ধানের শীষ.

ধানের শীষ.

Share

দেশ ও জাতির উন্নয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তা?

27/07/2020

== মৃত্যু ==

প্রিয়জন বা আপন কারও মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হয় বা মেনে নিতে পারি না...

তারপরও -আসুন নির্মম সত্যটা জানি ---

পৃথিবীতে সব চেয়ে জটিল অংক হল জীবন ------
আপনি যে সুত্রই প্রয়োগ করেন না কেন... ফলাফল অবশেষ মৃত্যু আর এটাই নির্মম সত্য।

মৃত্যু! ছোট্ট একটি শব্দ। এই সেই শব্দ, যা আমাদের নিয়ে যায় অজানা কোন রাজ্যে, যার সম্পর্কে আমরা প্রায় কিছুই জানিনা ... এই মুহুর্তে আছে, পর মুহুর্তে নাই!!! কি অবিশ্বাস্য এই না থাকা !!!!!

আসুন দেখি আমাদের ধর্মগ্রন্থ কি বলে ---------

প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করিবে, অতঃপর তোমাদের সকলকেই আমার সমীপে প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে। ---- আল কোরআন। ২১ পারা

" প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়"।

(সূরা আল-ইমরান ১৮৫)

যে জন্মিবে তার মৃত্যু হবেই। আবার যে মরেছে সে পুনঃজন্ম করবেই। এটাকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। সুতরাং এ বিষয়ে তোমাদের দুঃখ করা উচিত নয়। - ----- শ্রীগীতা

কিন্তু ইহা জেনো, শেষ কালে বিষম সময় উপস্থিত হবে। কেননা মানুষেরা আত্মপ্রিয়, অর্থ প্রিয়, অভিমানী, ধর্মনিন্দাকারী, পিতা মাতার অবাধ্য, অকৃতজ্ঞ, অসাধু, স্নেহহীন, ক্ষমাহীন, অপবাদক। ----- বাইবেল

হুমায়ুন আহমেদ তার এক বইতে লিখেছিল্বেন - " মানুষের মৃত্যুতে দুঃখিত হওয়ার কিছু নাই ... মৃত্যুও হয়তো আনন্দময় ... আমরা জানি না বলে ভয় পাই ......!!!"

পরিশেষে--------

'জীবন' একদিন 'মৃত্যু' কে জিজ্ঞেস করল : "সবাই আমাকে এত ভালোবাসে, কিন্তু তোমাকে ঘৃণা করে কেন ?" মৃত্যু উত্তর দিল : "মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কারন তুমি সবচেয়ে সুন্দর মিথ্যা। আর আমাকে ঘৃণা করে কারন আমি হচ্ছি সবচেয়ে বেদনাদায়ক সত্য "

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি Shafiul Bari Babu ভাই ইন্তেকাল করেছেন,ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রাব্বুল আলামিন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন আমিন।

17/07/2020

করোনা কান্ডে সাহেদ-সাবরিনার গ্রেপ্তারে যারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন তাদের জ্ঞ্যাতার্থে বলছি শোনেন, 'ক্যাসিনো কান্ডে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা রাজার হালে হাসপাতালে শুয়ে বসে ভিআইপি কেবিনে দিন কাটাচ্ছেন। সম্রাট নিজ দলীয় কর্মীদের সাথে ভিআইপি কেবিনে প্রতিদিন মিটিং করছেন, পরশকে দল গোছাতে সাহায্য করছেন। জিকে শামীম ভিআইপি কেবিন থেকে নিয়মিত দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তার সকল ব্যবসা বাণিজ্য চালু রেখেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ বলছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন তাদের ফেরত দিতে আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন তাদের নিয়ে যেতে। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে কেউই কিছুই করছেন না। টাকার কুমির এনু ও রুপন জেলে থেকেই তাদের অবৈধ ১২৮ টা বাড়ি থেকে নিয়মিত ভাড়া তুলছেন। জেলখানার একটা কামরাকে ভিআইপি কামরা বানিয়ে দুই ভাই আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছেন। আর কয়েকদিন পরেই বেরিয়ে আসবেন বলে স্থানীয় নেতা কর্মীদের আশ্বস্ত করছেন। এদিকে যে যুগ্মসচিবের গাড়ির অপেক্ষায় কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ফেরি ছাড়তে তিন ঘণ্টা দেরি হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা এক স্কুলছাত্র অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন, সেই যুগ্ম সচিব সম্প্রতি প্রমোশন পেয়েছেন। তিনি নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। ঢাকায় এমপি হোস্টেলে থেকে নরসিংদীতে অন্যকে দিয়ে নিজের বোর্ড পরীক্ষা দেওয়ানো এমপি তামান্না নুসরাত বুবলি ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বাজারমূল্যের শুল্কমুক্ত গাড়ি কিনেছেন। এমপি হওয়ার আগে তিনি রিকশায় চড়েছেন। এখন এমপি’র স্টিকার লাগানো সেই গাড়ির সামনে দাড়িয়ে তিনি ছবি দিয়েছেন। ওদিকে এমপি পাপুল এইচএসসি পাসের আগেই অনার্স পাস করেছেন! সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রীর জন্য তাজমহল বানিয়েছেন, পাপুল তার স্ত্রীকে নিজ ক্ষমতার অংশ করেছেন-বিনা ভোটে এমপি বানিয়েছেন। সাংবাদিক কাজল ক্ষমতাসীনদের ওয়েস্টিন হোটেল কান্ডের নিউজ প্রকাশ করে ভয়ংকর অপরাধীদের মত জেল খাটছেন। বালিশ ছাড়া খালি মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন। করোনা মহামারিতে বিনা চিকিৎসায়, খাদ্যের অভাবে, বাড়ি ভাড়ার অভাবে প্রতিদিন বোবা কান্নায় এক অন্তঃহীন, অনিশ্চিত ভবিষ্যত সামনে নিয়ে মানুষ ঢাকা শহর ছাড়ছেন। অন্যদিকে পাপিয়ার খদ্দের মন্ত্রী এমপিরা নিয়মিত পাপিয়ার খোঁজ খবর রাখছেন। জেলের ভেতর তারা পাপিয়ার জন্য আলাদা কামরা ঠিক করে দিয়েছেন, বিনোদনের জন্য রঙিন টেলিভিশন দিয়েছেন, হোটেল ওয়েস্টিন থেকে নিয়মিত তারা খাবার পাঠাচ্ছেন। এমপি দুর্জয় তাকে আগামী ৬ মাসের ভেতর বের করে আনবেন বলে কথা দিয়েছেন। সাহেদও ৬ মাসের ভেতর বেরিয়ে আসবেন বলে র‌্যাব কার্যালয়ে হুমকি দিয়েছেন! আগামী ৬ মাসের ভেতর পাবলিক ঠান্ডা হয়ে যাবেন কিংবা শেখ হাসিনা সরকার নতুন কোন ইস্যু এনে পাবলিককে চুপ করিয়ে দিবেন বলে দুর্জয়, সাহেদরা আশা করছেন। সাহেদ কেলেঙ্কারী ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর প্রথমে শেখ হাসিনা সরকার তাকে আড়াল করতে 'ডিজিএফআই' এর গাড়িতে করে বর্ডারে পাঠিয়েছেন, পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই সেখান থেকে 'র' গাড়িতে তিনি কলকাতায় শেখ হাসিনার 'সুখরঞ্জন বালি সেইফ হোম' এ গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। 'র' এর অফিসাররা প্রথমে তাকে মুর্শিদাবাদে নিতে চেয়েছেন কিন্তু ওখানে আগে থেকেই ইলিয়াস আলী ও ব্রিগেডিয়ার আমান আযমী থাকায় তারা সিদ্বান্ত পরিবর্তন করে সাহেদকে কলকাতায় এনেছেন। পরবর্তীতে সাহেদকে গ্রেফতারের জন্য চাপ বাড়লে অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে কলকাতা থেকে সাতক্ষীরায় নিয়ে এসে ওখান থেকে র‌্যাবের হেলিকপ্টারে জামাই আদরে ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নাটক সাজিয়েছেন। পাবলিকের চোখে ধুলো দিয়ে আড়ালের কুশিলবরা সব আড়ালেই থেকেছেন। আপনারা সাবরিনার পোশাক, সাহেদের নৌকা-বোরখা-প্যান্ট-পিস্তল-গলায় নতুন গামছা আর হেলিকপ্টার ভাড়া নিয়ে রসিকতা করছেন। আড়ালের কুশিলবদের নাম জানতে চাইছেন। জিকে শামীম, সম্রাট, পাপিয়া, সাবরিনা, সাহেদরা গড মাদারের কথামত যথারীতি তাদের মুখ বন্ধ রেখেছেন।

তবে দেরিতে হলেও ওয়ান ইলেভেনের কুশিলবদের একজন লে: জে হাসান সারওয়ার্দী ফ্রুটিকা খেয়ে গতকাল সাংবাদিক কনক সারোয়ারের সাথে লাইভে মুখ খুলেছেন। তিনি রেশমা উদ্ধার নাটকের সকল দায় দায়িত্ব অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর চাপিয়েছেন। তিনি আকারে ইঙ্গিতে বলেছেন, শেখ হাসিনা তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। রেশমা উদ্ধারের নাটক সরাসরি শেখ হাসিনা মনিটরিং করেছেন এবং আর্মির ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের লোকজন ভেতরে সেটা পরিচালনা করেছেন। তারাই রেশমাকে কাপড় পরিয়েছেন, ঐখানে তার একসেস ছিলো না। পরবর্তীতে নাটক পরিচালনাকরী অফিসারদেরকে প্রমোশন দিয়ে শেখ হাসিনা একজনকে ইন্দোনেশিয়ার রাস্ট্রদূত বানিয়েছেন অন্যদেরকে আরও বড় বড় পদে পদায়ন করেছেন। আশার কথা হলো, দেরিতে হলেও লে: জে: হাসান সারওয়ার্দী ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সব বলে দিয়েছেন। তিনি আকারে ইঙ্গিতে এটাও বলেছেন, শেখ হাসিনা তাকে রেশমা উদ্ধার নাটকের মুখপাত্র বা সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করেছেন। শেখ হাসিনা ঘটনার পর রেশমাকে মেয়ে বানিয়েছেন, রেশমা এখন খুবই কষ্টে আছেন। তিনি লে: জে: হাসান সারওয়ার্দীকে খুঁজে বের করেছেন এবং শেখ হাসিনার সাথে এখন দেখা করতে চাইছেন। শেখ হাসিনা রেশমাকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলেছেন। শেখ হাসিনা লে: জেনারেল হাসান সারওয়ার্দীকেও ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলেছেন। লে: জেনারেল হাসান সারওয়ার্দী সেনা প্রধান হতে চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনা তার জায়গায় শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের বড় ভাই সুপারসিডেড আর্মি অফিসার আজিজকে সেনা প্রধান করেছেন। সেনা প্রধান হয়ে জেনারেল আজিজ লে: জেনারেল হাসান সারওয়ার্দীকে ক্যান্টনমেন্টে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। এজন্য লাইভে তিনি শেখ হাসিনার সাথে জেনারেল আজিজকেও কামড় দিয়েছেন। এক বাটপার আরেক বাটপারকে বাটপার বলছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ঘুষ, দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করেছেন। আল-জাজিরা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সকল করাপশনের মা বলে অভিহিত করেছেন। শেখ হাসিনা আল-জাজিরাকে বাংলাদেশে নিষিদ্ব ঘোষণা করেছেন। ভোট ডাকাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আওয়ামী লীগ, পুলিশ, মিলিটারি, জুডিশিয়ারি ও পুরো প্রশাসন মিলে একটা মাফিয়া সিস্টেম তৈরী করেছেন। জিকে শামীম, সম্রাট, এনু-রুপন, পাপিয়া, সাবরিনা, সাহেদরা শেখ হাসিনার সেই সিস্টেমের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছেন। শেখ হাসিনা সারাদেশে এরকম অসংখ্য জিকে শামীম, সম্রাট, এনু-রুপন, পাপিয়া, সাবরিনা, সাহেদ তৈরী করেছেন। শেখ হাসিনা জুডিশিয়ারি থেকে মিলিটারি - এই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে এক এক করে ধ্বংস করেছেন। সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রধান বিচারপতি থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা তাকে গিয়ে থ্রেট করেছেন। করোনা মহামারিতে শেখ হাসিনা জনগণের ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে মুজিব বর্ষ পালন করেছেন। শেখ হাসিনার চামচারা প্রধানমন্ত্রী তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন সুতরাং করোনা আমাদের দেশে আসবে না, আসলেও আমাদের দেশের কোন ক্ষতি করতে পারবে না বলে করোনা মোকাবেলার প্রস্তুতি না নিয়ে ৪০০ কোটি টাকায় আমোদ ফুর্তি করেছেন। তিন মাস পরে আবার করোনা প্রস্তুতির নামে নতুন করে লুটপাট করেছেন। এন-৯৫ মাস্কের নামে ডাক্তারদের ফালতু মাস্ক দিয়েছেন, ডাক্তার-নার্সদের পিপিই রেশনিং করেছেন, ওয়েবসাইট বানানোর তামাশা করেছেন, চারটা ওয়েবসাইটের জন্য ১০ কোটি টাকা বিল দিয়েছেন, বাসায় বসে জুম মিটিং করে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা খরচ দেখিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়। বাসায় বসে মাত্র তিনটা জুম মিটিং করে খাবার খরচের বিল ৪ লাখ টাকা, খাতা, কলম, প্যাড বাবদ খরচ ১৪ লাখ টাকা, জুম ডাউনলোড- খাতা কলম কেনার জন্য আরেকটা প্রাইভেট সংস্থাকে দিয়েছেন প্রায় ১১ লাখ টাকা। এভাবে জুম মিটিং আর খাবার দাবারেই ৫৭ লাখ টাকা লুট করেছেন। একটা চরমতম সংকটকে কেন্দ্র করে এভাবেই তারা সব লুটপাটে নেমেছেন। ভূঁইফোড় সহযোগী সংগঠনকে লাইসেন্স দিয়েছেন। রিজেন্ট -জেকেজির নামে টাউট বাটপারদেরকে প্রমোট করেছেন। ভারতের স্বার্থে পাটকলগুলো বন্ধ করতে ৫৭৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা লোকসান দেখিয়েছেন, এর মধ্যে ৬৬ কোটি টাকাই শুধুমাত্র শ্রমিক আন্দোলন থামানোর খরচ দেখিয়েছেন! এদের কারো শাস্তি হয়নি, অথচ নবম শ্রেণীর ছাত্র প্রধানমন্ত্রীকে বিধবা বলে শাস্তি পেয়েছেন। ইতালি প্রবাসী একজন লোক দীর্ঘ ক্লান্তিকর ফ্লাইট শেষে দেশে ফিরে বাচ্চাকাচ্চা-বুড়ো মানুষদের নিয়ে এয়ারপোর্টে নেমেছেন, শেখ হাসিনা সরকার তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা, পানির ব্যবস্থা, বাথরুমের ব্যবস্থা না করে ধুলোয় ধুসরিত হজ্ব ক্যাম্পে নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। প্রবাসী লোকটা 'ফাক ইউ বাংলাদেশ সিস্টেম' বলে গালি দিয়েছেন। আপনারা তাকে নিয়ে তখন ট্রল করেছেন। ভদ্রলোক কোন ফাকাফাকি সিস্টেম নিয়ে কথা বলেছেন এখন বুঝেছেন? কাজেই সাহেদ-সাবরিনার গ্রেপ্তারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ না করে মূল জায়গায় হাত দেন। সাহেদ-সাবরিনা তৈরীর ফ্যাক্টরিটা বন্ধ করেন। আর তা না হলে বিনা ভোটে নির্বাচন আর প্রশাসনকে ব্যবহার করে রাতের ভোট ডাকাতির নির্বাচন আস্তে আস্তে যেভাবে হজম করে ফেলেছেন তেমনি জিকে শামীম, সম্রাট, এনু-রুপন, পাপিয়া, পাপুল, বুবলি, সাবরিনা, সাহেদদেরও আস্তে আস্তে তারা হজম করিয়ে দিবেন! বিশ্বজিৎ এর খুনিদের মত তারাও এক এক করে সব বেরিয়ে আসবেন।'

17/07/2020

স্যার বলতেন "পিনো এখন আসতে পারবে না; ওর ওপরেই তো সব রাগ"। আমি বারবার বলছি আপনাকে আঁটকে দিলে সহজে ছাড়বে না। আল্লাহ না করুক ৮ তারিখের আগেই বৌ'মা (জোবাইদা রহমান) কে ঢাকাতে এনে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। দেখবেন ব্লাড সার্কুলেশন হচ্ছে, ৮৩ তে আপনার আগমনের মত জোয়ারে সব খড়কুটো'র মত ভেসে যাবে।

- #এমাজউদ্দিন আহমেদ
স্যারের লাইব্রেরী রুমে

মহান রাব্বুল আ'লামীন উনাকে জান্নাত নসীব করুন !

08/07/2020

তাঁরে সময়ের সেরা সমাজ কর্মী অভিহিত করলে অন্যায় হয়ে? বাড়াবাড়ি হবে?

ঢালাও উত্তর না করে তাঁর কর্ম-যজ্ঞ যা অপ-প্রচারের যাঁতাকলে হারিয়েছে - চলুন নজর দিই সেদিকে। সিদ্ধান্ত না হয় ভবিষ্যত বলবে।

দরিদ্র কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার পরিবারের কন্যার জন্য কিছু টাকা দিয়ে কন্যা পার করে দেবার চটকদার তারিকা ছিল না তাঁর। বরং দরিদ্র পুত্র/কন্যার পরিবারের কাছে আশীর্বাদ স্বরূপ ছিল মুক্তিযোদ্ধা জিয়া আর বেগম জিয়ার এই সন্তান। নিজে উপস্থিত থেকে দরিদ্র মা-বাবা'র পুত্র-কন্যাদের #যৌতুকবিহীন বিয়ে ব্যবস্থা করে, সংসার সাজাতে যাবতীয় উপহার দিতেন নিজ পকেট থেকে। নব-দম্পতি দুজনের চাকরির ব্যবস্থাও করে দিতেন। দেশে অবস্থান কালীন শেষ ১০ বছরে সাত শতাধিক হত-দরিদ্র যুগলের কর্মের ব্যবস্থা-সহ যৌতুক বিহীন বিবাহ'র সফল আয়োজন করেন।

#বিবাহ #যৌতুকবিহীন

04/07/2020

®গায়েব হয়ে গেল শেখ হাসিনার প্রতিদিনের খরচ (গণভবনের) ১০ কোটি টাকা

®গায়েব হয়ে গেল ডাক্তারদের রুটি আর একটা কলা খাওয়ায়ে ২০ কোটি টাকা বিল ধরায়ে দেওয়া সেই সিন্ডিকেটের কথা।

®গায়েব হয়ে গেল ফরিদপুরের আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সাজ্জাদ আর তার ভাই রুবেলের ২০০০/ কোটি টাকা পাচারের কথা

®গায়েব হয়ে গেল ৩৪ টি লাশের কথা

®গায়েব হয়ে গেল আজ করোনায় কতজন মানুষ মারা গেল তার কথা।

®গায়েব হয়ে গেল আরিফুল চৌধুরী আর ডাঃ সাবরিনা Oval কোম্পানির নামে ভুয়া করোনা টেস্ট বুথ খুলে ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা।

®গায়েব হয়ে গেল দেশের হাজারো মানুষের আহাজারি আর্তনাদ আর অসহায় নিরুপায়ে বিনা চিকিৎসায় ছটফট করে মারা যাওয়ার কথা।

03/07/2020

১০ ঠিকাদার হাতিয়ে নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা।

কলা খাইয়ে বিল দেখানো হয়েছে ২০ কোটি টাকা।
সেই বাহুবলী কলার ছবি নিচে দেওয়া হলো।

03/07/2020

তারেক রহমানঃ আদর্শ প্রাইমারী স্কুলে

২০০৪ঃ সারা দেশের মত পটিয়া-তে হয়েছিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা BNP' প্রতিনিধি সম্মেলন। সম্মেলনের নেতৃত্বে ছিলেন তারেক রহমান।

তাঁর জনপ্রিয়তা আজকের মতই আকাশচুম্বী ছিল। আজকের পৃথিবী'র যে-কোন অ-নির্বাচিত, সেল্ফ ডিক্লেয়ার্ড সরকার প্রধানের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। সেই চম্বুকসম আকর্ষণ ধারণ করে TR এলেন পটিয়া আদর্শ স্কুলের ছোট্ট মাঠে।

হুম, তখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল খুব কঠোর। তবে লিডারের এইটাই কথা, নিরাপত্তার নামে নূন্যতম হেনস্তা চলবে না, কারো স্বাভাবিক জীবন যাত্রা-তে বিন্দুমাত্র ছেদ ঘটানো যাবে না। ট্রাফিক সিগনালে মৃত্যু-পথ যাত্রী'র এম্বুলেন্সে আটকে যাবে-না। স্কুল অফিসের ব্যস্ত যাত্রীদের পথ-রোধ করে নাভিশ্বাস তুলা যাবে-না।

তাই সেদিন কোন টি-ষ্টল ভেঙ্গে ফেলা হয়নি, পার্শ্ব রাস্তা'র ফুলওয়ালি মেয়ে'টা নিরাপত্তা হুমকি হয়ে ওঠে-নি। সদ্য দাড়ি গজানো মাদ্রাসা'র ছেলেরা সম্ভাব্য জঙ্গি চিহ্নিত হয়-নি।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী পুত্র'র নিরাপত্তা'র কথা বলে সেই শহরে কোনো দোকানপাট বন্ধ হয়-নি, রিকশা, গাড়ি, ভ্যান চলাচল রুদ্ধ হয়নি। সার্কিট হাউস আর শহরের কাঁনাগলিতে বসে-নি কোন গতি-রোধক।

নিরাপত্তা উন্মাদনা হেতু কোনো বাড়িয়ালাকে কেউ বলে নি.. আপনার ঘরে আগামী তিনদিন ভাড়াটিয়া আসতে পারবে না, ছাত্রমেসে চিহ্নিত করা হয়-নি বহিরাগতকে।

কোন দোকান/রাস্তা/প্রাচীর ভাঙ্গা তো দূরের কথা পটিয়া প্রাইমারী স্কুল গেইটের সামনের ঝাল-মুড়ি, আচার আর বায়স্কোপওয়ালা যারা ফেরি নিয়ে ফিরতো, তারা সেদিন স্থান-চূত হয় নি। গরীবের পেট; জিয়া পুত্র'র নিরাপত্তা অজুজাতে উপস যায় নি।

স্কুল রাস্তার ওপাশে খোকা বাবুর দোকান। খোকার বিক্রি-বাট্টা ধুমসে জমে ওঠে যখন তারেক রহমান স্কুল প্যান্ডেলে বসেন।

গণমানুষের সহ-অবস্থানই ছিল তার নিরাপত্তা বেষ্টনী, ফুলওয়ালিরাই হয়ে উঠেছিল তার ভ্যানগার্ড। মানুষের ভোট ভাতের জন্য রাজনীতি করা, মানুষের নেতারা এমনি হয়ে থাকেন।

এখন তো দেশ ভরা VIP, চারিদিকে উন্নয়নের চৌবাচ্চা উপচে পড়ছে। মানি মানুষের ভিড়ে অতি সাধারণের ৮টা ৫টা কেরানী জীবন চিড়েচ্যাপটা।

শহরে তাল-পাতার সেপাই আসলেও পৌরসভা'র বাণিজ্য বন্ধর ফরমান জারি হয়, খাল ভরাট করে রাস্তা করা হয়। পটিয়া সরকারি কলেজ এর প্রাচীর ভেঙেও এদের নিরাপত্তা দেয়ার উদাহরণ আছে। একের পর এক মহামান্য হুকুমতে জন-জীবন অস্থির তটস্থ এ্যটেনসন মোডে চলে যায়। টনটনে সব সিকিউরিটি মেজারমেন্টে পান থেকে চুন খসে না।

সব হিসাব অবশ্য মিটে যাবে একদিন। সেই ফুটপাত, সেই হকার, রিকশাআলা, ঝালমুড়ি আর খোকাবাবুরা ইতিহাসের মাইনফিল্ডে রাজসাক্ষী হবে।

ওগো তোমার শেষ বিচারের আশা
আমি বসে আছি গো
কি যে আমার পাওনা দেনা
তুমি ছাড়া কেউ জানে না....

#পটিয়া পৌরসভা ছাত্রদলের কোন কর্মীর ওয়াল থেকে নিয়ে আমার মত এডিট করা। সম্ভবত ২০১২ সালে। গত বছর আমার ওয়ালে পোষ্ট করেছিলাম। ভগবানের ভোগে সেই আইডি গিয়েছে।।

#পৌরসভা #ছাত্রদল #কলেজ #তারেক #প্রতিনিধি_সম্মেলন
-ওয়াসিম ইফতেখার

01/07/2020

এই পর্যন্ত যত লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটেছে তাতে কোন লঞ্চ মালিকের সাজা হইছে? এই যে মানিকগন্জ থেকে এমপি দুর্জয়ের এত অপকর্মের খবর আসতেছে আজ পর্যন্ত তার কিছু হইছে? গত ১২ বছরেও দেশে স্বাস্থ্যনীতি চূড়ান্ত হলো না উপরন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রানালয়ের গাফিলতি, দুনীর্তি , অনিয়ম, অযোগ্যতা আর অরাজকতা নিয়ে এত কথা হইতেছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কিছু হইছে? অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কথা আর নাই বললাম। খবর নিয়ে দেখেন ডুবে যাওয়া লঞ্চটিকে উদ্ধার করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে আসতে গিয়ে যে চালক পোস্তগোলা ব্রিজের সাথে ধাক্কা লাগিয়ে ব্রিজে ফাটল ধরিয়েছে, সেই অযোগ্য অপদার্থ চালক ও তার সঙ্গী সাথীরা নিশ্চিত আওয়ামী কোটায় চাকরি করছে। লঞ্চ ডুবির ঘটনা তদন্তে বরাবরের মতই লোক দেখানো সাত সদস্যের একটা তদন্ত কমিটি ঘোষিত হয়েছে। দেখবেন তদন্তকারী দল টাকা পয়সা ভাগ বাটোয়ারা শেষে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে তথ্য প্রমাণ সব হাপিস করে দিয়েছে। সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় প্রায় দুই হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। সহস্রাধিক মানুষ পঙ্গু হয়েছে। আজ প্রায় সাত বছর পার হয়ে গেছে, অভিযুক্তদের বিচার হয়েছে? আপনি বাংলা সিনেমার নায়কের মত নিজ হাতে ভিলেনের বিচার করতে যাবেন সেইখানেও দেখবেন গোপালী বেনজীর তার বাহিনী নিয়ে এসে 'আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না' বলে ভিলেনকে বাঁচাতে বাগড়া দিয়েছে।

বাংলাদেশে যত চোর-চাট্টা, চিটার-বাটপার, অযোগ্য-অপদার্থ, দুই নাম্বার, লুটেরা, ধান্ধাবাজ আছে; যত দাগী অপরাধী ভিলেন আছে তাদের একটা রক্ষা কবচ আছে। আর সেই রক্ষা কবচ হলো আওয়ামী লীগ। চোর-চাট্টা, চিটার-বাটপাররা সব শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সমবেত হয়েছে। বাংলাদেশে আজ এমন কোন চোর বাটপার নাই যার অফিসে বাপ-বেটির ছবি নাই। গত ৭ মে কুখ্যাত সিকদার গ্রুপের রন ও দিপু এক্সিম ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করার পরে শেখ মুজিবের ভাষ্কর্য্যের সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছে। ফল হাতে নাতে মিলেছে। শেখ হাসিনা লক ডাউনের ভেতরেও রন ও দিপুকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে নিরাপদে থাইল্যান্ডে পাঠিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার অপরাধীদের সরকার। এই অপরাধীরা দেশ থেকে আপনার ভোট নাই করে দিয়েছে; প্রধান বিচারপতিকে ভাগিয়ে দিয়েছে; আদালতে বিচারপ্রার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে; ব্যাংক ডাকাতি করেছে; র্যাব, ডিজি এফ আই, ডিবি এই বাহিনীগুলোকে তারা প্রাইভেট ডিটেনশন সেন্টার বানিয়েছে; এরা যাকে খুশী তাকে তুলে নিয়ে ক্রস ফায়ারে মেরে ফেলছে এমনকি স্কুলগামী বাচ্চাদের নিরাপদ সড়ক দাবীর আন্দোলনেও এরা হেলমেট পরে ঝাপিয়ে পরেছে।

আপনি চোখের সামনে রেশমা নাটক দেখেও সুমন ব্যাপারির পানির নিচে ১৩ ঘন্টা বেঁচে থাকাটাকে বিশ্বাস করছেন; আপনি আমেরিকায় করোনা মৃত্যুর হার শুনে হা হুতাশ করছেন; আপনি চীন-ভারত বিরোধে ফেলানীর লাশের উপর দাড়িয়ে ভারতের সমর্থনে বাংলাদেশের জেলায় জেলায় মানববন্ধন করছেন; এইগুলা বাদ দেন। দেয়ার আর মোর থিংস ইন হেভেন অ্যান্ড আর্থ। আপনি নিজে কোন অতলে ডুবে যাচ্ছেন সবার আগে সেইটা ভাবেন।

-প্রিভিলেজ কিড

01/07/2020

দেশের বড় এক শিল্প-বাণিজ্য গোষ্ঠী ট্রান্সকম-এর চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মীয়। সম্পর্কও ভালো ছিল তাদের। ভদ্রলোক মাঝে মধ্যে দেখা করতে আসতেন। তাঁর বিনয় ও ভদ্রতায় আমরা সকলেই মুগ্ধ ছিলাম। ম্যাডাম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকতে তাঁর সংগে বিজনেস ডেলিগেশনের মেম্বার হয়ে তিনি কয়েকবার বিদেশ সফরেও গিয়েছেন।
লতিফুর রহমানের মালিকানার প্রভাবশালী দু'টি বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলো ও স্টার। দুই কাগজই ম্যাডাম জিয়ার গভর্নমেন্ট ও বিএনপির বিরুদ্ধে মুখিয়ে থাকতো। তো একদিন আমি সুযোগ পেয়ে বললাম, ম্যাডাম, লতিফুর রহমান সাহেব তো আপনার আত্মীয়। তার সঙ্গে আপনার সম্পর্কও ভালো। তিনি তো আসেন মাঝে মাঝে। ওনার কাগজে এতো বিরোধিতা কেন? আপনি তো উনাকে এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারেন।
ম্যাডাম বললেন, লতিফুর রহমানকে কেন? কিছু যদি বলতে হয় তবে মতি-মাহ্ফুজকে (সম্পাদক মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম) বলবো। তারাই তো পত্রিকা চালায়। পত্রিকার পেশাগত বিষয়ে এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় মালিককে হস্তক্ষেপ করতে বলা কি আমার উচিৎ হবে?
আমি এভাবে চিন্তা করিনি। ম্যাডামের কথা শুনে চুপ মেরে গেলাম। লতিফুর রহমানের ভদ্রতায় বরাবর মুগ্ধ
আমার মাথায় তখন প্রশ্ন : আসলে কে বেশি ভদ্র?

🔸

লতিফুর রহমান মারা গেছেন। তার পারলৌকিক কল্যাণ কামনা করে এখন আরেকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি, ভদ্রতা ও সৌজন্যের বিনিময়ে কি সকলেই ভদ্রতা ও সৌজন্য ফিরে পায়?


Maruf Kamal Khan

30/06/2020

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার বিরুদ্ধে কালের কন্ঠে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও মনগড়া অভিযোগ করে পত্রিকাটির সম্পাদকের কাছে অাইনী নোটিশ পাঠিয়েছেন।

প্রতিবেদনটিতে কথিত অভিযোগ কতটুকু সত্য,কিম্বা অাদৌ সত্য কি না তা নিয়ে অামি কোনো মন্তব্য করবো না। অামার বক্তব্য প্রতিবেদনটি প্রকাশের ধরন নিয়ে।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার মৌলনীতি অনুসরন করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে মস্তবড় প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। সাধারনত কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে অভিযোগকারীর বক্তব্য কতটুকু সত্য তার জন্য ক্রসচেক করার একটা বাধ্যবাধকতা থাকে। সেক্ষেত্রে অভিযোগগকারীর পাশাপাশি অভিযুক্তকেও অাত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। অন্তত: রিপোর্টটির গ্রহনযোগ্যতার স্বার্থে এটা অত্যন্ত জরুরীও বটে। প্রতিবেদকের কাছে অকাট্য তথ্যপ্রমান থাকার পরেও সেটা করতে হয়,এটাই এথিকস।
কিন্তু কালের কন্ঠ " ২৩ জুন অনলাইনে ছেলে ধরা মিঠুর মুঠোয় স্বাস্থ্যখাতের কেনাকাটা শিরোনামে যে প্রতিবেদনটিতে তারেক রহমানকে জড়ানো হয়েছে, সেটা পড়লে কোনোভাবেই এটাকে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বলা যায়না। প্রতিবেদনের এক জায়গায় বলা হয়েছে,
কিছুদিন আগে পর্যন্ত মিঠুর বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুর এলাকার মিঠু বিএনপির আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ছেলের নিয়ন্ত্রিত হাওয়া ভবনের সিন্ডিকেটে ঢুকে নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন স্বাস্থ্য খাতের ঠিকাদারি। ওই সময় নামে-বেনামে তাঁর সরবরাহকৃত অনেক যন্ত্রপাতি এখনো সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে, যা কখনোই ব্যবহার করা যায়নি। অনেক হাসপাতালে তখন প্রয়োজন না থাকলেও কিংবা ব্যবহারের জনবল ও অবকাঠামো না থাকা সত্ত্বেও অনেক মূল্যবান যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোনো সূত্র দিয়ে এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরী করা যায় কিম্বা সেটা একটা দায়িত্বশীল জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ কতটুকু যায় সেটা অামার বোধে অাসে না।
অার তাছাড়া যিনি প্রত্যক্ষ্য সুবিধাভোগি সেই ব্যক্তি যদি এই বয়ান দিতেন তাহলেও প্রতিবেদনটি কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য হতো। কিন্তু প্রতিবেদনটি প্রস্তুতের সময় অনুসরন যোগ্য কোন নিয়মই প্রতিবেদক মানেননি... এমনকি অভিযুক্ত কথিত মিঠুর কোনো ভাষ্যও প্রতিবেদনে নেই। তাহলে কিসের ভিত্তিতে এমন একটি রিপোর্ট করা হলো?
একটি বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। এ ধরনের কোনো রাজনীতিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ অানতে হলে শক্ত তথ্য প্রমান প্রয়োজন হয়। হাওয়ায় পাওয়া তথ্য দিয়ে রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার বিপদ অনেক।
কথিত দুর্নীতির প্রতিবেদনটিতে তারেক রহমানকে জড়ানোটা অনেকটা উদ্দেশ্যমূলক বলে অামার অন্তত: মনে হয়েছে। রিপোর্টটা পড়ে মনে হয়েছে,অনাহুত কিম্বা যেনতেনভাবে একজন পলিটিক্যাল নেতার ইমেজ ড্যামেজ করাই যেন প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য।
তারেক রহমানকে নিয়ে অামাদের তথাকথিত স্বাধীন গণমাধ্যমের অাগ্রহ এবং উৎসাহ কম নয়। সেই বারো বছর অাগে থেকেই,শুরু হয়েছে তারেক রহমানকে দুর্নীতিবাজ প্রমান করতে লেখালেখি। দিস্তার পর দিস্তা সংবাদপত্র গুলো কেবলমাত্র তারেক রহমানের জন্য খরচ করেছে। তাকে মিডিয়া ট্রায়াল করা হলেও বিচারিক অাদালতে তার বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতির অভিযোগও প্রমান করা যায়নি। বরং তাকে একটি মামলা থেকে খালাস দেওয়া বিচারককে এই সরকার দেশ ছাড়া করেছে।

এখন পাড়া মহল্লায় হাজার হাজার হাওয়া ভবন হলেও সেগুলোতে অামাদের গণমাধ্যমের সেইভাবে কোনো বাড়তি নজর অাছে বলে মনে হয়না। সরকারের ঠেঙ্গানোর ভয় অার কিছুটা 'মনপসন্দ' দল বলে শাসক দলের নেতাদের দুর্নীতির বিষয়ে উৎসাহী নয় অামাদের তথাকথিত স্বাধীন,সাহসি ও সাবালক মিডিয়া।
যার ফলে যে কোন দুর্নীতির বিষয় লিখতে গেলে কলমের ডগায় সবার অাগে নাচে বারো বছর অাগের বিএনপি নেতারা কবে কি করেছিলো সেটা। ঢুকিয়ে দেয়া হয় মনের মাধুরি মিশিয়ে অনেক সত্য মিথা। গত বারো বছরে দুর্নীতি করে যে দেশটার সাকাম করে ছাড়া হলো,তা নিয়ে কাউকে কোনদিন ঊশখুশ করতে দেখি না।
করোনার এই দু:সময়ে প্রতিদিন চিকিৎসার অভাবে মানুষ রাজপথে বেঘোরে প্রাণ দিচ্ছে। অথচ এই সময়ে পিপিই কেনা,মাস্ক কেনাসহ স্বাস্থ্যখাতের নানা অনিয়ম ধরা পড়লেও তা নিয়ে দেখিনা তো কোনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। অথচ এক যুগ অাগে কবে কোন দল ক্ষমতায় ছিলো,তাদের কোন নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে কে বিশ টাকা অাত্মসাৎ করেছিলো,তার বিবরনী প্রকাশে অামাদের মিডিয়া বড়ই মনযোগি। একটি দেশের দুর্নীতি,অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা চরমাকারে পৌছানোর জন্য সে দেশের মিডিয়ারও কমবেশী দায় থাকে। অাজকে দেশে যে ক্রান্তিকাল চলছে,তার জন্য অামাদের মিডিয়া কি দায় এড়াতে পারবে? মুরোদ থাকলে, বিদ্যুৎ খাতে যে লুটপাট চলছে,তার পেছনে কারা জড়িত তা নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে দেখাক তো? বলুক তো, কে মিষ্টার টেন পার্সেন্ট?
যত দোষ নন্দ ঘোষ বলে বেশীদিন পার পাওয়া যাবেনা। পাঠক এখন যথেষ্ঠ সচেতন। যেনতেনভাবে তাদের বোঝানোর দিন শেষ। সরকারের পক্ষেও মুক্তিযুদ্ধের তথা কথিত চেতনার অাফিম দিয়ে বেশীদিন অার মানুষকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা সম্ভব হবে না,মানুষ জাগছে... হুঁশ ফিরছে কিন্তু জনতার... সুতরাং সাধু,সাবধান।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka