Aawam Bin Miraj Al Aziz

Aawam Bin Miraj Al Aziz

Share

Be strong inside enough to think positive. Be content, be honest truly.

27/05/2026

ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদ মুবারক!

26/05/2026

বিখ্যাত বুযুর্গ আবু উবাইদাহ আল-খাওয়াস (রহ.) যখন আরাফাতের ময়দানে পৌঁছালেন এবং মানুষের সেই বিশাল সমাবেশ দেখলেন, যেখানে সবাই কান্নাভেজা চোখে নিজেদের রবকে ডাকছে, তখন সেই দৃশ্য দেখে তিনিও অঝোরে কেঁদে ফেললেন।

তিনি এতটাই কাঁদলেন যে, তাঁর হেঁচকি উঠে গেল। কান্নারত অবস্থায় আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন,

“হে আমার প্রতিপালক! আপনি তো জানেন, এরা সবাই আপনারই মুখাপেক্ষী, আর আপনি সবার থেকে অমুখাপেক্ষী। হে আল্লাহ! আজ তাদের আশাগুলো ভেঙে দেবেন না।”

আরাফার দিন শুধু নিজের জন্য দোয়া করার দিন নয়, বরং সমগ্র উম্মাহর জন্য কান্নাভেজা হৃদয়ে দোয়া করারও দিন। আল্লাহর নেক বান্দারা নিজেদের প্রয়োজনের চেয়েও মানুষের মুক্তি, ক্ষমা ও কল্যাণ বেশি কামনা করতেন।

© Salman Farsi

25/05/2026

আজকের মতো বিমান, দ্রুতগামী যানবাহন কিংবা সহজ যোগাযোগব্যবস্থা তখন ছিল না। তবু শত শত বছর আগে আফ্রিকার নানা অঞ্চল থেকে অসংখ্য মুসলমান রওনা হতেন হজের উদ্দেশ্যে- এক এমন যাত্রায়, যা শুধু দূরত্ব নয়, ধৈর্য, ত্যাগ আর ঈমানেরও পরীক্ষা ছিল।

তাদের অনেককে পাড়ি দিতে হতো প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার পথ।

এই সফর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের ছিল না, অনেকের ক্ষেত্রে এই হজযাত্রা বহু বছরের দীর্ঘ অভিযাত্রা হয়ে উঠত।

তারা মরুভূমি পেরিয়ে এগিয়ে যেতেন। সঙ্গে থাকত গবাদিপশু, যা পথের খাবার ও বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কেউ কেউ পুরো জীবনজুড়ে অর্থ সঞ্চয় করতেন শুধু একবার মক্কায় পৌঁছানোর স্বপ্নে।

পথের বিভিন্ন স্থানে মুসলিম শাসক ও দানশীল মানুষদের তৈরি কূপ, সরাইখানা ও আশ্রয়কেন্দ্র ছিল হজযাত্রীদের বড় ভরসা। আল্লাহর মেহমানদের সেবা করাকে তারা ইবাদতের অংশ হিসেবেই দেখতেন।

অনেক হজযাত্রী দুই বছর পর নিজ দেশে ফিরতেন। আবার কেউ কেউ কায়রো, দামেস্কের মতো শহরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন জ্ঞান অর্জনের জন্য। এরপর দেশে ফিরে তারা 'হাজি' উপাধিতে সম্মানিত হতেন।


17/05/2026


Photos from Aawam Bin Miraj Al Aziz's post 17/05/2026

হালকা ফটোসেশন!

10/05/2026

Love You Maa!

❤️🧡💛💚💙💜🤎🖤❤️

06/05/2026

আপনি কি জানেন, কিছু হাঙরের বাচ্চারা জন্মের আগেই লড়াই শুরু করে? স্যান্ড টাইগার হাঙরের ক্ষেত্রে জরায়ুর ভেতরেই বড় ভ্রূণ ছোটদের শিকার করে ফেলে। ফলে শেষ পর্যন্ত কয়েকটি শক্তিশালী বাচ্চাই জন্ম নেয়। গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, এই প্রক্রিয়াকে intrauterine cannibalism বলা হয়, যা তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়ায়। প্রকৃতি কখনো কখনো এতটাই নির্মম, কিন্তু একই সাথে অবিশ্বাস্যভাবে কার্যকর।
©

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka