08/04/2026
অদ্য ০৮/০৪/২০২৬ তারিখ সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান বালু মিশ্রিত পাথর কোয়ারী ডলুরা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন (১২১২/২S)-তে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈকত রায়হান। এ সময় বিএমডি'র প্রসিকিউশন টিম, উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা, বিজিবি এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে ৯৬,৫৬৭ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য এর জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
05/02/2026
কুড়িগ্রাম জেলার সদর ও উলিপুর উপজেলার ৪০০০ হেক্টর এলাকায় খনিজ বালু অনুসন্ধানের লক্ষ্যে গত ০৩-০২-২০২৬ তারিখে অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড এবং খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)-এর মধ্যে অনুসন্ধান লাইসেন্স চুক্তি সম্পাদিত হয়। বিএমডি'র পক্ষে মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) জনাব মোঃ আনোয়ারুল হাবীব এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব দেলোয়ার হোসেন টিটু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বিএমডি এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড এর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
28/01/2026
অদ্য ২৮/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখে মৌলভীবাজার জেলাধীন শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিলাশ ছড়া, আলিয়া ছড়া, মাকরী ছড়া, শুয়ারী ছড়া, পাত্রিয়া ছড়া, জৈতা ছড়া, ইছামতি ছড়া ও বড় ছড়া সিলিকা বালু কোয়ারির বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)-এর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈকত রায়হান, সিনিয়র সহকারী সচিব। এ অভিযানে বিএমডি'র প্রসিকিউশন টিম এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ সার্বিক সহযোগিতা করেন। অভিযানকালে কোনো প্রকার অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়নি। তবে কয়েকটি স্থানে পূর্বে অল্প পরিমাণ সিলিকা বালু উত্তোলনের চিহ্ন/প্রমাণ লক্ষ্য করা যায়। সিলিকা বালুর অবৈধ উত্তোলন বন্ধে ভবিষ্যতেও মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।
27/01/2026
অদ্য ২৭/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখে মৌলভীবাজার জেলাধীন শ্রীমঙ্গল উপজেলার লাংলিয়া ছড়া ও উদনা ছড়ার বিভিন্ন স্থানে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈকত রায়হান কর্তৃক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে বিএমডি'র প্রসিকিউশন টিম এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ সার্বিক সহযোগিতা করেন। অভিযানে মোট ৩,৪২০ (তিন হাজার চারশত বিশ) ঘনফুট সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত সিলিকা বালু সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। জব্দকৃত সিলিকা বালু বিধি মোতাবেক উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে। সিলিকা বালুর অবৈধ উত্তোলন বন্ধে ভবিষ্যতেও মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।
18/12/2025
অদ্য ১৮/১২/২০২৫ তারিখ নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও ডিমলা থানার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে, ১১৭৬ ঘনফুট বালু মিশ্রিত কুচি নুড়ি পাথর জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য এর জিম্মায় প্রদান রাখা হয়। খনিজ সম্পদের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
02/12/2025
অদ্য ০২/১২/২০২৫ খ্রি. তারিখে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলাধীন ধোপাজান নদীর ডলুরা এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব জনাব সৈকত রায়হান। অভিযানে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর প্রসিকিউশন টিম, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যগণ সহযোগিতা করেন। অভিযানে, কুচি মিশ্রিত নুড়ি পাথর ৩৫,০৩৯ ঘনফুট, মিডিয়াম বোল্ডার ২১,২০৩ ঘনফুট সর্বমোট ৫৬,২৪২ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য এর জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।অভিযান পরিচালনার সময় কোনো অপরাধীকে পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ রক্ষার্থে এ মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।
27/11/2025
অদ্য ২৭/১১/২০২৫ খ্রি. তারিখে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব জনাব সৈকত রায়হান। অভিযানে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর প্রসিকিউশন টিম, স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যগণ সহযোগিতা করেন। অভিযানকালে তামাবিল এলাকার নলজুরীতে অবৈধভাবে উত্তোলিত নুড়ি মিশ্রিত মোটা বালু ১৪৪৭ ঘনফুট, বোল্ডার পাথর ২৫৫০ ঘনফুট, কাদা মিশ্রিত পাথর ৪৭৬৮ ঘনফুট, নুড়ি মাঝারি পাথর ৪১২৯ ঘনফুট এবং মাটি মিশ্রিত হালকা পাথর ৩৭০০ ঘনফুট সহ মোট ১৬৫৯৪ ঘনফুট পাথর/বালু মিশ্রিত/পাথর জন্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত পাথর স্থানীয় ইউপি সদস্যের জীম্মায় রাখা হয়। জব্দকৃত স্থানে মালিক পক্ষের কাউকে না পাওয়া যাওয়ায় বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা রুজু করেন। বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ রক্ষার্থে এ মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।
26/11/2025
অদ্য ২৬-১১-২০২৫ খ্রি. তারিখে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাধীন শাহ আরেফিন টিলা পাথর কোয়ারিতে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব, জনাব সৈকত রায়হান। অভিযানের খবর টের পেয়ে অসংখ্য অবৈধ পাথর উত্তোলনকারী পালিয়ে যায়। অভিযানকালে ২টি ড্রেজিং মেশিন বালুভরাট করে ফেলে দেয়া হয় এবং উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত কিছু পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরবর্তীতে অবৈধভাবে উত্তোলিত স্তুপ করে রাখা ৫৭৬০ ঘনফুট পাথর জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্যের জীম্মায় রাখা হয়। দেশের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ রক্ষার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
29/10/2025
খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর রাজস্ব খাতভুক্ত উচ্চমান সহকারী, ড্রাফটসম্যান এবং কম্পিউটার অপারেটর/পি.এ পদে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.bomd.gov.bd
26/10/2025
খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর উচ্চমান সহকারী ১ টি এবং কম্পিউটার অপারেটর/পি.এ ২ টি পদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ২৮-১০-২০২৫ খ্রি. তারিখ মঙ্গলবার বিয়াম ফাউন্ডেশন, ৬৩, নিউ ইস্কাটন, ঢাকায় এবং ড্রাফটসম্যান ১ টি পদের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ২৯-১০-২০২৫ খ্রি. তারিখ বুধবার খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোতে অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত বিএমডি'র ওয়েবসাইট www.bomd.gov.bd তে পাওয়া যাবে।
26/10/2025
খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর ৩য় শ্রেণির উচ্চমান সহকারী-১, ড্রাফটসম্যান-১ এবং কম্পিউটার অপারেটর/পি.এ-২ টি পদে ২৫-১০-২০২৫ খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল
17/10/2025
সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলাধীন লাউড়ের গড় বাজার (দক্ষিণ-পশ্চিম) এলাকায় জব্দকৃত ৫,৪৯৩ (পাঁচ হাজার চারশত তিরানব্বই) ঘনফুট এবং (দক্ষিণ-পূর্ব) এলাকায় জব্দকৃত ৫,২৫০ (পাঁচ হাজার দুইশত পঞ্চাশ) ঘনফুটসহ মোট ১০,৭৪৩ (দশ হাজার সাতশত তেতাল্লিশ) ঘনফুট পাথর খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি), স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে নিলামগ্রহীতার নিকট হস্তান্তর।
________________________________________
সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলাধীন লাউড়ের গড় বাজার (দক্ষিণ-পশ্চিম) এলাকায় জব্দকৃত ৫,৪৯৩ (পাঁচ হাজার চারশত তিরানব্বই) ঘনফুট এবং (দক্ষিণ-পূর্ব) এলাকায় জব্দকৃত ৫,২৫০ (পাঁচ হাজার দুইশত পঞ্চাশ) ঘনফুটসহ মোট ১০,৭৪৩ (দশ হাজার সাতশত তেতাল্লিশ) ঘনফুট পাথর (যেখানে যে অবস্থায় আছে) উন্মুক্ত নিলামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ০৯/০৯/২০২৫ খ্রি. তারিখে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
জব্দকৃত উল্লিখিত পরিমাণ পাথরের উন্মুক্ত নিলাম ডাক (সরাসরি ও অনলাইন) বিএমডির সভাকক্ষে ১৬/০৯/২০২৫ খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নিলামে জনাব মোঃ শাহান শাহ কামাল, পিতা–মোঃ সায়েদ মিয়া, ঠিকানা- লাউড়ের গড়, বাদাঘাট, তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ, মোবাইল- ০১৭১১-৯১২৭২৬ সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি প্রতি ঘনফুট পাথর ৮০.১০ (আশি টাকা দশ পয়সা) দরে মোট নিলাম মূল্য বাবদ টাকা ৮,৬০,৫১৪.৩০ (আট লক্ষ ষাট হাজার পাঁচশত চৌদ্দ টাকা ত্রিশ পয়সা), নিলাম মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট বাবদ টাকা ১,২৯,০৭৭.১৫ (এক লক্ষ উনত্রিশ হাজার সাতাত্তর টাকা পনেরো পয়সা) এবং ১০% আয়কর বাবদ টাকা ৮৬,০৫১.৪৩ (ছিয়াশি হাজার একান্ন টাকা তেতাল্লিশ পয়সা) সরকারি কোষাগারে এ-চালানের মাধ্যমে জমা প্রদান করেন।
পূর্বে পাথর নিলাম কার্যক্রমে কিছু প্রক্রিয়াগত ঘাটতির কারণে পাথর নিলামে বিক্রির পর সর্বোচ্চ দরদাতা (নিলামগ্রহীতা)-কে পাথর অপসারণের জন্য কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ হতে নিলামকৃত পাথরের পরিমান অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে সময় প্রদান করা হতো। পাথর অপসারণকালীন সময়ে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি), স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতেন না। এই সুযোগে নিলামগ্রহীতা জব্দকৃত পাথরের পাশাপাশি আশেপাশের স্থান থেকেও অতিরিক্ত পাথর অপসারণ করতেন। এতে প্রকৃত জব্দকৃত পাথর অনেক সময় অবশিষ্ট থেকে যেত এবং পরবর্তীতে তারা অবশিষ্ট পাথর দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করতেন। বাস্তবে এই সময়ে তারা অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পাথর অপসারন করতেন, যা সরকারের রাজস্ব ও খনিজ সম্পদের ক্ষতি করত।
এই অনিয়ম দূর করতে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) পাথর নিলাম ব্যবস্থায় একটি নতুন ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া প্রবর্তন করেছে। নিলামকৃত পাথরের সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকূলে কার্যাদেশ প্রদানের পর প্রথমবারের মতো বিএমডি’র পরিচালক (খনি ও খনিজ), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, একজন সহকারী পরিচালক ও একজন অফিস সহকারী, স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশের উপস্থিতিতে পাথর বুঝিয়ে দেওয়ার তারিখ হতে ০৪ (চার) দিনের মধ্যে নিলামগ্রহীতার নিজ খরচ ও উদ্যোগে নিলামে ক্রয়কৃত পাথর (যেখানে যে অবস্থায় রয়েছে) অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে পাথর বুঝিয়ে দেওয়ার ফলে নিলামগ্রহীতা অতিরিক্ত পাথর অপসারণের সুযোগ পাননি। এই প্রক্রিয়ায় সরকারি সম্পদ সুরক্ষিত হয়েছে এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত হয়েছে। পাশাপাশি নিলামগ্রহীতা যাতে নিলামকৃত ১০,৭৪৩ ঘনফুট পাথর সঠিকভাবে বুঝে পান, তা সরেজমিন উপস্থিত থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএমডি ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতি বজায় রাখার মাধ্যমে খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ও জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।