বাঙ্গালী ধর্ম "রক্ষা" করতে যতটা আগ্রহী ধর্মের নিয়ম কানুন মানতে ততটাই অনাগ্রহী..!!
Let's change
Human identity in humanity. Let us stand by the neglected helpless people of society.
05/12/2019
ভারতে অবস্থান করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান ধর্মের অভিবাসীদের নাগরিক হওয়ার অনুমোদন দেবে বিলটি। তবে মুসলিমরা নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
কি ভাই এখনো টনক নড়ছে না?
নাগরিক হওয়ার আবেদন করতে পারবেন না ভারতীয় মুসলিমরা – Bengalview.com ভারতে অবস্থান করা ছয়টি ধর্মের অবৈধ অভিবাসীরা দেশটির নাগরিক হওয়ার আবেদন করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে বুধবার নাগরিকত.....
02/12/2019
এনআরসি-র নামে ভারতীয়দের বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। ভারতের মন্ত্রীরা সরাসরি বলেছেন যে এনআরসি-তে বাদ পড়াদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এখন আমরা যদি কোন একটা তালিকা করে কয়েক লাখ লোককে ভারতীয় ঘোষনা করে সীমান্ত দিয়ে তাদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করি ভারত কি করবে? যে কোন মূল্যে তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাবে।
কাজেই ভারতীয়দেরও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে সীমান্তে। তারা বাংলাদেশে ঢুকে পড়লে তাদের গ্রেফতার করে লাভ কি? আর কখনো ভারত ফেরত নিবে তাদের? নেবে না।
নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বার্থ আর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারীর বিকল্প নেই।
গ্রামবাসীকে একাজে সংশ্লিষ্ট করা সঠিক পদক্ষেপ। এটা বাড়াতে হবে, আরো জোরদার করতে হবে।
সহস্রাধিক নাটকে অভিনয় করা পৌনে এক শতাব্দী বয়সী ঋষিতুল্য অভিনেতা আবুল হায়াত বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের একজন নমস্য পুরুষ। অবিসংবাদিত এই অভিনেতার ব্যক্তিজীবন-অভিনয়জীবন দুটোই শতভাগ বিতর্কমুক্ত। অর্ধশতাব্দীব্যাপী দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাকে নিয়ে কখনও কোনো বিতর্ক হয়নি, প্রকাশিত হয়নি তার বা তার পরিবারের কোনো সদস্যের কোনো কেলেঙ্কারি, করেননি কেউ কোনো বেফাঁস মন্তব্য। হায়াতপরিবারের প্রত্যেক সদস্য উচ্চশিক্ষিত ও অত্যন্ত মার্জিত। এমন মার্জিত পরিবার বাংলাদেশের গোটা শোবিজ অঙ্গনেই দুষ্প্রাপ্য।
গত দেড়-দুই বছর ধরে লক্ষ করছি আবুল হায়াতকে নিয়ে ফেসবুকে অশালীন বিদ্রুপ হচ্ছে। বিভিন্ন অশ্লীল বাক্যের সাথে তার ছবি জুড়ে দিয়ে 'মিম' তৈরি করে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যাবজ্জীবন সপরিবারে বিতর্কমুক্ত জীবন যাপন করা এমন একজন বর্ষীয়ান ব্যক্তিকে নিয়ে এহেন অসভ্যপনা নেহায়েতই অনাকাঙ্ক্ষিত-অনভিপ্রেত। দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষগুলো যেখানে আপন প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত, দেশের কোনো সংকটকালেই যেখানে তারা মুখ খোলেন না, লকলকে জিভটাকে বের করেন কেবলই জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে; সেখানে আবরারহত্যার পর সাবেক বুয়েটছাত্র আবুল হায়াত বুয়েটে উপস্থিত হয়ে দৃঢ়চেতা বক্তব্য রেখেছেন, এই বয়সেও বুঝিয়ে দিয়েছেন তার মেরুদণ্ড কতটা শক্ত। এমন বিরল একজন অভিনেতাকে ট্রলের বিষয়বস্তুতে পরিণত করা নেহায়েতই অপরিণত মস্তিষ্কের পরিচায়ক।
আবুল হায়াত সমস্ত বাংলাদেশীর জন্য আবেগরও জায়গা। অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তিনি বাংলাদেশীদেরকে মোহিত রেখে চলছেন, রাঙিয়েছেন কয়েক প্রজন্মের শৈশব-কৈশোর। এসব ট্রল আমাদের শৈশব-কৈশোরের আবেগগুলোকেই নষ্ট করে দেয়, অনুভূতিকে করে অসম্মানিত। আবুল হায়াতকে নিয়ে কোনো ধরনের ট্রল না করতে এবং ফেসবুকে তাকে নিয়ে তৈরি ট্রলগুলো ডিলিট করে ফেলতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ রইল। ট্রলের জন্য মিমের জন্য, মজা লোটার জন্য অনেক-অনেক বিষয় বা ব্যক্তি আছে। আবুল হায়াত, উত্তম কুমার, সুচিত্রা সেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, শর্মিলা ঠাকুর— এদেরকে ট্রলের আওতার বাইরে রাখা হোক। আমরা কিংবদন্তিদেরকে সম্মান দিতে তো শিখিইনি, অন্তত অসম্মান যেন না করি।
এক গ্রামের এক কৃষক। সবসময়ই তার মুখ ভার, ব্যাজার হয়ে থাকে। সবসময়েই তার অভিযোগ-
গরুগুলো ভাল দুধ দেয়না, জমিতে ভাল ফসল ফলেনা।
তাকে কেউ কখনো হাসতে দেখেনি। কোন বিয়েতে সে থাকেনা, কোন উৎসবে সে নেই। গ্রামের লোকেরা চেষ্টা করে তার সঙ্গে না মিশতে।
হঠাৎ একদিন এই কৃষক সবাইকে অবাক করে দিয়ে তার জন্মদিনে গ্রামবাসীকে দাওয়াত দিল।
আশিতম জন্মবার্ষিকী। গ্রামের লোকেরা কৌতুহলবশত: তার বাড়ীতে এল। দেখল কৃষক প্রাণ খুলে হাসছে আর অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে। একজন প্রতিবেশী ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলো:
আপনার কি হয়েছে বলুনতো?
আমি আশি বছর ধরে সুখ খুঁজে বেড়িয়েছি । কোথায়ও সুখ খুঁজে পাইনি। আজকে আমি নিজেকে বললাম আমার আর সুখের দরকার নেই। আমি আর সুখ খুঁজবোনা।
জানেন, আজকে আমি ভীষণ সুখী।
পাঠক, সুখকে কখনও খুঁজে বেড়াবেননা। দু কান দু’চোখ খোলা রাখুন। সুখ আপনাকে খুঁজে পাবে।
অবশেষে আজ জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠানে থেকে 'কে হবে মাসুদ রানা?' অডিশনকে একদম কঠিনভাবে রোস্ট করা হলো। এতো বিনোদন কোথায় রাখি? 😆🤣
পেয়াজ এবং ইন্ডিয়ার আগ্রাসন নিয়ে পুলিশ ভায়ের অসাধারণ একটি গান।
গানের কথাগুলো বাস্তব।
উনি একজন রাজমিস্ত্রী।
ভারতের N R C সম্পর্কে প্রান্তিক/দরিদ্র মানুষের ধারণা কি, এবং এই পক্রিয়ার জন্য কত মানুষ বিপদে পড়তে পারে এই ব্যাপারে উনার তথ্য নির্ভর ব্যাখ্যা দেখে আপনিও মুগ্ধ হবেন।
ধরুন, কোন এক প্রচন্ড গা পুড়িয়ে দেয়া প্রখর রোদের দুপুরে আপনি কোন একটি মরুভূমির উপর দিয়ে হাটছেন। চারিদিকে যেখানেই দুচোখ মেলে আপনি তাকাচ্ছেন, শুধু মরুভূমির পর মরুভূমি। আপনি হাটছেন আর হাটছেন, রোদের তাপে মরুভূমির বালির তাপমাত্রা ততই বেড়ে যাচ্ছে। ভ্যাপসা গরমে আপনার রক্ত পর্যন্ত পানি হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড তৃষ্ণায় আপনার মনে হচ্ছে, কোন আস্ত একটা নদী সামনে পেলেও আপনি হয়তো তার পানি পান করে পুরো নদীটাকেই পানিশূণ্য করে ফেলবেন। কিন্তু একটা ফোটার সন্ধানও কোথাও নেই...
ঘন্টাখানেক হাটবার পর যখন আপনি প্রচন্ড ক্লান্তিতে ঠিকভাবে দুচোখের পাতা মেলে সামনে দেখতে পর্যন্ত পারছেন না, ঠিক তখনই আপনার ঘোলাটে দৃষ্টিতে ধরা পড়লো দূরে একটি মরিচা ধরা নলকূপ দেখা যাচ্ছে। আপনি বেশ ভালভাবেই জানেন, গ্রীষ্মের গরমের মরুভূমির দুপুরের সূর্য্যের এই প্রখর তাপে সেই নলকূপের পানির স্তর হয়তো এতটাই নিচে নেমে গিয়েছে, যে একটি ফোটা পানি হয়তো আপনি সেখানে গিয়ে পাবেন না।
কিন্তু আপনি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী। পৃথিবীর সবার উপর আপনার বিশ্বাসের ভিত সেরকম শক্ত হবার সুযোগ না পেলেও সৃষ্টিকর্তায় আপনি অগাধ বিশ্বাস রাখেন। সে বিশ্বাসের উপর ভর করেই হয়তো আপনি সে নলকূপের দিকে এগিয়ে গেলেন...
এগিয়ে যাবার পর আপনি আরো অবাক করার মত একটি ব্যাপার দেখতে পেলেন। এই অবাক ব্যাপারটি আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসটুকু আরো বাড়িয়ে দিলো। আপনি যা দেখতে পেলেন তা হচ্ছে, মরিচা ধরা নলকূপটির পাশেই একটি পানি ভর্তি বোতল রাখা রয়েছে। সে বোতলের পাশেই রয়েছে একটি চিরকুট রাখা। আর সে চিরকুটে খুব সুন্দর হাতের লিখায় একটি বার্তা লিখা রয়েছে...
বার্তাটি অনেকটা এরকম
"বোতলে যে পানিটুকু আছে, সেটুকু নলকূপ থেকে পানি তোলার জন্যে ব্যবহার করুন এবং অবশ্যই বোতলের সবটুকু পানি ব্যবহার করতে হবে। নতুবা নলকূপ থেকে পানি উত্তলন সম্ভব হবে না। নলকূপের পানি ব্যবহারের পর বোতলটি আবার পানি দ্বারা পূর্ণ করে পূর্বের অবস্থায় রেখে দিন" ।
আপনি যদি আপনার জীবনে এরকম একটি পরিস্থিতিতে পড়েন, তবে এরকম একটি চিরকুট দেখার পর আপনার মনে স্বাভাবিকভাবেই একটি দ্বিধা কাজ করবে। সে দ্বিধাটি হলো "বোতলের পানিটুকু ব্যবহার করে কী আসলেই পানি নলকূপ থেকে উঠবে? নাকি চিরকুটের কথামত কাজ করতে গিয়ে আপনার সেই এক বোতল পানিটুকুও হারাতে হবে?" ।
ঠিক এমন একটি পরিস্থিতিতে আপনার ভূমিকা মূলত কী হবে? নিজের উপর বিশ্বাস রেখে বোতলের পানিটুকু সাবাড় করে ফেলা? নাকি চিরকুটটি যিনি লিখে গিয়েছেন , তার উপর বিশ্বাস করে পুরো বোতলের পানিটুকু নলকূপের ভেতরে ফেলে দেয়া...? 🙂
জীবন প্রায় সময় আমাদের সাথে এরকম একটি খেলা খেলে থাকে। যে খেলায় আমাদের কাউকে না কাউকে বিশ্বাস করে নিতে হয়...
এই মূহুর্তে আপনি যে দালানের ছাদের নিচে বসে এই পোস্টটি পড়ছেন, আপনি আপনার অবচেতনমনেই সেই দালানের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকে বিশ্বাস করে নিয়েছেন যে "এই বিল্ডিংটা মাথার উপর ভেঙ্গে পড়ার কোন সম্ভাবনা নেই"... অথচ কে সেই সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, আপনি হয়তো তাকে চেনেনও না... ।
কাল সকাল ৯ টার আগে আপনি যে লোকাল বাসে হুড়মুড় করে হ্যান্ডেল ধরে ঝুলে পড়বেন, আপনি তখনও অবচেতন মনে বিশ্বাস করে নেবেন যে "এই বাসের ড্রাইভার কোন এক্সিডেন্ট ছাড়াই আপনাকে আপনার গন্তব্যস্থলে পৌছে দেবে"... অথচ আপনি যখন বাস থেকে নেমে যাবেন, তখনও আপনার ভীড়ের ধাক্কায় ড্রাইভারের চেহারাটি পর্যন্ত দেখার সুযোগ হবে না।
কখনো যদি সেই অচেনা ড্রাইভারটি আপনার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে ব্যর্থ হয়ে কোন একটি খাদে বাসটিকে ফেলেই দেয়, তবে একদল মানুষ আপনার রক্তাক্ত শরীরটাকে দ্রুত কোন একটি হসপিটালের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে গিয়ে রেখে আসবে নতুন আরেক বিশ্বাসের উপর ভর করে। এবারের বিশ্বাস করা ব্যক্তিটি হচ্ছেন একজন ডাক্তার। যে ডাক্তার আপনার চিকিৎসা করার জন্যে স্টেথোস্কোপ গলায় নিয়ে আপনার সামনে এসে দাঁড়াবে, আর যাকে হয়তো আপনি তখন আপনার জীবনে প্রথমবারের মত দেখবেন...
নলকূপের সামনের সেই বোতলটি হাতে নিয়ে দ্বিধান্বিত হবার মত এ ধরনের পরিস্থিতির সময়ে আমাদের হাতে তখন কেবল একটি অপশনই থাকে। আর সেটি হচ্ছে, যেকোন একজনকে বিশ্বাস করা...
আপনি যদি নিজের উপর বিশ্বাস রাখেন, তবে সে পানিটুকু কখনোই আপনি নলকূপে ঢালতে চাইবেন না। আর যদি আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সেই চিরকুট লিখা ব্যক্তিটির উপর বিশ্বাস রাখেন, তাহলে হয়তো সেই মরিচা পড়া নলকূপটিই আপনাকে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে আপনার জীবন রক্ষা করবে। সেই সাথে আপনাকে পাক পবিত্র হবার সুযোগটিও দেবে...
পানি পেয়ে যখন আপনার চোখের ক্লান্তি এক নিমেশে দূর হবে, তখন হয়তো চিরকুটের অপরপ্রান্তে মরুভূমির একটি ম্যাপও আপনি দেখতে পাবেন, যে ম্যাপটি হয়তো সেই চিরকুট লেখকই একে গিয়েছেন, যাকে আপনি জীবনে একটা বারের জন্যে না দেখেও চিরকুটের কয়েকটি কথা পড়ামাত্রই তা বিশ্বাস করে নিয়েছিলেন...
তবে চিরকুট লিখা সেই ব্যক্তিটি যদি তার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে ব্যর্থ হয়, অর্থাৎ মরিচা পড়া সে নলকূপ থেকে যদি যদি আপনি উপকৃত আর নাই হোন, তবে ধরে নিতে হবে আল্লাহ আপনার জন্যে বিকল্প কোন পরিকল্পনা রেখেছেন, যেটি এই মরিচা পড়া নলকূপ থেকে পানি পাওয়ার ভাবনা থেকে উত্তম...
খুব সম্ভবত সে কারণেই ১৯১৩ সালের অনেক ব্যক্তিই টাইটানিক জাহাজে চড়ার টিকিট পাননি... কারণ উপরে থাকা মহাবিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তিমান এবং ভবিষ্যতদ্রষ্টা সেই ভদ্রলোকটি খুব ভালকরেই জানতেন, যে এই গ্রহের সবচেয়ে বড় এই জাহাজটি জীবনে প্রথমবারের মত যাত্রা শুরু করছে... এবং একই সাথে জীবনে শেষবারের মত...
🙂
লিখাঃ আশিক সরকার
দেখ ভাই কবি, সাহিত্যিক লেখক এগ্লা আমার সাথে যায়না, আমি এসেছি দুইটা সত্য কথা বলতে!!! তথাকথিত সুধীদের ***, কথা কি ক্লিয়ার, না কোন ভেজাল আছে?🤣🤣
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
