Hospital Services

Hospital Services

Share

Specialized Govt. Hospital for Cardiovascular Diseases. You can get more educational medical and health tips.

07/03/2026

Azonox ট্যাবলেট; যা, ফাঙ্গাস জনিত সংক্রমন, চুলকানি, দাদ বা দাউদ, ফুসকুরি, ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ, একজিমা, রানের চিপায় দাউদ, নখের ফাঙ্গাল এবং ছত্রাকের চিকিৎসায় কার্যকর।

07/03/2026

ঘ**ন ঘ**ন প্রস্রাব ফোঁ**টা ফোঁ**টা প্রস্রাব বন্ধ করে দেয়। প্রো স্টেট গ্র ন্থি বিপি এইচ নামে পরিচিত এটি পুরু**ষের প্র স্রা বের রা**স্তার উপর চাপ ফেলে প্র স্রা ব করতে সমস্যা হয় ঘ**ন ঘ**ন প্র স্রা বের প্রয়োজন অনুভব হয় প্র স্রা ব আটকে যায় ইত্যাদি লক্ষণ তৈরি করে পো স্টেট বা মূ ত্রা শ্রয়ের মসৃণ পেশিগুলো শিথিল করে এর ফলে প্রস্রাবের রা**স্তা প্রশ স্ত হয় এবং প্র স্রা ব সহজ হয়ে যায়।

06/03/2026
04/03/2026

✍️ লেখাটি দুইবার পড়ুন তিনবার ভাবুন..!
আপনি যে হাত দিয়ে আরেকজনকে অন্যায়ভাবে থাপ্পড় দিচ্ছেন সেই হাতটি নেই বলে কেউ হয়তো তার সন্তানকে আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারছে না!

☝️আপনি যে পা দিয়ে আরেকজনকে অন্যায়ভাবে লাথি দিলেন সেই পাটি না থাকার কারণে হয়তো কেউ স্কুলে যেতে পারছে না!

☝️আপনি যে চোখ দিয়ে হারাম জিনিস দেখে যাচ্ছেন হরহামেশা সেই চোখটি নেই বলে কেউ হয়তো তার প্রিয় মাকে একনজর দেখতে পারছে না!

☝️আপনি যে কান দিয়ে সারাদিন হারাম গান শুনছেন সেই কানটি না থাকবার কারণে হয়তো আপনার পরিচিত কেউ আপনার কথা শুনতে পায় না!

☝️আপনি যে ব্রেন-বুদ্ধি দিয়ে অন্যকে ঠকাবার বা কষ্ট দেবার পরিকল্পনা করছেন সেই ব্রেন-বুদ্ধির অভাবে কেউ হয়তো পাগলা গারদে আছে কিংবা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে হাঁটছে!

☝️আপনি যে মুখ দিয়ে গীবত করছেন, গালি দিচ্ছেন সেই মুখটি না থাকবার কারণে কেউ হয়তো তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে ভালোবাসার ডাকে ডাকতে পারছে না!

☝️আপনি যে নাক দিয়ে হারাম ঘ্রাণ নেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন সেই নাকটি না থাকবার কারণে কেউ হয়তো সন্তানের দেয়া আতরের সুবাস অনুভব করতে পারছে না!

☝️আপনি যে চেহারা বা শারীরিক কাঠামোর জন্য অহংকার করছেন তার চেয়েও বেশি সুন্দর চেহারা আর সুঠাম দেহ নিয়ে কেউ হয়তো কবরে গিয়ে হাড্ডিসার কংকাল হয়ে পড়ে আছে!

☝️একটিবারও কি ভেবে দেখেছেন যে আপনি যে নিয়ামতগুলো ভোগ করছেন সেই একই নিয়ামত না পেয়ে অন্য কেউ চোখের পানি আর নাকের পানি একাকার করছে।

👌যে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো ঐসব মানুষগুলোকে দেননি সেই সৃষ্টিকর্তা কি এখনো পারেন না আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো চোখের পলকে নিয়ে নিতে? পারেন। কিন্তু সাধারণত করেন না। এর মানে এই নয় যে, কখনো করবেন না। করতেও পারেন। অতীতেও করেছেন, এখনো করেন, ভবিষ্যতেও করবেন। জাস্ট সময়ের ব্যাপার!

🙏মনে রাখবেন, আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো কোনো স্থায়ী বিষয় নয় যে, এর কোনো ক্ষয়-লয় নাই। এগুলো পরীক্ষা।

☝️আপনার চোখের সামনেই তো দেখেছেন কত ক্ষমতাধর মানুষ মুহুর্তে লাশ হয়ে গেছে। কত সুন্দর চেহারার মানুষের হাড় কবরে পড়ে রয়েছে। কত টাকাপয়সাওয়ালা ধনকুবের খালি হাতে হাসপাতালের বেডে ধুঁকতে ধুঁকতে শেষ প্রাণবায়ু ত্যাগ করেছে! একটু ভাবুন, প্লিজ..!

☝️অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন সম্প্রদায়!) তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?
[সূরা রহমান:১৩]

☝️আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা কর, তবে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[সূরা নাহল:১৮]

☝️কেয়ামতের দিন অবশ্যই তোমাদেরকে নেয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। [সূরা তাকাসুর:৮]

04/03/2026

🔰 বিভিন্ন বয়সে শিশুর আদর্শ ওজনঃ
০ মাসঃ ২.৫-৩.৩ কেজি
১ মাসঃ ৩-৪.৪ কেজি
২ মাসঃ ৩.৬-৫.৩ কেজি
৩ মাসঃ ৪.১-৬ কেজি
৪ মাসঃ ৪.১-৬.৭ কেজি
৫ মাসঃ ৫.১-৭.৩ কেজি
৬ মাসঃ ৫.৫-৭.৩ কেজি
৭ মাসঃ ৬-৭.৩ কেজি
৮ মাসঃ ৬.৪- ৮.৮ কেজি
৯ মাসঃ ৬.৭-৯.২ কেজি
১০ মাসঃ ৭.১-৯.৫ কেজি
১১ মাসঃ ৭.৩-৯.৯ কেজি
১২ মাসঃ ৭.৫-১০.২ কেজি
১৩ মাসঃ ৭.৮-১০.৫৪ কেজি
১৪ মাসঃ ৮-১০.৭ কেজি
১৫ মাসঃ ৮.২- ১০.৯ কেজি
১৬ মাসঃ ৮.৩-১১.১ কেজি
১৭ মাসঃ ৮.৫-১১.৩ কেজি
১৮ মাসঃ ৮.৭-১১.৫ কেজি
১৯ মাসঃ ৮.৮-১১.৭ কেজি
২০ মাসঃ ৯-১১.৯ কেজি
২১ মাসঃ ৯.১-১১ কেজি
২২ মাসঃ ৯.৩-১২.১ কেজি
২৩ মাসঃ ৯.৪-১২.৩ কেজি
২৪ মাসঃ ৯.৬-১২.৫ কেজি
২৫ মাসঃ ৯.৭-১২.৭ কেজি
২৬ মাসঃ ৯.৯-১২.৯ কেজি
২৭ মাসঃ ১০-১৩ কেজি
২৮ মাসঃ ১০.২-১৩.২ কেজি
২৯ মাসঃ ১০.৩-১৩.৪ কেজি
৩০ মাসঃ ১০.৫-১৩.৬ কেজি
৩১ মাসঃ ১০.৬-১৩.৭ কেজি
৩২ মাসঃ ১০.৮-১৩.৯ কেজি
৩৩ মাসঃ ১০.৯-১৪.১ কেজি
৩৪ মাসঃ ১১-১৪.২ কেজি
৩৫ মাসঃ ১১.১-১৪.৪ কেজি
৩৬ মাসঃ ১১.৩-১৪.৫ কেজি
৩৭ মাসঃ ১১.৪-১৪.৮ কেজি
৩৮ মাসঃ ১১.৬-১৫ কেজি
৩৯ মাসঃ ১১.৮-১৫.১ কেজি
৪০ মাসঃ ১১.৯-১৫.৩ কেজি
৪১ মাসঃ ১২-১৫.৪ কেজি
৪২ মাসঃ ১২.১-১৫.৬ কেজি
৪৩ মাসঃ ১২.৩-১৫.৮ কেজি
৪৪ মাসঃ ১২.৪-১৬ কেজি
৪৫ মাসঃ ১২.৫-১৬.১ কেজি
৪৬ মাসঃ ১২.৬-১৬.৩ কেজি
৪৭ মাসঃ১২.৮-১৬.৫ কেজি
৪৮ মাসঃ ১২.৯-১৬.৬ কেজি
৪৯ মাসঃ ১৩-১৬.৮ কেজি
৫০ মাসঃ ১৩.১-১৭ কেজি
৫১ মাসঃ ১৩.২-১৭.১ কেজি
৫২ মাসঃ ১৩.৩-১৭.৩ কেজি
৫৩ মাসঃ ১৩.৪-১৭.৫ কেজি
৫৪ মাসঃ ১৩.৫-১৭.৭ কেজি
৫৫ মাসঃ ১৩.৬-১৭.৮ কেজি
৫৬ মাসঃ ১৩.৭-১৮ কেজি
৫৭ মাসঃ ১৩.৮-১৮.২ কেজি
৫৮ মাসঃ ১৩.৮-১৮.৪ কেজি
৫৯ মাসঃ ১৩.৯- ১৮.৫ কেজি
৬০ মাসঃ ১৪-১৮.৭ কেজি।

অনলাইন সংগৃহিত তথ্য

01/03/2026

থা"ইরয়েড নিয়ন্ত্রণে ধনিয়া ভেজানো পানির জা'দুকরী উপকারিতা
​বর্তমান সময়ে থাই'রয়েড একটি অতি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারাক্ষণ ক্লান্তি বোধ করা, অকারণে ওজন বেড়ে যাওয়া কিংবা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত চুল পড়া বা মেজাজ খিটখিটে হওয়া—এসব যেন থাইরয়েড রোগীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। সুস্থ থাকার জন্য ওষু'ধের ওপর নির্ভরতা তো আছেই, তবে আপনি কি জানেন, আমাদের রান্নাঘরের অতি সাধারণ একটি মশলাই হতে পারে এই সমস্যার অসাধারণ এক প্রাকৃতিক সমাধান?

​হ্যাঁ, বলছিলাম 'আস্ত ধনিয়া' বা ধনে বী'জের কথা। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, নিয়মিত ধনিয়া ভেজানো পানি পানের অভ্যাস থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা স্বাভাবিক করতে জাদুর মতো কাজ করে। চলুন জেনে নিই এই জা'দুকরী পা'নীয়টি কেন এতো উপকারী এবং কীভাবে এটি সেবন করবেন।

​ধনিয়া ভেজানো পানি খেলে কেন থা"ইরয়েড নিয়ন্ত্রণে আসে?
​ধনিয়া শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ভেষজ উপাদান। থাই"রয়েড নিরাময়ে এটি যে কারণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে:
💠​১. হর'মোনের ভারসাম্য রক্ষা: ধনিয়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন (এ, সি, এবং কে) এবং ফলিক এসিড। এসব উপাদান থাইরয়েড গ্র'ন্থিকে উ'দ্দীপিত করে এবং T3 ও T4 হর'মোনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি হাইপোথাই'রয়েডিজম (Hypothyroidism) এবং হাইপারথাইর:য়েডিজম (Hyperthyroidism)—উভয় ক্ষেত্রেই বেশ উপকারী।
💠​২. শ'ক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: ধনিয়া হলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের একটি পাওয়ার হাউস। এটি শরীর থেকে ক্ষ'তিকর ট'ক্সিন বা বি"ষাক্ত প'দার্থ বের করে দেয় এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। ফলে থাইর'য়েড গ্রন্থি সুস্থভাবে কাজ করার সুযোগ পায়।
💠​৩. প্রদাহনাশক (Anti-inflammatory) ক্ষমতা: থাইরয়েড সমস্যার কারণে শরীরের বিভিন্ন কোষে প্রায়শই প্রদাহ বা ইনফ্লে'মেশন দেখা দেয়। ধনিয়াতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ এই প্রদাহ ও ব্যথা দ্রুত প্রশমিত করতে সহায়তা করে।
💠​৪. ওজন ও মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ: হাইপোথা"ইরয়েডিজমের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো হজমশক্তি কমে যাওয়া এবং ওজন হু হু করে বেড়ে যাওয়া। নিয়মিত ধনিয়ার পানি খেলে শরীরের মেটাবলিজম বা বি'পাকীয় হার বৃদ্ধি পায়, যা দ্রুত হজমে এবং শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে দারুণ কাজ করে।
✅​কীভাবে ধনিয়ার পানি প্রস্তুত করবেন?
​এই পানীয়টি তৈরি করা অত্যন্ত সহজ। খুব অল্প সময়ে আপনি এটি ঘরেই বানাতে পারবেন।
​উপকরণ:
​আস্ত ধনিয়া (ধনে বী'জ) - ১ চা চামচ
​বিশুদ্ধ পানি - ১ গ্লাস
​প্রস্তুত প্রণালী:
✔️১. রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ১ চা চামচ আস্ত ধনিয়া ভিজিয়ে রাখুন।
✔️২. পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই ধনিয়াসহ পানিটুকু একটি সসপ্যানে বা পাত্রে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন।
✔️৩. মাঝারি আঁচে ৫ থেকে ৭ মিনিট পানিটি ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন।
✔️৪. পানি ফুটে যখন পরিমাণে কিছুটা কমে আসবে (প্রায় এক গ্লাসের তিন-চতুর্থাংশ), তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
✔️৫. এবার একটি ছাঁকনির সাহায্যে পানিটুকু কাপে ছেঁকে নিন।
✅​খাওয়ার নিয়ম বা সেবন বিধি
​কখন খাবেন: থাইর"য়েডের সেরা ফলাফলের জন্য এই পানীয়টি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পান করা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।
​কীভাবে খাবেন: পানিটি একেবারে গরম না খেয়ে হালকা কুসুম গরম থাকা অবস্থায় চায়ের মতো চু'মুক দিয়ে ধীরে ধীরে পা'ন করুন। স্বাদ বাড়াতে চাইলে এর সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং সামান্য অর্গানিক মধু মিশিয়ে নিতে পারেন (তবে ডায়াবেটিস থাকলে মধু এড়িয়ে চলা ভালো)।

✅​কতদিন খাবেন: টানা কয়েকদিন খেলেই ম্যা'জিকের মতো থাইর'য়েড দূর হবে না। ভালো ও স্থায়ী ফলাফল পেতে একটানা ৩০ থেকে ৪৫ দিন এই নিয়মটি মেনে চলতে হবে।

⚠️​বিশেষ সতর্কতা: ধনিয়ার পানি থাইরয়ে"ড নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত সহায়ক একটি প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়। তবে এটি ওষু'ধের বিকল্প নয়। আপনি যদি আগে থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী থাইরয়ে"ডের কোনো ওষু'ধ খেয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই তা চালিয়ে যেতে হবে। এই পানীয় পানের পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া হু'ট করে কোনো ওষু'ধ বন্ধ করা যাবে না।

22/02/2026

✅ বাঁচ:তে হলে জানতে হবে::🫵🫵🫵
১. কোমর ব্যথা হলে কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে খান।

২. চেহারা ফর্সা করতে চাইলে নারকেল তেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে মালিশ করুন।

৩. শরীরের চ"র্বি কমাতে চাইলে মৌরি সিদ্ধ করে তার পানি পান করুন।

৪. উজ্জ্বল ত্বক চাইলে সকালে খালি পেটে হলুদের পানি পান করুন।

৫. প্রতিদিন একটি করে লবঙ্গ চি"বিয়ে খেলে দাঁতের মাড়ির ইনফে"কশন দূর হয়।

৬. রাতের বেলা একটি এলাচের বি চি গুড়া করে খেলে মন শান্ত থাকে।

৭. চায়ের সাথে দারুচিনি খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

22/02/2026

💥 শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয়েছে কিনা যেভাবে বুঝবেন: ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব শরীর গঠনের জন্য অনেক। ক্যালসিয়াম শরীরের হাড় মজবুত করতে জরুরী। কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়ক। এটি শরীরের বিকাশ ও মাংশপেশী গঠনে প্রয়োজন।

ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় দুগ্ধজাত খাবারে। যেমন দুধ, চিজ, দই, সামুদ্রিক খাবারে এবং সবুজ সবজিতে। বর্তমানে আমরা সবাই অস্বাস্থ্যকর খাবার, জাঙ্ক ফুড, পিঁজা, ভাজাভুজি, বার্গার এবং তেলেভাজা নিয়ে মেতে উঠেছি যা পুষ্টি নষ্ট করছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ প্রস্তাব দিয়েছে যে পুরুষ ও মহিলা সবারই প্রতিদিন ১০০০ MG করে ক্যালসিয়াম দরকার।ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের শরীরে যে মারাত্মক প্রভাব পড়ে বা যে লক্ষণগুলো দেখা তা হলোঃ-
১। পায়ে খেঁচুনি ধরাঃ যদি আপনারা আপনাদের পায়ে খেঁচুনি ধরা অনুভব করেন, তাহলে এটা ক্যালসিয়ামের অভাবের প্রথম লক্ষণ। এর প্রতিকারে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার রোজকার খাবারে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাছাড়া, ক্লেভেলান্ড ক্লিনিক বলেছে যে শোয়ার আগে পা প্রসারিত করুন তাতে ব্যথা কিছু কম লাগবে। এটা কি বিশ্বাস করেন? না করলে একবার চেষ্টা করে দেখুন!
২। দাঁতের গর্তঃ আগের চেয়ে দাঁতের গর্ত বাড়ছে? শুধু মিষ্টিকে দোষ দেবেন না। যখন আমাদের শরীর খাবার থেকে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম পায় না, এটি অন্যান্য উৎস থেকে খোঁজে, যেমন আমাদের দাঁত।
৩। অসাড় অবস্থাঃ পায়ে খেঁচুনি ধরার মতো ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে আমাদের হাতের স্প্ল্যাশাল স্নায়ু নষ্ট হয়ে যায়। যদি আপনি আগুলের ওপর অস্থিরতা বা ঝলকানি সংবেদন অনুভব করেন তাহলে এখুনি ক্যালসিয়ামের পরিমাণ পরীক্ষা করান।
৪। ভঙ্গুর নখঃ দাঁত ও শরীরের মতো নখেও ক্যালসিয়াম থাকে। অতএব, একটি ক্যালসিয়াম-অনাহারী শরীর পুষ্টির জন্য সেখান থেকে ক্যালসিয়াম নেবে। এটার জন্যে আমাদের নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়, যদি না আমরা বেশি ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করি।
৫। ঘুমের অসুবিধাঃ মেডিকেল তথ্য আনুসারে ক্যালসিয়াম সেরোটোনিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা কিনা ঘুমের জন্যে দায়ি। যখন আপনি গভীর ঘুমে যান, তখন আপনার ক্যালসিয়ামের লেভেল বেড়ে যায়। সুতরাং যদি আপনি রাতে কম ঘুমান তাহলে আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব বাড়বে।
৬। বাজে অঙ্গ বিন্যাসঃ কম ক্যালসিয়াম মানে, দুর্বল হাড় এবং দুর্বল হাড় মানে দুর্বল শরীর। আপনার শরীর এই দুর্বলতার জন্যে জবুথবু হয়ে যাবে। এই বাজে অঙ্গ-বিন্যাসের জন্যে পিঠে ও কাঁধে ব্যাথা বাড়বে।
৭। হৃদরোগের আক্রমণঃ জৈবপ্রযুক্তি জাতীয় কেন্দ্র বলছে যে ক্যালসিয়াম পেশী সংকোচন এবং নিউরোট্রান্সমিটার রিলিজ দরকারি। সুতরাং ক্যালসিয়ামের অভাব হৃদরোগের আক্রমণের কারন হতে পারে।
৮। স্মৃতিশক্তি হ্রাসঃ রিমোট কোথায় মনে করতে পারছেন না? ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে স্নায়বিক উপসর্গগুলি হয় যেমন স্মৃতিশক্তি হ্রাস ও ভুলে যাওয়া।

অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটিয়ে হাড় মজবুত করবে! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক…
১. মজবুত হাড় পেতে নিয়মিত ব্রোকলি খেয়ে যেতে পারেন। ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সবজিটি শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
২. টক জাতীয় ফল হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কমলালেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবুর মতো যে কোন লেবুতেই থাকে ভিটামিন সি আর সাইট্রিক অ্যাসিড যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
৩. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সয়াবিন খুবই উপকারি! এক কাপ (১০০ গ্রাম) সয়াবিনে প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত সয়াবিন খান। উপকার পাবেন।
৪. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত ঢেঁড়স খেয়ে দেখুন। ৫০ গ্রাম ভেন্ডি বা ঢেঁড়সে প্রায় ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
৫. কাঠ বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এক মুঠো (১০০ গ্রাম) কাঠ বাদামে প্রায় ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে প্রতিদিন খেতে পারেন এক মুঠো কাঠ বাদাম।
৬. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে তিলের বীজ খুবই উপকারী! কারণ তিলের বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ১০০ গ্রাম কাঁচা তিলের বীজে ১ হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে।

20/02/2026

বর্তমানে এক শ্রেণীর যুবক প্রায়ই বলে, বুকের ব্যাথাটা কেউ বুঝেনা, সবাই বলে গ্যাষ্ট্রিকের ব্যাথা। কথাটা পুরোপুরি ঠিক না। কারণ কারো কারো হৃদরোগের কারণেও বুকে ব্যাথা হতে পারে।

এখন আসুন হৃদরোগ সম্পর্কে একটু জেনে নেই..
হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নেন হৃদ্‌রোগের কারণে এমন ব্যথা হচ্ছে কি না। হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বাতিল হলে চিকিৎসক বুকে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

হৃদ্‌রোগ ছাড়া বুকে ব্যথা সব বয়সের মানুষের হতে পারে। নারী বা পুরুষের বেলায় এ ধরনের ব্যথা হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগজনিত বুকে ব্যথা নিয়ে যত রোগী আসে, তার চেয়ে চার গুণ বেশি রোগী আসে বুকের অন্য কোনো ব্যথা নিয়ে। এ ধরনের ব্যথার উপসর্গে মাঝে মাঝে ব্যথা হচ্ছে। বুকের ঠিক কোথায় ব্যথা হচ্ছে তা সঠিকভাবে রোগী বলতে পারছে। এ ছাড়া এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ছে না। রোগী সাধারণ কাজকর্ম করতে পারছে। অর্থাৎ, বুকে ব্যথা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সাধারণ কাজকর্ম করতে কোনোই অসুবিধা হয় না। এ ধরনের রোগীরা ব্যথা নিয়ে সাধারণভাবে প্রথমেই হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যায় বা তাদের এ ধরনের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

সাধারণভাবে এমনটি করার কারণ, বুকে যে ব্যথা হচ্ছে, তা হৃদ্‌রোগ নাকি অন্য কিছু, তা রোগীর পক্ষে কখনোই বোঝা সম্ভব নয়। তাই নিরাপত্তার কথা ভেবে রোগীকে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে বা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নানা কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে। বুকের মাংসপেশির কোনো সংকটের কারণে, হাড়ের কারণে এই ব্যথা হতে পারে। বুকে কোনো আঘাত পাওয়ার কারণেও হতে পারে। এ ছাড়া পুরোনো ব্যথায় নতুন করে আঘাত পাওয়ার কারণে বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে।

কোনো কোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার জন্য, এমনকি ফুসফুসের সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা হতে পারে। তবে দেখা গেছে, সাধারণভাবে খাদ্যনালির নানা সমস্যার কারণে বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে। আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য হজম করার জন্য অ্যাসিড থাকে। কখনো কখনো এই অ্যাসিড খাদ্যনালিতে চলে আসে। ফলে বুক বা গলা জ্বালা করতে পারে। বুকের হাড়ের নিচে এই ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

বুক জ্বালা থেকে যে ধরনের বুকে ব্যথা দেখা দেয়, তা সাধারণত খাওয়ার পর দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ব্যথা বেশ কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ভয় বা আতঙ্ক থেকেও অনেকের বুক ব্যথা করতে পারে।

এ ধরনের বুকে ব্যথার সঙ্গে ঘন ঘন নিঃশ্বাস নেওয়ার উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রচণ্ড ঘাম হতে পারে। বুক ধড়ফড় করতে পারে, অর্থাৎ হৃদ্‌পিণ্ডের কাজ বেড়ে যেতে পারে।

খাদ্যনালিতে বেশ কয়েক ধরনের সমস্যার কারণে কখনো কখনো খাদ্য গিলতে অসুবিধা হয় এবং একই সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা দেখা দেয়। আমরা খাদ্য গেলার পর খাদ্যনালির মাংসপেশি খাদ্যকে নিচের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো মানুষের ক্ষেত্রে খাদ্যনালি এই সমন্বয় হারিয়ে ফেলে। আর এতে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা নাইট্রোগ্লিসারিন নামের একটি ওষুধ মুখে দিলে ভালো হয়ে যায়।

হৃদ্‌রোগ-সংক্রান্ত ব্যথা কমাতেও একই ওষুধ ব্যবহার করা হয় বলে এ ধরনের ব্যথা কখনো কখনো মারাত্মক ভ্রান্তির সৃষ্টি করে। হৃদ্‌রোগবহির্ভূত বুকে ব্যথা শিশুদেরও হতে পারে। দুগ্ধপোষ্য শিশুদেরও এমন ব্যথা হতে পারে, আর তা হতে পারে নানা কারণে। তবে সাধারণভাবে হৃদ্‌যন্ত্রের আশপাশে যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, সেগুলোর কোনোটায় কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তার ফলে এ-জাতীয় বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে।

জন্মগতভাবে অনেক শিশুর খাদ্যনালি প্রয়োজনের তুলনায় ছোট থাকে এবং এসব শিশুর বুকে ব্যথা হতে পারে।

বুকের ব্যথাকে হৃদ্‌রোগ থেকে সৃষ্ট ব্যথা বলে ধরে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে কিংবা হাসপাতালে ছুটে গেলে দোষের কিছু নেই। কিন্তু হৃদ্‌রোগ থেকে ব্যথা হচ্ছে অথচ ডাক্তারের কাছে কিংবা হাসপাতালে গেল না, তাতে মহাবিপদ হতে পারে। আর ব্যথাটি হৃদ্‌রোগজনিত বা হৃদ্‌রোগজনিত নয় তা বোঝার অন্যতম উপায় হলো, হৃদ্‌রোগবহির্ভূত ব্যথা বুকের এক জায়গায় থাকে। আঙুল দিয়ে রোগী বলতে পারে ঠিক কোন স্থানে ব্যথা হচ্ছে।

এ ধরনের ব্যথা সমস্ত বুক, ঘাড় বা বাঁ হাত বা দেহের বাঁ পাশে ছড়িয়ে পড়ে না। হৃদ্‌রোগবহির্ভূত ব্যথা সাধারণভাবে কোনো ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দেখা দেয় না। এ ছাড়া এ ধরনের ব্যথা হলে প্রথমে কারণ কী তা বের করতে হবে এবং সেই কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হলে রোগী আরোগ্য লাভ করে থাকে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207