03/09/2023
জাতীয় ছাত্র ঐক্য
ছাত্র সংগঠন
03/09/2023
12/06/2023
ঢাকা ১৭ আসন এর উপ নির্বাচনে গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী জাতীয় ছাত্র ঐক্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা
কবি ও সাংবাদিক অশোক ধর
গণতন্ত্রী পার্টির অঙ্গীকার দেশ হবে জনতার
ভোট ভাতের অধিকার গণতন্ত্রী পার্টির অঙ্গীকার
অশোক ধর এর সালাম নিন কবুতর প্রতীকে ভোট দিন
অশোক ধর এর সালাম নিন গণতন্ত্রী পার্টিতে যোগ দিন
09/06/2023
ঢাকা ১৭ আসন এর উপ নির্বাচনে গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী জাতীয় ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা কবি ও সাংবাদিক অশোক ধর
22/05/2023
22/05/2023
গণতন্ত্রী পার্টির অঙ্গীকার দেশ হবে জনতার
ভোট ভাতের অধিকার গণতন্ত্রী পার্টির অঙ্গীকার
ব্যরিস্টার আরশ আলীর সালাম নিন গণতন্ত্রী পার্টিতে যোগ দিন
ডাঃ শাহাদাত হোসেন এর সালাম নিন গণতন্ত্রী পার্টিতে যোগ দিন
অবনী অনিমেষ এর সালাম নিন গণতন্ত্রী পার্টিতে যোগ দিন
সময় এখন ঘুরে দাঁড়াবার শেরপুর জেলা জুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে এবং সংগঠন নতুন করে সুসংগঠিত করা হবে।
এছাড়া ভিন্ন কোন কাজের সুযোগ নেই।
গণতন্ত্রী পার্টি শেরপুর জেলার পরীক্ষিত নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা নব জাগরণের জন্য প্রস্তুতি নিন।
এতদিন অনেক বক্তব্য শুনেছি, এবার কাজের পালা.....
অবনী অনিমেষ
সাবেক সভাপতি
জাতীয় ছাত্র ঐক্য
সদস্য
কেন্দ্রীয় কমিটি
গণতন্ত্রী পার্টি
সভাপতি
গণতন্ত্রী পার্টি শেরপুর জেলা কমিটি
+8801612408992
+8801712408992
[email protected]
22/05/2023
22/05/2022
বিস্মৃতির আড়ালে রাজনীতিবিদ
সৈয়দ আলতাফ হোসেন
--------------------------------------
কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে ছাত্র ফেডারেশনের মাধ্যমে সৈয়দ আলতাফ হোসেনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি। তিনি ছাত্র ফেডারেশনের ইসলামিয়া কলেজ শাখার সভাপতি ছিলেন। ১৯৪০ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে 'হলওয়েল মনুমেন্ট' অপসারণের আন্দোলনে তিনি অংশগ্রহণ করেন।
১৯৫৩ সালে তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং ১৯৫৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৫ সালে তিনি গ্রেফতার হন এবং কয়েকমাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে ওই বছরেই পুলিশ ধর্মঘটে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) গঠিত হলে তিনি ন্যাপের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে দেশে সামরিক শাসন জারি হলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে, তিনি আবার আত্মগোপনে চলে যান এবং প্রায় ২ বছর আত্মগোপনে থাকেন।
১৯৬৫ সালে সৈয়দ আলতাফ হোসেন ন্যাপের পূর্ব পাকিস্তান শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে তিনি গ্রেফতার হন এবং জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের আদর্শগত দ্বন্দ্বে বিভক্ত ন্যাপের মস্কোপন্থী অংশের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন (১৯৬৭)।
১৯৬৮ সালে হাইকোর্টের এক রায়ে মুক্তিলাভের কিছুদিন পর একই বছর পুনরায় তিনি গ্রেফতার হন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলনে অংশ নেন। ওই বছর নভেম্বর মাসে পুনরায় তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতনের পর তিনি মুক্তি লাভ করেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ন্যাপ কর্মীদের ভারতে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ কাজে সহায়তা এবং ন্যাপের নেতৃত্বাধীন ৬০টি যুব ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। সৈয়দ আলতাফ হোসেন ১৯৭৫ সালে গঠিত বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগের (বাকশাল) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় রেলওয়ে প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে গঠিত জাতীয় একতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
১৯৮৩ সালে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের কারণে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৮৫ সালে পুনরায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হলে আত্মগোপন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় একতা পার্টি এবং ন্যাপের দুটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত ঐক্য ন্যাপের আহবায়ক নির্বাচিত হন।
আলতাফ হোসেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১৫ দলীয় জোট গঠন এবং জোটের ৫ দফা কর্মসূচি প্রণয়নে ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়া থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আলতাফ হোসেন ১৯৯০ সালে ঐক্য ন্যাপ এবং প্রজাতন্ত্রী পার্টির সমন্বয়ে গঠিত গণতন্ত্রী পার্টি র সভাপতি নির্বাচিত হন এবং আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই সৈয়দ আলতাফ হোসেন, রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি ১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার 'মর্নিং নিউজ' পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন। ভারত বিভাগের পর তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ১৯৪৯ সালে 'পাকিস্তান অবজারভার' পত্রিকার বার্তা বিভাগে যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি কিছুকাল দৈনিক ইত্তেহাদে কাজ করেন। তিনি 'মর্নিং নিউজ' পত্রিকায় ১৯৫০-১৯৫৩ সালে সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ১৯৫৬ সালে তাঁর সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় 'নিউ নেশন' পত্রিকা।
সৈয়দ আলতাফ হোসেন আইন পেশার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল ঢাকা ল’ কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপাল ছিলেন। ১৯৯২ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
