Advocate Md. Wahid Uzzaman Chowdhury

Advocate Md. Wahid Uzzaman Chowdhury

Share

Dedicated advocate, committed to justice. Specializing in Civil, Criminal, Tax, Family & Cyber Law.

14/02/2024

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ হিসাব

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
#জমিদারি #জমি_পরিমান #জমি_মাপা #জমি_ক্রয়

14/02/2024

ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি
ক্রয়ের আগে এই ৩টি ডকুমেন্ট দেখেছেন কি?
এই ৩ টি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না:
১। ওয়ারিশ সনদ পত্র।(অবশ্যই যাচাই করে নিন, সবাই অন্তর্ভুক্ত আছে কি না)
২। পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
৩। নামজারি খতিয়ান।

তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা,,, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য।

#ভূমিসেবা #ভাগবন্টন #দলিল #জমি_মাপা #জমিদারি #জমি_পরিমান #ওয়ারিশ

07/02/2024

জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে:

১. কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে, টের পাবেন না।

২. রিকশাতে বসে কোলে ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।

৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।

# পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে ক্ষতি কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।

৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।

৫. কপাল খারাপ হলে ছিনতাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।

৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।

দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা ঝামেলায় বাধাতে। এতে ওদের লাভ, সেটা কিরকম ?
ধরা যাক, আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।

৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।

৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন, দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।

৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।

১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।

১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে দেবে আপনাকে।

১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।

১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।

১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।

১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।

১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন, দোয়া পড়ে বাহির হবেন।

আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

নিজে সতর্ক ও সচেতন থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক ও সচেতন করুন।

শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র

( সংগৃহীত )

05/02/2024

মেট্টোরেলে ভ্রমন করতে হলে জানা থাকা ভালো:

RAPID PASS এবং MRT PASS কোনটির কি সুবিধা, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েন।

এই দুই কার্ডের বিস্তারিত পার্থক্য তুলে ধরা হলো:

প্রথমত MRT Pass কী?

MRT Pass এর মানে হলো Near-Field Communication (NFC) অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি সংযোগবিহীন স্মার্ট আইসি কার্ড।

এই কার্ড দিয়ে ঝামেলাবিহীন ভাবে অতিসহজে মেট্রোরেলের (ভবিষ্যতে বাস, লঞ্চ, মেট্রোরেল কর্তৃক পরিচালিত শপিংমল ইত্যাদির বিল) ভাড়া পরিশোধ করা যায়।



দ্বিতীয়ত হলো RAPID Pass কী?

RAPID PASS হলো জাপানের Sony কোম্পানীর তৈরী একটি Near-Field Communication (NFC) সর্বাধুনিক স্মার্ট কার্ড।

বাংলাদেশের গণপরিবহনের সমন্বিত ই-টিকেটিং (One Card for all Transport) ব্যবস্থা প্রবর্তণ ও ভাড়া আদায়ের লক্ষ্যে এটিকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্মার্ট কার্ড বা Rapid Pass প্রচলন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন গণপরিবহন যেমন- ঢাকা মেট্রোরেল, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সার্ভিস, BIWTC’র নৌ-যান সার্ভিস, সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন বাস সার্ভিসে স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরবিচ্ছিন্নভাবে যাতায়াতে ঝামেলাহীন পেমেন্টে RAPID PASS সিস্টেম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডিটিসিএ এই দারুণ কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে যে MRT Pass কীভাবে নিতে হয়?
নিম্নোক্ত তথ্যাবলী নিয়ে MRT Pass সকাল ৭.৩০ মিনিটস থেকে রাত ০৭.৩০ মিনিটস পর্যন্ত মেট্রোরেলের যেকোন স্টেশনের Excess Fare Office (অথবা Customer Service Centre) থেকে ইনস্ট্যান্ট নিবন্ধন করে ক্রয় করা যাবে। কার্ড ইস্যুতে যেসব তথ্য আপনার লাগবে:

১. কিছু তথ্য সহ একটা রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে।
(রেজিস্ট্রেশন ফর্ম স্টেশন উক্ত থেকে ফ্রিতে পাওয়া যাবে অথবা আপনি ঘরে বসে মেট্রোরেলের ওয়েবসাইট হতে MRT Pass Registration Form টি নিজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।)

২. বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র বা তার স্বচ্ছ ফটোকপি। অবশ্য এটির ইনফো হলেই হবে, কপির খুব প্রয়োজন নাই।

৩. আপনি নগদ মাত্র ৫০০ টাকা। (যার মধ্যে ২০০ টাকা কার্ড বাবদ ডিপোজিট এবং অন্য ৩০০ টাকা কার্ডে রিচার্জ করে দেয়া থাকবে।)

তবে মনে রাখবেন , ঠিক তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনার কার্ড রিফান্ড, কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্থ কার্ড পুনঃপ্রদান, হারানো কার্ড আপনাকে পুনঃপ্রদান, আপনার হারানো কার্ড ফেরত এবং হারানো কার্ডের মধ্যে রিচার্জ করা টাকাও ফেরত পাওয়া যায়। (স্টেশনে আপনার একটি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করতে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ মিনিটস সময় প্রয়োজন হয়।)

RAPID Pass কীভাবে নিতে হয়:

র‍্যাপিড পাস ক্রয় : ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নিন্মবর্ণিত শাখা/উপ-শাখা থেকে র‍্যাপিড পাস ক্রয় করা যাবে :-
১) সোনারগাঁও জনপদ শাখা, উত্তরা

২) উত্তরা শাখা, উত্তরা

৩) রবীন্দ্র সরণি শাখা

৪) পল্লবী শাখা, মিরপুর

৫) মিরপুর শাখা, মিরপুর

৬) মিরপুর সার্কেল-১০ শাখা

৭) ইব্রাহিমপুর শাখা, ক্যান্টনমেন্ট

৮) শেওড়াপাড়া শাখা, মিরপুর

৯) কর্পোরেট শাখা, মতিঝিল

১০) ইন্দিরা রোড শাখা, ফার্মগেট

১১) খালপাড় উপ-শাখা, উত্তরা

১২) তালতলা উপ-শাখা, আগারগাঁও

১৩) সচিবালয় ফাস্ট ট্র্যাক, বাংলাদেশ সচিবালয়

১৪) ফার্মগেট উপ-শাখা, ফার্মগেট

১৫) কাওরান বাজার শাখা, কাওরান বাজার

১৬) গ্রীন রোড শাখা, পান্থপথ

১৭) এলিফ্যান্ট রোড শাখা

১৮) সেগুনবাগিচা উপ শাখা, সেগুনবাগিচা

১৯) বঙ্গবন্ধু এভিনিউ শাখা, গুলিস্তান

২০) মতিঝিল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা, গুলিস্তান

২১) শান্তিনগর শাখা, শান্তিনগর

২২) নিউ মার্কেট শাখা, নিউ মার্কেট

২৩) সাতমসজিদ রোড শাখা, ধানমন্ডি

২৪) ধানমন্ডি শাখা, মিরপুর রোড

২৫) নিউ ইস্কাটন শাখা, ইস্কাটন, মগবাজার

২৬) শ্যামলী শাখা, শ্যামলী

২৭) খিলগাঁও শাখা, তালতলা, খিলগাঁও

২৮) আর.কে.মিশন রোড উপ-শাকা, মতিঝিল

২৯) রামপুরা শাখা, রামপুরা

৩০) বিজয়নগর শাখা, বিজয়নগর

৩১) বসুন্ধরা শাখা, বসুন্ধরা

৩২) তেজগাঁও শাখা, নাবিস্কো, তেজগাঁও

৩৩) মগবাজার শাখা, মগবাজার

৩৪) মুগদা উপ শাখা, মুগদা

এছাড়াও দিয়াবাড়ি ও আগারগাও মেট্রো রেল স্টেশন এর DBBL এর বুথ থেকে র‍্যাপিড পাস ক্রয় করা যাবে।

এই Rapid Pass কার্ডের প্রাথমিক মূল্য মাত্র ৪০০ টাকা। তন্মধ্যে মাত্র ২০০ টাকা প্রাথমিক রিচার্জ এবং বাকি ২০০ টাকা উক্ত কার্ডের মূল্য ।

এখন জানতে ইচ্ছে হতে পারে যে, কোন কার্ডে সুবিধা কী?
উভয় কার্ডেই প্রায় একই ধরনের সুবিধা তুলে ধরা হয়েছে।



MRT অথবা Rapid Pass কার্ডে কীভাবে রিচার্জ করতে হবে?
মেট্রোরেল স্টেশনের টিকেট বিক্রয় মেশিন (Ticket Office Machine, Ticket Vending Machine) থেকে উভয় কার্ডি রিচার্জ করা যাবে। এবং Rapid Pass উক্ত নির্দিষ্ট ব্যাংক থেকেও রিচার্জ করা যাবে ( এবং স্টেশনেও যাবে)। তবে ভবিষ্যতে মোবাইল ব্যাংকিং থেকেও রিচার্জের ব্যবস্থা করা হতে পারে।



RAPID Pass এবং MRT pass এর বাহ্যিক পার্থক্য কী?
উভয় কার্ডের ব্যবহারে বাহ্যিক দিক থেকে আর কোনো পার্থক্য লক্ষ করতে পারছি না শুধুমাত্র প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ব্যতীত।



একজন ব্যক্তি সর্বমোট কতটি কার্ড ইস্যু করতে পারবে?
একজন ব্যক্তি চাইলে একাধিক কার্ড ইস্যু করতে পারবেন। তবে সাজেস্ট করা হছে একই পরিচয়পত্রের বিপরীতে একটিমাত্র কার্ড নেয়ার জন্য।

আপনার একটি কার্ড দিয়ে একসাথে কতজন যাতায়াত করতে পারবে?
একটি কার্ড ব্যবহার করে একই টাইমে যেকোনো মাত্র একজন ব্যক্তি যাতায়াত করতে পারবেন।

এইসব কার্ড কীভাবে ব্যবহার করতে হবে?
স্টেশনের পেইড জোন বা ভিতরে প্রবেশের জন্য AFC গেইটের (Passenger Gate) আপনার নির্ধারিত স্থানে MRT Pass / Rapid Pass কার্ডটি শো করুন বা টাচ করুন। (কার্ডগুলো আধুনিক NFC পদ্ধতি ব্যবহৃত হওয়ায় উক্ত AFC গেইটের নির্ধারিত স্থানের ১০ সে.মি এর মধ্যে কার্ডটি আনলেই মেশিনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা রিড করতে সক্ষম হয়। তাই এই কার্ডটি নির্ধারিত স্থানে ঘষাঘষি করা বা জোরে টাচ করারও প্রয়োজন নাই)। ভ্রমণ শেষে বাহির হওয়ার সময়ও একই পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
( সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)

04/02/2024

উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশি সম্পত্তি নামজারী করতে যে সকল কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী দিচ্ছে না।

সমস্যা দেখে নিন এক পলকেঃ

#সমস্যা নং-১ঃ ওয়ারিশদের মধ্যে রেজিষ্ট্রি বন্টননামা দলিল নাই। নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-২ঃ এক বা একাধিক ওয়ারিশ দেশের বাহিরে থাকেন সেকারণে বন্টননামা দলিল করা যাচ্ছে না। অতএব, অন্যদেরও নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-৩
একাধিক ওয়ারিশদের মধ্যে একজন দাগে দাগে হিস্যানুসারে নামজারী চাইলে নামজারী হচ্ছে না। কারণ নির্দিষ্ট কোন দাগে দখল সেটা এসি ল্যান্ড অফিস নির্ধারণ করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৪
কোন একজন ওয়ারিশ কয়েকটি খতিয়ানের প্রাপ্য জমি কিন্তু সে একটি নির্দিষ্ট খতিয়ান থেকে তার প্রাপ্য অংশ বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন তার বন্টননামা দলিল করার সুযোগ নাই। অতএব অন্য ওয়ারিশরা নামজারী করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৫
দখল সূত্রে কোন ওয়ারিশ দামী জমিতে দখলে আছেন। অতএব সে এখন বন্টননামা করবেন না। একারণে অন্য ওয়ারিশরাও নামজারী করতে পারছেন না।

এসব সমস্যার কারণে আদালতে বন্টন মামলা বেড়েই চলছে। অতএব মামলা মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুল। নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করুন।

©

04/02/2024

একাধিক দাগে জমি কিনে একদাগে ভোগ দখল।
সুখ নাকি সমস্যা?

দলিলের পরিণতি?

দেখা যায় যে, অনেকেই একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তার মালিকানার একাদিক দাগে সম্পত্তি ক্রয় করে
ভোগদখল নেন একদাগে।

কিন্তু ঐ একাদিক দাগে যদি দাতার অন্য কোন ওয়ারিশ থেকে থাকে এবং যেই দাগে ভোগ দখল নেওয়া হয়েছে, সেই দাগে যদি দাতার কোন ওয়ারিশের স্বত্ব থাকে, তাহলে ক্রয়কৃত ব্যক্তির ভোগদখলীয় জমিতে দাতার অন্য ওয়ারিশরা চাইলেই জমির স্বত্ত সৃষ্টি করতে পারবে।

এমতাবস্থায় ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগদখলীয় জমিতে তার ক্রয়কৃত সমপরিমান জমি এক দাগে ভোগ দখল নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র দাতার হিস্যা অনুযায়ী ভোগদখলীয় দাগে জমি ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগ করতে পারবেন যতটুকু জমি দাতা ঐ দাগে মালিক। বাকি জমি সে ভোগ দখল করবেন অন্য যে সব দাগে জমি ক্রয় করেছেন সেই দাগে।

আপনি চাইলেই দলিল এবং খতিয়ানের বাহিরে আপনার নামে জমি নামজারি বা রেকর্ড করাতে পারবেন না।

যদি আপনি ক্ষমতা এবং কারসাজির মাধ্যমে মনগড়া জমি রেকর্ড করেও নেন, কিন্তু পরবর্তীতেও আপনার এই রেকর্ড টিকবেনাহ! এতে দলিলের কোন স্বত্ব নষ্ট হবে না।

দলিল অনুযায়ী আপনাকে জমি ভোগ করতে হবে। দলিলে যে যে দাগে আপনি জমি ক্রয় করেছেন। তবে সে ক্ষেত্রে দাতাও অবশ্যই বিক্রিত দাগে হিস্যা অনুযায়ী সেই পরিমান জমির মালিক থাকতে হবে।

জমি কিনুন, ঝামেলা কিনবেন না।

31/01/2024

ভালো লাগলো, তাই কপি-পেস্ট করলাম।

(খুবই চিন্তার উদ্রেককারী বার্তা।)

আমি কখনোই একটা জিনিস বুঝিনি যে এই চলচ্চিত্র অভিনেতা বা অভিনেত্রীরা কী করেন যে তারা প্রতিটি ছবির জন্য 50 কোটি বা 100 কোটি পান। ?
যে দেশে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, চিকিৎসবক, প্রকৌশলী, অধ্যাপক, কর্মকর্তা প্রভৃতিরা বছরে ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা পান, সেই দেশে একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা বছরে ১০ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকা আয় করেন!
সে সব পরে কি করে? দেশের উন্নয়নে তাদের অবদান কী? সর্বোপরি, তারা কী করে মাত্র এক বছরে এত আয় করতে যে দেশের শীর্ষ বিজ্ঞানীদের 100 বছর লেগে যেতে পারে!
আজ দেশের নতুন প্রজন্মকে যে তিনটি ক্ষেত্রে মুগ্ধ করেছে তা হল সিনেমা, ক্রিকেট ও রাজনীতি।
এই তিনটি ক্ষেত্রের লোকদের উপার্জন এবং প্রতিপত্তি সব সীমার বাইরে।
এই তিনটি ক্ষেত্র আধুনিক তরুণদের আদর্শ, যদিও তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বর্তমানে প্রশ্নবিদ্ধ। তাই দেশ ও সমাজের জন্য তা অকেজো।
বলিউডে মাদক ও পতিতাবৃত্তি, ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিং, রাজনীতিতে গুন্ডামি ও দুর্নীতি।

টাকাই এই সবের পিছনে মূল কারণ এবং আমরাই এই টাকা তাদের কাছে নিয়ে এসেছি। আমরা নিজেরাই নিজেদের টাকা পুড়িয়ে নিজেদের ক্ষতি করছি। এটাই বোকামির উচ্চতা।
70-80 বছর আগে পর্যন্ত, বিখ্যাত অভিনেতারা সাধারণ বেতন পেতেন। ৩০-৪০ বছর আগে ক্রিকেটারদের আয়ও বিশেষ ছিল না। ৩০-৪০ বছর আগে রাজনীতিতে এত লুটপাট ছিল না। ধীরে ধীরে তারা আমাদের ডাকাতি শুরু করে এবং আমরা তাদের খুশিতে নিজেদের লুট করতে দিয়েছিলাম।
এসব মাফিয়াদের খপ্পরে পড়ে আমরা আমাদের সন্তান ও দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছি।
50 বছর আগে, সিনেমা এতটা অশ্লীল এবং অশ্লীল তৈরি হত না। ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদরা তেমন অহংকারী ছিলেন না।
আজ তারা আমাদের ঈশ্বর (?) হয়ে উঠেছে। এখন তাদের মাথা থেকে তুলে থাপ্পড় মারার প্রয়োজন আছে যাতে তারা তাদের অবস্থা জানতে পারে।
একবার, যখন ভিয়েতনামের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, হো-চি-মিন, ভারতীয় মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকের জন্য ভারতে এসেছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "আপনারা কি করেন?"
এই লোকেরা বললো- "আমরা রাজনীতি করি।" তিনি এই উত্তরটি বুঝতে পারেননি, তাই তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেন - "মানে, আপনার পেশা কি?"
এই লোকেরা বলেছিল- "রাজনীতি আমাদের পেশা।" হো-চি মিন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন- "আপনারা হয়তো আমার মানে বোঝেন না।
আমিও রাজনীতি করি, কিন্তু পেশায় আমি একজন কৃষক এবং আমি কৃষিকাজ করি।
চাষ করেই আমার জীবিকা নির্বাহ হয়। সকাল-সন্ধ্যা আমি আমার ক্ষেতে যাও, আমি কাজ করি। আমি দিনের বেলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের জন্য আমার দায়িত্ব পালন করি।"
হো-চি-মিন আবারও একই কথা জিজ্ঞেস করলে প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বললেন- "রাজনীতি আমাদের পেশা।"
এটা স্পষ্ট যে ভারতীয় নেতাদের এর কোন উত্তর ছিল না।
পরে একটি সমীক্ষায় জানা যায় যে ভারতে 6 লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা রাজনীতির দ্বারা সমর্থিত।
আজ এই সংখ্যা কোটিতে পৌঁছেছে।
মাত্র কয়েক মাস আগে, যখন ইউরোপ করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছিল, টানা কয়েক মাস ডাক্তাররা একটুও বিশ্রাম পাচ্ছিলেন না, তখন এক পর্তুগিজ ডাক্তার ক্ষোভের সাথে বলেছিলেন - "রোনালদোর কাছে যাও, যাকে তুমি কোটি কোটি ডলার দেবে। দেখার জন্য।
আমি মাত্র কয়েক হাজার ডলার পাই।" আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে দেশের তরুণ ছাত্রদের আইডল বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষাবিদ নয়, অভিনেতা, রাজনীতিবিদ এবং ক্রীড়াবিদ, তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক উন্নতি হতে পারে,
কিন্তু দেশ কখনই উন্নতি করবে না। সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক, কৌশলগতভাবে দেশ সবসময় পিছিয়ে থাকবে।
এমন দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা সব সময়ই বিপদে পড়বে।
যে দেশে অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক খাতের আধিপত্য বাড়তে থাকবে, সে দেশ দিন দিন দুর্বল হতে থাকবে।
দেশে দুর্নীতিবাজ ও দেশবিরোধীদের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
সৎ লোকেরা প্রান্তিক হয়ে পড়বে এবং কঠিন জীবনযাপন করতে বাধ্য হবে।
আমাদের মেধাবী, সৎ, বিবেকবান, সমাজকর্মী, যুদ্ধবাজ ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের তৈরি ও প্রচার করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
আমাদের নৈতিক দেউলিয়াত্ব সম্পর্কে সত্যিকারের ভারতীয় মূল্যবান আত্মদর্শনের জন্য সত্যিই একটি চোখ খোলার বার্তা৷
আমরা কি করছি এবং কোথায় যাচ্ছি।
*সত্যিই খুব খুব ভাল বার্তা.* *ভালো মানুষের জন্য প্রত্যেকেরই পড়া উচিত* ⏩ ফরোয়ার্ড করুন
Collected from Alokeprodip Choudhuryi






🧿🧿🧿🧿🧿🧿🧿

23/01/2024

ভূমি পরিমাপের সরকারিভাবে দুই প্রকার পদ্ধতি রয়েছে:

১. শতাংশের হিসাব
২. কাঠার হিসাব।
এই দুই প্রকার হিসাবে দলিল লিখনসহ ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
শতাংশ অপর নামগুলো শতক, ডিসিমল, ডিসেম।
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
৭২০ বর্গফুট = ১কাঠা
১.৬৫ শতাংশ = ১কাঠা
১.৫ শতাংশ = ১কড়া
৬ শতাংশ = ১গন্ডা
৩৩ শতাংশ = ১বিঘা
২০ কাঠা = ১বিঘা
১০০ শতাংশ = ১ একর
২৪৭ শতাংশ = ১হেক্টর

আরও দেখুন:

10/01/2024

🤣🤣🤣

*কোর্টে একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে কাজের মাসি শিলার ডাক পড়েছে....

বাদীপক্ষের দুঁদে উকিল 'প্রমথ বিশ্বাস' শিলা মাসি কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন:

*"আপনি আমায় চেনেন ??

শিলা মাসির উত্তর:
*“ওমা চিনব না কেন ?? তুমি প্রমথ তো !! তোমায় ন্যাংটা বয়স থেকেই চিনি। পুরো বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। মিথ্যা কথা বলতে। লোক ঠকানোয় ওস্তাদ ছিলে। লাগানি ভাঙানি ভালোই করতে। আরো অনেক গুন তোমার ছিল সে সব আর বলছি না। নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে যদিও কানাকড়ির মুরোদ ছিল না। তোমাকে আমি ভালই চিনি।"*

প্রমথ বাবু স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। ভেবে পাচ্ছিলেন না কি করবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল "অসিত ধরে"র দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন: *“ওনাকে চেনেন ??"*

শিলা মাসির উত্তর: *“ওমা চিনব না কেন ?? ওতো অসিত। খুব ভাল করেই চিনি। অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব ছিল না। পাঁড় মাতাল। শহরের সবচেয়ে পিশাচ উকিল। বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকেও ছোট থেকেই চিনি।”*

*বিবাদী পক্ষের উকিল অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন।*

এমন সময় জজ সাহেব দুই উকিলকে কাছে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর নিচু গলায় শান্তস্বরে জজ সাহেব বললেন:

*“দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে প্রশ্ন করো যে আমায় চেনে কিনা তাহলে তোমাদের আমি ফাঁসি কাঠে চড়াব।

09/01/2024
31/12/2023
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


14 Court House Street
Dhaka
1100