25/03/2026
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালির জীবনে এক গৌরবময়, চিরভাস্বর দিন। এই উপলক্ষে আমি দেশ ও প্রবাসে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় বাঙালি জাতি জেগে ওঠেছিল। বিশ্ব মানচিত্রে উদিত হয়েছিল এক স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দিয়েছে স্বাধীনতা। কিন্তু এই স্বাধীনতার ভিত্তি একদিনে গড়ে ওঠেনি। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী এবং অবশ্যই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ সহ বহু নেতার দীর্ঘ সংগ্রাম আর ত্যাগের ফসল আমাদের এই বাংলাদেশ।
আজ আমরা সেই মহান বীরদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু'লক্ষ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ আমাদের ঋণী করে রেখেছে। তাঁদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
স্বাধীনতা মানে শুধুই ভৌগোলিক মুক্তি নয়। স্বাধীনতা মানে মানুষের মৌলিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর আইনের শাসন। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আজ স্বাধীনতার মূল চেতনা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রশ্নের সম্মুখীন। দেশ ও সমাজ থেকে শোষণ ও বৈষম্য দূর করে এক ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে। মুক্তিযুদ্ধের এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা, দেশের অর্থনীতিতে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অবিস্মরণীয়। আপনাদের প্রতিও রইল স্বাধীনতা দিবসের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
পরিশেষে, আমি আহ্বান জানাই, আসুন, এই মহান দিবসে আমরা নতুন করে শপথ নিই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ, একটি গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখি। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক। আল্লাহ হাফেজ।
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি
12/03/2026
বাংলাদেশের রাজনীতি, খেলাধুলা এবং সামগ্রিক ইতিহাসে বহু অবদান রেখেও যিনি অনেক সময় প্রাপ্য মর্যাদা ও আলোচনার বাইরে থেকে গেছেন—তেমন এক আলোচিত ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব হলেন মেজর হাফিজউদ্দিন আহমেদ। জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, সাফল্য ও বিতর্কের পথ অতিক্রম করে শেষ প্রান্তে এসে তাকে স্পিকার পদে মনোনীত করেছেন তারেক রহমান। এক জীবনে এত বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা ও অর্জনের পর যেন তার চাওয়া-পাওয়ার তালিকাও পূর্ণতার কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দেন। যশোর ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহ করা একমাত্র বাঙালি অফিসার হিসেবে তার নাম ইতিহাসে বিশেষভাবে আলোচিত। কামালপুর যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রণাঙ্গনে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান–এর অধীনে সিলেট অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার এই বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি “বীর বিক্রম” খেতাবে ভূষিত হন। একসময় তাকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়ার সুপারিশের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছিল।
সামরিক জীবনের পাশাপাশি ক্রীড়া অঙ্গনেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এক নাম। ষাটের দশকে তাকে দেশের দ্রুততম মানবদের একজন বলা হতো। ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়া বিরল বাঙালি ফুটবলারদের একজন ছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবন শেষে তিনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নেতৃত্ব দেন এবং এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল সংস্থা Asian Football Confederation (AFC)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এছাড়া বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা FIFA–এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কাজ করে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নানা বিতর্কিত বিষয় তদন্তের দায়িত্বও পালন করেছেন।
সামরিক ও ক্রীড়া জীবনের পর তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন **শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান–এর আদর্শ ও আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে। ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং কয়েকবার মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। জাতীয় সংসদে তার অভিজ্ঞতা ও উপস্থিতি তাকে একজন প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তবে তার রাজনৈতিক পথচলা সবসময় মসৃণ ছিল না। তিনি স্পষ্টভাষী, নির্ভীক এবং কখনো কখনো কঠোর সমালোচক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। অনেক সময় নিজের দলের নেতৃত্বেরও সমালোচনা করেছেন। এমনকি বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমান–কে নেতা হিসেবে স্বীকার না করার কথাও প্রকাশ্যে বলেছেন। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় তিনি সংস্কারপন্থী অবস্থানের কারণে দলীয় বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিলেন। কিন্তু সব বিতর্ক ও মতপার্থক্যের পরও তিনি কখনো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্যাগ করেননি। দলের প্রতি তার আনুগত্য ও আদর্শিক সম্পর্ক অটুট ছিল।
গত প্রায় সতেরো বছর ধরে তিনি দলীয় নেতৃত্বের নানা বিষয়ে প্রকাশ্য সমালোচনা করেছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই দূরত্ব কমে আসে। ৫ আগস্টের পর তারেক রহমান তাকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। অনেকের মতে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ এবং দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের স্বীকৃতি হিসেবেই এবার তাকে স্পিকার পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান তার সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল, কিন্তু তিনি তাতে সায় দেননি। অন্যদিকে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছিল—যা তার জীবনের আরেকটি কঠিন ও আলোচিত অধ্যায়।
দীর্ঘ সামরিক, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক জীবনের নানা অর্জন, অভিজ্ঞতা, বিতর্ক ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে তার ব্যক্তিত্ব। কেউ তাকে সাহসী ও স্পষ্টভাষী নেতা হিসেবে দেখেন, আবার কেউ তার অবস্থান ও বক্তব্য নিয়ে সমালোচনাও করেন। কিন্তু এতে সন্দেহ নেই যে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বহুমাত্রিক ও উল্লেখযোগ্য চরিত্র।
আমাদের প্রত্যাশা—তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দেশ, গণতন্ত্র, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের জনগণের জন্য ইতিবাচক কল্যাণ বয়ে আনবে।
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি
10/03/2026
যারা এ বিষয়ে অভিজ্ঞ তাদের মতামত চাই
03/03/2026
ভদ্র লোকের বয়স অনেক হয়েছে। চুরি করার পর পুলিশ যাতে ধরতে না পারে সে ব্যাপারে সে খুবই সচেতন ছিলেন। পালানোর জন্য তিনি পছন্দ করলেন চট্টগ্রাম শহরকে। ৭ দিন খুবই সচেতন ছিলেন কোন ভুল করলেন না ৮ম দিনে হাল্কা ভুল করে ক্রিকেটার সাব্বিরের মতো ডাউন দা উইকেটে খেলতে গিয়ে ছিলেন। ৯ম দিনে তিনি পুলিশের হাতে ধরা পরলেন।
যাই হোক ভদ্র লোককে আটকের পর উদ্ধারে খুব বেশী কষ্ট হয় নি, টাকা উদ্ধার হয়ে গিয়েছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম চাচা এই কাজটা কেন করলেন
উত্তরে চাচা বললেন বিশ্বাস করেন আমি কাজটা করতে চায় নি #শয়তানে_লারা দেওয়াতে কাজটা করে ফেলছি।
আমি বললাম দেশে এতো জায়গা থাকতে চট্টগ্রাম কেন আসলেন?? স্যার আমি আসতে চায় নাই শয়তানে কেন যে নিয়ে আসছে???
শয়তান দেখতে কেমন??
এই বার চাচা উত্তর না দিয়ে চুপ করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
03/03/2026
💁♀️ আমার নানীর টাকা চোরে নিব সেজন্য সুপারি বস্তার মধ্যে রাখছিলো এই জায়গায় ২২৬০০০/দুই লক্ষ২৬ হাজার টাকা ছিল 🙆♀️😲?
এগুলো কি ব্যাংকে নিয়ে গেলে কোন কিছু করা যাবে অভিজ্ঞদের পরামর্শ চাই !
01/03/2026
"ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"
শোকস্তব্ধ মুসলিম উম্মাহ। গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধায় আমরা স্মরণ করছি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, মজলুমের কণ্ঠস্বর আয়াতুল্লাহিল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী-কে। তাঁর প্রয়াণে আজ গোটা বিশ্বের ইসলামী আন্দোলন ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।
জীবন ও সংগ্রাম:
তিনি ছিলেন সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামিক স্কলার এবং আপসহীন নেতা। ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া এই মহান পুরুষ সারাজীবন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য লড়ে গেছেন। শাহী শাসনের জুলুম থেকে ইরানকে মুক্ত করা এবং ইসলামি বিপ্লব পরবর্তী সময়ে বহুমুখী বৈশ্বিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ইরানকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার মূল কারিগর ছিলেন তিনি।
আদর্শ ও লক্ষ্য:
তাঁর লক্ষ্য ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট—একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিম বিশ্বের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। তিনি সর্বদা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম মিল্লাতকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার দীক্ষা দিয়েছেন। ফিলিস্তিন থেকে শুরু করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে তাঁর কণ্ঠ ছিল সর্বদা উচ্চকিত।
আমাদের অবস্থান ও প্রতিবাদ:
বাংলাদেশের জাতীয় বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায় এবং সাধারণ তৌহিদী জনতা আজ শোকাতুর। একজন জানবাজ সিপাহসালার হিসেবে তিনি যেভাবে পশ্চিমা আধিপত্যবাদ ও জায়নবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা সকল প্রকার সাম্রাজ্যবাদী ও মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাই। মনে রাখবেন, আমেরিকার আগ্রাসন সহ সকল জুলুমকারীর বিচার একদিন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অবশ্যই করবেন। ইনশাআল্লাহ!
উম্মাহর প্রতি আহ্বান:
আজকের এই সংকটময় মুহূর্তে সকল প্রকার আগ্রাসন রুখে দিতে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ে গোটা মুসলিম উম্মাহকে ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অনৈক্যই আমাদের পতনের মূল কারণ, তাই খামেনেয়ী’র বিদায়ে আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হোক—ঐক্য।
দোয়া ও সংহতি:
'জনতার কথা বলে পার্টি'র পক্ষ থেকে আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং মুসলিম উম্মাহকে এই শোক সইবার শক্তি দিন। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ আমাদের সামনের দিনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগাবে।
শোকান্তে,
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি,
জনতার কথা বলে পার্টি
28/02/2026
ইতিহাসের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া এক ‘সিংহপুরুষ’: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
আজ ভাষার মাসের শেষ দিন। এই ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আমরা অনেককেই স্মরণ করি, কিন্তু যে মানুষটি প্রথম পাকিস্তানের গণপরিষদে দাঁড়িয়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলেছিলেন, সেই ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আজও আমাদের অনেকের কাছেই অচেনা।
১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি। করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে যখন চারদিকে উর্দুর জয়গান, তখন ৮৪ বছর বয়সী এই অকুতোভয় মানুষটি বজ্রকণ্ঠে বলেছিলেন—
"পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলে। তাই আমার বিবেচনায় বাংলাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা।"
তার এই একটি সাহসী প্রস্তাবই ছিল জিন্নাহর 'উর্দু এবং উর্দুই হবে রাষ্ট্রভাষা' ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ। আজ তাকে 'ভাষা আন্দোলনের জনক' বললেও হয়তো কম বলা হবে।
পাকিস্তানের শাসকেরা তাকে ভোলেনি, কিন্তু আমরা কি মনে রেখেছি?
১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ। ৮৪ বছর বয়সেও তিনি দেশ ছেড়ে পালাননি। পাকিস্তানি ঘাতক বাহিনী তাকে আর তার ছেলে দিলীপকুমার দত্তকে কুমিল্লা থেকে তুলে নিয়ে যায় ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে। সেখানে এই বৃদ্ধ মানুষের ওপর যে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা শুনলে আজও গা শিউরে ওঠে:
হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছিল।
দুই চোখে কলম ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
মৃত্যুর পর তার মরদেহে থুতু দেওয়ার জন্য তা বাইরে ফেলে রাখা হয়েছিল।
নিজের রক্ত আর চোখের বিনিময়ে তিনি আমাদের মুখের ভাষা রক্ষা করে গেছেন। আজ ৩০শে ফেব্রুয়ারি (ফেব্রুয়ারির শেষ দিন) শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি বাংলার এই সূর্যসন্তানকে।
বিনম্র শ্রদ্ধা, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। আপনার ত্যাগ বৃথা যাবে না। ❤️🇧🇩
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি
#ভাষাআন্দোলন #শহীদধীরেন্দ্রনাথদত্ত #ফেব্রুয়ারি #মাতৃভাষা #বাংলাদেশ #ইতিহাস #একুশে
#একুশেফেব্রুয়ারি
#আন্তর্জাতিকমাতৃভাষাদিবস
#২১ফেব্রুয়ারি #শহীদমিনার #ভাষাশহীদ
#সালামবরকতরফিকজব্বার #রাষ্ট্রভাষাবাংলা
#বাংলাভাষা #আমারভাষা
#রক্তেভেজাএকুশে #বাংলারগর্ব
#মাতৃভাষারঅধিকার #ভাষারজন্যরক্ত
#একুশেরচেতনা #ভাষাআন্দোলন১৯৫২
#ফেব্রুয়ারিরস্মৃতি #বাংলারইতিহাস
#শহীদদেরপ্রতি_শ্রদ্ধা #আমারবাংলা #বাংলাদেশেরগৌরব #বাংলারসন্তান #মাতৃভাষাপ্রেম #ভাষারলড়াই
28/02/2026
রাজনীতির আকাশে কি তবে সম্প্রীতির নতুন সূর্যোদয়? 🇧🇩✨
আজ রাজধানীর 'বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে' এক অভূতপূর্ব মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হলাম। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাহেবের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত এবং আবেগাপ্লুত।
সবচেয়ে বড় চমক ছিল—বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দেওয়া ইফতারের আমন্ত্রণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাদরে গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলায়তন ভেঙে এই যে বড় দলগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যের হাওয়া বইতে শুরু করেছে, তা দেশের সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় আশার আলো। জামায়াত ও বিএনপি’র এই দূরদর্শী ও উদার রাজনৈতিক পদক্ষেপ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
'জনতার কথা বলে' পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে এই বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মিলনমেলায় আমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি আমাদের মতো ক্ষুদ্র দলের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন আমাকে অভিভূত করেছে। একজন নগণ্য রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি—দেশের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য এমন সম্প্রীতি ও সংলাপের কোনো বিকল্প নেই।
ইফতারের এই পবিত্র টেবিলে বসে আজ যে ঐক্যের বার্তা ছড়ালো, তা যেন চিরস্থায়ী হয়। আসুন, আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি ভুলে সবাই মিলে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
সবাইকে রমজানের আগাম শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 🌙
— হাজী মুহাম্মদ নাঈম হাসান চেয়ারম্যান, জনতার কথা বলে পার্টি ।
25/02/2026
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি—জাতীয় শহীদ সেনা দিবস।
২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন দেশপ্রেমিক শহীদ হন। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছে। মহান আল্লাহ তাআলা যেন শহীদদের মাগফিরাত দান করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন—এই দোয়া করছি।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান। আমরা বিশ্বাস করি, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত—তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্বে যারা ছিলেন, তাদের ভূমিকাও যথাযথভাবে পর্যালোচনা হওয়া জরুরি—যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর কখনো না ঘটে।
সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, সাহস ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। যে কোনো ষড়যন্ত্র, অপতথ্য বা বিভ্রান্তি থেকে দেশ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবেই আমরা দেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা সমুন্নত রাখবো—এই হোক আজকের অঙ্গীকার।
শহীদ সেনা দিবসে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
🇧🇩
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি
24/02/2026
My Heart Belongs to Bangladesh
O my Bangladesh, so green and wide,
In your endless fields my dreams abide.
You are my heartbeat, my shining light,
My love, my honor, my guiding sight.
If storms arise and dark clouds fall,
If fear should whisper through it all,
For you I’ll stand, brave and tall,
I’ll give my everything, I’ll give my all.
I was born in Dhaka’s embrace,
Where hope and courage fill the space.
From childhood days till now I say,
My heart has never gone away.
My mother, Faria Hasan Chowdhury,
Taught me kindness, strong and pure.
My father, Mohammad Nayem Hasan,
Showed me how to rise and stand.
My little sister, Faiza Hasan Kotha dear,
Her laughter brings my homeland near.
Together we dream beneath your sky,
With faith that never says goodbye.
O Bangladesh, my pride, my song,
To you my loyalty belongs.
Through every trial, come what may,
I’ll love you more with each new day.
Forever yours, with heart so true—
I am Nishat, devoted to you. 🇧🇩✨
20/02/2026
🇧🇩 ২১শে ফেব্রুয়ারি — আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস 🇧🇩
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি মহান ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা বাংলা।
১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে তাঁরা রচনা করেছিলেন ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
মাতৃভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়—এটি আমাদের আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও চেতনার মূল ভিত্তি।
আসুন, ভাষা শহীদদের আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও শুদ্ধ চর্চায় আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই।
সবাইকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
শ্রদ্ধান্তে,
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি
জনতার কথা বলে পার্টি
17/02/2026
অভিনন্দন বার্তা
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জনতার কথা বলে পার্টির চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
ঢাকা, রবিবার; ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান জনতার কথা বলে পার্টির চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনাব তারেক রহমান তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা ও অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা এবং টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে জনাব তারেক রহমান অচিরেই রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করে জাতীয় ঐক্য সুসংহত করবেন এবং সহনশীলতা, দায়িত্বশীলতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে দেশকে বিদ্যমান নানা সংকট, অনিশ্চয়তা ও বিভাজন থেকে উত্তরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
শেষে তিনি জনাব তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।