07/08/2025
I Love Mohammad S
Mohammadi islam
07/08/2025
09/10/2023
"আমি আহাদী স্রষ্টা আহাম্মদী রূপ ধারন করে মুহাম্মদ রূপে প্রকাশিলাম।"❤️🙏❤️
----------হাদীসে কুদসী।
(১) যে আমাকে দেখেছে” ”সে তো খোদাকেই দেখেছে" !!!
(২)"সকল ঐশী গ্রন্থ আমার নিমিত্ত" !! "আমি অপেক্ষা খোদার কোনো দলিল নেই" !! "আমি খোদার ভেদ" ! "খোদা আমার ভেদ"!
------মাওলা মুহাম্মদ (সাঃ)❤️🙏🌹
দৃশ্যত মানুষের সূরতে এসেছে কিন্তু হাকিকতের দিক থেকে মাথা থেকে পা পর্যন্ত খোদার রহমতের দেহাকৃতি।
---------(খাজা গারিবে নেওয়াজ. আঃ.)🙏
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!
সুলতান আবদুল হামিদ যখন বেচে ছিলেন।
20/01/2020
মানুষের কপালে রৌদ্র পড়লে বৃক্ষ যেমন ছায়া দেয় আহলে বায়াতের প্রতি প্রেম থাকলে ঠিক প্রভূর দর্শন অব্ধি আহলে বায়াত ছায়া দেয় রাসূলের দর্শনই আহলে বায়াতের প্রেমদৃশ্যপটে প্রভূর উপস্থিতি।
মানুষ ঘুমালে তার আত্মা কি করে?
রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জলিলুল কদর সাহবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ যখন ঘুমায়, তখন তার আত্মা ঊর্ধ্ব আকাশে চলে যায়।
অতঃপর তাকে মাহান আল্লাহর আরশের কাছে সিজদা করার নির্দেশ দেয়া হয়। যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা করে। আর যে ব্যক্তি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমায়, তার আত্মা আরশ থেকে দূরে সিজদা করে।
(বায়হাকী, হাদিস শরীফ খানা ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাই উনার আত- তারীখুল কাবীর’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন)।
মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার মাথার কাছে একজনফেরেশতা রাতযাপন করে এবং ঐ ব্যক্তি জাগ্রত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। ফেরেশতা বলতে থাকে, “হে আল্লাহ! আপনার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। কেননা সে পবিত্র অবস্থায় রাতযাপন করছে। (তাবরানী ও বায়হাকী।)
অতএব, আসুন! আমরা পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় যাতে আমাদের আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা দিতে পারেন এবং ফেরেশতারা যেন আমাদের জন্য মাহন প্রভুর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন
[পোষ্টি সবাই শেয়ার করেবেন]
প্রসঙ্গঃবীর্য (S***m)..
বীর্য (S***m) কোনো নাপাক বা অপবিত্র বস্তু নয়। এটা সম্পূর্নই পবিত্র। শুধু তাই নয়, ইহার গুরুত্বও অপরিসীম। যা সাধনার পথে প্রতিটি মানুষেরই সহায়ক। যদিও না কুরআন এবং হাদিস এর ব্যাখ্যা সঠিক ভাবে না বুঝে অনেক আলেম ওলামাই বীর্যকে নাপাক বলেছেন। কিন্তু কুরআন এবং সহীহ হাদিসে এটাকে নাপাক বলা হয়নি কোথাও।
আধ্যাত্মিকতায় বীর্যকে প্রবল গুরুত্ব দেওয়া হয়। বীর্য সংরক্ষন করাকে অনেকেই সাধনার মূক্ষ বিষয় বলে মনে করে থাকেন। এই জন্য সাধু-যোগীরা বীর্য সংরক্ষন করার জন্য বিভিন্ন সাধনাও করে থাকেন।সাধনার এক পর্যায়ে তারা এমন অবস্থায় চলে যান যে,, সে বীর্যকে তাঁর নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন করে ফেলেন। তখন তাঁর অনিচ্ছায় বীর্যপাত হতে পারে না। তখন সে যেই ক্রমোজম (X বা Y) এর বীর্য নিক্ষেপ করতে চায়, সে সেটাই পারে,(পুরুষের পৃথক ক্রমোজম থাকে, যার একটিকে X এবং অপরটিকে Y ধরা হয়)। নারীর ক্ষেত্রেও তাই। তবে নারীর মধ্যে একই উপদানের (XX) ক্রমোজম।এই জন্য তারা যদি ছেলে সন্তান চায়, তাহলে তাদের ছেলে সন্তান, এবং যদি মেয়ে সন্তান চায়, তাহলে মেয়ে সন্তান লাভ করতে পারে। শুধু তাই ই নয়,, ছেলে মেয়ের আকৃতি, কার মত হবে, কেমন হবে এগুলোও তারা নিজের ইচ্ছাধীন করে নিতে পারে। অর্থাৎ তারা যেরুপ সন্তান কামনা করে, সেইরুপ সন্তানই লাভ করতে সক্ষম হন।
এই ক্ষেত্রে শ্বাস প্রশ্বাসের সাধনাই বেশি উল্লেখ্য যোগ্য। কারন বীর্য নিয়ন্ত্রন হয় শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে। তাই যোগীরা কুম্ভুক, রেচক, ও পেরকের সাধনা করে থাকেন।
DM Rahat
জন্মান্তরবাদ সম্পর্কে কোরান ঘোষণা করছে, "তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বহির্গত করেন, জীবিত থেকে মৃতকে বহির্গত করেন এবং ভূমির মত্যুর পর তাকে পুনর্জীবিত করেন । এভাবে তোমরা উত্থিত হবে"।
আমরা জন্ম-মৃত্যুর শিকলে আবদ্ধ । আসা যাওয়ার এই লীলাকে অন্যান্য ধর্মে বলা হয়েছে পুণর্জন্ম, যাকে কোরানিক ভাষায় বলা হয় জন্মান্তরবাদ । জীবের এ জন্মচক্রের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে যতদিন না সে ঈশ্বরে মিলিত হয় । জগতের কেউই এ নিয়মের বাইরে নয় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Website
Address
Dhaka
Dhaka
1340
