02/06/2026
কয়রায় মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য অসংক্রামক রোগ ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল মডিউল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (NCDC), ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (MIS), কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট এবং icddr,b-এর যৌথ উদ্যোগে ১৭–১৯ মে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ঝুঁকি মূল্যায়ন, বিপজ্জনক লক্ষণ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত রেফারালের জন্য প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল ডিসিশন সাপোর্ট টুল ব্যবহারে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি, দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের স্ক্রিনিংয়ে মাল্টিস্টিক্স ব্যবহারের প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়।
প্রাথমিকভাবে কয়রা উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে এ ডিজিটাল মডিউলের পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। এর মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে অসংক্রামক রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিজিটাল মডিউলটি যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে icddr,b-এর গবেষক দলের একটি গবেষণা প্রকল্পের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। মডিউলটির সার্বিক কারিগরি তত্ত্বাবধান করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস (Management Information System)। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে অসংক্রামক রোগের সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল এবং কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (এমআইএস) প্রফেসর ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফি (ভার্চুয়ালি)। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোঃ মুজিবর রহমান, পরিচালক, খুলনা ডিভিশনাল হেলথ অফিস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. মোঃ রেজাউল করিম, ইউএইচ&এফপিও, কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য সহকারী, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ মোট ২৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট, icddr,b এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
31/05/2026
৩০মে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক, অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আত্মার মাগফিরাত কামনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মসজিদে বাদ আসর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী, প্রাক্তন পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফীসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও উন্নয়ন ভাবনা আজও জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জাতীয় উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। পরবর্তীকালে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাঁরই উত্তরসূরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
মহাপরিচালক আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যখন বাঙালি জাতি দিশেহারা, তখন ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শাহাদাত বরণ করলেও তাঁর আদর্শ ও অবদান আজও অম্লান। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
30/05/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার-এর তত্ত্বাবধানে এবং মানবিক উদ্যোগে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি ৮টি হাসপাতাল ঘুরেও জরুরি চিকিৎসাসেবা না পাওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন নারী দুলালীকে (বয়স ৪০) জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ICU-তে Septic Shock with Severe Anaemia with Electrolyte imbalance-এর জন্য ভর্তি করা হয়।
রোগীর সার্বিক চিকিৎসার খোঁজ নিতে মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস আজ শনিবার দুপুরে হাসপাতালে আসেন। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. বদর উদ্দিন সোহেল, সহযোগী অধ্যাপক (ইউরোলজি), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ; অধ্যাপক ডা. মো. রেহানউদ্দিন খান, বিভাগীয় প্রধান অ্যানেস্থেসিয়া ও আইসিইউ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ; ডা. আহাম্মদ মনজুরুল আজিজ ইমন, সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন) এবং চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ।
দুলালীর চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান সরকারিভাবে করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
30/05/2026
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ শংকর চন্দ্র দাস আমাদের মাঝে আর নেই।
ডাঃ শংকর চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ২৯ শে মে (শুক্রবার) রাত ১১:০০ টার দিকে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর এবং তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্র রেখে গেছেন।
ডাঃ শংকর চন্দ্র দাসের এই অকাল প্রয়াণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস-সহ সকল স্তরের কর্তাকর্তা কর্মচারী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মহাপরিচালক মহোদয় প্রয়াত চিকিৎসকের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
28/05/2026
আজ (২৮ মে, ২০২৬) বিকেল ৫:১৫ মিনিটে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সাভার ইপিজেড এলাকায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন স্বামী মিথুন কুমার দাস (৩২) ও স্ত্রী পপির(২৬) শয্যাপাশে যান এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। এছাড়া গাজীপুরে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ভর্তি মোঃ হাবিবুর রহমান (৫২), জোবায়েত তালহা (১০) ও মারুফ (১০) এর চিকিৎসার বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন। মহাপরিচালক মহোদয় সেখানে উপস্থিত রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সর্বোচ্চ ও উন্নত চিকিৎসা প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
পবিত্র ঈদের দিনেও যারা মানবসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন, সেই কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন । ত্যাগ ও সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করায় তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরিদর্শনের সময় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মৃদুল কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
28/05/2026
আজ বৃহস্পতিবার, পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটিতে দেশের সাধারণ মানুষের জরুরি ও সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস- ঢাকার তিনটি প্রধান সরকারি হাসপাতাল—ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড), এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: খোরশেদ আলম, এনডিসি মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
পরিদর্শনকালে তারা বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং ভর্তি থাকা রোগীদের শারীরিক অবস্থার ও সার্বিক চিকিৎসা সেবার খোঁজখবর নেন। পবিত্র ঈদের এই বিশেষ দিনে রোগীদের মাঝে পরিবেশনকৃত খাবারের গুণগত মানও তাঁরা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করেন। একই সাথে উৎসবের দিনেও পরিবার ছেড়ে হাসপাতালে কর্তব্যে নিয়োজিত থাকা ডিউটিরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কথা বলেন এবং তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
27/05/2026
পবিত্র ঈদ-উল-আজহা এর এই আনন্দঘন মুহূর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। ঈদের প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠুক নিরাপদ, আনন্দময় এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
19/05/2026
আজ তেজগাঁওস্থ কেন্দ্রীয় ঔষুধাগারে (সিএমএসডি)- ১১টি হাসপাতালে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
19/05/2026
ন্যাশনাল বুলেটিন অফ পাবলিক হেলথ (এনবিপিএইচ), বাংলাদেশ এর সর্বশেষ সংখ্যা (ভলিউম-৯ ইস্যু-১) অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে। এই সংখ্যায় চারটি নিবন্ধ তুলে ধরা হয়েছে: এর মধ্যে তিনটি নিবন্ধ আইইডিসিআর এ চলমান নজরদারি কার্যক্রম (সারভেইলেন্স) নিয়ে (যেখানে রয়েছে নিপাহ, একিউট এনসেফালাইটিস সিন্ড্রোম, এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা) এবং চতুর্থটি পোল্ট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে। এই বুলেটিনটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের (রিসোর্স মেনুতে) এবং আইইডিসিআর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
সর্বশেষ সংখ্যার লিংকঃ
https://nbph.iedcr.gov.bd/category/bulletins/volume-9/issue-1v9/
এনবিপিএইচ এর আপডেট পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে(বিনামূল্যে) যুক্ত থাকুনঃ https://whatsapp.com/channel/0029Vb5QxHo7DAWpGznQjc2x
আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ক্লিক করুনঃ https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfwwaJmCURVT-rarkQ2cbK3JkcVtRa2GGQaPvbawW0RQWyz5g/viewform
২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে আইইডিসিআর দ্বারা পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিজ, ইউএস—সিডিসি, এবং সিডিসি ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহায়তায় "ন্যাশনাল বুলেটিন অফ পাবলিক হেলথ, বাংলাদেশ" প্রকাশ হচ্ছে।
এই বুলেটিনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সাম্প্রতিক জনস্বাস্থ্য সমস্যা তুলে ধরা, দেশের বিভিন্ন রোগ নজরদারি সম্পর্কে অবহিত করা, জনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ও নীতিনির্ধারকদের কাছে বিশ্বস্ত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য প্রদান করা এবং দেশের জনগণকে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব, মহামারী বা অতিমারী সম্পর্কে আগাম সতর্ক করা হয়।
16/05/2026
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় রোগীর স্বজনদের নির্মম হামলার শিকার হয়েছেন ডা. নাসির। তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এই সংকটকালীন মুহূর্তে ডা. নাসিরের দ্রুত স্থানান্তর ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য বিষয়ক), স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ড্যাব নেতৃবৃন্দ , স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক দল।