এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন

20/08/2017

টাকার জন্য সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারছেননা এই ম্যাজিস্ট্রেট !

কার জন্য সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারছেননা এই ম্যাজিস্ট্রেট l
শাহজালাল বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ। বিমানবন্দরে একের পর এক অনিয়ম প্রতিরোধ করে খুব দ্রুতই আলোচনায় আসেন এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সৎ থাকার কারণে বারবার ঘরে-বাইরে হুমকির সম্মুখীন হলেও এবার তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনেই পড়েছেন দারুণ সমস্যায়। টাকার অভাবে নিজের দুই বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করাতে পারছেন না। গত ৬ দিন থেকে উত্তরার বিভিন্ন স্কুলে চেষ্টা করেও ভর্তি করাতে পারেননি তিনি।

শাহজালালে যাত্রীদের আস্থার অপর নাম হয়ে ওঠা ইউসুফ। বাধ্য হয়েই সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন এই সরকারি কর্মকর্তা।



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অবাক লাগতো, সরকারি অফিসাররা কেন দুর্নীতি করে! আজ আর লাগে না। ক্ষোভ হয়। কেন আসলাম সরকারি চাকরিতে! দেশের সেবা করতে এসেছি, আমার পরিবার সন্তান কি এদেশের বাইরে? ক্লাস সিক্সের এক সন্তানকে ভর্তি করাতে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়, মাসে ২-৩ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। অথচ আপনি আমাকে দিচ্ছেন দুই বাচ্চার জন্য মাসে মাত্র এক হাজার টাকা শিক্ষা ভাতা, অর্থাৎ প্রতি বাচ্চার জন্য মাসে ৫ শ টাকা। এই অবস্থায় আমি কি করতে পারি?



১.দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারি
২.বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে পারি।
লিখেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। চাকরি থেকে যে বেতন পাই তার অধিকাংশ টাকাই চলে যায় বাসা ভাড়ায়। এরপরে যে টাকা থাকে সেটা দিয়ে সংসারের ৩০ দিনের খাবারের তালিকা করতে হয়। ভর্তা, আর ডাল দিয়েই চালাতে হয় মাসের অধিকাংশ সময় এই অবস্থায় আমি কীভাবে এতো টাকা দিয়ে বাচ্চাকে পড়াবো?
ইউসুফ বলেন, আমার সরকারি বাসা পাবার কথা। আমার নামে সিভিল এভিয়েশন থেকে একটা বাসাও বরাদ্দ করা হয় কিন্তু বাসা আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় নি। অন্যজন সেই বাসায় থাকে। আমার নামে বরাদ্দ হলেও আমি বাসা পাই না। সেটাও বড় কথা না। আমাকে এয়ারপোর্টের কাছাকাছি থাকতে হয়। এই এলাকায় সরকারি স্কুল তেমন নেই। কাল উত্তরা গার্লস স্কুলে বাচ্চাকে ভর্তি করাতে গিয়ে আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নি। আমার মতো অনেকেই বাচ্চাদের ভর্তির জন্য পায়ে ধরার মতো অবস্থা। কিন্তু উপায় নেই।
ইউসুফ সাংবাদিকদের বলেন, এই অবস্থায় আমি আবেদন করবো আমাকে যেন খাগড়াছড়ি, বান্দরবান বদলি করা হয় যেখানে অন্তত স্কুলে বাচ্চাদের পড়াতে মাসে এতো টাকা লাগবে না। প্রতিবছর ১৮-২২ হাজার টাকা ভর্তি করাতে লাগবে না।



ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আজ আমার বাচ্চারা তার নানি বাসায় চলে গেছে। গত ৬ দিন থেকে স্কুলে ভর্তি করানোর কথা বলে আসছিল, আর আমিও গোটা উত্তরা এলাকায় আমার দুই বাচ্চাকে ভর্তি করাতে ব্যর্থ হয়ে চলে এসেছি। আমার বাচ্চারা মেধাবী। উত্তরার আশেপাশে সরকারি স্কুল এভেইলেবল না। আমি কীভাবে উত্তরার বাইরে নিয়ে গিয়ে তাঁদের ভর্তি করাবো? আমাকে তো অফিসের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা এলার্ট থাকতে হয়।

ইউসুফ বলেন, শুধু আমি নই সারা ঢাকা শহরে হাজার হাজার বাচ্চার অভিভাবক চিন্তিত। এতো টাকা দিয়ে বাচ্চাদের পড়াবেন কী করে। আমাদের কাছে তো ১৮ হাজার এবং প্রতিমাসে ২-৩ হাজার টাকা অনেক টাকা।
ইউসুফ ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানিয়ে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমি বলবোনা, আমাদের এই গরীব দেশে দুই বাচ্চার জন্য শিক্ষাভাতা ১ হাজার টাকার বেশী হোক। আমরা চাই, সরকারি বেসরকারি স্কুলগুলোর এই লাগামহীন বেতনবৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা হোক, যাতে আমার মত আর কাউকে সন্তানের পড়ালেখা বন্ধের সিদ্ধান্ত না নিতে হয়।’



উল্লেখ্য, ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ শাহজালাল বিমানবন্দরের অনিয়ম দুর্নীতি রোধে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, যার ফলে বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রী হয়রানি থেকে শুরু করে সমস্ত অনিয়ম অনেকটাই কমে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ইউসুফের কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। গত কয়েক মাস পূর্বে ইউসুফ অসুস্থ শুনে মাত্র ৩ দিনে ১০ লাখ টাকা যোগাড় করে ফেলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। মাত্র কয়েকদিনে ইউসুফের নামে ফান্ডে জমা হয় ৩০ লাখ টাকা। পরে অবশ্য বড় কোনো অসুস্থতা পরীক্ষা ধরা না পড়ায় সেই ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয় গরিব দুঃস্থদের চিকিতসায়। যাত্রীদের আস্থার অপর নাম হয়ে ওঠে ইউসুফ।



ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফের বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানায়। তিনি নোয়াখালীর সূবর্ণচরে মাত্র কয়েক কাঠা জমি কিনে বাড়ি করেন।
বর্তমানে ঢাকায় বিমান বন্দরের কাছাকাছি ভাড়া বাসায় থাকেন

20/08/2017

শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ

বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুলিশ প্রহরায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারি শিক্ষিকা বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। ওই শিক্ষিকার স্বামী ভারতীয় নাগরিক। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দী গ্রাম থানার বাসিন্দা।

ওই অবস্থা দেখে কতিপয় যুবক সন্দেহ পোষণ করে জড়ো হয়। তারা স্কুলের মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে শিক্ষিকা প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে তালা ভেঙে ৬-৭ জন যুবক ভেতরে ঢুকে তার স্বামীকে এলোপাথারি মারধর করে তার পরিচয় জানতে চায়।

শিক্ষিকার স্বামীর পরিচয় জেনেও একটি কক্ষে তাকে আটকে রাখে তারা। অপর একটি কক্ষে শিক্ষিকাকে নিয়ে যুবকরা উপুর্যপরি ধর্ষণ করে।

যুবকরা চলে গেলে ওই শিক্ষিকা ও তার স্বামী বিষয়টি বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন।

তিনি বেতাগী থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিদের্শ দেন।

স্বামীকে নিয়ে শিক্ষিকা থানায় গিয়ে নিজে বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন- হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মো. রাসেল (২৪), আ. কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মো. সুলতান হোসেনের ছেলে মো. রবিউল (১৮), আ. রহমানের ছেলে মো. হাসান (২৫) ও মো. রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)।

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুলিশ পাহারায় তাকে রাত সাড়ে দশটায় বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে তাকে ভর্তি করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম মাহমুদুর রহমান বলেন, ঘটনার পর শিক্ষিকা আমার কাছে এসেছিল। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তাকে থানায় পাঠিয়েছি।

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মামুন অর রশিদ জানান, এ বিষয়ে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

02/08/2017

সুবর্ণচর উপজেলার জাতীয়করণকৃত ৭জন প্রধান শিক্ষক পদে অবৈধ পদোন্নতির অভিযোগ

সুবর্ণচর উপজেলার জাতীয়করণকৃত ৭জন প্রধান শিক্ষক পদে অবৈধ পদোন্নতির অভিযোগ

নোয়াখালি প্রতিনিধি : নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতি নোয়ার ক্ষেত্রে ০৭ জন শিক্ষক কাক্ষিক যোগ্যতা না থাকা এবং ২৯/১২/২০১২ খ্রিঃ তারিখের পওে জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ে পদোন্নতি না দেয়ার সুযোগ না থাকলে ভুয়া শিক্ষা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে জুন-২০১৩ এর এমপিওভ’ক্তির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের স্কেল প্রাপ্ত হয়ে এসএসসি ও এইচএসসি তে ৩য় বিভাগ থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের বেতনগ্রেডে দুই দুইটি টাইমস্কেলও পরিগ্রহ করছে।

অনিয়মের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়া শিক্ষকরা হলেন ১। মোঃ আবুল কাশেম,প্রধান শিক্ষক, উল্টর চর রশিদ সপ্রাবি,২। মোঃ জসীম উদ্দিন, চর পানা উল্যাহ সপ্রাবি,৩। মোঃ নুরুল আলম, প্রধান শিক্ষক, নোয়াপাড়া এমএস রেড়ক্রিসেন্ট সপ্রাবি ৪। মোঃ আবদুল গফর, প্রধান শিক্ষ , চরকাজী মোখলেছ সপ্রাবি, ৫। মোঃ মোতাহের হোসেন, প্রধান শিক্ষক, মনাববিয়া সপ্রাবি ৬।মোঃ আবদুল আজিজ, প্রধান শিক্ষক, ভুইয়ার হাট এমএ কামাল সপ্রাবি, ৭। পিআরএলরত মোঃ আনোয়ারুল হক, প্রধান শিক্ষক, পূর্ব চরবাট রেড়ক্রিসেন্ট সপ্রাবি।

এছাড়া কাক্ষিত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সুবর্ণচর উপজেলার হারুনুর রশীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিটু চন্দ্র দাস বিধিবহিভর্’তভাবে কেবল মাত্র স্নাতক ডিগ্রীধারী হয়ে কোন ধরণের এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ে/ সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ বছরের অভিজ্ঞতা ব্যতিরেকে সরাসরি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০১২ সালে এমপিও ভুক্তির সুবাধে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের সকল সার্কুলার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯১ এর সরাসরি লংগন করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তারা নিয়ম মাফিক প্রধান শিক্ষক হয়েছেন। সবগুলো পরিপত্র তাদের কাছে আছে।

সূবর্নচর উপজেলার শিক্ষা অফিসার রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ২০১৩ সালে তাদের প্রধান শিক্ষক হয়েছে। সেই সময় আমি ছিলাম না। সবগুলো ৩য় শ্রেণি থাকলে প্রধান শিক্ষক হওয়া যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এ বিষয়টি তার জানা নেই। তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

এ রকম দূর্ণীতি ও বিধি বহির্ভুত কাজ নোয়াখালীর ৯ টি উপজেলায়ই সগংঠিত হয়েছে যা সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ সনদপত্র গুলো যাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে বলে সচেতন মহল দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এবং দাবী রাখছে কর্তৃপক্ষসহ দূর্ণীতিদমন কমিশনের কাছ।

02/08/2017

সেই সভাপতি বিদ্যালয়ের আঙিনায় নিষিদ্ধ

আটজন নারী শিক্ষককে ‘হুমকি দেওয়া’ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নতুন বসতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিকে বিদ্যালয়ের আঙিনায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসনের আশ্বাসে গতকাল মঙ্গলবার শ্রেণিকক্ষে ফিরেছেন শিক্ষকেরা।

জেলা প্রশাসক মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম বলেন, শিক্ষকদের নিরাপত্তার স্বার্থে কমিটির সভাপতি সেলিম মিয়াকে বিদ্যালয়ের আঙিনায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, আটজন শিক্ষককে হুমকি দিয়েছিলেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মিয়া। গত সোমবার প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক নিরাপত্তার আশঙ্কায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ওই দিনই সব শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এতে বিদ্যালয়টি শিক্ষকশূন্য হওয়ায় পাঠদান বন্ধ থাকে।

বিদ্যালয় সূত্র জানায়, এই পরিস্থিতিতে গতকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ শাহাদত খন্দকার গতকাল দুপুরে বিদ্যালয়ে জরুরি সভা আহ্বান করেন। সভায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলেয়া ফেরদৌসী, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সায়েম মো. তৌহিদুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইউএনও উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে তিনি শিক্ষকদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন ও পাঠদান শুরুর নির্দেশ দেন। তবে অভিযুক্ত সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নির্দেশনা অনুযায়ী দুপুরের পর থেকে পাঠদান শুরু করেন শিক্ষকেরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানা আকতার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সেলিম মিয়ার হুমকিতে আমিসহ অন্য শিক্ষিকারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।’ তিনি বলেন, ‘সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও বিদ্যালয় থেকে আমাকে তাড়াতে কমিটির সভাপতি সেলিম মিয়া কমিটির অন্য সদস্যদের কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর আদায় করেছেন। এলাকার কতিপয় ব্যক্তিরও স্বাক্ষর নিচ্ছেন। এখনো আমাকে বিদ্যালয় থেকে সরাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি লাঞ্ছনার ভয়ে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি।’

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের ওপর এত ঝড় বইছে যে সেই ঝড় আমাদের গায়ে লাগছে। আমরা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ তো দূরের কথা, একধরনের ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পার করছি।’

তবে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত কিংবা হুমকি দেওয়া হয়নি দাবি করেছেন কমিটির সভাপতি সেলিম মিয়া। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, তাঁকে ছাড়াই প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ ও কমিটির সভা করেন। তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করা হবে।

10/07/2017

ই-কন্টেন্ট [ভিডিও] ধারনা মানচিত্র

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


KHILGAON HIGH SCHOOL
Dhaka
1219