ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ মাদরাসা শাখা

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ মাদরাসা শাখা

Share

ব্যক্তিগঠন, ইসলামি শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এগিয়ে আসুন

22/01/2026

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ।

কোর্সসমূহ:
১. জামিয়ার ঐতিহাসিক তাফসীরে লাহোরী প্রশিক্ষণ কোর্স
২. আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স
৩. ইংলিশ স্পোকেন কোর্স
৪. নাহু-সরফ প্রশিক্ষণ কোর্স

মাহে রমজানের দীর্ঘ ছুটি কাজে লাগিয়ে নিজেকে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে যুক্ত হতে পারেন আপনার পছন্দের কোর্সে।

Photos from ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ মাদরাসা শাখা's post 16/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ ১৭তারিখ বাদ ফজর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদ্রাসায় মোতাকাল্লিমে ইসলাম
মাওলানা ইলিয়াস গুম্মান হাফি.

03/10/2025

রক্তে কেনা আদর্শের এই প্রত্যয়দীপ্ত কাফেলাকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন যোগ্য, ত্যাগী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের। ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবে প্রিয় ভাই শামসুল আরেফিন-এর انتخاب সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন।
প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও বিপ্লবী মুবারকবাদ!

একটি সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক সংগঠন বিনির্মাণে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সংগঠনের প্রতিটি কর্মী আদর্শিক ও সাংগঠনিকভাবে আরও শাণিত ও দক্ষ হয়ে উঠবে। বাতিলের আঁধার চিরে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের এই পথচলায় তাঁর ভূমিকা হোক অগ্রগণ্য। মহান আল্লাহ তাঁর এই গুরুদায়িত্বকে কবুল করুন এবং সহজ করে দিন। আমীন।

শুভেচ্ছান্তে,
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ,
আরজাবাদ মাদ্রাসা শাখা

01/10/2025

কওমী ছাত্র ভাইদের প্রতি আহ্বান - নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে ঢেলে দিবেন না!

ইলমে নববী কিতাবের পাতা থেকে অর্জন করা যায় না‌। বরং, ইলমে নববী অর্জন করতে হয় উস্তাদের সীনা থেকে। কথায় বলে, ইলম হল সীনা বাই সীনা। অর্থাৎ এক বক্ষ থেকে অন্য বক্ষ। এজন্য বলা হয়, তিন জিনিস ব্যতীত উস্তাদের থেকে কোন কিছু অর্জন করা যায় না। ১, ভয় , ২, ভীতি-শ্রদ্ধা ৩, ভালোবাসা।

বর্তমান বাংলাদেশে রাজনৈতিক জয়জয়কার অবস্থা। রাজনৈতিক স্লোগানে ভাসতে বাংলার অলিগলি। অতএব, বাংলার নাগরিক হিসেবে যেকোনো দলকে সাপোর্ট করা সবার নাগরিক অধিকার।

তবে কওমি ছাত্র ভাইদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান হল - প্রথমত আপনার উস্তাদের রাজনৈতিক চিন্তাধারা আপনার জন্য শ্রেয়।

দ্বিতীয়ত আপনার উস্তাদের রাজনৈতিক চিন্তাধারা আপনার ভালো নাও লাগতে পারে, কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সরাসরি আপনার উস্তাদের সমালোচনায় লিপ্ত হওয়া, তাঁদেরকে বিভিন্ন অশালীন ভাষায় কটাক্ষ করা, এবং তাদেরকে উপহাসের পাত্র বানানো এই ধরনের অপকর্মগুলো আপনার ভবিষ্যৎ জীবন ধ্বংসের অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে।
কেননা কওমী অঙ্গনে আপনি যত বড় আলেম হন-না কেন, যদি আপনার সনদে গড়মিল থাকে, তাহলে আপনার থেকে কেউ কখনো হাদিস শিখতে আসবে না।

রাজনীতি করার অর্থ এই নয় যে, সর্বদা অন্য দলের সমালোচনায় লিপ্ত থাকতে হবে।

একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন- আপনি যদি ভিন্ন দলের যেকোনো মতামত ও মতাদর্শ প্রতি এবং ভিন্ন দলনেতা ও কর্মীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে না পারেন, তাহলে বুঝবেন আপনার রাজনীতি করার মন মানসিকতা অথবা যোগ্যতা এখনো হয়নি। বরং রাজনীতি সম্পর্কে এখনো আপনার শেখা ও বোঝার কমতি রয়েছে।

একজন দক্ষ রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো একজন উদার মনের মানুষ হওয়া।

সুতরাং অযথা নিজের জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঢেলে না দিয়ে, বরং নিজের ইলম-আমল ও রাজনৈতিক সনদ একই ধারা থেকে গ্রহণ করুন। এবং আক্রমণাত্মক সমালোচনা পরিহার করে বিভিন্ন দৃষ্টি ও বিবেক বুদ্ধির মাধ্যমে আত্মসমালোচনা করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে এগিয়ে আসেন।

সর্বশেষ আপনার দীর্ঘ আট-দশ বছর যাবৎ পবিত্র কোরআন ও হাদিসের গবেষণার প্রাপ্তি সহিহ মানহাজ তথা আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মত ও আদর্শকে বিসর্জন দিয়ে অপরাজনীতির জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দিবেন না।

মুহাম্মদ ইমরান বিন অহেদ
ভারপ্রাপ্ত, জয়েন সেক্রেটারি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর পশ্চিম।

13/09/2025

শুকরিয়া আদায় করছি ❤️

13/09/2025

শুকরিয়া আদায় করছি ❤️

আরজাবাদ মাদরাসায় দিনব্যাপী সিরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার উদ্যোগে পবিত্র রবিউল আউয়াল উপলক্ষে দিনব্যাপী সিরাতভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী জলসা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর আয়োজিত প্রতিযোগিতায় চারটি বিষয়ে ছয়টি গ্রুপে মোট ৮০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে সর্বশেষ ২৫ জন প্রতিযোগী গৌরবের সঙ্গে সফলতা অর্জন করেন।

১১ সেপ্টেম্বর বাদ ইশা পুরস্কার বিতরণী জলসা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি রহমতে এলাহী মুহাম্মদ আরমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহ-সভাপতি ছাত্র নেতা ইমরান বিন অহেদ ও শিহাব উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ। তিনি বলেন, “প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ছাত্রদের মেধার বিকাশ ঘটে এবং জ্ঞানের পরিধি প্রসারিত হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত অধ্যয়ন ও গবেষণা প্রত্যেক ছাত্রের জন্য অপরিহার্য। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনীতে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ।” তিনি ছাত্রদের সিরাত পাঠে আরো উৎসাহিত করেন এবং রাসূলের অনুসরণে সাহাবায়ে কেরামের ইত্তেবা করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা যারা করে, তাদের অসার যুক্তি ও সুস্পষ্ট ভ্রান্তির ওপরও সারগর্ভ আলোচনা করেন তিনি।

বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি আনোয়ার মাহমুদ। তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ছাত্রদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং যুগোপযোগী। বর্তমান সময়ে ছাত্র সমাজের সঠিক মনোভাব, সুস্থ মানসিকতা ও সহিহ আদর্শের জন্য সিরাত অধ্যয়নের বিকল্প নেই। অন্যথায় তারা সহজেই নববি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে পারে।”

অনুষ্ঠানে আরজাবাদ মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদগণসহ আরো উপস্থিত ছিলেন— জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মাওলানা শারফুদ্দিন ইয়াহইয়া কাসেমী, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউসুফ ফাহিম ও মাওলানা রশিদ আহমদ বিশ্বনাথী, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সহ-সভাপতি মাওলানা কাওসার আহমদ, কলেজ-ভার্সিটি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান তাকি।

এছাড়া ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার সাধারণ সম্পাদক ছাত্র নেতা আবু দারদা, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক আসিফ আদনান, প্রচার সম্পাদক হুজাইফা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ইশতিয়াক, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ারসহ ক্যাম্পাস শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

13/09/2025

শুকরিয়া জানাই আওয়ার ইসলাম কে ❤️

Photos from ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ মাদরাসা শাখা's post 12/09/2025

জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদে পবিত্র রবিউল আউয়াল উপলক্ষে সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখা এর উদ্যোগে দিবস-রজনী মিলে সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় । অনুষ্ঠানে ০৪ টি বিষয়ে ০৬ টি গ্রুপে সর্বমোট ৮০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে সর্বশেষ ২৫ জন প্রতিযোগী গৌরবের সাথে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

গত ১১ সেপ্টেম্বর বাদ ইশা পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি রহমতে এলাহী মুহাম্মদ আরমান সাহেবের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি ছাত্র নেতা ইমরান বিন অহেদ ও শিহাব উদ্দিন এর সঞ্চালনায় আরম্ভ হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া হাফি.। তিনি বলেন , প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ছাত্রদের মেধার বিকাশ ঘটে এবং এর মাধ্যমে ছাত্রদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত বিষয়ক আলোচনা ও গবেষণা প্রত্যেক ছাত্রের জন্য অপরিহার্য। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাতের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ। এভাবে তিনি ছাত্রদের কে সিরাত পাঠের প্রতি উৎসাহিত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি আনোয়ার মাহমুদ সাহেব বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ছাত্রদের জন্য খুবই উপকারী এবং বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা বর্তমান সময়ে ছাত্র সমাজের সুষ্ঠু মন-মানসিকতা ও সহিহ আদর্শের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত অধ্যয়নের বিকল্প নেই। অন্যথায় তারা নববি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে পারে।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শারফুদ্দিন ইয়াহইয়া কাসেমী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউসুফ ফাহিম সাহেব ও মাওলানা রশিদ আহমদ বিশ্বনাথী, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সহ সভাপতি ছাত্র নেতা মাওলানা কাওসার আহমদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কলেজ-ভার্সিটি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান তাকি ও আরজাবাদ মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদ মহোদয়গণ উপস্থিত ছিলেন।
এবং আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার সাধারণ সম্পাদক ছাত্র নেতা আবু দারদা, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক আসিফ আদনান, প্রচার সম্পাদক হুজাইফা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ইশতিয়াক, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার সহ ক্যাম্পাস শাখার আরো অনেক দায়িত্বশীল বৃন্দ।

10/09/2025

আগামীকাল শুরু হচ্ছে জামিয়া আরজাবাদের সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ..

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ আরজাবাদ ক্যাম্পাস শাখার উদ্যোগে আয়োজিত —পবিত্র রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আগামীকাল ১১ সেপ্টেম্বর বাদ যোহর থেকে সিরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
দিবস-রজনী মিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ০৪ টি বিষয়ের উপর ০৬ টি গ্রুপে প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ করবে। রাত ৯.০০ ঘটিকায় জামিয়া প্রাঙ্গণে পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মুফতি রহমতে এলাহী মুহাম্মদ আরমান হাফি. এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিবেন,জামেয়ার স্বনামধন্য মুহতামিম ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ সহ আরো অনেক ওলামায়ে কেরাম।

এই মহতী অনুষ্ঠানে সকলেই আমন্ত্রিত।

10/09/2025

হেরা হতে হেলে দুলে,
নূরানী তনু ওকে আসে হায়,
সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা
খুলে খুলে যায়। (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
…................কাজী নজরুল ইসলাম
অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।

05/08/2025

গণঅভ্যুত্থান, ৫ আগস্টের চেতনা, আগামীর বাংলাদেশ

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট—এই সময়কাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। সবুজ শ্যামল বাংলায় রচিত হল আরেকটি রক্তাক্ত ইতিহাস। প্রায় দুই সহস্র দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতার রক্তের নজরানায় দেশ মুক্তি পায় ফ্যাসিস্টের হিংস্রতা থেকে। ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে পরিত্রাণ পায় বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৬ বছর খুন, গুম, জেল-জুলুম, নৈরাজ্যোর ভয়ংকর উপত্যকায় পরিণত করে রাখা হয়েছিল। স্বৈরাচারী লুটেরা এ দেশকে বানিয়ে রেখেছিল লুটতন্ত্রের রাজ্য। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্যে দেশের শিশু-কিশোর থেকে নিয়ে যুবক, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ সকলে রাজপথে নেমে এসেছিল। মুক্তির সংগ্রামে বুলেটের সম্মুখে বুক পেতে দিয়েছে সকলে।

পতন হয় স্বৈরাচারের। পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় মোদীর আশ্রয়ে। বাংলার রক্তিম আকাশে উদিত হয় নব স্বাধীনতার সূর্য। গোটা বাংলাদেশ নেমে এলো আনন্দ উল্লাসে রাজপথে। শুকরিয়া জ্ঞাপনে সিজদায়বনত হয় মুক্তি পাওয়া মজলুম জনতা। শহর-বন্দর, পাড়া-মহল্লা সর্বত্র ধ্বনিত হয় "নারায়ে তাকবির--আল্লাহু আকবার", "ইনকিলাব-- জিন্দাবাদ"। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠে গোটা বাংলাদেশ। রচিত হল গণজাগরণের রক্তিম এক মহাকাব্য!

শুরু হয়েছিল নিপীড়িত ছাত্রসমাজের কণ্ঠে “কোটা সংস্কার”-এর ন্যায্য দাবি দিয়ে, তা ক্রমেই পরিণত হয় একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক, কওমী ওলামায়ে কেরাম, পেশাজীবী, শ্রমজীবী, বুদ্ধিজীবী সর্বস্তরের মানুষ জেগে ওঠে। তারা একসাথে রাজপথে নামে, বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় রাষ্ট্রীয় জুলুম, দুঃশাসন, বৈষম্য আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে।

রাজপথ ভেসে যায় তাজা রক্তে। শহীদ হন শত শত ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, আলেম। গুলিবিদ্ধ হয়, গুম হয়, কারাবরণ করে অগণন প্রতিবাদী কণ্ঠ। শিক্ষাঙ্গনের আঙিনা হয় রক্তাক্ত, মসজিদের মিনারে ওঠে প্রতিবাদের স্লোগান।

৫ আগস্ট—এই দিনটি তাই নিছক কোনো তারিখ নয়; এটি এক যুগের অন্ধকারাচ্ছন্ন দুঃশাসনের করাল অবসান! এই দিনেই স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পলায়নের মধ্য দিয়ে একটি হিংস্র, বর্বর যুগের সমাপ্তি ঘটে। এদিন বাংলার মাটিতে নতুন ইতিহাস রচিত হয়। এদিন গণমানুষ বিজয় অর্জন করে।

এই অভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়—এ ছিল নিপীড়িত জনগণের অভিন্ন আর্তনাদ, সম্মিলিত দুঃখের বিস্ফোরণ। ছাত্র-জনতার শাহাদাত, ওলামায়ে কেরামের রক্ত, সাধারণ মানুষের চোখের জল—এই সবকিছু মিশে গিয়েছে ৫ আগস্টের চেতনায়। এই বিজয় তাই সবার, এই আনন্দ গোটা জাতির।

এ বিজয় আমাদের কাঁধে নতুন দায়িত্বও এনে দিয়েছে—একটি নতুন, ইনসাফভিত্তিক, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক দায়িত্ব।

আমরা চাই—
যেখানে দুর্নীতি থাকবে না, বৈষম্য থাকবে না, থাকবে না দলীয় দাসত্বে নিয়োজিত প্রশাসন।
নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলামি মূল্যবোধ হবে রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি।
ইসলামপন্থী শক্তির প্রতি রাষ্ট্রীয় অবজ্ঞা, অপবাদ আর মিথ্যা নাটকের অবসান ঘটবে।
“উগ্রবাদ” বা “চরমপন্থা”র লেবেল সেঁটে আর কখনো যেন ইসলামী চেতনাকে দমন করার হীন চেষ্টা না হয়।

এখন সময় এসেছে—
প্রতিটি নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার,
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার,
নির্বাচনে অংশগ্রহণের সমান সুযোগ প্রদানের,
আইনের চোখে সবাইকে সমান করে তোলার।

আমরা আর চাই না ফ্যাসিবাদ কোনো নতুন রূপে ফিরে আসুক। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আর কখনো গণতন্ত্রের মুখোশ পরে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে কুক্ষিগত করতে না পারে। রাষ্ট্র জনগণেরই—এই বিশ্বাসে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠিত করতে হবে।

রাষ্ট্রযন্ত্রকে করতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, প্রশাসনকে করতে হবে জবাবদিহিমূলক, রাজনীতিকে গড়ে তুলতে হবে জনকল্যাণভিত্তিক।

আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই—
আর কখনো যেন এই দেশে প্রকৃত সন্ত্রাসবাদের পরিবর্তে ইসলামপন্থীদের নামে সাজানো ‘জঙ্গি নাটক’ মঞ্চস্থ না হয়।
আর কোনো নিরপরাধ নাগরিক যেন রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার না হয়।
প্রতিটি মানুষ পাবে সুবিচার, পাবে মর্যাদা, পাবে বেঁচে থাকার অধিকার।

৫ আগস্ট শুধু একটি বিজয়ের দিন নয়, এটি নবজাগরণের সূচনা, এটি ইতিহাসের বাঁকবদলের দিন।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে নতুন শপথ নেই:
আমরা গড়ব একটি নতুন বাংলাদেশ—ইনসাফের, মানবিকতার, বৈষম্যহীনতার, ইসলামের আদর্শে উজ্জ্বল এক বাংলাদেশ।

লেখক: উস্তাদে মুহতারাম হযরত @
Bahauddin Zakaria হাফি.
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
প্রিন্সিপাল, জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka