*_জান্নাতের জামানতদানকারী ছয়টি আমল..._*
একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন ছয়টি আমলের কথা বলেছেন, পাবন্দির সাথে যে ব্যক্তি সেই ছয়টি বিষয় পালন করবে, তিনি তার জন্য জান্নাতের জামানত নিয়েছেন। উবাদা বিন সামেত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
اصْمَنُوا لِي مِنَّا مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَصْمَنْ لَكُمُ الْجَنَّةَ : اصْدُقُوا إِذَا حَدَّثْتُمْ، وَأَوْفُوا إِذَا وَعَدْتُمْ، وَأَدُّوا إِذَا اؤْتُمِتُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ
তোমরা আমাকে ছয়টি বিষয়ের নিশ্চয়তা দাও আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জামানত নিব-
-যখন কথা বলবে সত্য বলবে,
-ওয়াদা করলে তা পূর্ণ করবে,
-তোমাদের কাছে আমানত রাখা হলে আমানত আদায় করবে,
-লজ্জাস্থান হেফাযত করবে,
-দৃষ্টি অবনমিত রাখবে (ও দৃষ্টির হিফাজত করবে),
-এবং হাত গুটিয়ে রাখবে। (অর্থাৎ কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দিবে না)
[ মুসনাদে আহমদ, হাদীস ২২৭৫৭: সহীহ ইবনে হিব্বান ২৭১। ]
EMC Islamic Library
শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক অনলাইন ইসলামিক লাইব্রেরী।
14/10/2025
ওহে লোক-দেখানো আমল'কারী। তুমি যাকে দেখিয়ে আমল করছো, তার অন্তরও ঐ সত্তার হাতেই যার অ'বাধ্যতা তুমি করছো।।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল-মুদহিশ, ২/৫৮৪]
#সীরাহ'
07/10/2025
আজ ৭ই অক্টোবর।
আমার সন্তানকে তু'ফানুল আ'কসার গল্প শুনাবো।
তার হৃদয়ে গেঁথে দেবো সি'ন'ওয়া'রের সাহস,
তার চোখে এঁকে দেবো আল-আ'কসা মুক্তির স্বপ্ন।
আমার সন্তানকে শুনাবো কষ্টের কান্না আর দ্রোহের বারুদের গল্প,
মস্তকহীন মায়ের পেট চিরে বের করা স্বজনহীন সেই শিশুর গল্প শুনাবো যার জন্ম হয়েছে আ'কসার হা'মাস হবার জন্য।
সেই মায়ের গল্প শুনাবো নয় সন্তান হারানোর পর যার মুখে ধ্বনিত হয়েছিলো 'আলহামদুলিল্লাহ'।
আমার সন্তানকে তু'ফানুল আ'কসার গল্প শুনাবো।
তাকে শুনাবো সন্তানের মুখে এক মুঠো খাবার তুলে দেবার জন্য হাসি মুখে বুলেট বুকে নেবার গল্প,
ছোট্ট শিশুর আটার বস্তা কাঁধে বিজয়ীর বেশে ঘরে ফেরার গল্প শুনাবো তাকে,
তাকে শুনাবো পশ্চিমা সভ্যতার মুখোশের আড়ালে লুকানো ছোট্ট শিশুর র'ক্তখে'কো রা'ক্ষ'সের গল্প।
আমার সন্তানকে তুফানুল আকসার গল্প শুনাবো।
তাকে শুনাবো সপরিবারে জান্নাতের সবুজ পাখি হওয়া ইস'মাইল হা'নিয়া'র গল্প,
তাকে পড়ে শুনাবো অকুতোভয় সাংবাদিক আনাস আল শরিফের শেষ চিঠি।
আমার সন্তানকে তুফানুল আকসার গল্প শুনাবো।
তার হৃদয়ে গেঁথে দেবো আ'বু ও'বা'য়'দার সাহস,
তার চোখে এঁকে দেবো আল-আ'কসা মুক্তির স্বপ্ন - যে স্বপ্ন তাকে ঘুমাতে দেবে না।
— লেখা : মেহেদী হাসান
— Dawah Min Al-Qalb - دعوة من القلب
06/10/2025
কখনো কি ভেবে দেখেছেন, কান্নার পর নিজের অজান্তেই এত গভীরভাবে ঘুমিয়ে পড়ি কেন?
প্রচণ্ড কষ্টের মুহূর্তে যখন কাঁদতে কাঁদতে বুক ভার হয়ে আসে যেন দম বন্ধ হয়ে যাবে। চারপাশের সবকিছু অসহ্য লাগে। মনে হয়, কেউ বুঝবে না আমার কষ্টটা।
ভাবতে ভাবতে যখন সব শক্তি ফুরিয়ে আসে, নিজেকে খুব অসহায় ও একাকী মনে করি ঠিক তখনই আল্লাহ তার রহমত বর্ষন করেন। দুনিয়ার সবকিছু থেকে আলাদা করে দিয়ে এক গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন করে দেন। যেন কিছুক্ষণের জন্য হলেও কষ্ট থেকে মুক্তি পাই। ক্লান্ত মস্তিষ্কটা শান্ত হয়।
আশ্চর্যজনক ভাবে খেয়াল করে দেখবেন, ঘুম থেকে উঠার পর মনটা একটু হালকা লাগছে। বুকের ভারটা যেন একটু নেমে গেছে। নতুন করে ভাবার শক্তি পাই। ভেতর থেকে একটা সাহস জাগে, যেন আবার শুরু করতে পারি, নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারি। এভাবেই আমাদের সবচেয়ে কষ্টের মুহূর্তে আল্লাহ জানান দেন যে, তিনি আমাদের সঙ্গেই আছেন।
সুবহানাল্লাহ! কী অপূর্ব মায়া তার।
লেখা : সাদিয়া সামহা
03/10/2025
হযরত আয়েশা (রা:) আনহা একবার রাগ করে রাসূল সাঃ এর সামনে খাবারসহ খাবারের পাত্রই ভেংঙ্গে ফেলেন, এটি দেখে রসূলুল্লাহ একবারে চুপচাপ থাকেন, এরপর কি মনে করে উনার রাগ কমে গেলে তিনি বুঝতে পারেন তিনি ভুল করেছেন,
তখন তিনি নিজে নিজেই আবার বলতে লাগেন ইয়া রসূলাল্লাহ! আমার এই অন্যায়ের কাফফারা কী হবে? সুবহানাল্লাহ! কেমন সহনশীল স্বামী ছিলেন আমাদের রাসূলুল্লাহ, হেঁসে হেঁসেই বলে উঠেন যেই খাবারটি নষ্ট করেছো হুবহু ঐটার মতো একই স্বাদের খাবার রান্না করে নিয়ে আসো, এটাই কাফফারা।
আসলে নারীদের রাগ, অভিমান এটি ফিত্বরী বিষয়। যত বড় মহিয়সী নারীই হোক অভিমান তাঁদের সৌন্দর্য যা আমাদের রাসূলুল্লাহ সাঃও অনুভব করতেন। আর পুরুষ হিসাবে এটিকে ভালোবাসায় নিয়ে সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে এই শিক্ষায় আমাদের রাসূলুল্লাহ সাঃ দিয়েছেন,
অথচ আমরা মনে করি দাম্পত্য জীবনে কোন ঝামেলাই হবে না, একবারে অনেকে যেনো নিস্পাপ এমনভাবে শো করে এগুলো মিথ্যে কথা, রাসূলুল্লাহ এর স্ত্রীদের মধ্যে প্রচুর ঝামেলা হয়েছে কিন্তু তিনি ছিলেন আদর্শ স্বামী এবং তিনি দারুনভাবেই সবাইকে মেনটেইন করেছেন এটাই আদর্শ।
صلى الله على نبينا محمد صلى الله عليه وسلم
সূত্র: সিরাতে আয়েশা (রাঃ) আনহা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন সূরা কাহফ পাঠ করে, সে ব্যক্তির জন্য দুই জুমআর মধ্যবর্তী কাল জ্যোতির্ময় হয়ে যায়।’
(হাকেম, বাইহাক্বী, সহীহুল জামে’৬৪৭০)
সুবহান আল্লাহ ❤️🩹
03/10/2025
জুম্মাবারের গুরুত্বপূর্ণ ৫টি আমলঃ
◆ সূরা আল_কাহা্ফ পাঠ করা
◆ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”]
◆ অধিক পরিমাণে নবী( সা ) এর প্রতি সালাম পেশ করা।
◆ বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া
[“আস্তাগফিরুল্লাহ”]
◆ আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দুআ করা।
আল্লাহ সবাইকে আমল গুলা করার তৌফিক দান করুক, আমিন
02/10/2025
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন–
যখন বৃহস্পতিবার আসে আল্লাহ তাআলা ফিরিশতাদেরকে প্রেরণ করেন। তাদের নিকট রূপার কাগজ ও সোনার কলম থাকে, তারা লিপিবদ্ধ করে-কে বৃহস্পতিবার ও জুমার রাতে আমার উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করে।
আল ফিরদৌস বিমাসুরিল খাত্তাব,
১ম খন্ড, ১৮৪ পৃষ্ঠা, হাদীস-৬৮৮
01/10/2025
বাচ্চারা মসজিদে আসুক!
দুষ্টামি করুক তারপরও মন্দির নয় মসজিদ চিনুক।
-আদিব সালেহ
29/09/2025
তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন, আর আমার জন্য আমার দীন।
সূরাঃ কাফিরুন, আয়াত - ৬
অতএব, ধর্ম যার উৎসবও তার।
রসূল (সাঃ) বলেন,
"তোমাদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হলো জুম্মার দিন ।এই দিনে তোমরা আমার প্রতি দরুদ পাঠ করো।যেহেতু তোমাদের দরুদ আমার উপর পেশ করা হয়ে থাকে।"
[সুনানে আবু দাউদ , হাদীস নং _১৫৩১]
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ ﷺ
“বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে জুমু'আর দিনের মাগরিবের আগ পর্যন্ত প্রতিটি সেকেন্ড নেকি ও সওয়াবের একেকটি ভান্ডার। অতএব (পুরো সময়টাতে যত বেশি সম্ভব) রসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি দুরুদ পাঠ করুন।”
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
❝যে দুআ'র মধ্যে দুরুদ নেই, সেই দুআ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। তা কবুল হয় না।❞
— [সিলসিলাহ সহিহাহ: ২০৩৫]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Eden Mohila College
Dhaka
