22/05/2026
আজ সকাল ১০টায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুষ্ঠান বিভাগের আয়োজনে কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘নজরুল জয়ন্তী’ উপলক্ষ্যে ‘নজরুল ও আজকের বাংলাদেশ' শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট লেখক, পাঠক, শ্রোতা এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসূচির শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট গবেষক ড. কুদরত-ই-হুদা। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন লেখক ও শিক্ষক তানিয়া কামরুন নাহার, লেখক ও গবেষক আসলাম আহসান, এবং প্রাবন্ধিক ও গবেষক রাজীব সরকার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
আলোচনা পর্বের শুরুতে খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান দ্রোহ, প্রেম, এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামের উজ্জ্বল পরিচিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি যেমন বহু জাতির, বহু ভাষার, বহু সংস্কৃতির সংমিশ্রণে গঠিত, ঠিক তেমনই নজরুলের কবিতা, গান, ও লেখায় সেই বহুত্ব ও বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে। বর্তমান বিশ্বে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে মানুষে-মানুষে যে বিদ্বেষ ও বিভেদ বিদ্যমান তার প্রেক্ষিতে নজরুলের প্রাসঙ্গিকতা অনস্বীকার্য।
প্রবন্ধ উপস্থাপন পর্বে ড. কুদরত-ই-হুদা ‘নজরুল ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে তিনি তুলে ধরেছেন নজরুলের জন্ম, তাঁর সাথে বাঙালির সম্পর্ক বুর্জোয়া শ্রেণি বা মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে আবদ্ধ নয়, বরং জলে-জঙ্গলে, দারিদ্র্যে নিষ্পেষিত কৃষক, জেলে, তাঁতি, কুমারসহ নিম্নভূমির নিম্নজাতির মানুষের। নজরুল চেতনায় রয়েছে যেমন দরিদ্র সম্প্রদায়ের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র, ঠিক তেমনই রয়েছে আধিপত্যবাদ-বিরোধিতা, কর্মঠ ও প্রফুল্লচিত্ত মানুষের নিজকে আত্নবিশ্বাসের সাথে গ্রহণের দম্ভ। ড. কুদরত-ই-হুদা আরও বলেন, ৬০-এর দশকে পূর্ববাংলার মানুষের মাঝে যে অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদ জেগে উঠেছে, তা নজরুলের চেতনায় উজ্জীবিত। কিন্তু বর্তমানে নজরুলকে বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত করে ধর্মীয়বাদে উদ্বুদ্ধ মানুষ নিজেদের বিশ্বাসকে চাপিয়ে দিতে ব্যবহার করেন। তিনি তাঁর প্রবন্ধ শেষ করেন এই বলে, নজরুল কোনো বিশেষ জাতি বা গোষ্ঠীর কবি নন।
আলোচক তানিয়া কামরুন নাহার এবং আসলাম আহসানের বক্তৃতায় একইভাবে উঠে আসে নজরুলের বিভাজন বা তাঁকে রবীন্দ্রনাথের বিপরীত ভাবার বর্তমান চেষ্টা অমূলক। নজরুলের কীর্তিগুলো উপভোগ করতে, অনুধাবন করতে, তাঁর চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে নজরুলচর্চাই যথেষ্ট। রাজীব সরকার যোগ করেন, নজরুলের মূল্যায়নে আমাদের মাঝে দীনতা রয়েছে। জাতীয় কবিকে হিন্দুত্ব ধ্বজাধারী, মুসলিম ধ্বজাধারী ও বামপন্থী রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খণ্ডিতভাবে ব্যবহার করে থাকেন। অথচ নজরুন হলেন একজন প্রকৃত রেনেসাঁস পুরুষ, তাঁর চেতনায় যেমন রয়েছে ইহজাগতিকতা ও মনুষ্যত্বের জয়গান, তেমনই রয়েছে বিদ্রোহী চেতনা যার আলোচ্য বিষয় মানবমহিমা। তাঁর লেখায় স্থান পেয়েছে কৃষক-তাঁতি-জেলে-কুলি-মজুরসহ প্রান্তিক শ্রেণির জীবনগাঁথা যা তাঁর সমসাময়িক কবিদের কবিতায় প্রায় অনুপস্থিত। নজরুলের অন্যতম অবদান, রাজীব সরকার বলেন, তিনি বাঙালি মুসলমানকে বাঙালি সাহিত্যের রসে সিক্ত করেছেন। এর ফলস্বরূপ আমরা অবিভক্ত বাংলা সাহিত্য পেয়েছি। বর্তমান বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িকতা, দারিদ্র্য ও নারী নির্যাতন দৃশ্যমান এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক জাগরণ ঘটাতে হলে নজরুলের কাছেই মনুষ্যত্বের পাঠ করতে হবে।
আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় কবিতা আবৃত্তি এবং সঙ্গীত উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফাহমিদা সুলতানা নির্ঝর, ইমরুল হাসান, মিজানুর রহমান সজল, এবং রেজিনা খন্দকার। নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী, ছায়ানটের শিক্ষক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান এবং ছায়ানটের আরও একজন শিক্ষক, শিল্পী মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া। বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল, বরকত নেওয়াজ এবং মোঃ মামুনুর রশিদ। অনুষ্ঠান শেষ হয় কঁচি কাচার মেলা-প্রদর্শিত দুইটি দলীয় নাচের মাধ্যমে।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুষ্ঠান বিভাগের আওতায় আয়োজিত এই নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুলের সাহিত্য ও জীবনদর্শন কেবল উৎসবের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনের আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান বাংলাদেশের তরুনণদের মাঝে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নবজাগরণের জন্য তাঁর অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যবাদী চিন্তাচেতনা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
21/05/2026
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজন।
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
তারিখ: ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার।
সময়: সকাল ১০টা।
স্থান: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ২য় তলার মিলনায়তন।
সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ।
20/05/2026
গত ১৯ মে ২০২৬ তারিখে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের পাবনা ইউনিটের লাইব্রেরি-গাড়ি পরিদর্শন করেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক উজ্জ্বল হোসেন এবং জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, পাবনা-এর সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান সাজ্জাদুল করিমসহ অনেকে।
18/05/2026
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার ইউনিট ড্রাইভার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
পূর্ণ বিজ্ঞপ্তিঃ https://bskbd.org/notice/index/
আগ্রহীরা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নিয়মাবলি অনুসারে আবেদন করবেন। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২২ মে, ২০২৬।
17/05/2026
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজন।
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
তারিখ: ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার।
সময়: সকাল ১০টা।
স্থান: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ২য় তলার মিলনায়তন।
আপনাদের সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
14/05/2026
দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প
৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ইউনিটের আওতায় রবীন্দ্রচেতনার আলোয় উদযাপিত বিশ্বকবির জন্মজয়ন্তী
গত ২৫শে বৈশাখ (৮ মে ২০২৬) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে “দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত)” প্রকল্পের আওতাধীন ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাড়ি ইউনিটের মাধ্যমে সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।
বিশ্বকবির জীবনদর্শন, সাহিত্যকীর্তি ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রকল্পের সদস্য, পাঠক-পাঠিকা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গান, নাটক, উপন্যাস, ছোটগল্প, কবিতা, শিক্ষা ও সমাজভাবনা এবং জীবনীভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
সমগ্র আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে।
13/05/2026
বৈশাখের বিশেষ মূল্যছাড়!
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র-এর সকল বইয়ে বৈশাখের বিশেষ মূল্যছাড় চলবে আর মাত্র ১দিন!
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রকাশিত সকল বইয়ে পাচ্ছেন ৪০% মূল্যছাড়! বইয়ের তালিকাঃ (মুদ্রিত মূল্য দেওয়া)
https://drive.google.com/file/d/1Z2n0Q0weTNE8KroxggFvWbl7vI1UpOWc/view?usp=sharing
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রকাশিত বিশেষ কিছু বইয়ে থাকছে ৫০% মূল্যছাড়! বইয়ের তালিকাঃ (মুদ্রিত মূল্য দেওয়া)
https://drive.google.com/file/d/1lMUyUQZVikMoqJZInVTvWh4xJWQGAGVn/view?usp=sharing
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ-এর বই বিক্রয় কেন্দ্র থেকে কিংবা ঘরে বসেই বই অর্ডার করতে পারবেন।
অনলাইন যোগাযোগঃ ০১৭১২৫৪১২৬৩ (হোয়াটসঅ্যাপ)
অফারটি পেতে আগামীকাল ১৪ মে, রাত ৮টার পূর্বে যোগাযোগ করুন!
11/05/2026
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে চলেছে ৪ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এর পুরস্কার বিতরণ এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ পঞ্চগড় এর বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব এহতেশামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পঞ্চগড় এর আবৃত্তি প্রশিক্ষক জনাব মো: আমিনুর ইসলাম; সংগীত শিক্ষক জনাব সুমন চন্দ্র রায়; পঞ্চগড় জেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা শিক্ষক জনাব আবু ছায়েদ; টুনিরহাট কাজলদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বইবাড়ি লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা জনাব মো: মোক্তারুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তী।
11/05/2026
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতিতে চলেছে ৪ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এর সমাপনী দিনে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাবেক সংগঠক জনাব মনতোষ কুমার দে। আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মুকুট চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতি ও চেয়ারম্যান সালন্দর ইউনিয়ন পরিষদ; জনাব মাহাবুবা আক্তার, সহকারী লাইব্রেরিয়ান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, ঠাকুরগাঁও; রবিউল হক, লাইব্রেরি ইনচার্জ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ জান্নাতুল নাঈম। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগী ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল।