25/05/2026
জাল সনদে চাকরির কারণে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষকের এমপিও বাতিল করে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করেছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। সম্প্রতি এই বিভাগের অধীন ১১৪ জন জাল সনদধারীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে কাপাসিয়া উপজেলারই ৬০ জন।
গত রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এক চিঠিতে জাল সনদধারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনার চিঠি বিশ্লেষণে এমন তথ্য সামনে এসেছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, এনটিআরসিএর যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমপিও-সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে নেওয়া সরকারি অর্থ আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হবে।
এ বিষয়ে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আইউবী গণমাধ্যমকে বলেন, জাল সনদ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি কাপাসিয়ায়। তারা ওলামা লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণেই কাপাসিয়ায় জাল সনদধারী শিক্ষকের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। কাপাসিয়ার আশপাশের অন্য জেলারও বেশ কয়েকজন জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্ত হয়েছেন।
23/05/2026
মহিষের নাম রাখা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প। মজার ব্যাপার হলো, চেহারাতেও নাকি কিছুটা মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি প্রথমে হাস্যরসের জন্ম দিলেও পরে তা রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।
খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চারদিকে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। এমনকি মার্কিন দূতাবাসও মহিষটি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে আলোচনা শুরু হয়। এখন অবস্থা এমন যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নিয়েছে এই মহিষ। রয়টার্স, দ্য সান, দ্য টেলিগ্রাফ, ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
ঈদ এলেই ওমর সানি, মেসি, নেইমার, রোনালদো কিংবা নানা তারকার নামে গরু-মহিষের নাম রাখার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু একটি মহিষকে ঘিরে এত আন্তর্জাতিক আলোচনা আগে খুব একটা দেখা যায়নি।
তবে একটা বিষয় নিয়ে কৌতূহল থেকেই যাচ্ছে, এই মহিষের খবর দেখে আসল ডোনাল্ড ট্রাম্প খুশি হবেন, নাকি বিরক্ত? তার মেজাজ-মর্জি তো এমনিতেই অনুমান করা কঠিন। কে জানে, দেখা যাবে মনমত না হলে বাংলাদেশের ভিসাই বন্ধ করে দিবে।
21/05/2026
Unexpected 🙂
সিনিয়র অফিসারের নতুন সার্কুলার প্রকাশ!
পদঃ ৯০৩ টি!
21/05/2026
রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধর্ষকদম্পতির আবার সন্তানও আছে।
সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন।
সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’
রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দেহ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন।
একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক করা বিষয়।
মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়।
এই ঘটনার নৃশংসতা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল।
পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে ট্রাস্ট করবেন না। রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে ট্রাস্ট করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে।
©
আমরা এমন একটা জাহেলিয়াতের যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন,কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে।😔😔
রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধর্ষকদম্পতির আবার সন্তানও আছে।