planting
The Oxygen Architects
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Oxygen Architects, Nature Preserve, Donia, Dhaka.
03/05/2024
02/05/2024
কক্সবাজারের অবস্থান অন্য কোন দেশে হলে ঠিক এমন ই হতো । আমরা কংক্রিটের বস্তি ছাড়া আর কিছুই চিন্তা করতে পারি না । গাছ লাগাই পরিবেশ বাছাই।
29/04/2024
From Star Lifestyle
28/04/2024
আমরা গাছ লাগাই
নিজে বাঁচি এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বাঁচাই।
28/04/2024
বাঁশ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
1. দ্রুত বৃদ্ধি: বাঁশ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ। এটি 24 ঘন্টায় 47.6 ইঞ্চি বৃদ্ধিতে রেকর্ড করা হয়েছে। কিছু প্রজাতি অনুকূল পরিস্থিতিতে প্রতিদিন এক মিটারেরও বেশি বৃদ্ধি হতেপারে। একটি নতুন বাঁশের অঙ্কুর এক বছরেরও কম সময়ে তার পূর্ণ উচ্চতায় পৌঁছে।
2. অক্সিজেন রিলিজ: বাঁশের একটি গ্রোভ অন্য যে কোনো গাছের তুলনায় 35% বেশি অক্সিজেন নির্গত করে।
3. কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ: বাঁশ প্রতি বছর হেক্টর প্রতি 17 টন হারে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে। এটি একটি মূল্যবান কার্বন সিঙ্ক হিসাবে কাজ করতে পারে।
4. সারের প্রয়োজন নেই: বাঁশের বৃদ্ধির জন্য সারের প্রয়োজন হয় না। এটি তার পাতা ফেলে দিয়ে স্ব-মালচিং করতে পারে এবং বৃদ্ধির জন্য পুষ্টি ব্যবহার করতে পারে।
5. প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার: গ্রীষ্মে বাঁশ তার চারপাশের বাতাসকে 8 ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা করে।
6. খরা প্রতিরোধ: বাঁশ খরা-সহনশীল উদ্ভিদ। তারা মরুভূমিতে বেড়ে উঠতে পারে।
7. কাঠ প্রতিস্থাপন: বেশিরভাগ নরম কাঠের গাছের 20-30 বছরের তুলনায় বাঁশ 2-3 বছরে কাটা যায়।
8. নির্মাণ সামগ্রী: বাঁশ অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী এবং বলিষ্ঠ। এটি কংক্রিটের ভারা, সেতু এবং ঘরবাড়ির কাঠামো হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
9. মাটির স্থিতিশীলতা: বাঁশের ভূগর্ভস্থ শিকড় এবং রাইজোমের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে যা মাটির ক্ষয় রোধ করে।
10. আক্রমণাত্মকতা: কিছু প্রজাতির বাঁশ,তাদের বিস্তৃত রুট সিস্টেমের কারণে আক্রমণাত্মক হতে পারে, যা তাদের দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেয়। যাইহোক, সব প্রজাতিই আক্রমণাত্মক নয় এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমিয়ে আনা যায়।
27/04/2024
যশোর রোড, বাংলাদেশ
Jossore Road, Bangladesh 🇧🇩
27/04/2024
আজ একটা গাছের গল্প বলব। অনেক অনেক আগে একটা বিশাল আম গাছ ছিল। একটি মেয়ে প্রতিদিন আসত গাছটার কাছে।খেলত, গাছে চড়ত, আম খেত, গাছের ছায়ায় ঘুমাত।
গাছটাকে মেয়েটা খুব ভালবাসত আর গাছটাও তার সাথে খেলতে পছন্দ করত। সময় গড়িয়ে যায়। মেয়েটা আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। আর সে আগের মত গাছটার কাছে খেলতে আসে না।
একদিন মেয়েটা আবার আসল। মনটা খারাপ দেখাচ্ছিল তার।
গাছটা বলল, “আস আমার সাথে খেলা কর।”
মেয়েটা বলল, “আমি আর এখন সেই খুকিটি নেই, এখন আর গাছের সাথে খেলতে ইচ্ছা করে না।”
“আমার খেলনা চাই, কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই!”
গাছটা বলল, “আমার কাছে তো টাকা নেই, তবে তুমি আমার সব ফল নিয়ে যেতে পার। ওগুলো বিক্রি করে যে টাকা পাবে, তা দিয়ে খেলনা কিনতে পারবে। ”
তখন মেয়েটার খুশি দেখে কে! সে মনের আনন্দে গাছ থেকে সব আম পেড়ে নিয়ে চলে গেল। কিন্তু আর ফিরে এলোনা। গাছটার মন খারাপ হল।
যৌবনকালে আবার একদিন মেয়েটা গাছটার কাছে ফিরে এলো। মেয়েটাকে দেখে গাছের সে কি উচ্ছ্বাস!
“আস আমার সাথে খেলা কর”, গাছটা বলল।
“আমার এখন খেলার সময় নেই। আমাকে আমার পরিবারের জন্য কাজ করতে হয়। আমাদের একটা ঘর দরকার থাকার জন্য। তুমি কি আমাকে কোনও সাহায্য করতে পার?”
“দুঃখিত আমার কাছে কোনও ঘর নেই। কিন্তু তুমি ঘর বানানোর জন্য আমার ডালপালা কেটে নিতে পার।” মেয়েটা গাছটার সব ডালপালা কেটে নিয়ে খুশিমনে চলে গেল। মেয়েটাকে কাছে পেয়ে গাছটার আসলেই খুব ভালো লেগেছিল। কিন্তু মেয়েটা আর ফিরে এলোনা। গাছটা আবার একা আর দুঃখী হয়ে গেল।
অনেকদিন পরে আবার এক তপ্ত গ্রীষ্মের দিনে মেয়েটা ফিরে এল। গাছটা বরাবরের মত খুশী হল।
গাছটা বলল, “আস আমার সাথে খেল।”
মেয়েটা বলল, “দেখ আমার বয়স হয়ে যাচ্ছে। ভালো লাগছে না কিছু। একটু নৌকাভ্রমণে যেতে পারলে ভালো লাগত। তুমি কি আমাকে একটা নৌকা দিতে পার?”
“তুমি আমার কাণ্ডটা নাও, এটা দিয়ে নৌকা বানাও আর মনের সুখে ঘুরতে যাও।”
মেয়েটা গাছের কাণ্ড কেটে নৌকা বানিয়ে নৌকাভ্রমণে চলে গেল। তারপর আবার বহুদিন তার দেখা নেই।
শেষে বহু বহু দিন পরে আবার মেয়েটি গাছটার কাছে ফিরে এল। গাছটা বলল, “তোমাকে দেয়ার মত আমার আর কিছুই নেই। এমনকি একটা আমও না।” মেয়েটা বলল, “তাতে কি?! আমার তো আর কোনও দাঁত অবশিষ্ট নেই আম খাওয়ার জন্য।”
“আমার কাণ্ডও নেই যে তোমাকে চড়তে বলব।”
“আমি যথেষ্ট বৃদ্ধ গাছে চড়ার জন্য ”, মেয়েটা উত্তর দিল।
“আমার সত্যি কিছু দেয়ার নেই, আমার মৃতপ্রায় গুঁড়ি ছাড়া” গাছটা কাঁদতে কাঁদতে বলল।
“আমার আসলেই বেশী কিছু দরকার নেই, শুধু একটু বিশ্রাম ছাড়া। এতগুলো বছর পার করে এসে এখন সত্যি আমি খুব ক্লান্ত”, মেয়েটা বলল।
“ভালো! বিশ্রাম করার জন্য গাছের গুঁড়ির চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে?! আমার কাছে আস, আরাম করে বিশ্রাম কর।” মেয়েটা গাছের গুঁড়িতে পিঠ ঠেকিয়ে আরামে বিশ্রাম নিতে নিতে ঘুমিয়ে গেল। আর মমতা নিয়ে তাকিয়ে থাকল গাছটা মেয়েটা দিকে। আহা বাছা আমার কি আরাম করে ঘুমায়!
**গাছ লাগাই, পরিবেশ বাচাই**
26/04/2024
স্ট্যাম্প কেনার সামর্থ্য নেই। গাছে টেপ লাগিয়ে স্ট্যাম্প তৈরী করে প্রতিদিন গাছতলায় বন্ধুদের নিয়ে খেলতেন উসমান।
কিন্তু আজ খেলতে এসে দেখেন গাছের মালিক তার ৩০ বছরেরও পুরনো গাছটি কেটে ফেলেছেন। তাই মনের দুঃখে এভাবেই অসহায় দৃষ্টি উসমানের...
"গাছ লাগাই, পরিবেশ বাঁচাই"
25/04/2024
24/04/2024
প্রত্যেকটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত পঁচিশ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। কিন্তু আমাদের দেশে বনভূমির পরিমাণ মাত্র ৯ শতাংশ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Donia
Dhaka
1236
