সদ্য ছ্যাঁকা খাওয়া ক্লাস অফ ক্ল্যান্স (COC) আসক্ত এক প্রেমিকের চিঠি -
প্রিয়তমা,
আমার লাইফে
আর্চারের মত অনেকেই ছিল,কিন্তু আমার আর্চার কুইন একমাত্র তোমাকেই বানাতে চেয়েছিলাম। জায়ান্ট হয়ে তোমার মনের ভিলেজ ভাঙতে চাইনি কখনও। চেয়েছিলাম বিল্ডার হয়ে তোমার মনের ভালবাসা গড়ে তুলতে।কিন্তু সে সুযোগ আমাকে দিলে না তুমি।আমাকে শুধুমাত্র ঝোপ ভেবেই ভুল করলে,ঝোপ সাফ করলে যে জেম পাওয়া যায় সেটা কখনও বুঝলে না।তুমি গোবলিনের মত আমার মন লুট করলে,হগ রাইডারের মত এ ওয়ালে ও ওয়ালে লাফিয়ে লাফিয়ে গোল্ড আর এলিক্সার স্টোরেজ ভাঙলে,কিন্তু কখনো হিলার হয়ে একটু পাওয়ার দিতে পারলে না?শুধু আমার গোল্ড আর এলিক্সার ই প্রিয় ছিল তোমার কাছে? আমার মনের ল্যাবরেটরি তে যে তোমার প্রতি ভালবাসা টা আপগ্রেড দিতে দিতে ম্যাক্স করে ফেলে ছিলাম সেটা বুঝতে পারলে না?আমি হতে চেয়েছিলাম তোমার মনের ভিলেজের বারবেরিয়ান কিং,কিন্তু তোমার তীরের সামনে আমি লেভেল ওয়ানের বারবেরিয়ানদের মত শহীদ হয়ে গেলাম।ম্যাক্স ওয়াল ব্রেকার নিয়েও তোমার মনের দেওয়াল ভাঙতে পারলাম না। তুমি ড্রাগন
হয়ে উড়ে উড়ে আমার মনের সব গোল্ড মাইন,এলিক্সার মাইন জ্বালিয়ে দিলে,আর আমি ট্রফি মাইনাস খেয়ে সেল্ড নিয়ে বসে থাকলাম।কি এমন চেয়েছিলাম আমি?শুধু তোমার মনের টাউনহলে একটু জায়গা? সেটাও আমার জুটলো না,তবে এক দিন ঠিক ই সেল্ড শেষ হবে,সেদিন আমি স্পেল দিয়ে তোমার মনের ভিলেজে বিজলি ঝরাবো,ওয়াল না ভেঙে লুন হয়ে একে একে তোমার ভিলেজ লুট করবো,সেদিন ঠিক ই তোমাকে আমার মনের ভিলেজের আর্চার কুইন হতে হবে,সেদিনের অপেক্ষায়....
ইতি তোমার....
কাছে এটাক খাওয়া এক ব্যর্থ ককিয়ান.
জোকস ভান্ডার 15+
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জোকস ভান্ডার 15+, Library, Badda, Dhaka.
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
একবার সংখ্যা ৯, ৮- কে জোরে এক
থাপ্পড় মারল!
তখন কাঁদতে কাঁদতে ৮ জিজ্ঞাসা
করলো,
"আমাকে মারলে কেন ?"
৯ বলল আমি বড় তাই মেরেছি!
এ কথা শুনে ৮, ৭- কে জোরে এক থাপ্পড়
বসিয়ে দিল! .
৭ যখন ওকে মারার কারণ জানতে
চাইলে ৮ ও বলল,
"আমি বড় তাই মেরেছি!"
একই অজুহাত দেখিয়ে, এরপর ৭, ৬-কে;
৬, ৫-কে;
৫, ৪-কে;
৪, ৩-কে;
৩, ২-কে;
আর ২, ১-কে মারল!
হিসাব মত ১-এর শূণ্যকে মারা উচিত...
কিন্তু "১" মারল না , মারা তো দূরের
কথা,ও ভালোবেসে শূণ্যকে নিজের
পাশে বসিয়ে নিল! দু'জনে মিলে "১০"
হল! .
তারা তখন ৯-এর থেকেও বেশী
শক্তিশালী।হয়ে গেল! তারপর থেকে
"১০" কে সবাই সম্মান করতে শুরু করল!
মূলকথাটি হলঃ .
" ছোট ছোট কারণে, নিজেদের মধ্যে
ঝগড়া, লড়াই না করে, ব্যক্তিগত অহঙ্কার
দূরে সরিয়ে, আমরা যদি একে অন্যের
হাতটা ধরতে পারি, আমাদের শক্তি বহু
গুণ বেড়ে যায়!"..........
★
হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ দম ফাটানো জোকস্ পড়তে লাইক দেন এই পেইজে
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
চরম দুই অলস বন্ধু গাছের নিচে শুয়ে আছে,,,,,,,,
প্রথম বন্ধুঃ দোস, আমার কপালে একটা মাছি বইসা
আছে । একটু
তাড়ায়া দিবি?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ পারমুনা!
একটু আগে আমার মুখটা কুত্তায় চাইট্যা গেল, তবুও
নড়লামনা !!!
আর তুই কস তোর কপালের মাছি খেদায়া দিতে ???
★
হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ দম ফাটানো জোকস্ পড়তে লাইক দেন এই পেইজে
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
আমেরিকায় একটা বাঘ এক
মেয়ের উপড়ে আক্রমণ করলো!
,
,
,
,
বল্টু মিয়া বাঘটাকে মেরে
মেয়েটাকে রক্ষা
করলো।
পত্রিকায় রিপোর্ট "স্থানীয় এক
হিরো বাঘ
মেরে
এক তরুণীকে রক্ষা করছে"।
বল্টু: আমি আমেরিকান না।
রিপোর্ট পরিবর্ত " বিদেশি এক
হিরো বাঘ
মেরে
এক তরুণীকে রক্ষা করছে"।
বল্টু: আমি আসলে বাংলাদেশি।
রিপোর্ট পরিবর্তন করে "Terrorist একটা
নিরীহ বাঘ
মেরে ফেলছে যে একটা মেয়ের
সাথে
খেলা
করছিল।
★
হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ দম ফাটানো জোকস্ পড়তে লাইক দেন এই পেইজে
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
বল্টু পল্টুর মজার মজার জোকস
প্রেম করে বিয়ে করে ছেলে
বাসা থেকে বৌকে নিয়ে শহরে
কোন এক জায়গাতে ফ্লাট নিয়ে খুব আনন্দে থাকতে শুরু করল। বৌ
এর ভালবাসায় সে সবকিছুই ভুলে
যেতে লাগল। একদিন শহরে কোথাও মেলা হচ্ছিল।
তার ছোট বাচ্চাটি বায়না ধরে বসল
আব্বু!!আব্বু!!
আজকে কিন্তু আমাকে মেলায়
নিয়ে যেতে হবে। তো তারা সবাই একত্রে মেলায় গেল। মেলায়
চলাকালিন একসময় তার ছোট
বাচ্চাটি হারিয়ে যায়। স্বামী স্ত্রী
দুজনেই খুব হতাশা
হয়ে পড়ে যখন তারা তাদের
মেয়েটিকে খুঁজে না পায়।
স্ত্রী তো কান্নায় ভেঙ্গেই পড়ে।
স্বামীকে জড়িয়ে ধরে বলে তুমি যেমন
করেই হউক আমার বুকের মানিক
কে এনে দাও আমার মেয়েকে খুঁজে এনে দাও আমি ওকে
ছাড়া এক মুহুত্বও থাকতে পারব
না। স্বামী কিছু না করতে পেরে
শেষে ঘটনাটি
পুলিশকে জানায় পুলিশ অনেক খুঁজা খুঁজির পর তাদের বাচ্চাকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়। বাচ্চা কে পেয়ে তারা দুজনই খুব খুশি হয়।
একসময় স্বামীটি তাদের বাচ্চা
সহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা হয়।
মাঝ পথে স্ত্রী প্রশ্ন করে উঠল
আমরা কেন গ্রামে যাচ্ছি?
স্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে স্বামী
বললঃ তুমি তো তোমার মেয়েটিকে
ছাড়া একটি মূহুর্তও থাকতে পারো না।
আর আমি আজ ১০বছর হলো
আমার মায়ের কাছ থেকে দূরে এসে তোমার সাথে থাকতেছি।তাহলে এবার
একটু ভাবো আমার দুঃখিনী মায়ের মনের কি অবস্থা!!
তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি
আমিও আজ থেকে আমার বৃদ্ধা মায়ের
কাছেই থাকব তার সেবা যত্ন করব।
তাকে ছেড়েও আর কখনও দূরে যাব না...... মা তোমাকে অনেক ভালোবাসি
শুনেছি বিখ্যাত ব্যক্তিরা অধিকাংশই দরিদ্র ছিলেন।
ভাবতেই ভালো লাগছে আমিও দরিদ্র!
বিখ্যাত হওয়া এখন সুধু সময় বাকী
07/07/2016
োবারক
এক চাকরির ইন্টারভিউ চলছে....
প্রথম প্রার্থী এক বাঙালি পরীক্ষা ঘরে
ঢুকেছে....
শিক্ষকঃ দিল্লী চলো কে ডাক দিয়েছিলেন ?
বাঙালিঃ স্যার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস l
শিক্ষকঃ বাঃ বাঃ খুব ভালো, আচ্ছা একজন
দেশপ্রেমিকের নাম বলুন তো ?
বাঙালিঃ স্যার অনেকেই তো আছেন, যেমন
মহাত্মা গান্ধী l
শিক্ষকঃ বাঃ বাঃ খুব সুন্দর, আচ্ছা বলুন তো
ভারত কবে স্বাধীন হয় ?
বাঙালিঃ স্যার, ভারত ১৯৪২ সালে স্বাধীন
হবো
হবো করতে করতে শেষে ১৯৪৭ সালের
১৫ই আগস্ট স্বাধীন হয় l
শিক্ষকঃ খুব সুন্দর ! আচ্ছা এবার লাস্ট
প্রশ্ন,
বলুন তো আকাশে কত গুলো তারা
আছে ?
বাঙালিঃ স্যার এখনও সেটা প্রমানিত হয়নি
তবে বিজ্ঞানিদের গবেষণা চলছে l
শিক্ষকঃ এবার আপনি আসতে পারেন l
*************************************
বাঙালি চলে যাবার সময় পরের প্রতিযোগী
এক বিহারী ছিল l কিন্ত সে বাংলা জানেনা,
তাই বাঙালিকে দরজার কাছে খুব তাড়াতাড়ি
জিজ্ঞেস করলো------ভাই তোমাকে কি কি
প্রশ্ন
ধরলো ?
বাঙালিঃ ভাই প্রশ্ন আমার মনে নেই, তবে
উত্তর গুলো হল.....
1) নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস
2) অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা গান্ধী
3) ১৯৪২ সালে হবো হবো করতে করতে
শেষে
১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট
4) ঠিক এখনও জানা যায়নি, বিজ্ঞানিদের
গবেষণা চলছে
বিহারির প্রবেশ.....
শিক্ষকঃ আপনার নাম কি ?
বিহারীঃ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস l
শিক্ষকঃ (অবাক হয়ে) আপনার বাবার নাম
কি?
বিহারীঃ অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা
গান্ধী l
শিক্ষকঃ (আরও অবাক হয়ে) আপনার কবে
জন্ম হয়েছে ?
বিহারীঃ ১৯৪২ সালে হবো হবো করতে করতে
শেষে ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট l
শিক্ষকঃ আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন ?
বিহারীঃ ঠিক এখনও জানা যায়নি, তবে
বিজ্ঞানীদের গবেষনা চলছে l
শিক্ষক : অজ্ঞান
l
শিক্ষকঃ এবার আপনি আসতে পারেন l
*************************************
বাঙালি চলে যাবার সময় পরের প্রতিযোগী
এক বিহারী ছিল l কিন্ত সে বাংলা জানেনা,
তাই বাঙালিকে দরজার কাছে খুব তাড়াতাড়ি
জিজ্ঞেস করলো------ভাই তোমাকে কি কি
প্রশ্ন
ধরলো ?
বাঙালিঃ ভাই প্রশ্ন আমার মনে নেই, তবে
উত্তর গুলো হল.....
1) নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস
2) অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা গান্ধী
3) ১৯৪২ সালে হবো হবো করতে করতে
শেষে
১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট
4) ঠিক এখনও জানা যায়নি, বিজ্ঞানিদের
গবেষণা চলছে
বিহারির প্রবেশ.....
শিক্ষকঃ আপনার নাম কি ?
বিহারীঃ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস l
শিক্ষকঃ (অবাক হয়ে) আপনার বাবার নাম
কি?
বিহারীঃ অনেকেই তো আছে, যেমন মহাত্মা
গান্ধী l
শিক্ষকঃ (আরও অবাক হয়ে) আপনার কবে
জন্ম হয়েছে ?
বিহারীঃ ১৯৪২ সালে হবো হবো করতে করতে
শেষে ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট l
শিক্ষকঃ আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন ?
বিহারীঃ ঠিক এখনও জানা যায়নি, তবে
বিজ্ঞানীদের গবেষনা চলছে l
শিক্ষক : অজ্ঞান
বারবার খারাপ খেলে ভীষণ মুষড়ে পড়েছে একজন ব্যাটসম্যান। ক্লাব কর্মকর্তা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।
কর্মকর্তা: তুমি যখনই ব্যাট করতে নামো, আমি অবাক হয়ে তোমাকে দেখি। বিশ্বাস করো!
খেলোয়াড়: জানি। আপনি নিশ্চয়ই ভাবেন, আমি কেমন করে খেলি।
কর্মকর্তা: না। আমি ভাবি, তুমি ‘কেন’ খেলো?
এক তরুণী মেয়ে আর
এক বুড়ো দাদু গিয়েছে ওজন
মাপতে।
প্রথমে মেয়েটা ওজন মাপাবার যন্ত্রে উঠলো,
যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল,
টিকেট বেরিয়ে এল,
ওজন ৬০কেজি।
এবার মেয়েটা নামলো,
কাধ থেকে ব্যাগটা নামাল,
আবার
যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল,
টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৫৯কেজি।
আবার মেয়েটা নামলো,
জ্যাকেটটাকে খুলল,
যন্ত্রের
উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল,
টিকেট
বের হয়ে এল, ওজন ৫৮কেজি।
আবার মেয়েটা নামলো,
জুটাটাকে খুলল, যন্ত্রের উপরে
উঠলো,
কয়েন শেষ।
এতক্ষণ ধরে বুড়ো দাদু সবকিছু
দেখছিল।
এবার সে কেশে
বলল, "খুকী, চালিয়ে যাও।
কয়েন লাগলে আমি দেব। "
বলির পাঠারা সব সময়েই ধারন করেছে মানুষের অত্যাচার, দুর্নীতি আর কষ্ট করবার হিংস্র প্রবণতাকে মুক্তি দেয়ার রহস্যময় ক্ষমতা
___মারিয়াক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Badda
Dhaka
1212
