Journalism For Children's Team - J F C T

Journalism For Children's Team - J F C T

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Journalism For Children's Team - J F C T, Dhaka.

15/10/2025

তিন গোয়েন্দার স্রষ্ঠা এবং নন্দিত লেখক
রকিব হাসান আর নেই।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।

এক নজরে রকিব হাসান
জন্মঃ ১২ ডিসেম্বর ১৯৫০ খ্রি.
মৃত্যুঃ ১৫ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি.

রকিব হাসান ছিলেন একজন বাংলাদেশী গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা, তবে তিনগোয়েন্দা সিরিজটি লেখক রবার্ট আর্থার এর থ্রি ইনভেস্টিগেটরস থেকে অনুপ্রাণিত। তার লেখা এই কিশোর সিরিজটি প্রথম আলো পত্রিকার জরিপে বাংলাদেশের কিশোরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঠযোগ্য সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামে সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখেছিলেন। এছাড়াও আবু সাঈদ ছদ্মনামটিও ব্যবহার করেছেন গোয়েন্দা রাজু সিরিজটি লেখার সময়।[৩] এছাড়া জুল ভার্নের বইগুলো অনুবাদ করেন শামসুদ্দীন নওয়াব ছদ্মনামে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন:
রকিব হাসানের জন্ম কুমিল্লায়, ১৯৫০ সালে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ফেনী থেকে, এবং বিএসসি পাস করেন আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে।

কর্মজীবন:
থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।

লেখালেখি:
রকিব হাসান-এর লেখা প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৭৭ সালে, ছদ্মনামে। স্বনামে প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল অনুবাদগ্ৰস্থ, “ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলা”। এরপর অনুবাদ করেছেন এরিক ফন দানিকেন, ফার্লে মোয়াট, জেরাল্ড ডুরেল-এর মত বিখ্যাত লেখকদের অনেক ক্লাসিক বই। অনুবাদ করেছেন মহাক্লাসিক অ্যারাবিয়ান নাইটস ও এডগার রাইস বারোজ এর টারজান সিরিজ। বড়দের উপযোগী তার লেখা কিছু রহস্য উপন্যাসও খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছে ছোটদের জন্য লেখা তিন গোয়েন্দা সিরিজটি। এই রবিনকে নিয়ে লিখেছেন আরও দুটাে সিরিজ ‘তিন বন্ধু’ ও ‘গোয়েন্দা কিশোর মুসা রবিন’। লিখেছেন ‘কিশোর গোয়েন্দা’ সিরিজ, ‘খুদে গোয়েন্দা’ সিরিজ, জাফর চৌধুরী ছদ্মনামে ‘রোমহর্ষক’ সিরিজ এবং আবু সাঈদ ছদ্মনামে ‘গোয়েন্দা রাজু’ সিরিজ। রকিব হাসানের রোমহর্ষক সিরিজে রেজা ও সুজা দুই ভাইয়ের এডভেঞ্চার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। এই সিরিজটি থেকে তিন গোয়েন্দায় অনেকগুলো গল্প ভিন্ন নামে প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া কিশোরদের জন্য বেশ কিছু ভূতের বই ও সাইন্স ফিকশনও লিখেছেন তিনি।

রকিব হাসান কেবল তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন।

তথ্যঃ ইন্টারনেট

29/03/2025

ঢাকায় ভূমিকম্প হলে করণীয়: বিস্তারিত গাইডলাইন

ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে, এবং যেকোনো সময় বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। তাই আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়া এবং ভূমিকম্প চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে কী করতে হবে তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



ভূমিকম্পের আগে প্রস্তুতি

ভূমিকম্পের ক্ষতি কমানোর জন্য আগে থেকে কিছু প্রস্তুতি নেওয়া উচিত:

১. বাসা ও অফিস নিরাপদ করা:

✅ ভারী আসবাবপত্র, বুকশেলফ, ফ্রিজ ও অন্যান্য বড় জিনিস ঠিকভাবে স্থির করে বাঁধুন।
✅ ফ্যান, লাইট, শোকেস বা অন্যান্য ঝুলন্ত বস্তু এমনভাবে লাগান যাতে সহজে পড়ে না যায়।
✅ গ্যাস লাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ ও পানির লাইন নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
✅ জরুরি ওষুধ, শুকনো খাবার, পানির বোতল, টর্চলাইট, পাওয়ার ব্যাংক ও জরুরি কাগজপত্র একটি ব্যাগে রেখে দিন।

২. ভূমিকম্প মোকাবিলার প্রশিক্ষণ ও মহড়া:

✅ পরিবারের সবাইকে ভূমিকম্পের সময় করণীয় শেখান।
✅ “Drop, Cover, Hold” কৌশল অভ্যাস করুন:
• Drop: মাটিতে বসুন বা শুয়ে পড়ুন।
• Cover: মাথা ও ঘাড় হাত দিয়ে ঢেকে ফেলুন।
• Hold: শক্ত কিছু ধরে রাখুন যাতে কম্পনের সময় পড়ে না যান।
✅ জরুরি বের হওয়ার পথ ও নিরাপদ স্থান চিহ্নিত করুন।
✅ পরিবারের সবাইকে জরুরি নম্বর মুখস্থ করান এবং যোগাযোগের বিকল্প পদ্ধতি ঠিক করে রাখুন।



ভূমিকম্প চলাকালীন করণীয়

১. যদি ঘরের ভেতরে থাকেন:

✅ আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যান।
✅ টেবিল, শক্ত খাট বা মজবুত ফ্রেমের নিচে আশ্রয় নিন।
✅ জানালা, আয়না, আলমারি, ফ্রিজ ও ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকুন।
✅ দরজা দিয়ে দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করবেন না, কারণ কম্পনের সময় দরজা আটকে যেতে পারে।
✅ রান্না করছিলেন? সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে যান।

২. যদি খোলা জায়গায় থাকেন:

✅ ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, বিলবোর্ড, গ্লাস বা গাছের নিচে যাবেন না।
✅ মাঠ, পার্ক বা খোলা স্থানে চলে যান এবং বসে পড়ুন।
✅ গাড়িতে থাকলে, দ্রুত খোলা জায়গায় গাড়ি থামান এবং ভিতরে থাকুন।

৩. যদি উঁচু ভবনে থাকেন:

✅ লিফট ব্যবহার করবেন না।
✅ সিঁড়ির কাছে দাঁড়াবেন না, কারণ এটি ভেঙে পড়তে পারে।
✅ বিল্ডিংয়ের ভেতরেই শক্ত আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিন।



ভূমিকম্পের পর করণীয়

১. নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন:

✅ ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়েছে কিনা দেখুন ও প্রয়োজনে উদ্ধারকর্মীদের ডাকুন।
✅ অল্প আঘাত পেলে প্রাথমিক চিকিৎসা করুন এবং গুরুতর আঘাত পেলে হাসপাতালে যান।
✅ গ্যাস লাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ, পানির লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা পরীক্ষা করুন।

২. ভবন পরিত্যাগ করুন যদি:

✅ ফাটল দেখা যায় বা ভবন হেলে পড়ে।
✅ বড় আকারের ধ্বংসাবশেষ বা ধুলোর আস্তরণ দেখা যায়।
✅ ভবন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

৩. যোগাযোগ ও সাহায্যের জন্য:

✅ পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান এবং মোবাইলের ব্যাটারি সংরক্ষণ করুন।
✅ সরকারি সংস্থা বা উদ্ধারকর্মীদের কাছে খবর দিন।
✅ ভূমিকম্পের পর আফটারশক হতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন।



জরুরি নম্বর ও যোগাযোগ
• দমকল বাহিনী: ৯৯৯
• পুলিশ: ৯৯৯
• হাসপাতাল: স্থানীয় হাসপাতালের নম্বর সংরক্ষণ করুন।
• গ্যাস ও বিদ্যুৎ: গ্রাহক সেবার নম্বর সংরক্ষণ করুন।
• রেড ক্রস / সিভিল ডিফেন্স: তাদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করুন।



শেষ কথা

ভূমিকম্প কখন হবে তা আগে থেকে বোঝা সম্ভব নয়, কিন্তু সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতি থাকলে ক্ষতি কমানো সম্ভব। নিজের পরিবার, সহকর্মী ও প্রতিবেশীদের ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতন করুন এবং প্রস্তুতি নিতে উৎসাহিত করুন।

সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন!

- নাছির উদ্দিন
২৯ মার্চ ২০২৫

17/11/2023

22/09/2022

This smile means hope.

Baby Wina is recovering from severe malnutrition at a UNICEF-supported hospital in Chad. The paste his grandmother is feeding him is packed full of vitamins and nutrition, yet too many children are missing out.

As families struggle to feed their children amidst conflict, climate change and the COVID-19 pandemic, UNICEF needs urgent help.

To save lives, wealthy countries must scale up funding for the prevention, detection and treatment of child hunger now.

22/09/2022

দস্যি শিশুকেও ১৩ মিনিটে ঘুম পাড়াবেন যেভাবে
শিশুদের ঘুম পাড়ানো নিয়ে ঝক্কির শেষ নেই মায়েদের। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে বাবারা কিছুটা সহায়তার হাত বাড়ালেও মূল ধকলটি এখনও মায়েদেরই পোহাতে হয়।
অনেক শিশুই ঘুমের ঠিক আগে প্রতিদিন তারস্বরে চিৎকার করে দুর্বিষহ করে তোলে বাবা-মায়ের জীবন। শিশুদের কোন কৌশলে সহজে ঘুম পাড়ানো যায় তা নিয়ে রয়েছে বিস্তর গবেষণা, তবে এগুলোর কোনোটিই দস্যি শিশুদের চোখ ঢুলু ঢুলু করতে খুব একটা কাজে লাগেনি।
একদল বিজ্ঞানী এবার দাবি করেছেন, কেঁদে গলা ফাটানো শিশুকে মাত্র ১৩ মিনিটে ঘুমের মাঝে তলিয়ে দেয়ার অব্যর্থ কৌশল খুঁজে পাওয়া গেছে।
কৌশলটিও বেশ সহজ। কান্নারত শিশুকে বুকে নিয়ে মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। এ সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে সে শান্ত হয়ে আসবে। এরপরের আট মিনিট ওকে বুকে জড়িয়ে রেখেই একটি চেয়ারে বসে থাকুন। ব্যস আপনার লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। বুকের মাঝে ঘুমিয়ে পড়া শিশুটিকে এবার আলতো করে শুইয়ে দিন বিছানায়।
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট জার্নালে ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাপত্রটি।
গবেষক দলের সদস্য জাপানের আরআইকেইএন সেন্টার ফর ব্রেইন সায়েন্সের ড. কুমি কুরোদা বলেন, ‘শিশুর ঘুমাতে যাওয়ার আগে নানান তালবাহানা ও কান্নাকাটিতে অনেক বাবা-মায়ের জীবন হয়ে পড়ে দুর্বিষহ। সন্তান পালনের ক্ষেত্রে এটা একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে অনভিজ্ঞ বাবা-মাকে আরও বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়। বিরক্ত হয়ে অনেকে শিশুর সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করেন।’
গবেষণায় শূন্য মাস থেকে সাত মাস বয়সী ২১টি শিশু ও তাদের মায়েদের বেছে নেয়া হয়েছিল। এই শিশুদের চোখে ঘুম আনার কয়েকটি কৌশল প্রয়োগ করে ফল পর্যালোচনা করা হয়েছে।
কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিশুকে বুকে নিয়ে মায়েদের হাঁটাহাঁটি করা, শিশুকে শান্ত করতে চেয়ারে বসে থাকা, একটি খাটে শুইয়ে দেয়া অথবা কোনো দোলনা খাটে শুইয়ে রাখা।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের বুকে নিয়ে মা হাঁটাহাঁটি করলে তারা মোটামুটি দ্রুত শান্ত হয়ে যায়। এ সময় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তাদের হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে আসে।
দোলনায় রাখলেও শিশুদের মধ্যে শান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। তবে মা বসে থেকে শিশুকে বুকে আগলে রাখলে বা খাটে শুইয়ে রাখলে এমনটি ঘটে না।
গবেষকরা বলছেন, প্রথাগতভাবে মনে করা হয় মায়ের বুকের মাঝে থাকলেই শিশুর অস্থিরতা কমে আসে। তবে গবেষণায় তার প্রমাণ মেলেনি। কোথাও বসে বা শুয়ে থেকে শিশুকে বুকে ধরে রাখার খুব একটি উপযোগিতা লক্ষ করা যায়নি। তবে হাঁটাহাঁটি করলে এটি বেশ কার্যকর।
গবেষকেরা বলছেন, বাচ্চাকে বুকে নিয়ে পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটির মধ্যেও শিশু ঘুমিয়ে যেতে পারে, তবে এরপর তাকে সরাসরি বিছানায় শুইয়ে দেয়া ঠিক নয়। কারণ দেখা গেছে, সরাসরি খাটে শুইয়ে দেয়ার ২০ সেকেন্ডের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ শিশু আবার চোখ মেলে তাকিয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো শিশু চোখ বন্ধ করার পর অন্তত আট মিনিট বা তার কিছু বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকলে খাটে শোয়ানোর পরেও তার জেগে ওঠার সম্ভাবনা কম। এ জন্য শিশুকে নিয়ে পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটির পর আরও আট মিনিট বুকে রেখেই মায়েদের কোনো চেয়ারে বসে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এই কৌশল মোটামুটি অব্যর্থ বলে দাবি করছেন গবেষকেরা। ড. কুরোদা বলেন, ‘আমি নিজে চার সন্তানের মা। এরপরেও আমি গবেষণার ফল দেখে চমকে গেছি। এতদিন ভাবতাম বিছানায় শুইয়ে দেয়ার পরপরই সন্তানের চোখ মেলে তাকানোর কারণ হয়ত শোয়ানোর সময় আমি কোনো কিছু ভুল করেছি। তবে এখন দেখছি, এর কারণ একদম অন্য।’
Source: কারেন্ট জার্নালে

18/02/2022

বাচ্চার রেজাল্টের চেয়ে সামাজিক দক্ষতা বেশি জরুরি

"ভাবী, আমার বাচ্চাটা তো ফার্স্ট হয়েছে, আপনারটা?"
"বাবু, ১০০ পর্যন্ত গুণে দেখাও তো!"
"আমার বাচ্চাটা একদম অংক পারে না!"
"তুই তো পড়া কিছুই পারিস না, বাকিদের দ্যাখ!"

আপনার ঘরে ছোট শিশু থেকে থাকলে আপনি নিশ্চিত এই কথাগুলো বলেছেন বা শুনেছেন। শুধু আমাদের দেশেই না, বিশ্বে অনেক দেশেই অভিভাবকেরা পড়াশোনাকে এত গুরুত্ব দেন যে, সামাজিক যোগাযোগ ও সম্পর্কের দক্ষতা চাপা পড়ে যায়। কিন্তু, দেখা যায় দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নির্ধারনে সামাজিক দক্ষতার পরিমাপ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৫ সালের এক গবেষনায় দেখা যায়, সকল পরিস্থিতি একই রাখা সত্ত্বেও, কিন্ডারগার্ডেন শিশুদের সামাজিক দক্ষতা তাদের ২৫ বছর বয়সের সার্বিকভাবে ভাল থাকার সাথে সরাসরিভাবে জড়িত। অর্থাৎ, যারা কিন্ডারগার্ডেনে যত ভালভাবে মানুষের সাথে মিশতে পারে, তাদের স্কুল পেরিয়ে ভাল কলেজে ভর্তি হওয়া, ভাল চাকরি লাভের হার বেশি, এবং তাদের জেলে না যাওয়ার হারও বাকিদের চেয়ে কম!

এর মানে সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য অধিক মূল্যবান শিক্ষাগুলো আসে শৈশবকালীন খেলাধুলা, বাকিদের সাথে মেশা এবং যোগাযোগের মাধ্যমে; যা অনেকাংশেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চাপের মুখে চাপা পড়ে যায়।

৫টি চমৎকার উপায়ে আপনি আপনার সন্তানের সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারেন ~

১. শিশুকে মুক্তভাবে বাকিদের সাথে খেলতে দেয়াঃ

খেলাধুলা একটি শিশুর সুস্থ শৈশবের জন্য অপরিহার্য। সমবয়সীদের সাথে সময় কাটানোর মাধ্যমে তারা একদিকে যেমন নিজের সমস্যা সমাধান করতে, সমঝোতা করতে শিখে, অপরদিকে ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করে।

বাচ্চাকে নাচ, গান, ছবি আঁকা শেখানো অভিভাবকের ইচ্ছায় চলতে পারে; কিন্তু তাকে অবশ্যই মুক্তভাবে খেলার সুযোগ দেয়া উচিত, যেখানে তার আশেপাশে কেউ দেখাশোনা করার জন্য থাকলেও, সে নিজ ইচ্ছায় খেলবে।

২. সমস্যার সমাধানে সহায়তাঃ

মা- বাবা হিসাবে আমরা কিভাবে বাচ্চার সমস্যায় প্রতিক্রিয়া দেখাই? হয় দৌড়ে যাই সমাধান করতে, না হলে চেষ্টা করি যাতে সে সমস্যাতেই না পড়ে! কিন্তু, তাদের নিজেদেরও কিন্তু এই অভিজ্ঞতাগুলো দরকার। তাই, যেকোন সমস্যা মোকাবেলায় সন্তানকে সাথে নেয়া উচিত। এতে যে আপনার ভূমিকা কমে যাবে তা কিন্তু নয়! যেমন, সন্তানকে পরিকল্পনা করার সময় জিজ্ঞেস করতে পারেন - "এই সমস্যা থেকে আমরা কিভাবে বেরিয়ে আসতে পারি?" তাকে সমাধানের জন্য মাথা খাটাতে দিলে, তার অভিজ্ঞতার সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতাও বাড়বে। শিশুকাল থেকেই এই স্বভাব গড়ে উঠলে, বড় হয়ে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়।

৩. অনুভূতি চিনতে পারা ও পার্থক্য করাঃ

দেখা যায়, যেসব বাচ্চা নিজের অনুভূতি চিনতে পারে, তারা অন্যদের অনুভূতিগুলোও বাকিদের চেয়ে বেশি চিনতে পারে। ছোটবেলা থেকেই আপনি নিজের আচরণের মাধ্যমে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এটি ঘরে (যেমন - তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি খুব বিরক্ত) এবং ঘরের বাইরে (যেমন - ওর চেহারা দ্যাখো, ওর হাসি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেলাটি জিতে ও খুব খুশি) উভয় স্থানেই প্রয়োগ করা যেতে পারে।

বাচ্চাদের অনুভূতি চেনানোর জন্য একটি চমৎকার উপায় হল - গল্পের বই। এসব গল্পের বই গুলোতে ছবির সাহায্যে চেহারার অনেক অনুভূতি সহজেই বোঝা যায়। বাচ্চারা সেদিকে তাকাতে, নিজের অনুভূতির চাইতে অনেক সময় দ্রুত বুঝতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গবেষণায় দেখা গেছে যারা টিভি, ফোন, ট্যাব, যেকোন ইলেক্ট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার করে, সেইসব বাচ্চাদের অনুভূতি চিহ্নিতকরণের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। তাই যাতে আপনার সন্তান এসব থেকে দূরে থেকে, মানুষের সাথে বেশি করে মিশতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা আপনার দায়িত্ব।

৪. অন্যকে সাহায্য করতে শেখানোঃ

নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে অন্যকে সাহায্য করা - সন্তানেরা পরিবার থেকেই শিখে। তাই, যখনই দেখবেন আপনার বাচ্চা অন্য কাউকে সাহায্য করছে, তাকে প্রশংসা করুন, উৎসাহিত করুন। পরিবারের ছোট ছোট কাজে তাকে সাহায্য করার সুযোগ করে দিন, যেমন পানির গ্লাসটি এগিয়ে দেওয়া, ছোট ভাই-বোনকে খাবার খাওয়াতে সাহায্য করা ইত্যাদি। তাদের ছোট কাজের জন্য তাদেরকে বড় প্রশংসা করুন।

আমাদের আশেপাশে যারা আমাদের কাজে সাহায্য করে, বাচ্চাদের সামনে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখান। আপনি বিভিন্ন গল্পের মাধ্যমেও তাকে বলতে পারেন। দেখবেন, হয়তোবা আপনার সন্তান এক সময় মনে করবে সুপারহিরোরা আমাদের আশেপাশেই বসবাস করে এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজে সাহায্য করে!

৫. নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করাঃ

আমাদের মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণের স্থানটি বয়সন্ধিকালের আগ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভাবে গড়ে ওঠে না। কিন্তু যত ছোট বয়স থেকে আবেগ নিয়ন্ত্রণ অভ্যাস করা যায়, সন্তানের জন্য ব্যাপারটা তত সহজ হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যেসব খেলায় বাচ্চারা ধৈর্য ধরে রাখার অভ্যাস করে, (যেমন বরফ পানি, ফুলটোক্কা অথবা নির্দিষ্ট আলো জ্বললে ডানে-বামে যাওয়া) সেসকল খেলার ফলে ছোটবেলা থেকেই তারা ধৈর্যশীল হয়, ভবিষ্যতে তাদের জন্য এটি উপকারী হয়।
আরেকটি জনপ্রিয় এবং মজার খেলার নাম হলো 'প্রিটেন্ড প্লে'। এই খেলাতে একজন অন্যজনের চরিত্রে অভিনয় করে এবং তার দিক থেকে ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এমন খেলার মাধ্যমে বাচ্চারা ছোটবেলা থেকে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে সহমর্মী হয়ে ওঠে।

বাচ্চাদের একাডেমিক ক্যারিয়ার এবং পড়াশোনা অবশ্যই জরুরি, কিন্তু পাশাপাশি তাদের এই অভ্যাসগুলো ছোটবেলা থেকেই গড়ে তোলার প্রতি অভিভাবকদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এই প্রতিটি জিনিসই তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবনের মূল সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে!

------------
◼️ লাইফস্প্রিং এর অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্ট এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে কল করুনঃ

09638 505505 | 01763 438148 | ২৪ ঘন্টা যে কোনো সময়
------------

• WhatsApp: 01763 438148
• Instagram: short.gy/S20l33
• Like | Comment | Share

16/11/2021
অভিযাত্রীর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালন - 71 Bangla.net 03/10/2021

https://71bangla.net/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%b0%e0%a6%a4/

অভিযাত্রীর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালন - 71 Bangla.net জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর ঢাকা মহানগরী অভিযাত্রী শাখার উদ্যোগে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শ...

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka