রমজানে তাহাজ্জুদ পড়ার এক বিশাল সুযোগ থাকে, তাই এই সুযোগ হাত ছাড়া করবেন না, আর বিনীত ভাবে আল্লাহ কাছে অনুনয়-বিনয়ের সাথে নিজের গুনাহের জন্য দুআ করুন, জীবনের প্রত্যেকটা সমস্যার কথা রবের সামনে উপস্থাপন করুন, আল্লাহ চাইলে এমন হতে পারে এই রামাদান থেকে আপনার জীবনের গতিপথ বদলে যেতে পারে, মনে রাখবেন তাহাজ্জুদের দুআ কবুল হয়, *তীর ছুড়লে যেমন একটা জায়গায় পড়বে, ঠিক তেমনি তাহাজ্জুদের তীর ছুড়তে পারলে সেটাও বিফলে যায় না।
~ জুহায়রা
Islam - সবার জন্য
ইসলাম – সবার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ইসলাম সম্পর্কে জানা যায় সহজ ভাষায়, শান্তিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে – সকল বয়স, ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের জন্য।
ইসলাম শুধু মুসলিমদের জন্য নয়, মানবতার জন্য
ইসলাম – সবার জন্য একটি ইসলামি শিক্ষা ও দাওয়াহভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তরুণ, নারী, পরিবার এবং অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও শান্তি, মানবতা ও সত্যের বার্তা জানতে পারেন। এখানে আকীদা, কুরআন, হাদীস, ফিকহ, ইসলামিক ইতিহাস এবং সমসাময়িক প্রশ্নগুলোর সহজ, যুক্তিসম্মত তথ্যসহ ইসলামিক সকল ধরনের তথ্যাদি থাকবে।
আপনার ভাই বন্ধু আত্মীয় স্বজনদের পেজের সাথে যুক্ত করুন যাতে
রমাদান বিরাট এক জাহাজের মতো!
গুনাহের সাগরে ডুবে থাকা বান্দাকে উদ্ধার করে মুক্তির বন্দরে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রতি বছর ঘাটে এসে নোঙ্গর ফেলে।
_[শাইখ আতিক উল্লাহ]
মৃত্যু: যাকে এড়ানোর কোনো পথ নেই.!!
আমরা যতই মৃত্যুর কথা ভুলে থাকতে চাই, যতই নিজেকে নিরাপদ মনে করি—মৃত্যু আমাদের জন্য অপেক্ষা করে না। বরং আমরা অপ্রস্তুত থাকলেও মৃত্যু তার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে থাকে।
আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন—
> “প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।”
(সূরা আলে ইমরান: ১৮৫)
এখানে “হবে” বলা হয়নি, বলা হয়েছে “করবেই”—এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।
মানুষ যতই ক্ষমতাবান হোক, যতই প্রভাবশালী হোক, মৃত্যুর সামনে সবাই সমান অসহায়। ফেরাউন, নমরুদ, কারুন—ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ক্ষমতা কাউকে এক সেকেন্ডও রক্ষা করতে পারেনি।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন—
> “তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই—চাই তা মজবুত দুর্গের ভেতরেই হও।”
(সূরা নিসা: ৭৮)
অর্থাৎ পৃথিবীতে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে লুকিয়ে থেকে মৃত্যু এড়ানো যায়। পাহাড়, প্রাসাদ, হাসপাতাল, বাংকার—কিছুই কাজে আসে না।
সবচেয়ে ভয়ংকর সত্য হলো, মৃত্যুর সময় কেউ জানে না।
> “কোনো প্রাণী জানে না সে আগামীকাল কী অর্জন করবে, আর কোনো প্রাণী জানে না সে কোন জমিনে মৃত্যুবরণ করবে।”
(সূরা লুকমান: ৩৪)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
> “জ্ঞানী সে, যে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মৃত্যুর পরের জীবনের জন্য আমল করে।”
(তিরমিযি, হাদিস: ২৪৫৯ — হাসান)
সমস্যা হলো—আমরা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত নই, কিন্তু মৃত্যু আমাদের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করি বছর ধরে, কিন্তু মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি পিছিয়ে দিই “একদিন” বলে।
অথচ মৃত্যু কোনো নোটিশ দেয় না।
আজ যে হাসছে, আগামীকাল তার জানাজা হতে পারে।
আজ যে দাফন করছে, কাল সে নিজেই দাফনের অপেক্ষায় থাকতে পারে।
সুতরাং প্রশ্নটা এটা নয় যে মৃত্যু আসবে কি না, প্রশ্নটা হলো—
আমি কি প্রস্তুত?
কারণ মৃত্যু যদি প্রস্তুত অবস্থায় আসে আর আমি অপ্রস্তুত থাকি—তাহলে সেটাই হবে জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
রাতের একটা সময় পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে। সব কাজ ফুরিয়ে যায়। তখন
চলে নীরবতার রাজত্ব; কিন্তু সদাজাগ্রত সত্তা তখনো জেগে থাকেন আমাদের
মিনতিগুলো শোনার জন্য। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন, 'প্রতি
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব পৃথিবীর সবচে নিকটবর্তী আসমানে নেমে
এসে বলতে থাকেন, ‘কেউ কি আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া
দেবো। কেউ কি আছে আমার কাছে কিছু চাইবে? আমি তাকে দিয়ে দেব। কেউ কি
আছে যে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে? আমি ক্ষমা করে দেবো।'
"
সহিহ বুখারি : ১০৯৪; সহিহ মুসলিম : ৭৫৮
-
বই- রিক্লেইম ইয়োর হার্ট
জাহান্নাম তার প্রতিপালকের নিকট এ বলে নালিশ করেছিলো, হে আমার প্রতিপালক! (দহনের প্রচণ্ডতায়) আমার এক অংশ আর এক অংশকে গ্রাস করে ফেলেছে।
ফলে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে দু’টি শ্বাস ফেলার অনুমতি দিলেন, একটি শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। আর সে দু’টি হলো, তোমরা গ্রীষ্মকালে যে প্রচণ্ড উত্তাপ এবং শীতকালে যে প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভব কর তাই। [সহীহ বুখারী: ৫৩৭]
একজন মুমিন নারী ও পুরুষের সব সময় এ কথা মাথায় রাখা চাই যে, দুনিয়া আমাদের ভোগের জায়গা নয়। দুনিয়া আমাদের ত্যাগের জায়গা। আমরা ইনশাআল্লাহ জান্নাতে ভোগ করব। যেখানে প্রত্যেকের পার্সোনাল সমুদ্র হবে, সৈকত হবে। বিনোদনের ভরপুর ব্যবস্থা হবে। আপাতত দুনিয়াতে সেসবের প্রস্তুতি চলুক।
বই : পর্দা গাইডলাইন
লেখক : তানজীল আরেফীন আদনান।
উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত
"শয়তানের সবচেয়ে বড় কৌশল হলো আপনাকে আপনার অতীতের গুনাহ দিয়ে বন্দি করে রাখা। সে চায় আপনি ভাবুন যে আল্লাহ আপনাকে আর ক্ষমা করবেন না। কিন্তু মনে রাখবেন, শয়তানের নিরাশা আল্লাহর দয়ার চেয়ে বড় হতে পারে না।"
নোমান আলী খান
মানসিক অস্থিরতা
সূরা কাফ এর পঞ্চম আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন— بَلۡ كَذَّبُوۡا بِالۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمۡ فَهُمۡ فِیۡۤ اَمۡرٍ مَّرِیۡجٍ -"তাদের কাছে সত্য আসার পর তারা তা অস্বীকার করেছে, কাজেই এখন তারা সংশয়ের মধ্যে পড়ে আছে।"
এখানে মারিজ শব্দের অর্থ সংশয়। এর আরেকটি অর্থ হলো disturbance. বিরক্তিকর অবস্থা, অস্থির অবস্থা, অশান্তি।
আপনি হয়তো ভাবছেন, তারা তো মন যা চায় তাই করতে পারে। তাদেরকে তো কোন বিধি-নিষেধ মানতে হয় না। আর এটা তো তাদেরকে সুখী করার কথা। তারা কেন অস্থির অবস্থায় থাকবে?
জানেন কী হয় তখন, যখন আপনার মন যা চায় তাই করতে পারেন? ডিস্টারবেন্স। অস্থিরতা। যখন আপনার সামনে অনেকগুলো চয়েস থাকে, অনেকগুলো বিকল্প থাকে—এটা ভালো জিনিস না।
ছোট্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি। আপনাদের অনেকের বাসায় টিভি আছে, ডিস এন্টেনার কানেকশন আছে, হয়তো কয়েকশো চ্যানেল আছে। রিমোটটা হাতে নিয়ে মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা কী করে? একটার পর একটা চ্যানেল খালি পাল্টাতে থাকেন, আচ্ছা এখানে কিছু দেখি, না ওইখানে মনে হয় আরও ভালো কিছু হচ্ছে, কিছুক্ষণ খেলা দেখি, না একটা মুভি দেখি... না দেখি ওই চ্যানেলে কি হচ্ছে—এভাবে কয়েক ঘন্টা পার হয়ে যায়। আপনি আসলে কিছুই দেখতে পারেননি।
এর নাম মারাজ। অস্থিরতা।
কিন্তু যদি আপনার একটি goal থাকে, একটি উদ্দেশ্য থাকে—আপনি শুধু একটা বিষয় নিয়ে ফোকাসড থাকেন। এটা তখন আপনাকে প্রশান্তি দেয়। আপনাকে মানসিক পরিপূর্ণতা দেয়। শান্তি দেয়। অন্তরটাকে সন্তুষ্টিতে পূর্ণ করে তোলে।
আপনি যদি ইসলাম অনুসরণ করেন, সত্য মেনে চলেন তখন আপনার একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে। দৈনিক সুনির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে। নির্ধারিত সীমানা আছে এর বাইরে আপনি যেতে পারবেন না। আপনি তখন ফোকাসড থাকতে পারেন।
জান্নাত আমার লক্ষ্য, আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হবে। আমাকে আমার রবের সন্তুষ্টির পথে থাকতে হবে। আমি কিয়ামতের দিন অপমানিত হতে চাই না। আমার হাতে বেশি সময় নেই, আমি যত বেশি সম্ভব ভালো কাজ করে যেতে চাই।
এভাবে আপনার মন মানসিকতা কাজকর্ম সবকিছু একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ফোকাসড থাকে। তখন মনে একটি প্রশান্তি বিরাজ করে। অস্থিরতা থাকে না।
আল্লাহ বলছেন সত্য অস্বীকারকারীরা এটা চায় না। তারা মারিজ অবস্থায় থাকে। তারা ভাবে, ফ্রি হয়ে যা ইচ্ছা তা-ই করার মাঝে শান্তি আছে। কিন্তু তারা শান্তি পায় না।
জানেন? কোন জায়গায় আমরা ফ্রি হয়েও প্রশান্তি পাব? সেটা জান্নাতে। জান্নাতে আমাদের মন যা চায় আমরা তাই করতে পারব, আর তাতে আমরা পরিপূর্ণ তৃপ্তি পাবো, পরিপূর্ণ প্রশান্তি পাবো। কারণ আল্লাহ তায়ালা জান্নাতকে ওইভাবে ডিজাইন করবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—وَ لَكُمۡ فِیۡهَا مَا تَشۡتَهِیۡۤ اَنۡفُسُكُمۡ وَ لَكُمۡ فِیۡهَا مَا تَدَّعُوۡنَ—"সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আরো থাকবে যা তোমরা দাবী করবে।" (৪১:৩১)
আর সূরা কাফে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের জীবন সম্পর্কে বলেন—فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ – সে এমন এক জীবন অতিবাহিত করবে যেখানে প্রত্যেকটি জিনিস, একদম সবকিছু তাকে আনন্দিত করবে।
আল্লাহ জান্নাতের জীবনটাকে যে কতটা মুবালাগা সহকারে বর্ণনা করেছেন, কতটা অতিরঞ্জন সহকারে বর্ণনা করেছেন…তিনি বলেনেনি মানুষটা সুখী হবে। বরং তিনি বলেছেন--জীবনটা নিজেই তৃপ্তিকর হবে। তিনি বলেননি, فَهُوَ رَاضِِ فِيْ عِيْشَةِ الْجَنَّةْ - ফাহুয়া রা-দিন ফিই 'ইইশাতিল জান্নাহ, সে জান্নাতের জীবনে পরিতৃপ্ত হবে। বরং তিনি বলেছেন, ফাহুয়া ফিই ইইশাতিন রাদিয়া। যা খুবই অদ্ভুত ধরণের اِسْتِعَارَةْ - ইস্তি’আরাহ। যা ইঙ্গিত করছে জান্নাতের প্রতিটি অংশ, জান্নাতের প্রতিটি অভিজ্ঞতা আপনাকে একেবারে সম্পূর্ণরূপে পরিতৃপ্ত করে দিবে। সম্পূর্ণরূপে সুখী করে দিবে। প্রতিবার শতভাগ তৃপ্তি এনে দিবে।
পক্ষান্তরে, দুনিয়াকে কিন্তু এভাবে ডিজাইন করা হয়নি। দুনিয়াতে আপনি মন মত চললে, আল্লাহর বিধি নিষেধের পরোয়া না করলে—অবশ্য অবশ্যই ঝামেলায় পড়বেন।
শয়তান আপনাকে প্রতারিত করে বলবে, মন যা চায় তাই কর, তুমি মজা পাবে। কিন্তু এই সামান্য মজার সাথে হাজারো রকমের ঝামেলা আপনাকে জড়িয়ে ধরবে, মানসিক অস্থিরতা তৈরি হবে, কখনোই শতভাগ তৃপ্তি পাবেন না।
তাহলে কেন ইসলামের সীমার ভিতরে থাকবেন না? শরীয়তের সীমার ভিতরে থাকুন। দুনিয়াতে প্রশান্তির জীবন যাপন করুন, আর অনন্তকালের শতভাগ তৃপ্তির জীবন, শতভাগ আনন্দের জীবন, সম্পূর্ণ মুক্ত এক জীবন আপনার অপেক্ষায় আছে।
—নোমান আলী খানের আলোচনা অবলম্বনে।
"জেনে রেখ, মানুষের মাঝে ইবলীসের কাজের প্রথম পদক্ষেপ হলো: তাদেরকে ইলম থেকে বিরত রাখা। কেননা, ইলম হলো আলো। আলো নিভিয়ে দিতে সক্ষম হলে সে অন্ধকারে যাকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে শিকার করে।
~ইবনুল জাওযী (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্র: [তালবীসু ইবলীস, ১/২৮৯]
কাউকে আঘাত দিয়ে বলা একটি কঠিন বাক্য— আল্লাহর দরবারে পর্বতের মতো গুনাহ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই কথা বলুন নরমভাবে, হৃদয় ভেঙে যায় এমন আচরণ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
যে ৪টি জিনিস পেয়েছে, সে সুখ পেয়ে গেছে :
১। দ্বীনদার, সচ্চরিত্রা স্ত্রী।
২। দ্বীনদার সন্তান-সন্ততি।
৩। নিজ দেশে বসবাস করতে পারা।
৪। দ্বীনদার বন্ধু থাকা।
— আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসান (রহ)
[সূত্র : আল-ইখওয়ান, ১০৫]
🤍اَلسَّلاَمْ عَلَيْكُمْ وَ رَحْمَةُ اللَّهِ وَ بَرَكَاتُهُ🌺
🖤নিয়মিত আমল ও আত্মশুদ্ধি লিস্ট🖤একটি পূর্ণ দিনের ইমানি রুটিন)
মুমিনের প্রথম সফলতা:-
☑ ফজরের সালাত সময়মতো
☑ ফজরের পর যিকির ও দোয়া
☑ দিনটাকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করা
মুমিন নারীর সকাল:-
☑ ঘুম থেকে উঠে “আলহামদুলিল্লাহ”
☑ নেক নিয়ত করে দিনের কাজ শুরু
☑ কুরআনের কিছু আয়াত তিলাওয়াত
☑ সংসার/কাজ ইবাদত মনে করে করা
মুমিন নারীর দুনিয়া-ভাবনা
☑ হালাল–হারামের চিন্তা
☑ অপচয় ও অহেতুক কথা থেকে বিরত থাকা
☑ চোখ, জিহ্বা ও মন হেফাজত করা
*এই আমলগুলো যেন আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম হয়।*
*আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন কবুল করেন ও আমাদের কাজে লাগিয়ে নেন — আমিন।*
*Collected*
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka
