14/08/2018
আলহামদুলিল্লাহ্ অনেক প্রতীক্ষিত আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অর্থ আইন ২০১৮ দিয়ে আপডেট এর কাজ সম্পাদন হল। যারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করেছেন আপনাদের জন্য আন্তরিক ভালবাসা ও দোয়া রইল।
অনিচ্ছাকৃত কোন ভুল আপনাদের দৃষ্টিগোচর হলে আমাকে জানান।
Download Link https://goo.gl/fVJKtK
https://www.facebook.com/taxsolicitor
Income Tax Lawyer Sayem
Income tax is the main Income source of government.
01/07/2018
Excel Version.........
Mushak 19 new format.
Finance act 2018 According to-VAT SRO-803.
https://drive.google.com/file/d/1L0h0OJZ5bZ6QumE5ogF9vkl9N9c2JsKf/view?usp=sharing
https://www.facebook.com/taxsolicitor
Income Tax Lawyer Sayem
Income tax is the main Income source of government.
20/06/2017
প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ, ভ্যাট আইন স্থগিতের নির্দেশ
১৫ শতাংশের জটিলতা
http://www.bd-pratidin.com/first-page/2017/06/20/241438
প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ, ভ্যাট আইন স্থগিতের নির্দেশ
আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকরের অপেক্ষায় থাকা নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এর বাস্তবায়ন স্থগিতের নির্দেশ
14/06/2017
আপনি জানেন কি??
নতুন ভ্যাট আইন ২০১২ অনুযায়ী
প্রত্যেক করমেয়াদের (১ মাস) জন্য কর মেয়াদ সমাপ্তির পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। ১৫ তারিখ ছুটি থাকলে তার পরবর্তি দিনে দাখিলপএ পেশ করতে হবে।
যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা করতে ব্যর্থ হন তাহলে ১০,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
16/02/2017
ICAB's Exemption for Public University সহ সাধারন সি এ ছাত্রছাত্রী দের বিভিন্ন দাবী আদায়ের ইস্যুতে আন্দোলন ও প্রতিবাদ এর প্রেক্ষিতে আইসিএবি সকল সি এ ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি তে আগামী ১৮/০২/২০১৭ তারিখ শনিবার বিকাল ৪টায় আইসিএবি অডিটোরিয়ামে (৯ তলা) এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। সাধারন ছাত্রছাত্রী দের প্রশ্নোত্তর পর্বে আইসিএবির সম্মানীত কাউন্সিলরগন উত্তর দিবেন। দলমত নির্বিশেষে সকল ভেদাভেদ ভুলে উক্ত সেমিনার এ সবার উপস্থিতি কামনা করছি। কারন দিনশেষে ভালো কিছুর জন্য আমরা সবাই উপকৃত হব আবার খারাপ কিছুর জন্য সবাই ভুক্তভোগী হব। তাই আবারো বলছি, ঘরে বসে শুধু লাইক শেয়ার আর কমেন্টস করে নয়, উপস্থিত থেকে আপনার মতামত জানান।
28/05/2016
#চুপ_থাকা_আর_সম্ভব_না...
ICAB কিভাবে প্রফেশনের মান উন্নয়ন করবে সেটা তাদেরই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা..!! দরকার হইলে আমাদের কাছ থেকে আইডিয়া নিতে পারে..!! কিন্তু সিদ্ধান্ত তারাই নিবেন সেটাই আমরা চাই।
কিন্তু তাদের উন্নয়ন মূলক চিন্তা যদি আত্নঘাতী সিদ্ধান্ত হয়ে যায়, তাহলে আমরা চুপ থাকতে পারি না। তাই ICAB'র
কল্পানা মূলক উন্নয়নের চিন্তা গুলোর সাথে সাধারণ ধারনার তুলনা দেখাচ্ছি।
ুক্তি:
যেহেতু এই বিষয় গুলো তাদের (DU ছাত্রদের) আগেই পড়া রয়েছে সেহেতু ছাড় দেওয়া যেতে পারে।
ি_বলে:
এখন প্রশ্ন হইলো যদি ঢাকা ভার্সিটির ছাত্রদের এই বিষয়ে আগে থেকেই জ্ঞান থাকে তাহলে পরীক্ষা দিলেই পাশ করার কথা নাকি?? তাই ওদের এক্সেমশন দিয়ে, ওদের মেধার অবমূল্যায়ন করা হবে কেন???
ুক্তি:
এই প্রফেশনে আগ্রহী করার জন্য ছাড় দিতে হচ্ছে।
ি_বলে:
তারা কেনো এই প্রফেশনে আগ্রহী না??..
তারা কেনো ২৪ বছর বয়সে আরো তিন বছর কামলা খাটবে?? পরীক্ষা দিলেই পাশ করবে এই আত্নবিশ্বাস কেন তাদের নাই?? এই কারন গুলো না খুঁজে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে ছাত্র পাওয়া গেলেও প্রফেশনাল তৈরি করা যাবে না।
ুক্তি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অধিক মেধাবি।
ি_বলে:
ঐ ৮০০/৯০০ ছাত্রই যদি দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী হয়ে থাকে, তাহলে চাকুরী জগতে ওদের প্রতিযোগী থাকার কথা না..!! তাই ওদের এই ডিগ্রীর দরকার কি??? এবং বাকি ইউনিভার্সিটি গুলা কেন ঢাবি তত্তাবধানে যাচ্ছে না।??
ুক্তি:
ওরা দেশি বিদেশী অনেক প্রতিষ্ঠানে ভালো অবস্থানে কাজ করছে তাই ওদের এই ডিগ্রী দিয়ে CA প্রফেশনের মান উন্নয়ন করা যেতে পারে..!!!
ি_বলে:
যারা এই ডিগ্রী ছারাই ভালো কিছু করে দেখাইতে পারে, তাদের কোন কারনে এই ডিগ্রী জোড় করে দিতে হবে???
ুক্তি:
প্রফেশনের মান উন্ন্যনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র দরকার।
ি_বলে:
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে যারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে এই ডিগ্রী অর্জন করেছেন তারা এই প্রফেশনের মান উন্নয়নে চুড়ান্ত ভাবে ব্যার্থ হওয়ার কথা..নাকি?? তাই আপনাদের উচিৎ সার্টিফিকেট খানা জমা দিয়ে নতুন ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া।
ুক্তি :
ঢাবির ছাত্ররা যেহেতু দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি মেধাবী.. সেহেতু তাদেরকে দ্রুত ডিগ্রী দিয়ে প্রফেশনের আরো ভালো মার্কেট ভ্যালু তৈরি করা প্রয়োজন ।
ি_বলে:
যে সমস্ত ছাত্ররা HSC পাশ করে, এই ডিগ্রী অর্জন করবেন তারা আরো বেশি মেধাবী, তাই তাদেরকে ঢাবির গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট দেওয়ার মাধ্যমে ঢাবির মার্কেটিং করা উচিৎ।
আমি সব সময় নতুন কিছু জানার জন্য আগ্রহী। তাই ICAB ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য নতুন কিছু দিতেই তাদের পঠিত বিষয়ে এক্সেমশন দিতে চাচ্ছে.. সেটার সাথে একমত।
কিন্তু এখন প্রশ্ন হইলো.. আমরা যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞানে অনার্স - মাস্টার্স পড়েছি তারাও নলেজ লেভেলের কয়েকটা সাবজেক্ট আগে থেকেই পড়েছি..!!
তাই আমাদেরও এই পুরাতন বিষয় গুলো পড়া থেকে মুক্তি দেওয়া উচিৎ। সাথে দুনিয়ার সকলের জন্য একি সুযোগ থাকা উচিৎ। অথবা CA এর সিলেবাস থেকে অতিরিক্ত বিষয়টুকু ঢাবির সিলেবাসে যুক্ত করে দেওয়া উচিৎ।
উপরোক্ত বিষয় গুলি নিয়ে আমাদের সিএ ছাত্রদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে আমরা সবাই জানি, ICAB প্রফেশনের মান উন্নয়ন বলতে যাহা বুঝেন, তাহা কেবল তাদের ব্যক্তিগত এবং সংকীর্ণ চিন্তার সুফল ছাড়া অন্য কিছু দেয় নাই আর কোন দিন দিবেও না।
যেমন এফসিএদের সন্তানদের জন্য, আর আমার বাবার সন্তানের জন্য (মানে আমার) একি ব্যবহার কিংবা সুযোগ কিংবা অধিকার, একই মানদণ্ডে মাপতে ওনাদের দেখি না... তেমনি ওনাদের উপর ভরসা করে বসে থাকলে পাশ করে বের হতে পারলেও প্রফেশনাল হয়ে বের হতে পারবো না।
কারন ছাত্রদের প্রকৃত মান উন্নয়নের জন্য ICAB এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেয় নাই... যার ফলে একি প্রফেশনে কিছু ছাত্র শুধু বই পাশ.. আর কিছু ছাত্র কামলা পাশ.. আর কিছু উভয় ক্ষেত্রেই বস হয়ে বের হচ্ছে।
পারলে এই রকম কিছু করেন.. যাতে সকল ছাত্র পাশ না করলেও প্রফেশনাল হয়ে বের হয়ে পারে...নইলে এই সমস্ত আজাইরা চিন্তা বাদ দেন.. জনাব ICAB.
27/05/2016
ICAB এর মত প্রতিষ্ঠান থেকে বৈষম্যমূলক আচরন আশা করা যায় না:
এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ( ঢাবি) বাংলাদেশের সর্ব সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে গরীবের বিশ্ববিদ্যালয়ও বলে থাকি আমরা। এছাড়া আরো অনেক নামি-দামি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে আমাদের দেশে।
সবার ধারনা ঢাবিতে সব মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীরা পড়াশুনা করে। তাহলে বাকি আর সব কি?
অনেকে আছে ঢাবিতে পছন্দ মত বিষয় পায়না। সুতরাং তাদের বাধ্য হয়ে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হচ্ছে।
কাজেই ঢাবি ছাত্র/ছাত্রীদের আলাদা ভাবে বিশেষ ছাড় দেওয়া কেন হবে?
ICAB এর শতকরা ৯০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রীরা আসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
সুতরাং ICAB এর এমন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে না যাতে করে ছাত্র - ছাত্রীদের মধ্যে বৈষম্য বিরাজ করে।
23/01/2016
বিশ্বনবীকে না দেখে ঈমান আনার ফজিলত:
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লামের উপর ঈমান আনা এবং
তাঁকে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং মহব্বত
করার মাধ্যমে একজন মানুষের পূর্ণাঙ্গ
ঈমানদার হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত। তাঁকে
যারা না দেখে তাঁর উপর বিশ্বাস
স্থাপন করলো তাদের মর্যাদা বা
ফজিলত কি তার একটি হাদিস তুলে
ধরা হলো-
হজরত আবু আবদুর রহমান জুহানি
রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত একদা
আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বসা
ছিলাম। এমন সময় দু’জন আরোহীকে
আসতে দেখা গেলো। রাসুলুল্লাহ
সালাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
তাদেরকে দেখে বললেন, এদেরকে
কিন্দা ও মাযহিজ গোত্রের মনে
হচ্ছে। অতপর তারা রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লামের নিকট উপস্থিত হলো-
তাদের সঙ্গে মাযহিজ গোত্রের কিছু
লোকও ছিল।
বর্ণনাকারী জুহানি বলেন, অতপর দুই
আগন্তুকের একজন বাইয়াত গ্রহণের
জন্য রাসুলুল্লাহর নিকটবর্তী হলো।
যখন তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাত
নিজের হাতে নিলেন তখন বললেন, হে
আল্লাহর রাসুল! যে ব্যক্তি আপনার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো এবং আপনার
উপর ঈমান আনলো, আপনাকে সত্য বলে
মানলো এবং আপনার অনুসরণ করলো,
সে কি পাবে? রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বললেন, তার জন্য সুসংবাদ
(মোবারকবাদ) অপর লোকটি তাঁর
হাতের উপর হাত বুলিয়ে বাইয়াত গ্রহণ
করে চলে গেল।
অতপর দ্বিতীয় ব্যক্তি অগ্রসর হলো-
সেও বাইয়াত গ্রহণের জন্য
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লামের হাত নিজের হাতে
রেখে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! যে
ব্যক্তি আপনাকে না দেখে ঈমান
আনলো, আপনাকে সত্য বলে মানলো
এবং আপনার অনুসরণ করলো, সে কি
পাবে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তার
জন্য সুসংবাদ, তার জন্য সুসংবাদ, তার
জন্য সুসংবাদ। অতপর এ লোকটিও তাঁর
হাতের উপর হাত বুলিয়ে বাইয়াত গ্রহণ
করে চলে গেল। (মুসনাদে আহমাদ)
উক্ত হাদিস থেকে বুঝা গেল, যারা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া
সাল্লামকে না দেখে তার উপর ঈমান
আনলো এবং তার পরিপূর্ণ অনুসরণ
করলো তার ঈমান ও আমলের মর্যাদা
বেশি। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লামের কর্মনীতির পরিপূর্ণ
অনুসরণ ও অনুকরণ করার তাওফিক দান
করুন। আমিন।
(সংগ্রহীত)
03/01/2016
সুদী ব্যাঙ্কে যারা চাকরী করছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চাকরী ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরী খুজুন-
১- রাসুল (সাঃ) বলেছেন, সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং তার উপর সাক্ষীগণকে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) অভিশাপ করেছেন, আর বলেছেন, ওরা সকলেই সমান। (মুসলিম-১৫৯৭)
২- রাসুল (সাঃ) বলেছেন, জেনে শুনে মানুষের মাত্র ১ দিরহাম খাওয়া সুদ আল্লাহর নিকটে ৩৬ বার ব্যভিচার অপেক্ষা অধিক গুরুত্বর। (মুসনাদে আহমাদ-৫/৩৩৫, সহিহুল জামে-৩৩৭৫)
৩- রাসুল (সাঃ) বলেছেন, সুদ খাওয়ায় রয়েছে ৭০ প্রকার পাপ। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট পাপ হল নিজ মায়ের সাথে ব্যভিচার করার মত। (সহিহ ইবনে মাজাহ-১৮৪৪)
শুধু চাকরিজীবী নয়, সুদী ব্যাঙ্কে টাঁকা রেখে যারা সুদ গ্রহণ করেন তাদের ক্ষেত্রেও একই বিধান। যদি শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক না থাকে আর টাকার নিরাপত্তার জন্য রাখতে বাধ্য হন তবে সুদের অংশ ব্যাংক থেকে নিবেন তারপর সুদের অংশটা ফকির-মিস্কিনের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে এই হারাম থেকে বাচবেন। সুদের অংশটা ব্যাঙ্কে না রেখে তুলে নেওয়ার কারণ হচ্ছে- ব্যাঙ্কে যদি ছেড়ে আসেন তবে এর মাধ্যমে সুদী ব্যাংক উপকৃত হবে, এতে করে খারাপ কাজে সাহায্য করা হয়ে যাচ্ছে আর যেটা নিষেধ তাই এমন বাধ্য হলে সুদের অংশটা তুলে নিয়ে ফকির-মিস্কিনের মধ্যে বিলিয়ে দিবেন।