27/03/2026
#ফোনে বিবাহ জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যঃ
📚🖊️: বরের পাসপোর্ট দুই কপি ছবি এবং বরের ভাইয়ের ভোটার আইডি কার্ড দুই কপি ছবি লাগবে।
কনের ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি এবং দুই কপি ছবি
ঘরে আপন মা-বাবা অথবা ভাইয়ের ভোটার আইডি এক কপি ছবি বরের পক্ষে সাক্ষী যে দুজন থাকবে উনাদের ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি দুই কপি ছবি।
বরের পুরো নামটা পাসপোর্ট অনুযায়ী একটি সাদা কাগজে লিখে ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে অথবা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে বলবেন।
📚🖊️: ১)এটি পাওয়ারের স্বাক্ষরিত দলিল
২)নোটারিয়াল সার্টিফিকেট
নোটারি
৩)ইংরেজি নিকাহ নামা
৪)বাংলা কাবিননামা
৫/ম্যারেজ সার্টিফিকেট
এ কাজগুলো আপনি পাবেন।
26/12/2025
#আসসালামু_আলাইকুম #বিবাহ
বিবাহ রেজিস্ট্রেশন এর জন্য যা যা সাথে আনতে হবে
★ জাতীয় আইডি কার্ড বা
পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট বা স্কুল/কলেজের সার্টিফিকেট।
★ বর ও কনের উপযুক্ত বয়স (আইন সন্মত ভাবে বরের বয়স ২১ বছর ও কনের বয়স ১৮ বছর)
★ বর ও কনের স্বাধীন সম্মতি
★ রেজিস্ট্রেশনের ফি :- মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে একজন বিয়ে রেজিস্ট্রার দেনমোহরের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে একটি বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের ফি নির্ধারণ করে থাকেন।
ধার্যকৃত দেনমোহরের প্রতি লাখের জন্য ১৪০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি।
21/11/2025
# #আসসালামু_আলাইকুম
আমাদের সেবা সমূহঃ
★ বিবাহ্ রেজিষ্ট্রেশন
★তালাক প্রসেস ও রেজিষ্ট্রেশন
★ডিভোর্স সার্টিফিকেট রি-ইস্যু
★বিয়ে ও তালাক এর ডকুমেন্ট স্টাম্পিং ও নোটারি
★ইংরেজি বা প্রয়োজনীয় ভাষায় ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রদান
★কোর্ট ম্যারেজ পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
★প্রবাসী ও ভিন্ন ডিসটিক এর ভাইবোনদের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
★বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সরবরাহ করা হয়
★বিবাহ ও তালাকের কাজগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইনি বিধান অনুযায়ী
সঠিকভাবে করা হয়
★আপনাদের সকল ধরনের কাজ সঠিক এবং ঝামেলা মুক্তভাবে পাবেন ইনশাআল্লাহ
★কাজি অফিসের সকল ধরনের সেবা আপনাদেরকে দেওয়ার জন্য আমরা আপনাদের পাশে আছি
★যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আমাদের সাথে মেসেজ অথবা কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন
★ধন্যবাদ আপনাদের কাজী অফিসে আমন্ত্রিত
#বিবাহ
07/03/2025
োসলের_নিয়ম
গোসল ফরজ হওয়ার কারণ
সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-
১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-
وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ
‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)
২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।
৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।
৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।
গোসলের ফরজ কাজ
উল্লেখিত অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হতে ৩টি কাজ করা ফরজ। যথাযথভাবে এ ৩ কাজ আদায় না করলে গোসলের ফরজ আদায় হবে না। কাজ তিনটি হলো-
১. কুলি করা । (বুখারি, ইবনে মাজাহ)
২. নাকে পানি দেওয়া। (বুখারি, ইবনে মাজাহ)
৩. সারা শরীর পানি দিয়ে এমনভাবে ধোয়া যাতে দেহের চুল পরিমাণ জায়গাও শুকনো না থাকে। (আবু দাউদ)
তবে ফরজ গোসল সম্পন্ন করার সর্বোত্তম নিয়ম হলো-
১. বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম (بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْم) বলে গোসল শুরু করা। তবে গোসলখানা ও টয়লেট একসঙ্গে থাকলে বিসমিল্লাহ মুখে উচ্চারণ করে বলা যাবে না।
২. হাত ধোয়া। অর্থাৎ উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত ধোয়া।
৩. লজ্জাস্থান ধোয়া। বাম হাতে পানি দ্বারা লজ্জাস্থান পরিস্কার করা। সম্ভব হলে ইস্তিঞ্জা তথা পেশাব করে নেওয়া। এতে নাকাপি সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যাবে।
৪. নাপাকি ধোয়া। কাপড়ে বা শরীরের কোনো অংশে নাপাকি লেগে থাকলে তা ধুয়ে নেওয়া।
৫. ওজু করা। পা ধোয়া ছাড়া নামাজের অজুর ন্যয় অজু করে নেওয়া।
৬. অতঃপর ফরজ গোসলের তিন কাজ- কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া এবং পুরো শরীর ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া। যাতে শরীরের একটি লোমকুপও শুকনো না থাকে।
৭. পা ধোয়া। সবশেষে গোসলের স্থান থেকে একটু সরে এসে উভয় পা ভালোভাবে ধোয়া।
#কাজি
#বিবাহ
04/01/2025
#আসসালামু_আলাইকুম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।
#কাজী_অফিস #বিবাহ
আমাদের সেবা সমূহঃ
★ বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন
★ নিকাহনামা ও ম্যারিজ সার্টিফিকেট প্রদান।
★ ফোনের মাধ্যমে বিদেশি বিবাহের ব্যবস্থা করা হয়।
★ তালাক নামা ও তালাক সার্টিফিকেট প্রদান।
★ ম্যারিজ সার্টিফিকেটর বাংলা, ইংরেজি, আরবি অনুবাদ, নোটারি পাবলিক এবং
বিশেষ প্রয়োজনে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা হয়।
★ আনম্যারিড সার্টিফিকেট প্রদান।
★ বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত ব্যাপারে সৌজন্যমূলক পরামর্শদান।
05/12/2024
#ফোনে বিবাহ জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যঃ
📚🖊️: বরের পাসপোর্ট দুই কপি ছবি এবং বরের ভাইয়ের ভোটার আইডি কার্ড দুই কপি ছবি লাগবে।
কনের ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি এবং দুই কপি ছবি
ঘরে আপন মা-বাবা অথবা ভাইয়ের ভোটার আইডি এক কপি ছবি বরের পক্ষে সাক্ষী যে দুজন থাকবে উনাদের ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি দুই কপি ছবি।
বরের পুরো নামটা পাসপোর্ট অনুযায়ী একটি সাদা কাগজে লিখে ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে অথবা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে বলবেন।
📚🖊️: ১)এটি পাওয়ারের স্বাক্ষরিত দলিল
২)নোটারিয়াল সার্টিফিকেট
নোটারি
৩)ইংরেজি নিকাহ নামা
৪)বাংলা কাবিননামা
৫/ম্যারেজ সার্টিফিকেট
এ কাজগুলো আপনি পাবেন
01/11/2024
#ডিভোর্স
ডিভোর্স সংক্রান্ত বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন।
★ ডিভোর্স স্বামী/স্ত্রী যে কেউ দিতে পারে, তবে স্বামীর কোন কারণ লাগেনা, কিন্তু স্ত্রীকে কাবিননামার ১৮ নাম্বার ঘরে অনুমতি দেয়া থাকলে অথবা আদালতে ডিক্রি পেলে অথবা খুলা তালাকের মাধ্যমে ডিভোর্স দিতে পারে।
★ ডিভোর্স যে ই দিক, দেনমোহর স্ত্রীকে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার। সে দাবী ত্যাগ না করলে দেনমোহর না দেয়ার সুযোগ নেই।
★ ডিভোর্স দেয়ার ক্ষেত্রে নোটিশ দেয়া বাধ্যতামূলক, তবে ডিভোর্স নোটিশ না দিলে তালাক কার্যকর হবেনা এই বিষয় টা ভুল ধারণা(উচ্চ আদালতের রায়), তবে সেক্ষেত্রে নোটিশ না দেয়ার জন্য শাস্তি পেতে হবে।
★ ডিভোর্স নোটিশ গ্রহণ করা বা না করার উপর ডিভোর্স কার্যকর হওয়া নির্ভরশীল নয়। নোটিশ গ্রহণ করুক বা না করুক, ডিভোর্স নোটিশ চেয়ারম্যান এর কাছে পৌছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন পরে অথবা স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান জন্মদানের পরে(যে সময় টা বেশি), ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যায়।
★ ডিভোর্স নোটিশ চেয়ারম্যান এর কাছে পৌছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন পরে অথবা স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান জন্মদানের পরে(যে সময় টা বেশি), এই সময়ের মাঝে চাইলে স্বামী/স্ত্রী তালাক প্রত্যাহার করতে পারে। উক্ত সময় পরে ডিভোর্স প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই।
★ ডিভোর্স দেয়ার কোন নির্দিষ্ট ফর্ম নেই বা এর জন্য কাজীর কাছে যাওয়া লাগেনা। ডিভোর্স কার্যকর হওয়ার পরে কাজীর কাছে গিয়ে নিবন্ধন করা যায়।
02/09/2024
বিবাহ রেজিস্ট্রেশন এর জন্য যা যা সাথে আনতে হবে
★ জাতীয় আইডি কার্ড বা
পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট বা স্কুল/কলেজের সার্টিফিকেট।
১-বর ও কনের উপযুক্ত বয়স (আইন সন্মত ভাবে বরের বয়স ২১ বছর ও কনের বয়স ১৮ বছর)
২-. বর ও কনের স্বাধীন সম্মতি
★রেজিস্ট্রেশনের ফি :- মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে একজন বিয়ে রেজিস্ট্রার দেনমোহরের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে একটি বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের ফি নির্ধারণ করে থাকেন।
ধার্যকৃত দেনমোহরের প্রতি লাখের জন্য ১৪০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি।
★বাংলাদেশের প্রথম আইন ভিত্তিক বিবাহ এবং তালাক রেজিস্ট্রেশন ওয়েবসাইট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।**
#কাজী
08/06/2024
#কাজী_অফিস
★প্রশ্ন : খরচের কারণে হজে যাওয়ার স্বপ্ন এখন আর দেখিনা, কিছু টাকা জোগাড় করেছি হয়তো ওমরা করা যাবে। এতে কি হজের শর্ত পূরণ হবে?
★উত্তর : হজ ফরজ হলেই হজ করতে হয়। যদি হজ ফরজ না হয়, তাহলে হজ না করতে পারার জন্য কষ্ট পাওয়া ঠিক নয়। স্বপ্ন লালন করা বা চেষ্টা করা যায়। তবে, সামর্থ থাকলে যখন ইচ্ছা ওমরা করা যায়। ওমরা করলে হজের ফরজ আদায় হয়ে যায় না। ভবিষ্যতে কোনো সময় হজ ফরজ হলে তা আদায় করতে হবে। ওমরা কখনোই ফরজ হজের স্থলাভিষিক্ত নয়। ওমরা করার পর কখনোও হজ ফরজ না হলে এই ওমরাকারীর জন্য ওমরাই যথেষ্ট।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
17/05/2024
#কাজী_অফিস #বিবাহ
সুসন্তানের জন্য ৩টি দোয়া
১★আরবি :
❤️ رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
★উচ্চারণ : ‘রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন’
★অনুবাদ : হে আমার রব! আমাকে সৎ, কর্মপরায়ণ সন্তান দান করুন (সূরা : আস-সাফফাত, আয়াত : ১০০)।
২★আরবি :
❤️رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاء
★উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা যুরিরয়্যাতান ত্বাইয়্যিবাহ, ইন্নাকা সামিউদ দুআ।
★অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার পক্ষ থেকে আমাকে পূতপবিত্র সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা কবুলকারী।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৩৮)।
৩★আরবি :
❤️رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
★উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।
★অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরা : ফুরকান, আয়াত : ৭৪)।
03/05/2024
#কাজী_অফিস
হাদিসে রাসুল [সা.] চারটি গুণ দেখে নারীকে বিবাহ করা
আরবি হাদিস وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبيِّ ﷺ، قَالَ: «تُنْكَحُ المَرْأَةُ لأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا، وَلِحَسَبِهَا، وَلِجَمَالِهَا، وَلِدِينِهَا، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاك». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
বাংলা অনুবাদঃ
আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,চারটি গুণ দেখে নারীকে বিবাহ করা হয়;
★তার ধন-সম্পদ,
★ তার বংশ মর্যাদা,
★তার রূপ-সৌন্দর্য এবং
★তার দ্বীন-ধর্ম দেখে।
তুমি দ্বীনদার পাত্রী লাভ করে সফলকাম হও। (অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।)’’
★নোট : লোকেরা সাধারণতঃ মহিলার এই চার গুণ দেখে বিবাহ করে থাকে। তুমি দ্বীনদার পেতে আগ্রহী হও, তাকে বিবাহ কর এবং তার সঙ্গ ও সাহচর্য পেয়ে ধন্য হও। [বুখারি ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, নাসায়ি ৩২৩০, আবু দাউদ ২০৪৭, ইবন মাজাহ ১৮৫৮, আহমদ ৯২৩৭, দারেমি ২১৭০]
20/04/2024
#কাজী_অফিস
ডিভোর্স সংক্রান্ত বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন।
১/★ ডিভোর্স স্বামী/স্ত্রী যে কেউ দিতে পারে, তবে স্বামীর কোন কারণ লাগেনা, কিন্তু স্ত্রীকে কাবিননামার ১৮ নাম্বার ঘরে অনুমতি দেয়া থাকলে অথবা আদালতে ডিক্রি পেলে অথবা খুলা তালাকের মাধ্যমে ডিভোর্স দিতে পারে।
২/★ ডিভোর্স যে ই দিক, দেনমোহর স্ত্রীকে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার। সে দাবী ত্যাগ না করলে দেনমোহর না দেয়ার সুযোগ নেই।
৩/★ ডিভোর্স দেয়ার ক্ষেত্রে নোটিশ দেয়া বাধ্যতামূলক, তবে ডিভোর্স নোটিশ না দিলে তালাক কার্যকর হবেনা এই বিষয় টা ভুল ধারণা(উচ্চ আদালতের রায়), তবে সেক্ষেত্রে নোটিশ না দেয়ার জন্য শাস্তি পেতে হবে।
৪/★ ডিভোর্স নোটিশ গ্রহণ করা বা না করার উপর ডিভোর্স কার্যকর হওয়া নির্ভরশীল নয়। নোটিশ গ্রহণ করুক বা না করুক, ডিভোর্স নোটিশ চেয়ারম্যান এর কাছে পৌছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন পরে অথবা স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান জন্মদানের পরে(যে সময় টা বেশি), ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যায়।
৫/★ ডিভোর্স নোটিশ চেয়ারম্যান এর কাছে পৌছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন পরে অথবা স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান জন্মদানের পরে(যে সময় টা বেশি), এই সময়ের মাঝে চাইলে স্বামী/স্ত্রী তালাক প্রত্যাহার করতে পারে। উক্ত সময় পরে ডিভোর্স প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই।
৬/★ ডিভোর্স দেয়ার কোন নির্দিষ্ট ফর্ম নেই বা এর জন্য কাজীর কাছে যাওয়া লাগেনা। ডিভোর্স কার্যকর হওয়ার পরে কাজীর কাছে গিয়ে নিবন্ধন করা যায়।