NN24 এনএন২৪

NN24 এনএন২৪

Share

নিউজ নেটওয়ার্ক ২৪, সত্যের সন্ধানে আপোষহীন যাত্রা।

10/05/2026

সোনাইমুড়িতে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান, ভাঙা হলো দেড় শতাধিক দোকান

এনএন২৪ ডেস্ক:
নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় ১৫০টিরও বেশি দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকাল থেকে সোনাইমুড়ি রেলস্টেশন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রেলওয়ের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী ও আধাপাকা স্থাপনা সরাতে অভিযান চালায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এ সময় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্ছেদ অভিযানে একের পর এক দোকান ভেঙে ফেলা হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ অভিযান চালানো হয়েছে। এতে তাদের ব্যবসা ও মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এক ব্যবসায়ী বলেন, “বহু বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। কোনো সময় না দিয়ে হঠাৎ দোকান ভেঙে দিয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছি।”

তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করতে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

উচ্ছেদের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

#সোনাইমুড়ি #নোয়াখালী #রেলওয়ে #উচ্ছেদ_অভিযান #ব্যবসায়ী #দোকানপাট #সোনাইমুড়ি_রেলস্টেশন #বাংলাদেশ #সংবাদ

10/05/2026

চেক জালিয়াতির মামলায় জামায়াত নেতার গ্রেপ্তার, প্রশ্নের মুখে দলের ‘নৈতিকতার রাজনীতি’

জামালপুর প্রতিনিধি | NN24 এনএন২৪

নৈতিকতা ও ইসলামী আদর্শের কথা বলে রাজনীতি করা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে এবার উঠেছে চেক জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ। আদালতের দণ্ডাদেশের পর অবশেষে জামালপুর জেলা জামায়াতের সাবেক জেনারেল সেক্রেটারি হারুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১০ মে) দুপুরে জামালপুর পৌর শহরের সর্দারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মেলান্দহ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, এরশাদ আলী নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৭৬ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন হারুনুর রশীদ। কিন্তু সময়মতো সেই টাকা পরিশোধ না করে উল্টো প্রতারণার আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় আদালতে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হলে বিচার শেষে আদালত তাকে ৭৬ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন এবং এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, যারা সমাজে ধর্ম ও সততার বুলি আওড়ায়, তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে এমন আর্থিক জালিয়াতির ঘটনা সাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, আদর্শের কথা বললেও বাস্তবে দলটির অনেক নেতার কর্মকাণ্ড বারবার বিতর্ক তৈরি করছে।

মেলান্দহ থানার ওসি ওবায়দুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত হারুনুর রশীদকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

#জামায়াত #জামায়াতে_ইসলামী #হারুনুর_রশীদ #চেক_জালিয়াতি #জামালপুর #বাংলাদেশ_রাজনীতি #দুর্নীতি #প্রতারণা

29/04/2026

বিতর্ক পেরিয়ে চরমোনাইয়ে মুফতি আমির হামজা, স্মৃতিচারণে আবেগঘন মুহূর্ত

NN24 ডেস্ক:
বিভিন্ন সময়ে চরমোনাইকে নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ার পরও অবশেষে সংক্ষিপ্ত সফরে চরমোনাইয়ে গেছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজা। তার এ সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সফরকালে তিনি চরমোনাই জামেয়া পরিদর্শন করেন এবং মরহুম শায়েখদের মাকবারা জিয়ারত করেন। এ সময় শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করে কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

মুফতি আমির হামজা জানান, ছোটবেলায় তিনি চরমোনাই জামেয়ার হিফজ বিভাগে কিছুদিন অধ্যয়ন করেছিলেন। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “চরমোনাই ছেড়ে যাওয়ার পরও বিভিন্ন মাহফিলে অংশ নিতে আমি এখানে আসতাম।”

সংক্ষিপ্ত এ সফরে নিজের অতীত ও বর্তমান অভিজ্ঞতার সমন্বয় তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সফর তার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি চরমোনাইকে “সহি তরিকার একটি দ্বীনি ইলম অর্জনের কেন্দ্র” হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, রাসুল (সা.)-এর চারটি মিশন—দাওয়াত, তালিম, তাজকিয়াহ ও জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ—সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের কাজ চরমোনাইয়ের পীর সাহেবের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে, অতীতের সমালোচনার পর তার এই সফর নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে নিজের শেকড় ও শৈশবের স্মৃতিচারণেই বেশি গুরুত্ব দিতে দেখা গেছে তাকে।

#মুফতি_আমির_হামজা #চরমোনাই #ইসলামি_বক্তা #ধর্মীয়_সংবাদ #বাংলাদেশ #মাদ্রাসা #জামায়াত #শিবির #হাইলাইট #ভাইরাল #পোস্ট

29/04/2026

টুঙ্গিপাড়ায় দুই পক্ষের সং/ঘ/র্ষ, গর্ভবতী নারীসহ আ/হ/ত ১০

28/04/2026

কৃষি প্রতিদিন

#কৃষি

27/04/2026

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শানে সাহাবা খতীব ফাউন্ডেশন থেকে আনাস আমিনীর বহিষ্কার

NN24 ডেস্ক:
শৃঙ্খলা ও সংগঠনের নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের কথিত কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মাওলানা আনাস আমিনীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ দায়িত্বশীলদের সঙ্গে অশালীন আচরণ, ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন এবং সংগঠনের আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি ফয়েজ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা, ঐক্য ও আদর্শ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভবিষ্যতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সংগঠনের নীতিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

#শানে_সাহাবা #খতীব_ফাউন্ডেশন #আনাস_আমিনী #বহিষ্কার #সংগঠন_সংবাদ #বাংলাদেশ_সংবাদ #ধর্মীয়_সংবাদ

19/04/2026

রাজনীতিতে আবেগের জায়গা নেই? নাকি আছে শেষকথা?

ইসলামী রাজনৈতিক বিশ্লেষক: ড. হালিমা সুলতানা

“রাজনীতিতে আবেগের জায়গা নেই”—এটা প্রচলিত রাজনীতির বহুল ব্যবহৃত একটি বাক্য। আরেকটি প্রচলিত ধারণা হলো—“রাজনীতিতে শেষকথা বলে কিছু নেই।” বাস্তব রাজনীতির অভিজ্ঞতা থেকেই এসব কথা এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসলামী রাজনীতিও কি একই বাস্তবতায় পরিচালিত হবে?

উত্তরটা সরল—না। ইসলামী রাজনীতিতে আবেগও আছে, আদর্শও আছে, এবং শেষকথাও আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রচলিত রাজনীতির এই কঠোর বাস্তবতা ধীরে ধীরে ইসলামী রাজনীতির ভেতরেও প্রবেশ করছে। এমনকি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কিছু নেতৃত্ব, কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও এই প্রবণতা দৃশ্যমান। তাদের অনেকেই এখন মনে করছেন—“সংসদে যেতেই হবে”, তা আবার “যেকোনো মূল্যে”, এবং তা হতে হবে “উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন” নিয়ে।

পরিবর্তনের স্লোগান বনাম বাস্তবতা

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে নানা স্লোগান উঠে আসে—
“ইনকিলাব”, “আপোস না সংগ্রাম”, “ক্ষমতা না জনতা”, “ঢাকা ঢাকা”, “নতুন বন্দোবস্ত”।

এই স্লোগানগুলোর মর্মার্থ ছিল স্পষ্ট—জাতি পরিবর্তন চায়। পুরোনো জঞ্জাল সরিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চায়। মানুষ চায়—

আঁতাত ও ষড়যন্ত্রমুক্ত রাজনীতি

পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন

একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা

এই প্রেক্ষাপটে পীর সাহেব চরমোনাই একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন, এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে এপিআরের মতো কাঠামোর কথাও উল্লেখ করেন।

ঐক্যের আড়ালে দরকষাকষি

বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে ঐক্যের কথা বললেও, বাস্তবে চলতে থাকে ভিন্ন খেলা—
দরকষাকষি, আঁতাত, ভাগবাটোয়ারা এবং পেশিশক্তি ও অর্থ সংগ্রহের প্রতিযোগিতা।

যারা জুলাইয়ে পরিবর্তনের জন্য সোচ্চার ছিল, তাদের একটি অংশ দ্রুত আপোসের পথে হাঁটে। ক্ষমতার জন্য তৎপরতা বাড়ে, বিদেশি প্রভাব বাড়তে থাকে, আর শুরু হয় নতুন ধরণের “হালাল চাঁদাবাজি”—
তদবির, ব্যবসায়িক সুবিধা দেওয়া এবং মামলাভীতিকে কাজে লাগিয়ে অর্থ আদায়।

চট্টগ্রামের এক নেতার বিরুদ্ধে দলীয় অফিসের নামে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এই বাস্তবতারই প্রতিফলন। “জুলাই” হয়ে ওঠে তাদের ঢাল, আর “মব” তাদের হাতিয়ার।

নৈতিকতা বনাম ক্ষমতার রাজনীতি

একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায়, যেখানে পরিবর্তনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়, সেখানে সভাপতিত্বকারী দল সভা শেষে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ায়। কারণ হিসেবে বলা হয়—
“রাজনীতিতে আবেগের জায়গা নেই।”

এই ঘটনাই প্রমাণ করে—নীতির চেয়ে ক্ষমতাই এখন মুখ্য হয়ে উঠেছে। এমনকি বড় রাজনৈতিক দলের সামনে অনেকেই আত্মসমর্পণমূলক অবস্থান নেয়। এ প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের আক্ষেপ ছিল যথার্থ—
“এরা কীসের রাজনীতি করবে, যারা শুরুতেই কথার বরখেলাপ করে?”

গুণগত পরিবর্তনের সংকট

পীর সাহেব চরমোনাইয়ের লক্ষ্য ছিল রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন—
একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং টাকামুক্ত নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।

কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অনেক দল এই আন্দোলনকে ব্যবহার করেছে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার জন্য। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল না পরিবর্তন, বরং দরকষাকষির মাধ্যমে সুবিধা নিশ্চিত করা। সুযোগ পেলেই তারা ঐক্য ভেঙে নিজেদের স্বার্থে চলে গেছে।

তাহলে কি পীর সাহেব চরমোনাই রাজনীতি বোঝেন না?

অনেকে বলেন—পীর সাহেব চরমোনাই রাজনীতি বোঝেন না।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—তিনি কি চাইলে অন্যদের মতো আপোস, আঁতাত ও সুবিধাবাদী কৌশল নিতে পারতেন না?

অবশ্যই পারতেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন প্রতিষ্ঠার পরপরই পারতেন।
কিন্তু তিনি তা করেন না—সচেতনভাবেই করেন না।

কারণ, তিনি রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখেন না। তার কাছে রাজনীতি ইবাদত রাজনীতি একটি আদর্শিক দায়িত্ব।

যারা তাকে “অদক্ষ” মনে করেন, তাদের প্রতি প্রশ্ন—
এমন আপোসকামী রাজনীতির কি দেশে অভাব আছে?
আপনারা চাইলে সেখানেই যোগ দিতে পারেন। ইসলামী আন্দোলনকে কেন কলুষিত করতে চান?

✍️ শেষকথা

প্রচলিত রাজনীতিতে হয়তো আবেগের জায়গা নেই, শেষকথাও নেই।
কিন্তু ইসলামী রাজনীতি যদি একই পথে হাঁটে, তাহলে তার স্বকীয়তা কোথায়?

14/04/2026

মে দিবস ঘিরে বায়তুল মোকাররমে শ্রমিক সমাবেশের প্রস্তুতি জোরদার

স্টাফ রিপোর্টার | NN24

আসন্ন মহান মে দিবস উপলক্ষে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করেছে। আগামী ১ মে অনুষ্ঠিতব্য এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম-এর।

সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রধানীয়া-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নগর ও বিভিন্ন থানার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিতে এবারের সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা সর্বস্তরের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে সমাবেশে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

প্রস্তুতি সভা থেকে সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক গণসংযোগ, প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

14/04/2026

ভিন্নমত ও বৈচিত্র্যের মানুষের ওপর সহিংসতার নিন্দা, ছয় দফা দাবি জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের

স্টাফ রিপোর্টার | NN24 এনএন২৪

দেশে ভিন্নমত, ধর্মীয় ও লৈঙ্গিক বৈচিত্র্যের মানুষের ওপর সাম্প্রতিক সহিংস হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাঃ শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে এসব সহিংসতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, একটি স্বাধীন দেশের সভ্য সমাজে প্রকাশ্যে হত্যা, মব–সহিংসতা এবং থানার সামনে নাগরিকদের ওপর হামলার মতো ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের পরিস্থিতি সমাজে ভয় ও অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে।

সংগঠনটি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীরের মাজার ভাঙচুর ও সাধক শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ড এবং রাজধানীর শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ কয়েকজন নাগরিকের ওপর সংঘটিত মব হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে একটি উগ্র গোষ্ঠী বিভিন্ন ইস্যুতে জনতাকে উসকে দিয়ে মব–সহিংসতা তৈরি করছে। এসব ঘটনায় ভিন্নমত, ধর্মীয় ও লৈঙ্গিক পরিচয়ের মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারের নিষ্ক্রিয়তা এসব কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

জামায়াত আমীরের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহবাগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে চাইলেও যথাযথ সহায়তা পাননি। ফলে নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ছয় দফা দাবি
এমন পরিস্থিতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ছয়টি দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো—
১. কুষ্টিয়ার মাজার হামলা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
২. শাহবাগের মব–সহিংসতায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
৩. ভিন্নমত, ধর্মীয় ও লৈঙ্গিক বৈচিত্র্যের মানুষের ওপর সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
৪. ধর্মীয় সংবেদনশীলতার অপব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
৫. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার সাংবিধানিক অধিকার ও জনপরিসরে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা।
৬. হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হলে মব–সহিংসতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka