30/09/2022
পাখির চোখে দিনাজপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ বাজেট প্রায় ২৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে আয়োজিত দূর্গাপূজার মুল ফটক। দুর্গা পুজার গেটের এই থিমটি করা হয়েছে ভারতের একটি বিখ্যাত মন্দিরের আদলে।
যেখানে শুধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের খরচ ১৬ লক্ষ টাকা।। দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ভবের বাজারে এই দূর্গাপূজার মুল ফটকটি তৈরীর কাজ করেছে মৈত্রী ডেকোরেটর & ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট।
15/09/2022
চীনা মুদ্রা ইউয়ানে এলসি খুলতে পারবে দেশীয় ব্যাংক
ব্যাংকের বিদেশি শাখার সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের লেনদেনের সুবিধার্থে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, সরকার ২০১৪ সালের মার্চে একটি প্রজ্ঞাপনে ইউয়ানকে রূপান্তরযোগ্য মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তবে অনেক ব্যাংক এখনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বা বৈদেশিক লেনদেনে ইউয়ান ব্যবহার করছে না।
এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো যেন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ আবার নোটিশ জারি করেছে বলে জানান তিনি।
দেশের ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বাণিজ্য ও ব্যাংক উভয় ক্ষেত্রেই ভিন্ন মুদ্রা ব্যবহারে এগিয়ে এলে বৈদেশিক বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আসবে।'
'এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলা ও নিষ্পত্তি করতে একক বৈদেশিক মুদ্রার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আনবে,' বলেন তিনি।
06/09/2022
ছবির এই ভদ্রলোকের নাম এমদাদুল হক। বয়স ৬৫ বছর। বাসা দক্ষিণ মৌড়াইল। দুদকে কর্মরত ছিলেন। গতবছর অবসরে গেছেন।
তিনি সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন কাউন্টারে গিয়ে বলেন, বিভিন্ন সময় তিনি টিকেট না কেটে রেলে ভ্রমন করেছেন। এবং উনার কাছে হিসাব আছে যে কতোবার টিকেট না কেটে ভ্রমণ করেছেন। তার হিসেব অনুয়ায়ী বিনা টিকিটে যার ভ্রমন করা টাকার পরিমান ২৫৩০ টাকা।
এসময় তিনি ভাড়া বাবদ সেই ২৩৫০ টাকা পরিশোধ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, বলেন বিনামূল্যে রেল ভ্রমন করে তিনি রাষ্ট্রের ক্ষতি করেছেন এবং সেই টাকা তিনি ফেরত দিতে চান। স্টেশন টিকিট বুকিং সহকারী দিদার মোল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনে ২৫৩০ টাকা সমমূল্যের আসন বিহীন টিকেট ইস্যু করেন এমদাদুল হকের নামে। এবং তিনি পরিশোধ করেন সেই টাকা।
উনার কথার সারাংশ হলো যতো পূণ্যই করি এই দেনার দায় তো কোনো পূণ্য দিয়ে শোধ করার উপায় নেই, তাই সরাসরি রেলের খাতেই জমা দিয়ে দিলাম। জানি না তাতে আমার দায় মুক্তি হবে কি না, তবে মানষিক প্রশান্তি পাবো অন্ততঃ।পরবর্তীতে উনাকে স্টেশন প্রধান বুকিং সহকারীর অফিসে বসিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
আসুন আমরা বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণ বন্ধ করি। বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। হয়ত শেষ জীবনে আপনিও পুড়বেন অনুশোচনার আগুনে। আসুন আজই প্রায়শ্চিত্ত করি এমন পাপের।
©️ নাজমুস সালেহী
01/09/2022
এভাবেই দেশ এগিয়ে যাবে ......
দেশের প্রকৌশলীরা চীনের লুকিয়ে রাখা প্রযুক্তি হটিয়ে নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিজেল ওয়ার্কশপে সচল করেছে ৫টি ডেমু ট্রেন।
সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ সেট ডেমু ট্রেন আমদানি করা হয় ২০১৩ সালে। উদ্দেশ্য ছিল ওই ট্রেনের মাধ্যমে কাছাকাছি দূরত্বে ব্যাপক যাত্রী পরিবহন করা। চীনের তানশাং ইন্টারন্যাশনাল ও ডানিয়াল টেকনিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওই ডেমু ট্রেনের নির্মাতা। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ওই ট্রেনগুলো এক ধরনের বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে পরিচালিত, যে প্রযুক্তি কখনোই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে হস্তান্তর করেনি। এর মডিউল বিকল হলে নতুন মডিউলের সঙ্গে সফটওয়্যার সেটআপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিত। এর জন্য ধরনা দিতে হত চীনা প্রকৌশলীদের কাছে। যা ছিল অনেক ব্যয়বহুল। একটি ডেমুতে ৪০টি মডিউল রয়েছে। যার এক একটির দাম প্রায় ৭ লাখ টাকা। চীনা প্রকৌশলীরা প্রযুক্তি হস্তান্তর না করায় একটার পর একটা ট্রেন বিকল হতে থাকে।
২০২০ সালে মেরামতের অভাবে ট্রেনগুলো বিকল হয়ে যায়। এসব সচল করতে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অতিরিক্ত মহাপরিচালক জনাব মো. মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী দেশি প্রকৌশলীদের সহযোগিতা নিয়ে ডেমু ট্রেন মেরামতে দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উদ্যোগী হন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী ও আনবিক শক্তি কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামানের সহযোগিতা চাওয়া হয়। জনাব আসাদুজ্জামান ডেমু নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। গবেষণাগার হিসেবে তিনি বেছে নেন সৈয়দপুর রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবের একটি কক্ষ। ৭২ দিনের প্রচেষ্টায় তিনি উদ্ভাবন করে ফেলেন বাস-ট্রাকের মতই ডেমু চালানোর প্রযুক্তি। ব্যয়বহুল মডিউল হটিয়ে দেন তিনি। সেক্ষেত্রে বসানো হয় মাত্র ২টি কন্ট্রোলার। আর চালু হয়ে যায় অচল ট্রেন।
এভাবে ৫ সেট ডেমু সচল করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। দু’মুখে দুটি ইঞ্জিন মাঝখানে একটি কোচ। এরপর পর্যায়ক্রমে লোড বাড়িয়ে ট্রায়াল রান সম্পন্ন করা হয়েছে। এভাবে ৮টি ট্রায়াল রানের প্রতিটিতেই সাফল্য এসেছে।
অকেজো ডেমু মেরামত করে আমাদের প্রকৌশলীরা যুগান্তকারী সাফল্য দেখিয়েছেন। একটি ডেমু ট্রেন মেরামতে ব্যয় হয়েছে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা, যা আমদানি করা হলে কয়েক গুন বেশি টাকা ব্যয় হত। এ নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) করতে গিয়ে আমাদের জনবলও দক্ষ হয়েছেন। তাদের মাধ্যমে পরবর্তী মেরামত কাজ সহজ হবে।
লিখাঃ Shafqat Amin
ছবিঃ Mansib Moheuddin
01/08/2022
আমরা কবে এমন হতে পারবো!
এটা মিজোরাম, ইন্ডিয়ার ছবি। একপাশের রাস্তা ফাঁকা রেখে অন্য পাশে জ্যামের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।।ওরা আমাদের মতো অতো চালাক না সবাই বোকা।
05/04/2022
বাংলাদেশে এখন ই–পাসপোর্ট দেওয়া হয়। আগের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) দেওয়া হয় না।
তবে দেশের বাহিরে অনেক দূতাবাসে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) এখনও দেয়া হয়। তবে পর্যায়ক্রমে এমআরপি বন্ধ করে সব জায়গায় ই–পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
ই–পাসপোর্ট পাওয়ার প্রথম শর্ত জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতেই পাসপোর্ট হবে।
প্রবাসে থাকায় অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। ফলে শুধু মাত্র এমআরপি পাসপোর্ট দিয়ে তারা কোন ভাবেই নতুন ই–পাসপোর্ট পাবেন না।
অনেকে বয়স বাড়িয়ে পাসপোর্ট বানিয়ে বিদেশে গেছেন। তাদের পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়সে মিল নেই। এই মিল সংশোধন না করলে জটিলতা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের এটি সংশোধন করতে হবে।
পাসপোর্ট আগে করেছেন, পরে জাতীয় পরিচয়পত্রের পেয়েছেন। কিন্তু পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম, বাবার নাম কিংবা মায়ের নামের বানান আংশিক অমিল আছে। সেগুলো সংশোধন না করলে আপনি জটিলতায় পড়বেন।
যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদও শেষের পথে। তাদের জন্য বাংলা এভিয়েশনের পরামর্শ, দূতাবাস থেকে এমআরপি পাসপোর্ট নবায়ন করে দেশে আসুন। দেশে এসে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া আপনি পাসপোর্ট করতে পারবেন না। ফলে ছুটির সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট নবায়ন করতে না পারলে আপনি দেশে আটকে থাকবেন।
যাদের পরিচয়পত্র নেই, তাদের জন্য পরামর্শ হলো দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য আবেদন করুন। আগামীতে দূতাবাসের মাধ্যমেও ই–পাসপোর্ট দেওয়া হবে। ই–পাসপোর্ট পাওয়ার প্রথম শর্ত জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে বিদেশেও আপনি পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারবেন না।
26/03/2022
👉জেনে রাখুন : ট্রেনের নতুন ই-টিকেটিং সিস্টেম
২৬/০৩/২০২২, তারিখ থেকে চালু হতে যাওয়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেটিং সিস্টেমে টিকেট ক্রয়ের নিয়মাবলী/পদ্ধতিঃ
Registration প্রক্রিয়াঃ (শুধুমাত্র একবার করতে হবে)।
প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।
ওয়েব সাইটটির নীচের দিকে “Registration” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
Create an Account” নামের নতুন একটি Page আসবে। এখানে “Personal Information” এর সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে পূরণ করতঃ Security code ঘরের পাশে প্রদর্শিত “Security Code” দিয়ে পূরণ করে Register বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সকল তথ্যাদি সঠিক থাকলে “Registration Successful” নামে নতুন একটি Page আসবে।
ই-টিকেটিং সিস্টেম থেকে তাৎক্ষনিকভাবে আপনার প্রদত্ত ই-মেইল ঠিকানা Bangladesh Railway এর থেকে একটি ই-মেইল পাঠানো হবে।
আপনার ই-মেইল এর মেসেজ বক্সে Bangladesh Railway প্রদত্ত ই-মেইলটি খুলতে হবে। মেসেজের ভিতর রক্ষিত “Click” লিংকটিতে ক্লিক করতে হবে। এ প্রক্রিয়ার পর যাত্রীর Registration প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে।
ক্রয় প্রক্রিয়াঃ
প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।
“Log in” এর প্যানেল ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড পূরণ করতঃ “Log in” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর যে Pageটি আসবে তাতে “Purchase ticket” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এখানে যে Pageটি আসবে সে Page এ আপনার চাহিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, ট্রেনের নাম, শ্রেনী, টিকেট সংখ্যা যেভাবে রয়েছে তা পূরণ করতে হবে। এর পরের পেইজে “Registration Seat Available” দ্বারা চাহিত টিকেট এবং এর মূল্যমান জানিয়ে দেয়া হবে। টিকেট থাকলে “Purchase ticket” বাটন ক্লিক করতে হবে।
ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশ কার্ড কিংবা ব্রাক ব্যাংকের একাউন্ট মারফত যাত্রির জমাকৃত টাকা থেকে টিকেট মূল্য কেটে নেয়া হবে এবং যাত্রীর ই-মেইলে ই-টিকেটটি পাঠিয়ে টিকেট নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।
ই-মেইল মেসেজ বক্স থেকে প্রেরিত টিকেটটির প্রিন্ট নিয়ে ফটো আইডিসহ ই-টিকেট প্রদত্ত “Ticket Print Information” প্রদান করে সংশ্লিষ্ট সোর্স ষ্টেশন থেকে যাত্রার পূর্বে ছাপানো টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
[ বিঃদ্রঃ ২৬ মার্চ থেকে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে ] সংগৃহীত
12/03/2022
দাম বেশি নিলেই ভাউচার সব অভিযোগ করুন।।।।
14/01/2022
গুনে দেখুন তো এই ১৩৫ টা ভ্রমণস্থানের মধ্যে কয়টাতে আপনি গিয়েছেন আর কয়টাতে আপনার যাওয়ার ইচ্ছা আছে।
১. সেন্ট মার্টিন
২. কক্সবাজার
৩. সাজেক
৪. সুন্দরবন
৫. জাফলং
৬. নিলগিরি ও নিলাচল
৭. নিঝুম দ্বীপ
৮. পতেঙ্গা
৯. পানামাসিটি
১০. টাঙ্গুয়ার হাওর
১১. সাদা পাথর
১২. শ্রীমঙ্গল
১৩. লালবাগ কেল্লা
১৪. ষাটগম্বুজ মসজিদ
১৫. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
১৬. মাধবকুণ্ড
১৭. বাঘা মসজিদ
১৮. বিছানাকান্দী
১৯. গুলিয়াখালি
২০. তেতুলিয়া
২১. টেকনাফ
২২. মহাস্থানগড়
২৩. বিরিশিরি
২৪. আমিয়াখুম
২৫. কালাপাহাড়
২৬. কুসুম্বা মসজিদ
২৭. চন্দ্রনাথ
২৮. আহসান মঞ্জিল
২৯. মায়াংতং
৩০. তাজহাট প্যালেস
৩১. বরেন্দ্র যাদুঘর
৩২. ছোট সোনা মসজিদ
৩৩. সাফারি পার্ক
৩৪. পাকশি সেতু
৩৫. শিমুল বাগান
৩৬. নিকলী হাওর
৩৭. নয়াবাদ মসজিদ
৩৮. মহেশখালী
৩৯. চিনির মসজিদ
৪০. অষ্টগ্রাম মিঠামাইন
৪১. বালাসী ঘাট
৪২. রেমা কালেঙ্গা
৪৩.কান্তজীর মন্দির
৪৪. রামসাগর
৪৫. বায়োজিদ বোস্তামির মাজার
৪৬. ভাটিয়ারী লেক
৪৭. ফয়েজ লেক
৪৮. তিন নদীর মোহনা
৪৯. হরিনঘাটা
৫০. চর মনপুরা
৫১. গুটিয়া মসজিদ
৫২. চর কুকরি মুকরি
৫৩. কেওক্রাডং
৫৪. বেহুলার বাসর ঘর
৫৫. চিম্বুক পাহাড়
৫৬. হিমছড়ি
৫৭. তাজিংডং
৫৮. বগালেক ও আলীর গুহা
৫৯.কাপ্তাই লেক
৬০. মহেরা জমিদার বাড়ি
৬১. ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ
৬২. জাতীয় সংসদ ভবন
৬৩. কার্জন হল
৬৪. ঝুলন্ত ব্রীজ
৬৫. গারো পাহাড়
৬৬. আলেকজান্ডার ক্যাসেল
৬৭.কংলাক পাড়া
৬৮. আলুটিলা গুহা
৬৯. গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও লেক
৭০. ভাওয়াল রাজবাড়ি ও রিসোর্ট
৭১. রিসাং ঝনা
৭২. তারেং
৭৩. বাশবাড়িয়া
৭৪. হটিকালচার পার্ক
৭৫. ময়নামতি
৭৬. যমুনা সেতু ও চায়না বাধ ৩
৭৭. শতবর্ষী আম গাছ
৭৮. বারিক্কা টিলা ও নিলাদ্রী লেক
৭৯. শাহ জালালের মাজার
৮০. মালনীছড়া চা বাগান
৮১. লালা খাল
৮২. রাতারগুল
৮৩. পান্থমুই
৮৪. মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত
৮৫. পুঠিয়া রাজবাড়ি
৮৬. মহারাজার দিঘী
৮৭. জ্বিনের মসজিদ
৮৮. রকস মিউজিয়াম
৮৯. লেবুর চর ও ফাতরার বন
৯০. ভাসমান পিয়ারা বাজার
৯১. বজরা শাহি মসজিদ
৯২. ইনানী বিচ
৯৩. অরুনিমা গলফ রিসোর্ট
৯৪. চাটমোহর শাহী মসজিদ ও গজনার বিল
৯৫. নীল সাগর
৯৬. ইদ্রাকপুর কেল্লা
৯৭. ওয়ারী বটেশ্বর
৯৮. উত্তরা গণভবন
৯৯. চলন বিল
১০০. লোকশিল্প যাদুঘর
১০১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্দ্যান
১০২. হাম হাম
১০৩. হাকালুকি হাওর
১০৪. মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌদ্ধ
১০৫. বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
১০৬. তিন বিঘা করিডোর
১০৭. তিস্তা ব্যারেজ
১০৮. হারানো মসজিদ
১০৯. কুঠি বাড়ি
১১০. চিলমারি বন্দর
১১১. ঝাপা বাওর
১১২. মল্লিক পুরের বটগাছ
১১৩. খৈয়াছড়া
১১৪. নাপিত্তাছড়া
১১৫. কুমিরা
১১৬. সন্দ্বীপ
১১৭. সোনাইছড়ি ট্রেইল
১১৮. সুপ্তধারা সহস্রধারা
১১৯. কমলদহ ট্রেইল
১২০. কুতুবদিয়া দ্বীপ
১২১. দুমলং
১২২. দুপ্পানি ঝনা
১২৩. গাছ কাটা ঝনা
১২৪. মাওয়া
১২৫. স্বনমন্দির
১২৬. মেঘলা
১২৭. তিনাপ সাইতার
১২৮. দেবতাখুম, সাত ভাই খুম, ভোলাখুম
১২৯. মহামায়া লেক
১৩০. যোগী হাফং
১৩১. ক্রিস তং
১৩২. ডিম পাহাড়
১৩৩. রেমাক্রি
১৩৪. ডিবির হাওর
১৩৫. রিজার্ভ ফলস
09/01/2022
কত ভোট পেলে জামানতের টাকা পেরত পাওয়া যায় আর সরকার কত টাকা খরচ করেছেন প্রতি ভোটের পেছনে। জানতে হলে দেখতে হবে।।